কেমন বাজেট চাই

কামরুল হাসান

সামনের জুন মাসেই শুরু হচ্ছে নতুন অর্থবছর। নতুন অর্থবছর মানেই নতুন বাজেট। আর বাজেট মানেই আশা আকাক্সক্ষা এবং উৎকণ্ঠা। তাই জুন মাস আসার পূর্বেই এপ্রিল-মে মাস থেকেই প্রাক-বাজেট আলোচনা শুরু হয়ে যায়। বিভিন্ন গ্রুপ তাদের দাবি দাওয়া পেশ করতে থাকে। অর্থমন্ত্রী সবার সাথে মতবিনিময় করলেও সবার আবদার সব সময় রক্ষা করতে পারেন না। তবে এক্ষেত্রে শক্তিশালী কার্টেলগুলোর মতামতকে সবসময়ই প্রাধান্য দেয়া হয়। এফবিসিসিঅই কিংবা বিজিএমই প্রভৃতি বণিক গোষ্ঠীর মতামত যেভাবে বিবেচিত হয় আলু কিংবা পটোল ব্যবসায়ী গ্রুপের মতামত সেভাবে বিবেচিত হয় না। তবে এসব বিবেচনার বাইরে এবারের বাজেটটি নিঃসন্দেহে সরকারের কাছে বেশ গুরুত্ববহ। কেননা মহাজোট সরকারের জন্য এটাই সর্বশেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। পরবর্তী অর্থবছরেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। সাধারণত নির্বাচনের পূর্বমুহূর্তে সরকার সবসময় জনতুষ্টির কথা মাথায় রেখেই বাজেট প্রণয়ন করে। সরকার চাইবে না অন্তত নির্বাচনের আগমুহূর্তে দ্রব্যের দাম বাড়–ক কিংবা বিদ্যুৎ পরিস্থিতি আরও নাজুক হউক। নির্বাচনী এজেন্ডা বাস্তবায়নের একটা চাপ এ মুহূর্তে অনুভূত হবে। এক কথায় সরকারের পকেট থেকে বেশি খরচ করতে হবে। তবে চাইলেও সবকিছু করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। প্রথমতই সরকারের রিসোর্স কনস্ট্রেইন্টের ব্যাপারটি চলে আসে। এমনিতেই প্রতি বছর আমাদের বাজেটে ঘাটতি অর্থায়ন করতে হয়। তাছাড়া বিগত অর্থবছরে আমাদের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ছিল বেশ দুর্বল। ম্যাক্রোনোকোমির এমন কোনো খাত ছিল না যেখানে পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। সমগ্র বছরজুড়েই মূল্যস্ফীতি ছিল দশ শতাংশেরও বেশি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমেছে আশঙ্কাজনকভাবে, রফতানি প্রবৃদ্ধি ছিল পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় কম, পাইপলাইনে জমা পড়ে অব্যবহৃত বৈদেশিক সাহায্যের পরিমাণ ছিল স্মরণকালের সর্ববৃহৎ। অর্থমন্ত্রী যদিও ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধির কথা বলেছিলেন, সেটা হওয়া সম্ভব কিনা তা নিয়েই এখন অনেকে প্রশ্ন তুলছেন। এডিবি হিসাব কষে বলেছে এ বছর প্রবৃদ্ধি হবে ৬.২ শতাংশ। কেউ কেউ প্রবৃদ্ধি আরও কম হতে পারে বলছেন। গত বছরের প্রবৃদ্ধি ছিল ৬.৭ ভাগ। তবে সিপিডি এই হিসাবটা নিয়ে কিছুটা সন্দেহ উপস্থাপন করে বলেছিল যে প্রবৃদ্ধি আরও কম হতে পারে। অর্থমন্ত্রী মহোদয় অবশ্য ব্যাপারটির কোনো বাছ বিছার না করেই সেটাকে রাবিশ বলে অ্যাখায়িত করেছিলেন। অর্থনীতি কতটা নাজুক ছিল তা আরও স্পষ্ট হবে সরকার কর্তৃক আইএমএফের কাছ থেকে লোন নেয়ার ঘটনাটি দেখে। পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজে দুর্নীতির অভিযোগে বিশ্বব্যাংক আর এই প্রকল্পে অর্থ ছাড় না করায় সরকার বিপত্তিতে পড়েছে। অন্য দিকে ডলারের রিজার্ভ কমে ১২ থেকে ৯ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। তাই