ক্যাম্পাসে পরিস্থিতি মোকাবেলা ও সংগঠন মজবুতি দায়িত্বশীলের ভূমিকা -মোবারক হোসাইন

cs-mobarokক্যাম্পাস কী
পাঠশালা তথা যেখানে শিক্ষা দেয়া এবং নেয়ার সামগ্রিক পরিবেশ ও প্রয়োজনীয় উপকরণ বিদ্যমান তাই ক্যাম্পাস। ক্যাম্পাস হলো স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের এলাকা বা প্রাঙ্গণ। (The ground and building of university or college) কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে তার নিজস্ব সম্পদ ভবন ও রাস্তাসহ যে সমস্ত এলাকা প্রতিষ্ঠানের আওতাভুক্ত তাকে ক্যাম্পাস বলে।
Campus is a mini state. Campus is a teachings tool that has researchers’ facilities academic curriculum leisure facilities etc. Campus is a community that residential hall and programs, conference services and community centre operations. a campus is a physically contiguous association of locations such as several adjacent office buildings.
ক্যাম্পাসে কাজ করতে গিয়ে ক্যাম্পাস থেকে আমরা অনেক কিছু শিখেছি। যেমন- শৃঙ্খলা, নিয়মানুবর্তিতা, সকল পরিবেশে নিজেকে adjust করার মানসিকতা, constructive way অবলম্বন করে স্বাধীনভাবে কাজ করার উপায়, জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার দৃঢ়তা, নিজেকে জানা ও আত্মোন্নয়ন, দক্ষতা অর্জনের কৌশল, প্রতিকূল পরিবেশেও proactive হয়ে কাজ চালিয়ে যাওয়া, world standard  কাজ করা এবং গতিশীল বিশ্বের সাথে নিজেকে dynamic  করার কৌশল… আরও কত কী! ক্যাম্পাসে সকল কিছুর সূক্ষ্ম বিচার-বিশ্লেষণ করা হয়। মানুষ কর্তৃক সৃষ্টির সেবাই যে স্রষ্টার ইচ্ছা, তা সব সময় স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়। ক্যাম্পাস প্রাকৃত হওয়ার ওপর গুরুত্ব দেয়। ক্যাম্পাস বিশ্বাস করে, প্রকৃতিগত সমৃদ্ধ মানুষ চারপাশকে আলোকিত করতে সক্ষম। অনুভূতির কথা যদি বলি, ক্যাম্পাসকে আমার কাছে মনে হয়েছে মানুষ গড়ার কারখানা। এখানে ব্যক্তিগত ত্রুটিকে বড় করে না দেখে ব্যক্তিকে বড় করে দেখা হয়। মানুষকে প্রকৃতিগতভাবে গড়ে তোলার জন্য নিবেদিতপ্রাণ এই ক্যাম্পাসকে এখন আমাদের নিজেদের পরিবারের মতো মনে হয়। ক্যাম্পাসে না এলে এ অভিজ্ঞতা আমাদের কখনই হতো না। এসব অনুভবের স্মৃতি আমাদের জীবনে চির অম্লান হয়ে থাকে।
পরিবার ও সমাজ থেকে আমাদের অনেক কিছুই শেখার সুযোগ হয় না। ক্যাম্পাসে এসে আমরা যা শিখেছি, তা আমাদের জীবনের মূলধন। পৃথিবীতে অনেক কিছুই করার আছে। আমরা বহু কিছু আশা করি। তার কোনটি পূরণ হয়, কোনটি হয় না। ক্যাম্পাস আমাকে শিখিয়েছে পাওয়া বা অর্জনের প্রকৃত অর্থ। ক্যাম্পাস মনে করে, মানুষ জীবনে যা কিছু ভালো করে তা-ই তার পাওয়া, তা-ই তার অর্জন। আর এই ভালো কিছু অর্জন করতে হলে চাই মহান সৃষ্টিকর্তার ওপর আস্থা ও বিশ্বাস, মনের একাগ্রতা আর অদম্য ইচ্ছা।
