আধুনিক সন্তান ও আধুনিক মা-বাবা – ড. সালমা লাইজু

“মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশত”
ইসলামের এই নির্দেশনা আমরা সবাই জানি। নেপোলিয়ান বলেছিলেন আমাকে ভালো মা দাও আমি একটি ভালো জাতি দেবো। পৃথিবীর বিখ্যাত মনীষীদের মায়ের কিছু কিছু কথা আমরা জানি তাদের উচ্চস্তরের তাকওয়া, পরহেজগারি আর আদর্শের জন্য তাদের সন্তান সন্ততি হয়েছিল উঁচুস্তরের। খারাপ বীজে কখনও ভালো গাছ হয় না এ কথা কে না জানে। সময় পরিবর্তন হয়েছে, পরিবর্তন হচ্ছে মানুষের শিক্ষা, সংস্কৃতি, মূল্যবোধ চালচলন। গত দিনের অধিকাংশই এখন অতীত। কিন্তু অতীতের সব বর্তমানের চেয়ে খারাপ এ কথাও কেউ বলতে পারবে না। মানুষ এগিয়ে চলছে প্রযুক্তি আর পরিপাটির দিকে। কিন্তু সুস্থ সংস্কৃতি, মূল্যবোধ, মানবতা, ঐতিহ্যে কি এগিয়ে যাচ্ছে? মোটেও না। আমরা এখনও আমাদের দাদী, নানী কিংবা পুরনো বয়স্ক লোকদের দেখি তারা অনেকটা ভালো আছে। যাদের তুলনায় এখনকার নতুন প্রজন্ম এসবের আশপাশেও নেই। নিকট আত্মীয় ছাড়াও পাড়া প্রতিবেশী, দূর সম্পর্কের আত্মীয় সবাইকে ছোট সময়ে কত আপন দেখেছি, কাউকে দেখে মনেই হয়নি এরা আমাদের আপন নয়। বাস্তবতার খাতিরে আমাদের বাড়িগুলো ছোট হয়েছে, কেউ কেউ থাকি ছোট ফ্ল্যাটে, বোধ করি এজন্য মনগুলোও ছোট হয়েছে। বড় বাড়ি বড় আঙিনাতে থাকলে মনে হয় মনগুলো বড় হয়। ছোট পরিসরে মন ছোট হয়ে যায়, আমাদের সন্তানরা এখন এই পরিবর্তিত পরিবেশে বড় হচ্ছে।
আশপাশে, পথেঘাটে হাজারো শিশু, কিশোর, যুবক-যুবতী, আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম, বাস্তবে ওরা কেমন আছে? পত্রিকার পাতায় দেখি এদের যে অবক্ষয় যা অতীতে এমন ছিল না। ছেলেমেয়ে দুশ্চরিত্র কিংবা খারাপ আচরণ করেছে এমন দেখলে বাবা মায়ের অন্তর ভেঙে যেত। এখন তো ছেলেমেয়ে দুপুরে ঘুম থেকে ওঠে। জিজ্ঞাসা করলে মা বলেন, রাতে পড়তে হবে দিনে না ঘুমালে রাতে পড়তে পারবে না, রাতের পড়া আসল পড়া ইত্যাদি অনেক যুক্তি। সন্তান অনেক আদরের স্নেহের, বাবা মায়ের উচিত যেই সন্তানকে আদর্শ সন্তান হিসেবে মানুষ করা যাতে যে ইহকাল এবং পরকালে শান্তি লাভ, অর্থাৎ সাফল্য লাভ করতে পারে। কিন্তু সমস্যা এখানেই। সাফল্যের সংজ্ঞা কী? যা কিনা প্রিয় সন্তানের সাথে সম্পর্কিত। যদি কাছের কাউকে বলা যায় সন্তানকে কেন দ্বীনিভাবে গড়ে তুলছেন না, বলবে সময় কোথায়, আগে দুনিয়ার জন্য যোগ্য হোক, ধর্ম পরে করবে। সেই তিন বছর থেকে ছোট শিশুকে ভর্তি করার তীব্র প্রতিযোগিতা, সে না হয় হলো। এ সময় প্রথমে তাকে আরবি, ইসলামি শিশুসাহিত্য ছোট ছোট হাদীস শেখানোর সময়। মায়েরা যদিও বই কিনে দেন, তা দেন ঈষপের গল্প না হয় সায়েন্স ফিকশন। অনেকে তো গর্ব করে বলেন আমার বাচ্চা অমুক অমুকের বই পড়েছে, এই বয়সেই ওর যা জ্ঞান। আফসোস (!) এইভাবে ধীরে ধীরে একজন মা তার সন্তানকে সেক্যুলার করে গড়ে তোলেন; তাকে ছোট থেকে ইসলামের সৌন্দর্য ও হাদীস-কোরআনের উপমার কথা বলে না। তারা যদিও কোন ভালো কথা বলেন তাহলে সন্তানরা মনে করে সেটা মায়েরই