সরকার কঠিন শর্ত মেনে নিয়েই আইএমএফ-এর কাছ থেকে ১০০ কোটি ডলারের ঋণ নিয়েছে। আর আইএমএফের ঋণের সাথে শর্তই জুড়ে দেয়া থাকে বাজেটে ভর্তুকি কমানোর বিষয়টি। এর ফলে ডিজেল, সারসহ জরুরি কৃষি উপকরণগুলোর দাম বাড়বে। কেননা সরকার কৃষি খাতে বিপুল ইনপুট সাবসিডি দিয়ে থাকে। গত বছর জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছিল চারবার। সরকার নাকি সামনের বছর বিদ্যুতের দামও বাড়াবে। নিঃসন্দেহে এগুলো আইএমএফের ঋণের শর্ত পূরণ করার জন্য করা হয়েছে। সুতরাং পপুলিস্ট বাজেট তৈরির অভিপ্রায়ের সাথে সাথে সরকারের চয়েসও বেশ সীমিত। বিষয়টি যে অর্থমন্ত্রীকে বেশ ভাবনায় ফেলবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
বাংলাদেশের বাজেটের দিকে তাকালে দেখা যাবে যে এর পরিমাণ প্রতি বছর বেড়েই চলছে। এটা কোন খারাপ লক্ষণ নয় কেননা জিডিপির পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে বাজেটের আকারও বাড়বে। কিন্তু বাজেটের গঠনকাঠামো এবং গুণগত মানের তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি। প্রতি বছরই দেখা যায় যে উন্নয়ন বাজেটের তুলনায় রাজস্ব বাজেটের পরিমাণ অনেক বেশি হয়। উন্নয়ন বাজেটের সাথে রাজস্ব বাজেটের যে ব্যবধান তার অনুপাত একই থাকছে। এর মানে দাঁড়ায় এখনও আমাদের দেশে পাবলিক সেক্টর বিপুল পরিমাণ লোকের কর্মসংস্থান করছে। ব্যুরোক্র্যাসির সাইজ প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বড়। আমাদের দেশে উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দের অনুপাত ধীরে ধীরে বাড়ানো প্রয়োজন। আবার প্রতি বছরই দেখা যায় যে এডিপি অবাস্তবায়িত থাকছে। এ বছরও প্রথম নয় মাসে এডিপির মাত্র ৪৫ ভাগ প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। বাংলাদেশের গত বিশ বছরের এডিপির আকার পর্যালোচনা করলে দেখা যায় এ সময়ের মধ্যে শুধুমাত্র চারবার সংশোধিত এডিপির আকার বেড়েছে। বছরগুলো হলোÑ ১৯৯৪-৯৫, ১৯৯৮-৯৯, ১৯৯৯-২০০০ এবং ২০০০-২০০১। অন্যান্য সবগুলো অর্থবছরে এডিপির আকার কমেছে এবং কাটছাঁট করার পরও এডিপি পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। অবশ্য এতে অর্থমন্ত্রীর কিছু সুবিধেই হয়। কেননা এডিপি পুরোটা বাস্তবায়ন করতে গেলে বাজেটের ঘাটতি বেড়ে যাবে। তবে এটি কোন খুশির খবর নয়, এতে আমাদের প্রশাসনের অক্ষমতাই প্রকাশ পায়। তাছাড়া বাস্তবায়িত এডিপির গুণগত মান নিয়েও অনেক প্রশ্ন ওঠে। কেননা এডিপির অর্ধেক অর্থই খরচ করা হয় শেষ ৩-৪ মাসে। ঢাকায় প্রতি বছরই মার্চ-এপ্রিল মাস থেকে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির কাজ শুরু হয়। এটা মূলত হয় এডিপি বাস্তবায়নের জন্য। মন্ত্রণালয় থেকে অর্থ ছাড় করিয়ে নিতেই ৭-৮ মাস লেগে যায়। ফলে দেখা যায় প্রথম দশ মাসে এডিপির ৪০-৫০ ভাগ বাস্তবায়িত হয় মাত্র এবং শেষ সময়ে এডিপির বরাদ্দকৃত অর্থ খরচ করানোর জন্য আগের বছরের মেরামত করা রাস্তা পরের বছর পুনরায় খনন করা হয়। তার ওপর সিংহভাগ প্রকল্পেই প্রচুর দুর্নীতি হয়। রাষ্ট্রের অর্থে নিজের বাড়ির আঙিনা