ইসলামী আন্দোলন কতিপয় বৈশিষ্ট্য

আব্দুদ্দাইয়ান মুহাম্মদ ইউনুছ

অন্যান্য আন্দোলন ও ইসলামী আন্দোলন
সাধারণত দাবি দাওয়া আদায়ের জন্য সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় বা আদর্শিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠন বা ইস্যুভিত্তিক গঠিত নানা সংগঠন আন্দোলন করে। যেমন বাস ভাড়া বৃদ্ধি পেলে বাস ভাড়া কমানোর জন্য আন্দোলন হয়। ছাত্র-ছাত্রীদের বেতন বৃদ্ধি পেলে বর্ধিত বেতন কমানোর জন্য বা বিভিন্ন দাবিতে ছাত্র আন্দোলন হয়। সরকারি বা বেসরকারি চাকরিজীবীদের বেতনভাতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলন হয়। শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের জন্য শ্রমিক আন্দোলন হয়। আর কিছু সংগঠন অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে সুস্থ ধারার সংস্কৃতিচর্চার আন্দোলন করছে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতেও আন্দোলন হতে দেখা যায়। যেমন ২০০১ সালে আফগানিস্তানে এবং ২০০৩ সালে ইরাকে যুদ্ধ শুরুর পর উক্ত যুদ্ধ বন্ধের জন্য বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন সংগঠনের নামে আন্দোলন হয় এবং বর্তমানেও চলছে। ১৮৫৭ সালে ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে ‘সিপাহি বিদ্রোহ‘ সংঘটিত হয়। উক্ত আন্দোলন দমনের জন্য ব্রিটিশ সরকার হাজার হাজার মানুষের ওপর নির্মমভাবে অত্যাচার চালিয়েছিল।
জাতীয় অনেক ইস্যুতেও আন্দোলন হয়। যেমন ১৯৫২ সালে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ভাষা আন্দোলন হয় এবং সালাম বরকত, রফিক, জব্বারসহ নাম জানা অজানা অনেকই শহীদ হন বা নির্যাতনের শিকার হন। ১৯৬৯ সালে আইউব সরকারের স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ, জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল গণতান্ত্রিক আন্দোলন করে। বাংলাদেশেও ১৯৮৩-৯০ সাল পর্যন্ত বিএনপি, আওয়ামী লীগ, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন যুগপৎভাবে স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক আন্দোলন করে। ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৬ সালের ফেব্র“য়ারি পর্যন্ত আওয়ামী লীগ ও জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন দল কেয়ারটেকার সরকারের জন্য আন্দোলন করে। এই ধরনের ইস্যুভিত্তিক আন্দোলনের সফলতা বা ব্যর্থতা দাবি আদায়ের সাথে সম্পৃক্ত বলে বিবেচিত।
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে পরাধীনতা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য স্বাধিকার আন্দোলন হয়। যেমন ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের শোষণের বিরুদ্ধে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ পরিচালিত হয় এবং লাখো জনতার ত্যাগ ও কুরবানির ফলশ্রুতিতে আমরা বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভ করি।
পৃথিবীর কিছু দেশে সুনির্দিষ্ট আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য কিছু আন্দোলন যুগ যুগ ধরে পরিচালিত হচ্ছে। কমিউনিজম বা সমাজতান্ত্রিক আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য অনেকই আন্দোলন করে জেল-জুলম নির্যাতন হাসি মুখে বরণ করেছেন।
ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য যুগ যুগ ধরে বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন নামে আন্দোলন পরিচালিত হয়েছে। বিংশ শতাব্দীতে সাইয়েদ আবুল আলা মওদূদী (রহ) ১৯৪১ সালের ২৬ আগস্ট পাক-ভারত উপমহাদেশে জামায়াতে ইসলামী প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯২৮ সালের মার্চ মাসে শহীদ ইমাম হাসান আল বান্না মিসরে ইখওয়ানুল মুসলিমুন নামে ইসলামী পুনর্জাগরণ আন্দোলনের সূচনা করেন। এ ছাড়া তুরস্কের বদিউজ্জামান সাঈদ নুরসী এবং ফিলিস্তিনের শেখ ইয়াসীন ইসলামী পুনর্জাগরণ আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ। মওদূদী (রহ), শহীদ হাসানুল বান্না (রহ) ও সাঈদ নুরসী (রহ) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ইসলামী আন্দোলনের ঢেউ বিশ্বের সর্বত্রই বিংশ শতাব্দীতে ইসলামী রেনসাঁ শুরু হয়। একবিশং শতাব্দীতেও উক্ত আন্দোলনের ঢেউ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এক নব চেতনা সৃষ্টি করেছে।
আমাদের মাঝে অনেকই আছেন এসব আন্দোলনের পুরোধা বা বাস্তব সাক্ষী । আর কেউ কেউ বিভিন্ন আন্দোলনের ইতিহাস অধ্যয়ন করে বর্তমান জমানায় বিভিন্ন আন্দোলন পরিচালনায় কর্মনীতি ও কর্মকৌশল প্রণয়ন করার ক্ষেত্রে ভূমিকা পালন করছেন। এই পর্যায়ে একটি বিষয় স্পষ্ট করা দরকার যে, ইসলামী আন্দোলন এবং অন্যান্য আন্দোলনের প্রকৃতি, উদ্দেশ্য এবং কর্মকৌশলের মাঝে পার্থক্য রয়েছে। এই পার্থক্যের কারণে ইসলামী আন্দোলনের সফলতা শুধু জাগতিক জয়-পরাজয়ের সাথে সম্পৃক্ত নয়। ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের সফলতা বা ব্যর্থতা মূলত আখিরাতে পীড়াদায়ক শাস্তি থেকে নাজাত পাওয়ার ওপরই নির্ভরশীল। এক কথায় আল্লাহকে রাজি ও খুশি করার মাঝেই ইসলামী আন্দোলনের সফলতা নির্ভর করে। দুনিয়াতে কেউ সফল হলেও আল্লাহ পাক যদি তার ওপর খুশি না হন তাহলে তার উক্ত সফলতা আখিরাতে মূল্যহীন হবে। আর দুনিয়াতে বাহ্যিক দৃষ্টিতে বিফল মনে হলেও খুলুসিয়াতের সাথে কাজ করে আল্লাহ তায়ালাকে খুশি করতে পারলে তিনি প্রকৃত অর্থেই সফলকাম। অতএব, ইসলামী আন্দোলন এবং অন্যান্য আন্দোলনের সফলতা বা ব্যর্থতা একই আঙ্গিকে বিচার করা ঠিক নয়।
এখানে আরেকটি কথা তুলে ধরা প্রয়োজন যে, ইসলামী আন্দোলন এবং অন্যান্য আন্দোলনের উদ্দেশ্য ও প্রকৃতির মাঝে পার্থক্য থাকলেও এক ক্ষেত্রে মিল রয়েছে আর তা হচ্ছে প্রত্যেক আন্দোলন নিষ্ঠাবান কিছু মানুষকে কম-বেশি আকৃষ্ট করতে পেরেছে এবং তদানীন্তন শাসকগোষ্ঠীর রোষানলের শিকার হয়েছে। এই ক্ষেত্রে যেই আন্দোলনের কর্মীরা যতবেশি ত্যাগ ও কুরবানির নজরানা পেশ করেছেন তাঁরা ততবেশি জনসমর্থন লাভ করেছেন। হয়তবা নির্দিষ্ট কিছু সময় তাদেরকে চরম প্রতিকূল অবস্থার মোকাবেলা করতে হয়েছে। কিন্তু সেই সময়টি ধৈর্য ও সাহসিকতা এবং উত্তম কৌশল অবলম্বন করে মোকাবেলা করার পরই সোনালি ইতিহাস রচিত হয়েছে। এক কথায় বিভিন্ন আন্দোলনের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ দুই ধরনের চিত্র প্রত্যক্ষ করে : ১. জালিম, অত্যাচারী শাসক বা তাদের সহযোগীদের অমানবিক আচরণ ও নিষ্পেষণের চিত্র ২. নির্যাতিত নিপীড়িত মানুষের ত্যাগ ও কুরবানির নজরানা এবং ত্যাগ ও কুরবানির ওপর ভর করেই আন্দোলন সফলতার নজির।