ক্যাম্পাসে কাজের সুযোগ পেয়ে এখন নিজেকে অনেক সমৃদ্ধ মনে হয়। এই ক্যাম্পাস আমাদেরকে ব্যক্তিগত-প্রাতিষ্ঠানিক উভয় ক্ষেত্রে lackings overcome করার সুযোগ দিয়েছে। যে স্বপ্ন ক্যাম্পাস লালন করে, “জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ও আলোকিত জাতি গঠন”-এর সার্থক বাস্তবায়ন সবাই প্রত্যাশা করে।
ক্যাম্পাসের পরিধি : “ক্লাসরুম, করিডোর প্রশাসনিক ভবন, লাইব্রেরি মিলনায়তন, ক্যান্টিন, খেলার মাঠ, মসজিদ, ছাত্রাবাস বা হল, ছাত্রী মিলনায়তন, খোলামেলা জায়গা ইত্যাদি সবকিছুই ক্যাম্পাসের পরিধির অন্তর্ভুক্ত।”
ক্যাম্পাসের উপাদান : ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকাসহ, কর্মকর্তা-কর্মচারী, মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, ক্যান্টিন, ডাইনিং পরিচালক, বয়, লাইব্রেরিয়ান এবং পার্শ্ববর্তী এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ ইত্যাদি।
ক্যাম্পাস তৎপরতা কাকে বলে : ক্যাম্পাস তৎপরতা বলতে কোন সংগঠন বা ব্যক্তির নিজ নিজ চিন্তাভাবনা ও আদর্শকে ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে আকৃষ্ট করা ও তাদেরকে সেই আদর্শের অনুসারী বানানোর জন্য যাবতীয় কর্মকান্ড পরিচালনাকে বোঝায়।
ক্যাম্পাসে যেসব কাজ করতে হয়
*    নিয়মিত সাংগঠনিক কাজ
*      ছাত্রকল্যাণ/ছাত্র সমস্যার সমাধান সংক্রান্ত কাজ
*    ক্যাম্পাস এ সহাবস্থানের পরিবেশ নিশ্চিত করা
*    ক্যাম্পাসে কী কী পরিস্থিতির উদ্ভব হতে পারে
*    চলমান পরিস্থিতি কী কী কারণে পরিস্থিতির উদ্ভব হতে পারে
*    মোকাবেলার উপায়
*    দাওয়াতি তৎপরতা
*    কৌশল অবলম্বন করা যেতে পারে
*    সংগঠন মজবুতি
নিয়মিত সাংগঠনিক কাজ
ক) দাওয়াত সম্প্রসারণ
*    নিয়মিত টেন্টে উপস্থিতি
*    পর্যায়ক্রমে ক্লাসে উপস্থিতি
*    গ্রুপভিত্তিক পরিভ্রমণ
*    সুশৃঙ্খল মিছিল মিটিং
*    যুক্তিপূর্ণ আকর্ষণীয় বক্তব্য উপস্থাপন
*    সালামের ব্যাপক প্রচলন
*    আন্তরিকতাপূর্ণ সংবর্ধনা
খ) নেতৃবৃন্দকে সংগঠনের প্রভাববলয়ে আনা
*    ব্যক্তিগত সম্পর্ক উন্নয়ন
*    জনশক্তির সেন্টিমেন্টকে কাজে লাগানো
*    নেতৃবৃন্দকে কর্ডন করে নেয়া (প্রয়োজনে)
*    বইপুস্তক প্রকাশনা, দাওয়াতি সামগ্রী উপহার দেয়া
গ) প্রশাসনের ওপর নিজের প্রভাব
সাংগঠনিক প্রভাব
*    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন
*    ব্যক্তিগত সম্পর্ক উন্নয়ন
*    প্রতিদিন বা নিয়মিত যাতায়াত
শিক্ষকদের সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন
*    দাওয়াতি চেতনা নিয়ে টার্গেট করা
*    ক্লাসে নিয়মিত উপস্থিত থাকা
*    পড়া বুঝে নিতে প্রয়োজনে শিক্ষকের বাড়িতে যাওয়া
*    বাছাইয়ের ক্ষেত্রে  Subject  এলাকা জনশক্তির মধ্যে বণ্টন করে দেয়া
*    জনশক্তির মধ্যে বণ্টন করে দেয়া
প্রচারণা
*    লিফলেট, ব্যানার, ফেস্টুন, আকর্ষণীয় ভাষায়
*    স্থায়ী বা ইস্যুভিত্তিক দেয়ালিকা, সুন্দর বোর্ড সাঁটানো
*    ম্যাগাজিন বা সাময়িকী প্রকাশ
*    ইস্যুভিত্তিক কর্মসূচি দেয়া
*    এ ক্ষেত্রে সামগ্রিক Sentiment যাচাই
*    আকর্ষণীয় কর্মসূচি/ গ্রহণযোগ্য