কথা। ব্যাপারটা এমন, মা খুব ভালো তাই যে অনেক ভালো কথা বলেন। অনেকে তো অনেক সময় বলে আমার মা এটা বলেছেন। ইসলামের কথা কি সে তো জানে না, শোনেওনি কোনদিন, দিনে দিনে এই ছেলে মেয়ে ধর্মকে পাশ কাটিয়ে বড় হয়, আর জীবনের “অরস রহ ষরভব” হল ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হওয়া; জীবনটা ঊহলড়ু করা, আধুনিক আর স্মার্ট হয়ে চলাফেরা করা। দুনিয়ায় প্রতিষ্ঠার জন্য যা যা করা প্রয়োজন বাবা মাকে তাকে সাহায্য করে সবকিছু করার জন্য। এক পরিচিত লোকের ছেলেকে ক্যাডেটে ভর্তি করার জন্য যে একবার স্বনামে, দ্বিতীয়বার নাম বদল করে নতুন করে জন্ম নিবন্ধন কার্ড নিয়ে পরীক্ষা দেয়ালো সে এইভাবে বড় ছেলেকে ভর্তি করেছিল তাতে তার সাফল্য ছিল ভালো। ছেলেমেয়েকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য তাদের যে অবস্থা তা গল্পকেও হার মানায়। কালো বাজার থেকে ফাঁস করা প্রশ্ন কিনে সন্তানকে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার বানানো হচ্ছে। এই যে শিক্ষা বাবা-মা তাকে দিলেন এই শিক্ষা বংশপরস্পরায় চলতে থাকবে শুধু সন্তান নয়, নাতি নাতনী সকলের ক্ষেত্রেই এই ভূমিকাই রাখবে। অনেক বাবা মা বিশ্বাস করেন উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য যেকোন কাজ দোষের না। কিন্তু এই শিক্ষা যখন তার মগজ দখল করে তখন যে তার কর্মজীবনেও এর স্বাক্ষর রাখে। নিষ্পাপ শিশুসন্তানকে বাবা-মা যখন আধুনিক বানানোর প্রয়াস নিয়ে, দুনিয়ার প্রতিযোগিতায়র চৌকস বানানোর জন্য তৈরি করেন, তখন ধীরে ধীরে তার ধর্ম দূরে চলে যায়। পরিবার মানুষ গড়ার সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান। এখানে যখন সে এসব দেখে না শেখে না তখন সে হতভাগ্য হয়ে গড়ে ওঠে। দুনিয়াকে সে পায়, পায় না তাও অনিশ্চিত, কিন্তু পরকাল যে একদম হারায়!
সন্তানদের নামাজ পড়ার তাগিদ দেওয়ার কথা ৭ বছর বয়স থেকে, অথচ ৪০ বছর বয়সেও সে নামাজ পড়া শেখে না। এ বয়সে সে একজন পরিণত মানুষ, তারও তখন সন্তান, বৌ/স্বামী থাকে, সে তখন আরো ব্যস্ত। চাকরি, ক্যারিয়ার, রাত জাগা, সকালে ৮-৯টায় ঘুম থেকে ওঠা, ফ্রেশ হয়ে ব্রেক ফাস্ট অফিসে যাওয়া, কফি শপ, চাইনিজ রেস্তোরাঁ, বার্থ ডে পার্টি, ম্যারেজ ডে, স্পেশাল ডের পার্টি। সেই সঙ্গে বৈশাখী সাজ, বন্ধু বান্ধুবদের বিয়ে, বিভিন্ন পার্টিতে এইসব আধুনিক বাবা মা আর আধুনিক সন্তানদের জীবন অতিবাহিত হচ্ছে। ইসলাম থেকে অনেক দূরে, সম্পূর্ণ বানানো এক কৃষ্টি কালচার যেখানে যে কোন ধর্মের বোঝা দায়! আর আল্লাহ আছে না ঈশ্বর না গড আছে বোঝা দায়; এ নিয়ে তাদের যে কোন চিন্তাও আছে, বোঝা যায় না। কিছু কিছু পরিবারে কিন্তু হালকা পাতলা নামাজ-কোরআন পড়া, রোজা রাখা চালু আছে। ঈদের নামাজ সাথে সাথে শুক্রবারের নামাজ- এ সবতো একটু আধটু করতেই হয়! সামাজিকতাও তো আছে। মেয়েদের ছোট থেকে জিন্স পরায়। অনেক মা গর্ব করে বলেন, আমার মেয়ে একটু স্মার্ট, নরমাল ড্রেস ও পরবে না, বোরখা তো প্রশ্নই ওঠে না। তবে ওর মনটা কিন্তু