পাকাকরণ, পুকুরে ঘাট বাঁধানো এমন কাজ প্রায়শই হচ্ছে। অথচ এডিপিতে এমন প্রকল্প গ্রহণ করা প্রয়োজন যা রাষ্ট্রীয় স্বার্থের অনুকূলে। ফলে একদিকে আমরা এডিপির অর্থ পুরোটা খরচ করতে পারি না, অন্য দিকে খরচ করা অর্থের একটা বড় অংশ চলে যায় অনুন্নয়নমূলক খাতে। কেননা মানবসম্পদ উন্নয়নে দক্ষ প্রশিক্ষণ বা অন্যান্য বিষয়ে তেমন কোনো প্রকল্প নেয়া হয় না। যে প্রকল্পে টাকা ব্যয় হয় দেশের অর্থনীতিতে সেগুলোর কোনো কার্যকর প্রভাব নেই। প্রতি বছরই এই ধারা চলতে থাকে। অর্থ ব্যয় করলেই এডিপির মূল উদ্দেশ্য অর্জিত হয় না। অর্থ ব্যয় করার চেয়ে যেসব প্রকল্প গৃহীত হয়েছে তা কতটা বাস্তবায়িত হলো সেটাই আসল বিষয়। তাই পূর্বের মতো এবারও এডিপি বাস্তবায়ন করাটা অর্থমন্ত্রীর জন্য একটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে থাকবে।
বাজেটে প্রতি বছরই সরকার কিছু রাজস্ব আদায়ের পরিকল্পনা করে এবং যথারীতি প্রতি বছরই দেখা যায় যে টার্গেট অপেক্ষা আদায় কম হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা সরকারকে সব সময়ই কর কাঠামো পরিবর্তনের পরামর্শ দিচ্ছেন। কেননা রাজস্ব অর্থায়ন বেশি হলে বিদেশ থেকে সাহায্যের জন্য হাত পাততে হবে না। এই বছর দেখা  গেছে যে অর্থসঙ্কটের কারণে সরকার ব্যাংক থেকে প্রচুর ঋণ নিয়েছে এবং এর মাধ্যমে প্রাইভেট সেক্টরের সাথে এক ধরনের অসম প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি গ্রহণ করেছে। তাই আয় বৃদ্ধির জন্য করের পরিধি বিস্তৃত করতে হবে এবং নতুন উৎসের সন্ধান করতে হবে। বাংলাদেশে কর-জিডিপির অনুপাত প্রায় ১০ ভাগের মতো এবং এটা দক্ষিণ এশিয়াতে সর্বনিম্ন। অন্য দিকে আদায়কৃত করের আশি ভাগই হচ্ছে পরোক্ষ কর। পরোক্ষ কর ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবাই সমানভাবেই দেয়। এ জন্য প্রত্যক্ষ করের পরিমাণ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। দক্ষ কর প্রশাসন এবং সহজে কর প্রদানের পদ্ধতি থাকলে করের পরিমাণ বাড়ার সুযোগ রয়েছে। কালো টাকার ওপর অধিক হারে করারোপের মাধ্যমে সরকারের আয় বৃদ্ধিরও একটা সুযোগ রয়েছে। কিন্তু আমাদের কালো টাকার মালিকেরা এত শক্তিশালী যে প্রতি বছরই সরকার কম কর দিয়ে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দিয়ে যাচ্ছে। ব্যাপারটিতে সুফল অপেক্ষা কুফলই বেশি। কেননা এতে মানুষের মধ্যে প্রথমে কালো টাকা এবং পরে কম কর দিয়ে সেটাকে সাদা বানানোর ইচ্ছা জাগ্রত হয়। তাছাড়া রাষ্ট্রের মাধ্যমে অবৈধ কর্মকাণ্ডকে বৈধ কর্মকাণ্ড অপেক্ষা বেশি সমর্থন করছে। ভালো কাজের জন্য পুরস্কার এবং মন্দ কাজের জন্য তিরস্কারের নীতি মানা হচ্ছে না। কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেয়ার পরিবর্তে কালো টাকার উৎসমুখ বন্ধ করাটা জরুরি।