*    সাধ্যমত কর্মসূচি /ফিরে যেন আসতে না হয়
*    সবার আগেই প্রয়োজনীয় তথ্য উদ্ধার ও সংগ্রহ
ক্যাম্পাসে নিয়মিত কাজ
*    দায়িত্বশীলগণ পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করবেন
*    ক্যাম্পাস হবে দায়িত্বশীলদের মিলনক্ষেত্র
*    অনেক কাজ তারা এখানেই সারতে পারেন, যদি পরিস্থিতি ভালো থাকে।
*    নির্ধারিত সময়ে উপস্থিতি ও উপস্থিতি বিশ্লেষণ করবেন
*    ক্যাম্পাস প্রেস ক্লাব বা পত্রিকার রিপোর্টারের সাথে যোগাযোগ
*    ব্যক্তিগত ও আদর্শিক সম্পর্ক উন্নয়ন/সমিতি
*    লোক নিয়োগের ব্যবস্থা
*    পত্রিকা বের করার চেষ্টা/বৃহৎ প্রতিষ্ঠানে
*    ক্লাবে নিয়মিত গ্রুপভিত্তিক যাতায়াত
*    রিপোর্টার তৈরির নিজেদের ব্যবস্থা। বড় ক্যাম্পাসের জন্য
*    বিএনসিসি, রোভার স্কাউট নিয়ন্ত্রণের জন্য জনশক্তি ভর্তি
*    বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল
*    ক্লাব/কর্মকর্তা-কর্মচারী সমিতি ইত্যাদি
*    হলসমূহে অবস্থান
*    সাধারণ ছাত্রদের যেকোন কমিটিতে জনশক্তি নিয়োগ / নিয়ন্ত্রণ
*    সংস্থা বা সমিতির বিভিন্ন দাবি-দাওয়া বা কর্মসূচি বাস্তবসম্মত হলে সমর্থন
*    পাশের এলাকায় কাজ বৃদ্ধি
*    এলাকার প্রভাবশালী ছাত্রদের দাওয়াত
*    তাদের প্রতিষ্ঠানের ভর্তি নিশ্চিত করা
*    প্রভাবশালীদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ ও সম্পর্ক উন্নয়ন
*    অছাত্র যুবকদের প্রভাববলয়ে আনা
হলসমূহে নিজেদের প্রভাব
*    সিট ও সিট পলিটিকস সম্পর্কে সতর্ক
*    হল কর্মচারীদের সাথে যোগাযোগ ও সম্পর্ক উন্নয়ন
*    সদা-সর্বদা সতর্ক ও তথ্য সংগ্রহ
*    পাহারা বসানো
প্রভাবশালী ও ভালো ছাত্রদের সংগঠনে আনার ব্যবস্থা
*    এলাকার প্রভাবশালী পরিবারের সন্তান
*    শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের সন্তান
*    ভালো Subject-এর ছাত্রদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক তৈরির প্রচেষ্টা
*    বাছাইকৃত জনশক্তিকে পরিকল্পিতভাবে ভালো রেজাল্ট করানোর ব্যবস্থা করা
*    বৈরী পরিবেশ হলে তাদের প্রকাশ্য তৎপরতা থেকে বিরত রাখা
*    শিক্ষক-কর্মকর্তা ও ভালো ছাত্রদের Motivation
*    সেমিনার সিম্পোজিয়াম
*    কোচিং গাইডে অংশগ্রহণ
*    বিভিন্নভাবে শিক্ষকদের Involve করা
*    বিভিন্ন কমিটির উপদেষ্টা
*    গার্জিয়ানদের Motivation
*    জরুরি পরিস্থিতে সমাবেশ
*    চিঠি পাঠানো
*    অভিভাবকদের উদ্দেশে লিফলেট
ছাত্রকল্যাণ ও ছাত্রসমস্যা
*    ছাত্রসমস্যাকে অগ্রাধিকার দেয়া
*    বিশেষ করে সাধারণ ছাত্রদের প্রাধান্য দেয়া
*    ভর্তি, ফরম ফিলআপে সহযোগিতা
*    সম্ভাব্য আর্থিক সহযোগিতা
*    গাইড
*    কোচিং
ক্যাম্পাসে সহাবস্থানের পরিবেশ নিশ্চিত করা
*    নেতাদের মধ্যে ভালো সম্পর্ক
*    প্রশাসনিক উদ্যোগে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ ও ভালো ভূমিকা
*    আদর্শিকভাবে সবকিছু মোকাবেলা করার চিন্তা ও সঙ্কল্প
