ক্যারিয়ারে সরকারি চাকরি ক্যাডার, নন-ক্যাডার -আকতার হোসেন

বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন (বিপিএসসি)
বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগের জন্য উপযুক্ত এবং যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি নির্বাচন করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত একটি সাংবিধানিক সংস্থা। সংস্থাটি বিভিন্ন দেশে তার প্রতিরূপ সংস্থাসমূহের মতো প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত মানবসম্পদ পরিকল্পনায় উৎকর্ষ সাধনের পাশাপাশি জনপ্রশাসন ব্যবস্থাপনায় নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ভূমিকা পালন করছে। কর্মকমিশন দেশব্যাপী প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের উপযুক্ত ব্যক্তি নির্বাচন করে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার পাশাপাশি কমিশন প্রজাতন্ত্রের কর্মের জন্য যোগ্যতা ও তাতে নিয়োগের পদ্ধতি সম্পর্কিত বিষয়াদি; প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগদান, উক্ত কর্মের এক শাখা হইতে অন্য শাখায় পদোন্নতিদান ও বদলিকরণ এবং অনুরূপ নিয়োগদান, পদোন্নতি বা বদলিকরণের জন্য প্রার্থীর উপযোগিতা-নির্ণয় সম্পর্কে অনুসরণীয় নীতিসমূহ; অবসর-ভাতার অধিকারসহ প্রজাতন্ত্রের কর্মের শর্তাবলিকে প্রভাবিত করে, এইরূপ বিষয়াদি; এবং প্রজাতন্ত্রের কর্মের শৃঙ্খলামূলক বিষয়াদি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে (উল্লেখ ক্ষেত্রে) পরামর্শ দান করেন।

বিপিএসসি কর্তৃক পরিচালিত পরীক্ষাসমূহ :
বিসিএস পরীক্ষা :
বিসিএস উত্তীর্ণ হয়ে একটি ক্যাডার পাওয়া মানেই বাকি জীবনটা সুন্দর এবং অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চত করা। বিসিএস উত্তীর্ণ হওয়া খুব সহজসাধ্য কাজ নয়। অনেকদিন আগে থেকেই সে অনুুযায়ী ধীরে ধীরে প্রস্তুত করতে হয় নিজেকে। অনেককে দেখা যায় গ্র্যাজুয়েশন বা পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন শেষ করে মোটা সাইজের একটা বিসিএস গাইড ও সঙ্গে আরও কিছুু বই নিয়ে টেবিলে বসেন। কেউ কেউ এর জন্য কোচিংও করেন, তাতে ভালো ফলাফল পেয়ে যান অনেকে। তবে এটা যথার্থ প্রস্তুতি নয়। প্রস্তুতি নিতে হয় ধীরে সুস্থে, নিজেকে তৈরি করতে হয় বুঝে শুনে। কারণ প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার পুুলসিরাত পার করে মৌখিক পরীক্ষায় অবতীর্ণ হতে হয়। তখন যে কোন দিক থেকে কি প্রশ্ন করা হয় তা প্রশ্ন হওয়ার পূর্ব মুহূর্তেও বুঝা দায়। প্রস্তুতি হওয়া উচিত কংক্রিটের মতো শক্ত। তাই বিসিএস প্রত্যাশীদের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ থেকে বিসিএস এর প্রস্তুতি নেয়া ভালো। আমাদের আলোচনার বিষয় বিসিএস অবতীর্ণ হওয়ার নানা প্রস্তুতি এবং কৌশল অর্থৎ বিসিএস পরীক্ষার জন্য আমাদের যা যা জানা প্রয়োজন। এই মুহূর্তে কেউ ৩৭তম প্রিলিমিনারির প্রস্তুতি নিচ্ছেন আবার ৩৬তম প্রিলি উত্তীর্ণরা লিখিতের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন । বিসিএস পরীক্ষায় নানা ধাপ পার করতে হয়। আবেদনপত্র তুলে নির্ভুুলভাবে পূরণ করে অনলাইনে জমা দেয়ার মাধ্যমে বিসিএস এর প্রথম ধাপ প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আরম্ভ হয়।
আবেদনের প্রাথমিক শর্তাবলি:
শিক্ষাগত যোগ্যতা।
১. বিসিএস পরীক্ষায় প্রার্থী উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পর মাস্টার্স ডিগ্রি অথবা ৪ বছরের স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে. যে বা যারা একাধিক তৃতীয় বিভাগ পেয়েছেন এই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা থেকে অযোগ্য বলে গণ্য হবেন
২. আবেদনপত্রে উল্লিখিত ক্যাডার পদের জন্য কোন প্রার্থীও বিসিএস পরীক্ষার বিজ্ঞাপনে উল্লিখিত শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকিলে তিনি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করিতে পারিবেন না।
৩. যদি কোন প্রার্থী কোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন কোন পরীক্ষায় অবতীর্ণ হইয়া থাকেন যাতে চাহিদাকৃত শ্রেণি বা বিভাগসহ পাস করিলে তিনি বিসিএস পরীক্ষা দেয়ার যোগ্যতা অর্জন করিবেন, তাহলে তিনি বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন করিতে পারিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, এইরূপ ক্ষেত্রে বিসিএস পরীক্ষার আবেদনপত্র জমাদানের শেষ তারিখের মধ্যে তার সকল লিখিত পরীক্ষা সম্পন্ন হইবার প্রমাণপত্র আবেদনের সহিত সংযুক্ত করিতে হইবে।
৪. উপ-বিধি (২) এ উল্লিখিত আবেদনপত্র সাময়িকভাবে গ্রহণ করা হইবে এবং এরূপ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে অবতীর্ণ প্রার্থী হিসাবে বিবেচনা করা হইবে।
৫. অবতীর্ণ প্রার্থীকে তার মৌখিক পরীক্ষার নির্ধারিত তারিখের পূর্বে যথাশীঘ্র সম্ভব বিশ্ববিদ্যালয় হতে অর্জিত প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জনের মূল অথবা সাময়িক সনদ কমিশনে দাখিল করিতে হইবে।
৫. এই বিধির অধীন আবেদনকারী প্রার্থীকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য তাহার আবেদনপত্রের সহিত উক্তরূপ শিক্ষাগত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের প্রমাণস্বরূপ উক্ত পরীক্ষার প্রবেশপত্র এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত পরীক্ষা শুরু ও শেষ হইবার তারিখ সংবলিত প্রত্যয়নপত্র অবশ্যই জমা প্রদান করিতে হইবে।