খুউব- ভালো, বড় হলে কোন একদিন পরতেও পারে। বড় হবে, বিয়ে শাদি হবে, একটু এনজয় করবে এখন থেকেই হিজাব পরিয়ে আমি ওর জীবনকে তো রুদ্ধ করে দিতে পারি না, জীবনের স্বাদ আহ্লাদ আছে! তাছাড়া বোরখা পরে থাকলে ভালো চাকরি ভালো বিয়ে হওয়া কঠিন। ছোট থেকে বেশি নামাজ টামাজের দিকে ঝুঁকলে লেখাপড়া হবে না। যারা এসব করে তারা মৌলবাদী, ওসব করা যাবে না। অনেক শিশু দেখে বাবার আয়বর্হিভূত স্বাচ্ছন্দ্য, অবৈধ টাকার ছড়াছড়ি, ছোট থেকেই বাবা মায়ের টাকার গরমে শিশুরাও গরম থেকে মহা গরমে বড় হতে থাকে। অনেকের মা তো মাথার সাথে চশমা রেখে, বাচ্চাকে স্মার্ট হওয়ার তালিম দিতে দিতে পেরেশান হয়ে পড়েন। বিউটি পার্লারে মেয়েকে সাথে নিয়ে মা-মেয়ে এক সাথে ভ্রূ প্লাক করে চুল, স্ট্রেইট করে, মেকআপ করে। এখানে পরস্পরের প্রতি যে শ্রদ্ধাবোধ ভয়, আদর্শ যেগুলো কিছুই থাকে না। আজকালকার বাচ্চারা তো বাবা মায়ের সঙ্গে চিৎকার করে কথা বলে কোন আদেশ নিষেধ তো শুনতেই চায় না। যে বীজ মা বপন করেন তার ফল ধীরে ধীরে বিকশিত হতে থাকে। কোন কোনো ছেলে মেয়ে বাবা মায়ের সামনে যখন গার্ল-বয় ফ্রেন্ড নিয়ে ঘুরে বেড়ায় তখনও তার কোনো বক্তব্য থাকে না। বরং তাদের নিরাপদে বাসায় যাতায়াত সুগম করে দেন, একদিন এরা উধাও হয়ে গেলে তবুও বাবা-মা লজ্জা পান না। দেখা হলে বলে ভাবী ওদের পছন্দ ছিল, আজকাল তো এমন হয়েই থাকে তাই না। সত্যিই তো, এটা তো প্রগতির একটা অংশ। এই প্রগতির পথে চলতে যেয়ে আজ সমাজে বৃদ্ধাশ্রম বাড়ছে, বাবা-মায়ের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নষ্ট হচ্ছে, আর বাবা মা নিজের এত আদরের সন্তানকে তিলে তিলে জাহান্নামের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। নিজেরা জাহান্নামের দিকে হাঁটছে সেই সাথে নিজের সন্তানদের কেউ সে পথে নিয়ে যাচ্ছে। আমি এক মহিলাকে পর্দার কথা বলছিলাম, উনার বাবা সদ্য হজ করে এসেছেন। আসার সময় আত্মীয়স্বজনদের জন্য বোরখা, হিজাব, জায়নামাজ, তসবিহ, আতর এনেছেন, কিন্তু নিজের মেয়েদের জন্য আনেননি। কেন জিজ্ঞাসা করলে বলেন, আমার আব্বা তো কোনদিন বোরখা টোরখা পরতে বলেননি, উনার ধারণা বয়স হলে একদিন আমরাই পরব। বললাম এতদিন পর্দা না করার জন্য যে পাপ হলো এর দায়ভার কাকে দেবেন? মেয়ে ঝটপট উত্তর দিলো আমার বাবা-মাকে। কারণ, তারা কখনও আমাদের কুরআন হাদীস বলেননি। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে বহু মেয়ের বাবাকে দেখেছি দাড়ি টুপি পাঞ্জাবি আর মায়েরা পরছে বোরখা অথচ মেয়ের গায়ে জর্জেট ওড়না। ইসলামের শিক্ষার চিহ্ন পর্যন্তও নেই। এরপরও এত অন্ধকারের মধ্যে ইসলামের পথে এসব প্রগতিশীল আধুনিক বাবা-মায়ের আধুনিক ছেলেমেয়েরা যে একদম নেই, না তা নয়। তবে খুবই সামান্য, যা হওয়ার কথা ছিল অনেক বেশি। সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে সর্বশেষ এবং চূড়ান্ত পরীক্ষায় গোল্ডেন A+ পাওয়ার জন্য উচিত সব বাবার মার অনেক যত্ন আর চেষ্টা করা যাতে করে অনন্তকাল সে শান্তিতে থাকতে পারে। যেটি না