ক্যাম্পাসে যে ধরনের পরিস্থিতির উদ্ভব হতে পারে
*    প্রশাসনিক ষড়যন্ত্র
*    দলীয় ষড়যন্ত্র
*    সরকারি ষড়যন্ত্র
*    আঞ্চলিক ষড়যন্ত্র
*    সংঘাত সংঘর্ষ
*    নিজেদের জনশক্তির পক্ষ থেকে অন্যান্য সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে, স্বার্থ হাসিলের জন্য। এ ছাড়াও আরো কিছু সমস্যা উদ্ভব হতে পারে-
*    সকল জনশক্তিকে প্রভাববলয়ে রাখতে না পারা
*    যথার্থ মানের দায়িত্বশীলের অভাব
*    মানসম্মত জনশক্তির ভারসাম্য না থাকা
*    প্রয়োজনীয় সংখ্যক দায়িত্বশীলের অভাব
*    প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহের ব্যবস্থা না থাকা
*    অনিয়ন্ত্রিত জনশক্তিকে নিয়ন্ত্রণের অভাব
*    যোগাযোগের অভাব
*    প্রশাসনের ওপর প্রভাব রাখতে না পারা
*    ক্যাম্পাসের অবস্থা পর্যবেক্ষণ ও যথাযথ মূল্যায়ন করতে না পারা
*    যথাযথ প্রস্তুতির অভাব
*    সামর্থ্যরে বাইরে কর্মসূচি গ্রহণ।
*    মোকাবেলার উপায় :
*    মোকাবেলার পূর্বের পর্যায়
*    মোকাবেলার চলমান পর্যায়
*    মোকাবেলার পরের পর্যায়
এগুলো মোকাবেলায় ব্যবস্থা গ্রহণ
করার চেষ্টা
*    নেতৃবৃন্দ বলিষ্ঠ নৈতিক চরিত্রের অধিকারী হবেন
*    ব্যাপক সালামের প্রচলন
*    অন্যান্য নেতাদের নিজ প্রভাববলয়ে নিয়ে আসা
*    প্রশিক্ষণমূলক প্রোগ্রাম থাকতে পারে (আলোচনা সভা, দারস, প্রশ্নোত্তর ইত্যাদি)
*    অধ্যয়নরত জনশক্তিকে পরিকল্পিতভাবে দাওয়াতি কাজে অংশগ্রহণ করানো
*    পরিকল্পিত সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড
*    দেয়ালিকা, চিত্রপ্রদর্শনী, ম্যাগাজিন প্রকাশ করা
*    নকলের বিরুদ্ধে Motivation, জনশক্তির পড়ার খোঁজখবর নেয়া দায়িত্বশীলদের মধ্যে টিম স্পিরিট সর্বোপরি আল্লাহর সাহায্য।

দাওয়াতি তৎপরতা
মানোন্নয়নের জন্য প্রয়োজন বেশি বেশি দাওয়াতি কাজ করা। পৃথিবীতে তিন ধরনের মানুষ আছে ১. যারা ঘটনা ঘটান, ২. যারা ঘটনা ঘটতে দেখেন ও ৩. যারা ঘটনা ঘটতে দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেন। সমাজে তিন ধরনের মানুষ বসবাস করে তাই তাদের দাওয়াত দিতে হলেও তিন ধরনের কৌশল গ্রহণ করতে হবে। এই তিন ধরনের ব্যক্তিরা হলেন :১. First Mover ২. First Flower ৩. Late Mover
১.    First Mover গড়াবৎ যারা তারা প্রথম শ্রেণীর লোক। তারা সবকিছু আগে শুনেন। তাদের কাছে দাওয়াত দিতে হলে দায়ীকে সেভাবেই চিন্তা করতে হবে।
২.    First Flower যারা কোনকিছু আবিষ্কার হওয়ার সাথে সাথে অনুসরণ করেন।
৩.    Late Mover যারা তারা সবকিছু ধীরে ধীরে গ্রহণ করেন। পর্যায়ক্রমে তাদের দাওয়াত দিতে হবে।