বয়সসীমা
১. কমিশন কর্তৃক যে মাসে বিসিএস পরীক্ষার বিজ্ঞাপন জারি করা হইবে উক্ত মাসের প্রথম তারিখে কোন প্রার্থীর বয়স ২১ (একুশ) বছরে নিম্নে বা ৩০ (ত্রিশ) বছরের ঊর্ধ্বে হইলে তিনি উক্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন না।
২. উপ-বিধি (১) এ উল্লিখিত বয়সসীমা নিম্নে বর্ণিত ক্ষেত্রে শিথিলযোগ্য হইবে, যথা :
(ক) মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণের পুত্র বা কন্যা, প্রতিবন্ধী প্রার্থী এবং বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের প্রার্থীদের সর্বোচ্চ বয়সসীমা হইবে ৩২ (বত্রিশ) বছর;
(খ) মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধা, মহিলা এবং অনগ্রসর নাগরিক প্রার্থীর জন্য সরকার কর্তৃক সময় সময় সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নির্ধারিত বয়সসীমা।
৩. বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা), বিসিএস (কারিগরি শিক্ষা) এবং বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডার পদের ক্ষেত্রে উপজাতীয় প্রার্থীর সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২ (বত্রিশ) বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য হইবে এবং অবশিষ্ট সকল ক্যাডারের ক্ষেত্রে উপজাতীয় প্রার্থীদের সর্বোচ্চ বসয়সীমা হইবে ৩০ বছর।
৪. উপ-বিধি (১) এবং (২) এ উল্লিখিত বসয়সীমা বিশেষ অবস্থায় সরকার কর্তৃক সময় সময় শিথিলযোগ্য হইবে।
১৮৪৩২ বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৪
৫. এসএসসি বা সমমানের সনদে উল্লিখিত জন্ম তারিখ অথবা কমিশন কর্তৃক স্বীকৃত অন্য কোন যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক একজন প্রার্থীর নামে ইস্যুকৃত সনদে উল্লিখিত জন্ম তারিখ বয়স প্রমাণের দলিল হিসাবে গণ্য হইবে এবং ‘ও’ লেভেল ও ‘এ’ লেভেল উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সনদপত্রে উল্লিখিত জন্মতারিখ দালিলিক প্রমাণ হিসাবে গণ্য হইবে।
৬. বয়স প্রমাণের জন্য হলফনামা (Affidavit) গ্রহণযোগ্য হইবে না।