বিংশ শতাব্দীর ধারাবাহিকতায় একবিংশ শতাব্দীতে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ইসলামপ্রিয় মানুষ নানা ধরনের জুলুম ও নির্যাতনের শিকার। বিংশ শতাব্দীতে কাশ্মীর, ফিলিস্তিন, বসনিয়া- চেচনিয়াসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মুসলমানদের ওপর অত্যাচারের ষ্টিমরোলার পৃথিবীর মানুষ প্রত্যক্ষ করে। একবিংশ শতাব্দীর সূচনা হয় আফগান্তিান ও ইরাক যুদ্ধ দিয়ে। কিন্তু একটি সত্য ইতোমধ্যে ফুটে উঠতে শুরু করেছে যে অত্যাচার চালিয়ে কোন জাতিকে দীর্ঘদিন দমিয়ে রাখা যায় না। আফগানিস্তানে সোভিয়েত বাহিনীর লজ্জাকর পতনের পর বর্তমানে বিশ্ব মার্কিন বাহিনীর করুণ অবস্থা প্রত্যক্ষ করছে। অপর দিকে কোন স্বৈরাচারী শাসকেরই ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়, মিসরের হোসনি মোবারকের করুণ বিদায় তারই সাক্ষী। তিউনিশিয়া ও লিবিয়াতেও জালিম শাসকদের বিরুদ্ধে জনতার বিজয় অর্জিত হয়েছে। ইয়েমেন, সিরিয়া, বাহরাইনসহ পুরো আরব বিশ্বে বর্তমানে নবজাগরণ শুরু হয়েছে। এশিয়াতেও উক্ত জাগরণের ঢেউ শুরু হয়েছে। কিন্তু এই ক্ষেত্রে একটি বিষয় পরিষ্কার থাকা দরকার যে, মিসরের সাম্প্রতিক পরিবর্তন ছিল সুশৃঙ্খল। লাখো জনতার সমাবেশ হয়েছে কিন্তু তারা জ্বালাও, পোড়াও কিংবা ধ্বংসাত্মক কোন কর্মসূচি গ্রহণ করেনি। আর ইসলামের শিক্ষাও তাই। ইসলামী আন্দোলনসমূহ ইসলামী শিক্ষা অনুসরণ করেই নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় আন্দোলন করে। সন্ত্রাস বা বোমাবাজি করে নিরপরাধ মানুষ খুন ইসলাম সমর্থন করে না। তাই ইসলামী আন্দোলনের কর্মীরা সন্ত্রাস করে না বরং তারা সন্ত্রাসের শিকার। এই ধরনের পরিস্থিতিতে তারা ভীরু হয় না বরং ত্যাগ ও কুরবানির নজরানাই পেশ করে। জাগতিক কোন সহায় সম্পদের ওপর তারা নির্ভরশীল হয় না বরং আল্লাহর ওপরই নির্ভরশীল থাকে। এতদসত্ত্বেও ইসলামী আন্দোলন অপপ্রচার ও মিথ্যা অপবাদের শিকার। আল্লাহর প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামসহ অতীতে অনেক নবী ও রাসূল মিথ্যা অপবাদ ও অপপ্রচারের শিকার হয়েছিলেন। গণক, জাদুকর, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী, মিথ্যাবাদীসহ নানা ধরনের অপবাদই তাঁদের বিরুদ্ধে করা হয়েছিল। কিন্তু তাঁদের চারিত্রিক মাধুর্য দেখে মানুষের কাছে সত্য উদ্ভাসিত হয়েছে। তাই বর্তমানেও ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদেরকে অনুপম চারিত্রিক মাধুর্যের অধিকারী হতে হবে এবং হেকমাতের সাথে সকল মানুষের কাছে তুলে ধরতে হবে যে, ইসলাম শুধু মুসলমানদের জন্য নয় বরং সকল মানুষের জন্য আল্লাহর রহমত। আর ইসলামী আন্দোলন হচ্ছে মানবতার মুক্তির জন্য একদল নিবেদিত মানুষের আন্দোলনের নাম।