প্রকৃত দাওয়াতদানকারী তিনিই-যিনি মানুষকে দাওয়াত দেয়ার আগে নিজেকে আল্লাহর কাছে বিক্রি করে দেন, অর্থাৎ “First you sell yourself.” বাইবেল গ্রন্থে বলা হয়েছেto do good and communicate, forget not, আধুনিক যুগে দাওয়াতি কাজে সফলতা লাভ করতে হলে দাওয়াতের পদ্ধতি পরিবর্তন করতে হবে। সাধারণত প্রযুক্তির উন্নয়নের সাথে সাথে মানুষের চিন্তা ও চেতনা দিন দিন পরিবর্তন হচ্ছে। আজকের যুগে দাওয়াতি কাজ করা মানে হাতের তালুতে আগুনের স্ফুলিঙ্গ রাখা যেমন কঠিন তার চেয়েও বেশি কঠিন বর্তমান মানুষের কাছে, কারণ যুগের পরিবর্তনে মানুষের অনেক পরিবর্তন হয়েছে, মানুষ তার বয়সের তুলনায় অনেক বেশি অগ্রসর হচ্ছে। তাই আধুনিক যুগে দাওয়াতি কাজ করতে হলে T.C বেশি প্রাধান্য দিতে হবে।
দাওয়াত গ্রহণকারীর মন জয় করার
৬টি বিশেষ পদ্ধতি
১.    দাওয়াত গ্রহণকারীর সামনে নিজেকে আকর্ষণীয় করে তুলুন বা ভালোভাবে উপস্থাপন করুন।
২.    মানুষের নাম তার নিজের কাছে সবচেয়ে প্রিয়। তাই যথাসম্ভব মানুষের নাম মনে রাখার চেষ্টা করুন।
৩.    আপনি যাকে দাওয়াত দেবেন তাকে গুরুত্ব দিন এবং এটা মন থেকেই করুন।
৪.    দাওয়াতগ্রহণকারী যে বিষয়ে কথা বলতে আগ্রহী, সে বিষয়ে আলোচনা করুন।
৫.    ভালো শ্রোতা হন, দাওয়াতগ্রহণকারীকে কথা বলতে দিন।
৬.    বিজয়ী তিনিই যিনি কখনও হাল ছাড়েন না।
মানুষ ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে যা দেখে তা স্বপ্ন নয়, স্বপ্ন সেটাই যা মানুষকে ঘুমাতে দেয় না, স্বপ্নই আপনাকে দিন-রাত কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করবে। অন্যের হৃদয়ের ভেতরে ঢোকার সহজ পথ বিনয় ও সততা। আপনি বিনয়ী এবং সৎ। এই বিশ্বাস আপনাকে অনেক দূর পর্যন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে।
মানুষ তার চলার পথে নানাভাবে শিখে- নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে শিখে, বুদ্ধি দিয়ে শিখে, বাবা-মা, ভাই-বোন, আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী শিক্ষক, বন্ধু-বান্ধব, প্রকৃতি, বইপত্র সব কিছু থেকেই শিক্ষা নেয়, কিন্তু সবচেয়ে বড় শিক্ষক সে নিজে। নিজে শিখতে না চাইলে অন্য কেউ তাকে শেখাতে পারে না। মানুষের সাফল্য সবটুকু করতে পারায় নয়, সাধ্যমত করতে পারায়।
সফল দাওয়াতদানকারীর ব্যক্তিত্ব
১.    সুন্দরভাবে কথা বলা।
২.    নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করা।
৩.    বিশ্বাসী হতে হবে।
৪.    দাওয়াতদানকারীর মূলধন কঠোর পরিশ্রম।
৫.    সহিষ্ণু হতে হবে, সহিষ্ণু ব্যক্তিরাই শেষ পর্যন্ত টিকে থাকে, tough time does not last but only tough people do.
৬.    সময়ানুবর্তিতা
দাওয়াতি কাজে সফল হওয়ার
নয়টি কৌশল
১.    লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। যে জানে তার জীবনের লক্ষ্য-পৃথিবী তাকে সেখানে পৌঁছানোর পথ তৈরি করে দেয়।
২.    লক্ষ্য অর্জনে সদা সচেষ্ট থাকুন।
৩.    কৌশলী হোন; কারণ যোগ্যতম ব্যক্তিরাই শেষ পর্যন্ত টিকে থাকে।
৪.    কোন কিছুই অসম্ভব নয়, যদি আপনি মনে করেন পারবেন, নিশ্চয়ই পারবেন।
৫.    চিন্তা করুন, অবশ্যই ভালো উপায় খুঁজে পাবেন।
৬.    আগে দর্শনদারি, পরে গুণবিচারি, আচার ও আচরণ যেন ইতিবাচক হয়।
৭.    সবসময় হাসুন, তাহলে সমগ্র পৃথিবী আপনাকে দেখে হাসবে।
৮.    সৃজনশীল ও উদ্যমী হোন।
৯.    অন্যকে ভালবাসুন, আপনিও ভালোবাসা পাবেন।