এবারের বাজেটে অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলোর বাইরে আরও থাকছে বিশ্বমন্দার ভয়। আমেরিকার অবস্থা একটু ভালো হলেও তারা এখনো মন্দা থেকে পুরোপুরি বেরিয়ে আসতে পারেনি। ইউরোপেও মন্দাবস্থার উন্নতির কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। আমাদের মোট রফতানি আয়ের ৯০ ভাগ আসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন  থেকে। আর তৈরি পোশাকের ৮০ ভাগই রফতানি হয় এই অঞ্চলে। তাই সামনের বছরও রফতানি আয় যে খুব একটা বাড়বে তা জোর দিয়ে বলা যাচ্ছে না। পূর্বেই উল্লেখ করেছি যে এ বছর বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ হ্রাস পেয়ে ৯ বিলিয়ন ডলারে এস দাঁড়িয়েছে। আমাদের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের আরেকটি খাত হলো জনশক্তি রফতানি। প্রতি বছরই প্রবাসীরা বিপুল পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছে দেশে। তবে এ খাতেও বর্তমানে মন্দা বিরাজ করছে। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে তথাকথিত গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও অন্যান্য কারণে জনশক্তি রফতানি কমে গেছে। নিকট ভবিষ্যতে এই সমস্যা থেকে দ্রুত উত্তরণের কোনো সম্ভাবনাও নেই। তবে জনশক্তির নতুর কোনো বাজার সরকার এখনো খুঁজে বের করতে পারেনি। এর জন্য সরকারের কূটনৈতিক কর্মকাণ্ডের পরিধি আরও বিস্তৃত করা প্রয়োজন।  বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের তৃতীয় বৃহত্তম খাত বৈদেশিক সাহায্যের (অনুদান ও ঋণ) অবস্থাও তেমন একটা ভালো নয়। সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগও অনেকটা কমে গেছে। আগামীতে এটা বৃদ্ধিরও কোনো সম্ভাবনা নেই। তাই অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে রাজস্ব সংস্থানের দিকে সরকারের আরও মনোযোগী হওয়া দরকার।
সরকার কেন বাজেট প্রণয়ন করে? মূলত বাজেট হলো পরিকল্পিত উন্নয়নের একটা পলিসি। তাই আমরা সকলেই চাই পরিকল্পিতভাবে যেন সম্পদের বণ্টন হয়। গুরুত্বপূর্ণ কোনো খাত যেন উপেক্ষিত না হয়। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোতে অনেক আন্ডারডেভেলপমেন্ট ট্র্যাপ থাকে যেগুলো থেকে বেরোতে গেলে সরকারি উদ্যোগের প্রয়োজন। তাই সতর্কভাবে যেন সম্পদ বণ্টিত হয়। অনেক সময় দেখা গেছে যে দরিদ্র অঞ্চলগুলোতে ধনী অঞ্চল অপেক্ষা বরাদ্দ কম পড়েছে। এটা যেন কোনোমতেই না ঘটে।
কেমন বাজেট চাই-এ নিয়ে অনেক গ্রুপই অনেক সভা সেমিনার করে। যে যার দাবি আদায়ে ব্যস্ত থাকে। কিন্তু দরিদ্র রিকশাচালক, দিনমজুর, গার্মেন্টস শ্রমিক কিংবা কৃষকদের কোনো সমিতি নেই। আছে কিছু এনজিও যারা দারিদ্র্য নিয়ে ব্যবসা করে। এইসব দরিদ্র লোকজন জানে না বাজেট কী। অথচ এরাই আমাদের সিংহভাগ কর্মরত জনশক্তি। তাদের চাওয়া অতি সামান্যই। খাবারের দাম যেন আর না বাড়ে কিংবা মজুরি যেন একটু বৃদ্ধি পায়। খাদ্যমূর‌্য বৃদ্ধি মানেই জনজীবনে দুর্ভোগ সৃষ্টি। তাই ভর্তুকি দিয়ে হলেও যেন অন্তত দ্রব্যমূল্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখার চেষ্টা করা হয়। টিসিবিকে যেন আরও সক্রিয় করা হয়।
আমাদের সকলের প্রত্যাশা অনেক। সবাই চাই এমন একটি বাজেট যা হবে উৎপাদনমুখী এবং কল্যাণমূলক। অর্থনীতির এত সব অভিঘাত সহ্য করে অর্থমন্ত্রী কিভাবে আমাদের সকলের প্রত্যাশা পূরণ করবেন সেটাই এখন দেখার বিষয়।

SHARE

Leave a Reply