নাগরিকত্ব
১. বাংলাদেশের নাগরিক নহেন এমন কোন প্রার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন না।
২. সরকারের পূর্বানুমতি ব্যতিরেকে কোন প্রার্থী কোন বিদেশী নাগরিককে বিবাহ করিয়া থাকিলে বা বিবাহ করিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হইয়া থাকিলে তিনি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন না।

মিথ্যা তথ্য প্রদান ও অসদুপায় অবলম্বনের শাস্তি।
১. কোন প্রার্থী আবেদনপত্রে জ্ঞাতসারে কোন ভুল বা মিথ্যা তথ্য প্রদান করিলে বা প্রয়োজনীয় তথ্য গোপন করিলে বা টেম্পারিং
করিলে বা কোন জাল সার্টিফিকেট দাখিল করিলে বা বয়স ও শিক্ষাগত যোগ্যতা সংক্রান্ত সার্টিফিকেটের কোন অংশ বা প্রবেশপত্র টেম্পারিং বা পরিবর্তন করিলে বা পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন বা কোন ধরনের ইলেকট্রনিক যোগাযোগ যন্ত্রসহ প্রবেশ এবং উক্ত প্রযুক্তির মাধ্যমে অসদুপায়ের আশ্রয় গ্রহণ করিলে বা পরীক্ষা হলে কোনরূপ দুর্ব্যবহার করিলে বা অসদুপায় অবলম্বন করিলে বা প্রতারণার আশ্রয় নিলে তাহাকে উক্ত পরীক্ষাসহ কমিশন কর্তৃক অনুষ্ঠেয় পরবর্তী যে কোন পরীক্ষার জন্য অযোগ্য ঘোষণা করা যাইবে।
২. উপ-বিধি (১) এ উল্লিখিত ব্যবস্থার অতিরিক্ত হিসাবে ক্ষেত্রবিশেষ সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে ফৌজদারি আইনে সোপর্দ করা যাইবে এবং উক্ত প্রার্থীকে সার্ভিসে নিয়োগের পর এইরূপ কোন তথ্য প্রকাশ ও উহা প্রমাণিত হইলে তাহাকে চাকরি হইতে বরখাস্তকরণ ছাড়াও তাহার বিরুদ্ধে আইনানুগ যে কোন উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে।

প্রার্থী নির্বাচন
কৃতকার্য প্রার্থীদের মধ্য হইতে কমিশন উপযুক্ত প্রার্থী নির্বাচন করিবে এবং সার্ভিস বা ক্যাডার পদে নিয়োগের জন্য যোগ্য প্রার্থীদের নাম সরকারের নিকট সুপারিশ করিবে।

ক্যাডার সমূহ
বিসিএস ক্যাডার সমূহ হলো:
ক. সাধারণ ক্যাডার:
১. বিসিএস (প্রশাসন)
২. বিসিএস (আনসার)
৩. বিসিএস (নিরীক্ষা ও হিসাব)
৪. বিসিএস (সমবায়)
৫. বিসিএস (ইকোনমিক)
৬. বিসিএস( পররাষ্ট্রবিষয়ক)
৭. বিসিএস (তথ্য)
৮. বিসিএস (পুলিশ)
৯. বিসিএস (ডাক)
১০. বিসিএস (রেলওয়ে পরিবহন ও বাণিজ্যিক)
১১. বিসিএস (ট্যাক্স)
১২. বিসিএস (কাস্টমস)
১৩. বিসিএস (কো:অপারেটিভ)
১৪. বিসিএস (পরিবার পরিকল্পনা)
১৫. বিসিএস(ট্রেড)