ক্যাম্পাসে দাওয়াতি কাজ কাদের
মাঝে করব
*    শিক্ষকদের মাঝে।
*    কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে।
*    সহপাঠীদের মাঝে।
*    ছাত্রদের (বড় ভাই) মাঝে।
*    ছাত্রদের (ছোট ভাই) মাঝে।
*    মেধাবী ছাত্রদের মাঝে ।
*    অন্যান্য ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে।
*    ক্যাম্পাসের ভেতর ও বাইরের দোকানদারদের মাঝে।
*    ক্যাম্পাসের ভেতরের রিকশা ও ভ্যানচালকদের মাঝে।
*    নাইট গার্ড, ডাইনিং বয়, বাবুর্চি, সুইপার, ভ্রাম্যমাণ দোকানদের মাঝে।
*    ক্যাম্পাসের পাশের প্রভাবশালী ব্যক্তি ও যুবসমাজের মাঝে
দাওয়াতি কাজে কার্যকরী যোগাযোগ ব্যবস্থাপনা
১.    কখনোই আশা করবেন না যে, দাওয়াতগ্রহণকারী আপনার কাছে এসে ধরনা দেবে।
২.    ভাববেন না প্রথম সাক্ষাতেই দাওয়াত গ্রহণ করে ফেলবে।
৩.    সুসংগঠিতভাবে নিয়মিত ফলোআপ করুন।
৪.    প্রতি সপ্তাহে নতুন কিছু মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার চেষ্টা করুন।
৫.    যাদের সাথে পরিচিত হচ্ছেন, তাদের সাথে যোগাযোগ রক্ষার দায়িত্ব আপনারই।
৬.    মনে রাখবেন, কিছু পেতে হলে, কিছু দিতে হবে। কেননা দিন আপনার আমার সবার জন্যই ২৪ ঘন্টা। শুধু লক্ষ্য রাখবেন, ত্যাগের চাইতে প্রাপ্তি যেন সবসময় ভারী থাকে।
কাজের পরিকল্পনার জন্য অবশ্যই আপনাকে লক্ষ্য ঠিক করতে হবে। এ জন্য যা করবেন:
*    আপনার লক্ষ্যগুলো ঠিক করবেন
*    লক্ষ্যগুলো কাগজে লিখবেন
*    লক্ষ্যগুলো সুনির্দিষ্ট হতে হবে
*    লক্ষ্যগুলো গুরুত্ব অনুযায়ী শ্রেণীবদ্ধ করতে হবে
*    প্রতিদিন লক্ষ্যগুলো স্মরণ করতে হবে
লক্ষ্য ঠিক করার জন্য SMART টেকনিক ব্যবহার করা যেতে পারে। এখানে তার ব্যাখ্যা দেয়া হলো :
S = Specific  বা সুনির্দিষ্ট
M = Measurable বা পরিমাপযোগ্য
A = Achievable বা অর্জনযোগ্য
R = Realistic বা বাস্তবধর্মী
T = Timeframe বা সময়কাঠামো
সাফল্যের জন্য আরও যা জানতে হবে :
SEE Factors
S = Smile বা হাস্যময়
E = Eye Contact বা মনোযোগ
E = Enthusiasm বা উদ্যোগ
আরও ৮টি নির্দেশনা হলো :
*    ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি
*    ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখা
*    সময়ানুবর্তী হওয়া
*    প্রস্তুত থাকা
*    নিজের লক্ষ্য সম্পর্কে সচেতন থাকা
*    নিয়ন্ত্রণে রাখা
*    সঠিকভাবে কাজ করা
*    পরিপূর্ণভাবে কাজ সম্পন্ন করা
কাজের পরিকল্পনা এবং সাফল্যের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সময় ব্যবস্থাপনা। আপনাকে অবশ্যই সময় ব্যবস্থাপনা জানতে হবে। এর জন্য যা করতে হবে :
*    আপনার প্রতিদিনের কাজগুলো লিপিবদ্ধ করুন
*    প্রতিটি কাজে এখন আপনি গড়ে কত সময় ব্যয় করছেন তা নিরূপণ/ ঠিক করুন
*    প্রতিটি কাজে গড়ে কতটুকু সময় প্রয়োজন তা বের করুন
*    প্রতিটি কাজে গড়ে আপনি কতটুকু সময় অতিরিক্ত ব্যয় করেন তা বের করুন
*    এখন সিদ্ধান্ত নিন কিভাবে আপনি আপনার সময় ব্যয় করবেন?