করলে বাবা-মাসহ সন্তান চূড়ান্ত পরীক্ষায় ফেল করে আজীবন জাহান্নামে জ্বলে পুড়ে মরবে। বাবা বলে সামান্য খাতিরও সন্তান করবে না, বরং আল্লাহর কাছে ঐসব বাবা-মায়ের অবহেলার কারণে তাদের দুর্দশার জন্য দায়ী করবে। আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ জানাবে। মা-বাবা হওয়া সহজ, কিন্তু প্রকৃত মা-বাবা হয়ে সন্তানকে ইহকালে শান্তি আর পরকালে মুক্তির পথ যে দেখায় সেই সফল মা-বাবা। তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই বাবার চেয়ে মার ভূমিকা অনেক বেশি। একজন মা শুধু মা-ই পারে তার সন্তানের শিক্ষক হতে, তাকে দুনিয়ায় প্রতিষ্ঠিত করতে আর বেহেশতের পথও ধরাতে। মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশত। সেই মায়ের হাতেই আজ হচ্ছে প্রিয় সন্তানের জাহান্নাম, এখনও সময় আছে আমাদের মা-বোন, সন্তানদের এখনই সচেতন করতে হবে, এ কথাগুলো ছড়িয়ে দিতে হবে সব মায়ের কানে, মন-মগজে। তাহলেই মিলবে সন্তানের জান্নাত।
অনেক বাবা-মা আছে তারা কিছুটা ভালো-মন্দ বোঝার ক্ষমতা রাখেন। তবে সবচেয়ে বড় বিস্ময়, এরাও সন্তানের ব্যাপারে সমান উদাসীন। তারা সন্তানদের সঙ্গে ভালো বিষয় শেয়ার করেন না, নিজেরা বেহেশত যাওয়ার জন্য হজে যান বারবার, বাড়িতে বেপর্দা মেয়ে, ছেলের অবস্থা আরও করুণ, প্রেম করে বেড়ায় সহপাঠীদের সাথে। বাবা যখন আখেরাতের প্রস্তুতিতে, ছেলে তখন facebook এ ব্যস্ত, এই তো তাদের অবস্থা। অনেক বাবা-মা সন্তানদের সামনে রাতভর টিভি দেখেন, সিরিয়ালে নিয়মিত, একজন উচ্চশিক্ষিত, নামাজি লোকের সন্তানদের আরও পিছিয়ে দিতে সাহায্য করে। অবশ্য তাতে তাদের কিছু আসে যায় না। এদের বক্তব্য সবাইতো আর এক সমান নয়, যার যা ভালো লাগে সে তাই করবে। আর এভাবেই আদর্শের মৃত্যু হয়, কিংবা আদর্শ বিকৃত হয়ে শুরু হয় নতুন নতুন বিকৃত চিন্তা-ধারণা। পরবর্তীতে এসব সন্তান সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অংশ নিতেও দ্বিধাবোধ করে না।
গ্রামের মায়েদের অবস্থাও আরো খারাপ, ছেলে বড় হয়েছে বাবা মা তাদের সমীহ করে কথা বলে। ছেলে শিক্ষিত হয়েছে কাজেই তার কথার বাইরে যাওয়া যাবে না, ধর্মের কথা তো দূরে থাক- পোলাপান মানুষ, বিয়েশাদি করলে বুদ্ধি হবে, পরে ঠিক হয়ে যাবে। পোলার দাদা-নানা আল্লাহওয়ালা লোক ছিল। কাজেই আমার ছেলে খারাপ হতে পারে না। চোখের সামনে দেখছে ছেলে নামাজ পড়ে না, নেশা করে। তারপরও বাবা মায়ের স্নেহের দরুন চোখে ধুলা দেয়। ছেলে-মেয়েদের অন্যায় আয়ের উৎস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা না করে তারা উৎসাহিত করে। অথচ তাদের সাবধানবাণী ছেলেকে শোনালে কতই না ভালো হতো। এমন লোকও তো আছে যারা ছেলেমেয়ের টাকার উৎস সম্পর্কে খোঁজ নেয়, অবৈধ টাকা নেবে না বলে জানিয়ে দেয়। বাবা-মায়ের শাসন সন্তানকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। ভুলতো হতেই পারে তার জন্য বাবা-মায়ের সৎ উপদেশ, আদর আর সুশিক্ষা-ই যথেষ্ট।
লেখক : কলামিস্ট ও গবেষক

SHARE

Leave a Reply