ইসলামী আন্দোলনের উদ্দেশ্য দ্বীনের বিজয়- মানবতার মুক্তি : ইসলামী আন্দোলন বলতে কী বুঝায় এই সম্পর্কে নতুন করে কোন সংজ্ঞা দেয়ার প্রয়োজন নেই। তবে এক কথায় ইসলাম প্রতিষ্ঠার আন্দোলনই হচ্ছে ইসলামী আন্দোলন। মূলত একজন মানুষ আল্লাহর প্রতি ঈমান আনার অর্থই হচ্ছে আল্লাহর বিধিবিধান অনুযায়ী জীবন যাপন করা। জীবনের সকল ক্ষেত্রে আল্লাহর আইন মেনে চলা। আল্লাহর হুকুম ও রাসূলে কারীম (সা)-এর তরিকা অনুযায়ী জীবনের সকল কিছু আঞ্জাম দেয়া। যারা আল্লাহর হুকুম মেনে চলে না তাদেরকে আল্লাহর হুকুম মেনে চলার জন্য দাওয়াত দেয়া। এই কথা ঠিক যে, আল্লাহর হুকুম জীবনের সকল ক্ষেত্রে মেনে চলতে গেলে অনেক কষ্ট স্বীকার করতে হয়। আল্লাহর পথে মানুষকে ডাকতে গেলে অনেক বাধার সম্মুখীন হতে হয়। এসব কষ্ট সহ্য করে সকল বাধা ডিঙিয়ে আল্লাহর পথে চলার জন্য নিজের নফসের সাথে সংগ্রাম করতে হয়। সামাজিক পরিবেশের সাথে সংগ্রাম করতে হয়। অনেক কুসংস্কারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করতে হয়। সর্বোপরি আল্লাহর দ্বীনের দিকে মানুষদের আহবান জানাতে গিয়ে যেসব বাধা আসে তার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করতে হয়। সকল বাধা মোকাবেলা করে আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীন কায়েম করার জন্য যে সর্বাত্মক চেষ্টা প্রচেষ্টা চালানো হয় তাই জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ। জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ অর্থ আল্লাহর পথে জিহাদ। আল্লাহর দ্বীন কায়েমের জন্য পরিচালিত এ জিহাদ বা সংগ্রাম বর্তমানে ইসলামী আন্দোলন বা ইসলামিক মুভমেন্ট হিসেবে পরিচিত। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এ ধরনের আন্দোলন চলছে।
ইসলাম দ্বীনে হকের বিজয় চায়। এ বিজয়ের অর্থ হচ্ছে দ্বীনে হক মানব সমাজের নিয়ন্ত্রক হবে। মানবগোষ্ঠী কর্তৃক দ্বীন নিয়ন্ত্রিত হবে না। এক কথায় অন্য কোন আদর্শ বা জীবন দর্শন দ্বীনে হককে নিয়ন্ত্রণ করবে না বরং দ্বীনে হকের নিয়ন্ত্রণে অন্য সব জীবন দর্শন থাকবে। ইসলামের এ দর্শনের সাথে মূলত অন্যান্য জীবন দর্শনের বিরোধ এখানেই। তবে এ বিরোধের কারণে ইসলাম প্রথমেই অন্য দর্শনের অনুসারীদের সাথে সংঘাতে যেতে চায় না। ইসলাম চায় ইসলামের সার্বজনীন শান্তির পয়গাম সমস্ত মানবতার কাছে পৌঁছিয়ে দিতে। ইসলাম সমস্ত মানবতাকে তাওহিদ, রেসালাত ও আখিরাতের প্রতি বিশ্বাস স্থাপনের আহবান জানায়। যারা এ আহবানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সাড়া দেয় তাদের মাধ্যমে দ্বীনে হকের বিজয় চায়। দ্বীনে হকের এ বিজয়ের জন্য ইসলামের অনুসারীদের নিরবচ্ছিন্ন দাওয়াতি কাজ করতে হয়। মানুষকে হকের উপদেশ দিতে হয়। যারা দ্বীনে হক কী তা বুঝে না তাদেরকে তা বুঝাতে হয়। এভাবে দাওয়াত ও তাবলিগের কাজ করতে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হলে ধৈর্য ও হিকমাতের মাধ্যমে বাধা অপসারণের চেষ্টা করতে হয়। তারপরও যদি দ্বীনে হকের প্রচারের ক্ষেত্রে বেরিকেড দেয়া হয়, সে বেরিকেড দূর করার জন্য প্রয়োজনে চূড়ান্ত সংগ্রামে অবতীর্ণ হতে হয়। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, আমাদের সমাজে জিহাদ বলতে কিতালকেই বুঝানো হয়। জিহাদ, কিতাল বা হারবকে একই অর্থে ব্যবহার করা হয়।
(চলবে)

SHARE

Leave a Reply