*    সময় ব্যবস্থাপনা আপনার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে, যদি আপনি সঠিকভাবে তা প্রয়োগ করতে পারেন। প্রতি রাতে ঘুমানোর আগে আগামীকাল আপনার করণীয় কাজগুলো একটি কাগজে লিপিবদ্ধ করুন এবং তার পাশে কোন সময়ে তা করবেন তা লিখুন। আপনার হাতের অতিরিক্ত সময় অন্য কোন প্রয়োজনীয় কাজে ব্যয় করুন।
এ ছাড়া আরো কিছু কৌশল অবলম্বন করা যেতে পারে তা হলো-
১.    প্রতি বছর ক্যাম্পাসে নবীন ছাত্রদের মাঝে আমাদের দাওয়াতি কার্যক্রম চালাতে হবে।
২.    হলে মানবসেবার মাধ্যমে দাওয়াতি কাজ করা যেতে পারে।
৩.    বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক সহযোগি-তার মাধ্যমেও দাওয়াতি কাজ করা সম্ভব।
৪.    বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সময় একটি ইনফরমেশন ক্যাম্প খোলা যেতে পারে।
৫.    জেলা/আঞ্চলিক সমিতির মাধ্যমে দাওয়াতি কাজ করা।
৬.    ক্যাম্পাসের দোকানদারদের মাঝে সুসম্পর্ক স্থাপন করতে হবে।
৭.    রিকশাচালকদের মাঝে দাওয়াতি কাজ করতে হবে।
৮.    বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা। যেমন-ফুটবল, ক্রিকেট, সাংস্কৃতিক প্রোগ্রাম ইত্যাদি।
৯.    বিভিন্ন উপলক্ষে পিকনিক, ভ্রমণের আয়োজন পরিকল্পিতভাবে করা।
১০.    পরিকল্পিতভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১-৫ পর্যন্ত মেধাবী ছাত্রদের তাদের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর বিভিন্ন উপহার প্রদান করা।
১১.    একাডেমিক কোচিংয়ের ব্যবস্থা করা।
১২.    গ্রুপ স্টাডির আয়োজন করা।
১৩.    গরিব ও মেধাবী ছাত্রদেরকে লজিং ও টিউশনি ব্যবস্থা করে দেয়া।
ক্যাম্পাসে কাজের ক্ষেত্রে কিছু
শিক্ষণীয় বিষয়
জীবনটাকে অনেক বেশিই কঠিন মনে হয় অনেকের কাছে। কিছু হলেই ভেঙে পড়ি, আফসোস ও চিন্তা করি। আসল কথা হচ্ছে, জীবন অনেক সহজ, কিন্তু আমরাই এটাকে কঠিন করে তুলি। যখন একটি সমস্যা সামনে এসে দাঁড়ায় তখন তা সমাধানের চাইতে সেই সমস্যা নিয়ে ভাবতেই বেশি ব্যস্ত থাকি আমরা। বিখ্যাত মানুষজনের অনেক উক্তি আমাদের জীবন সম্পর্কে অনেক শিক্ষা দেয়, কিন্তু আমরা তা এড়িয়ে যাই। আজকে বিখ্যাত বিজ্ঞানী ‘অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের’ এবং নেলসন ম্যান্ডেলার এমনই কিছু শিক্ষামূলক উক্তি উপস্থাপন করছি যা আমাদের জীবন সম্পর্কে ভালো ধারণা দেবে।
১.    নিজের কৌতূহলকে অনুসরণ করো “I have no special talent. I am only passionately curious.”
অ্যালবার্ট আইনস্টাইন মনে করতেন তার মধ্যে কোনো বিশেষ প্রতিভা নেই। তিনি শুধুই নিজের কৌতূহলকে অনুসরণ করতেন, কৌতূহল মেটানোর জন্যই তার এত সব কাজ করা। তিনি তার উক্তি দিয়ে বলতে চেয়েছেন, যে ধরনের কৌতূহলই হোক না কেন তা অনুসরণ করে ভেতরের মূল কাহিনী বের করা উচিত। এতে জীবনের অনেক সমস্যার সমাধান খুঁজে পাওয়া সম্ভব।
২.    কল্পনার অনেক ক্ষমতা “Imagination is everything. It is the preview of life’s coming attractions. Imagination is more important than knowledge.” কল্পনার রয়েছে অসীম ক্ষমতা। এটি জ্ঞানের চাইতেও বেশি পরিধিসম্পন্ন। কারণ যিনি সব দিক থেকে অনেক বেশি জ্ঞান অর্জন করেছেন, যার অভিজ্ঞতা অনেক বেশি সর্বক্ষেত্রে তিনিই অনেক কিছু নিজের ভেতর থেকে কল্পনা করতে পারেন। এবং সেই কল্পনাকে বাস্তবতায় রূপ দেয়ার চেষ্টা তখন অনেক প্রবল হয়ে ওঠে। এতে করেই মানুষ ভবিষ্যতের প্রতিচ্ছবি দেখতে পায়। এ জন্যই তিনি বলেছেন, ‘কল্পনা জ্ঞানের চেয়ে আরো গুরুত্বপূর্ণ’।
৩.    ভুল করুন “A person who never made a mistake never tried anything new” সত্যিকার অর্থেই যিনি কোনো ভুল করেননি তার অর্থ হচ্ছে তিনি কখনোই নতুন কিছু করার চেষ্টা করেননি। তিনি যা পারেন তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ আছেন। অর্থাৎ এই চিন্তা করে আমরা নিজেরাই নিজেদের প্রতিভাকে সীমাবদ্ধ করে পিছিয়ে পড়ছি। নতুন কিছু করে জীবন উন্নত করার চেষ্টাই করছি না।
নেলসন ম্যান্ডেলার কিছু উক্তি
৪.    শিক্ষা নিয়ে- ‘‘Education is the most powerful weapon which you can use to change the world.” শিক্ষা সবচেয়ে শক্তিশালী একটি অস্ত্র, যা তুমি বিশ্বের পরিবর্তনে ব্যবহার করতে পার।
৫. সম্ভাবনা নিয়ে- “It always seems impossible until its done.” কোন কিছু করার আগ পর্যন্ত সব সময় অসম্ভবই মনে হয়।
“Do not judge me by my successes, judge me by how many times I fell down and got back up again.”- আমার সফলতার ভিত্তিতে আমাকে বিচার করো না, আমাকে বিচার কর আমার ব্যর্থতা এবং ব্যর্থতার পর ঘুরে দাঁড়ানোর ভিত্তিতে।
“There will always be problems in life. Problems should not become your captain, rather you should become the captain of the problem, defeat the problem and succeed,”- Dr. APJ Abdul Kalam
৬. মেধার গুরুত্ব- “A Good head and heart are always a formidable combination.” একটি মেধাবী মস্তিষ্ক এবং ভালো মনের সমন্বয় সবসময়ই দুর্দান্ত।
৭. লক্ষ্য নিয়ে- “When people are determined they can overcome anything.” কেউ যদি নিজের লক্ষ্যে স্থির থাকে তবে সে অবশ্যই বিজয়ী হবে।
৮. শত্রুর সাথে বন্ধু বিষয়ে- “If you want to make peace with your enemy, you have to work with your enemy, then he becomes your partner.” আপনি যদি শত্রুর সাথে শান্তিতে থাকতে চান তবে তার সাথে আপনাকে মিশে যেতে হবে, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে তবেই আপনার শুক্র আপনার বন্ধুতে পরিণত হবে।
সংগঠন মজবুতি
নবী (সা)-এর আন্দোলন পর্যালোচনা করলে দেখা যায়-
*    ইসলামী নৈতিকতাসম্পন্ন আদর্শ চরিত্রবান যোগ্য নেতা ও কর্মীবাহিনীর সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি মজবুত সংগঠন।
*    ইসলামী আন্দোলনের নেতা ও কর্মীদের ব্যাপক দাওয়াতি কাজ ও গণযোগাযোগের মাধ্যমে ইসলামী বিপ্লবের লক্ষ্যে দেশব্যাপী একটি অনুকূল জনমত গড়ে তোলা।
মজবুত সংগঠনের বৈশিষ্ট্য
*    ব্যাপকভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণ-
*    Well plane is half done.
*    পরিকল্পনার objectiveকী হবে তা নির্ধারণ করতে হবে।
*    পারিপার্শ্বিক অবস্থার সঠিক মূল্যায়ন
*    কাজের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা কী কী? উত্তরণের কী ব্যবস্থা
*    সম্ভাবনা কী। এগুলোকে কিভাবে কাজে লাগানো যায়।
*    নেতৃত্ব ও কর্মীবাহিনীর মান ও যোগ্যতা
*    পরিকল্পনা গ্রহণের আগে সার্বিক অবস্থার ওপর জরিপ।
*    একটি দীর্ঘমেয়াদি ও একটি স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা।
*    নেতৃত্বের সঙ্কট পূরণে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ :
*    চৌকস নেতা ও কর্মী গঠনে পরিকল্পিত টার্গেটভিত্তিক দাওয়াত
*    রুট লেভেল পর্যন্ত সংগঠনের বিস্তৃতির কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ
পরিশেষে এটুকুই বলব, ক্যাম্পাস আমাদেরকে শিখিয়েছে-We know, We can “আমরা জানি,আমরা পারব”। Jalal ud-Din Rumi, ÒI am born with potential. I am born with goodness and trust. I am born with ideas and dreams. I am born with greatness. I am born with wings. I am not meant for crawling because I have wings. I will learn to use them and fly.” আর এই বিশ্বাসই আমাদের জন্য যথেষ্ট। সৃষ্টিকর্তা আমাদের সকল ভালো প্রয়াস সফল করুক। আমিন।
লেখক : কেন্দ্রীয় সাহিত্য সম্পাদক, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির

SHARE

Leave a Reply