খ. প্রফেশনাল/টেকনিক্যাল ক্যাডার সমূহ:
১. বিসিএস (কৃষি)
২. বিসিএস (মৎস্য)
৩. বিসিএস (খাদ্য)
৪. বিসিএস (স্বাস্থ্য)
৫. বিসিএস (তথ্য)
৬. বিসিএস (পশুুুুুুুুুসম্পদ)
৭. বিসিএস (গণপূর্ত)
৮. বিসিএস (রেলওয়ে প্রকৌশল)
৯. বিসিএস (সড়ক ও জনপদ)
১০. বিসিএস (ডাক)
১১. বিসিএস (বন)
১২. বিসিএস (পরিসংখ্যান) এবং
১৩. বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা )

যেভাবে বিসিএস ফরম পূরণ করা যাবে
প্রার্থীকে Tele talk Bd Ltd.Gi web Address:http//bpsc:teletalk.com.bd অথবা বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশনের web link:www.bpsc.gov.bd এর মাধ্যমে কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত আবেদনপত্র পূরণ করে online Registration কার্যক্রম ও ফি জমাদান সম্পন্ন করতে হবে। ক্যাডার চয়েস এর উপর ভিত্তি application Form করে ৩টি ক্যাটাগরি রয়েছে যেমন :1. Application form for general cadre, 2. Application form for technical cadrew/proffessional cadre. 3. Application form for general and Technical/professional (Both) cadre.

পরীক্ষার ফি প্রদান :
Online-এ আবেদনপত্র (BPSC Form-) যথাযথভাবে পূরণপূর্বক নির্দেশনা মতে ছবি এবং Signature Upload করে প্রার্থী কর্তৃক আবেদনপত্র Submission  সম্পন্ন হলে কম্পিউটারে ছবিসহ Application Preview কপি দেখা যাবে। নির্ভুলভাবে আবেদনপত্র Submit করা সম্পন্ন হলে প্রার্থী একটি User ID ওউ সহ ছবি এবং স্বাক্ষরযুক্ত একটি Applicants Copy পাবেন। Preview এবং Applicants Copy-তে প্রার্থীর ছবি ও স্বাক্ষর অবশ্যই দৃশ্যমান হতে হবে। উক্ত Applicants Copy প্রার্থীকে প্রিন্ট অথবা Download করে সংরক্ষণ করতে হবে। Applicantsকপিতে একটি User ID ওউ নম্বর দেয়া থাকবে এবং এই User IDনম্বর ব্যবহার করে Teletalk Bangladesh Ltd. কর্তৃক SMS এর মাধ্যমে প্রদত্ত নির্দেশনা অনুসারে প্রার্থী নিম্নোক্ত পদ্ধতিতে যে কোনো Teletalk Pre-paid Mobile নম্বরের মাধ্যমে SMS  করে বিসিএস পরীক্ষার ফি ৭০০ (সাতশত) টাকা (প্রতিবন্ধী এবং উপজাতীয়দের জন্য ১০০/- একশত টাকা) জমা দিবেন এবং Admit Card Download করে প্রিন্ট করতে পারবেন : প্রথম BCS <space>User ID ওউ লিখে send করুন ১৬২২২ নম্বরে।
ঊীধসঢ়ষব :
Example :
Reply : Applicants Name, Tk-700(100 Tk. for Physically Handicapped and Tribal Candidates) will be Charged as Application Fee. Your PIN is (8 digit number)  ১২৩৪৫৬৭৮. o Pay Fee, type BCS < Space>Yes<Space>PIN and send to 16222.
দ্বিতীয় SMS : BCS <space>Yes<Space>PIN লিখেsend করুন ১৬২২২ নম্বরে। Example : BCS YES 12345678 BCS QRNTCBTP
Reply : Congratulations! ApplicantÕs Name, payment completed successfully for BCS Examination. User ID is (xxxxxxxx) and Password (xxxxxxxx).
N.B. : For Lost Password, Please Type BCS<Space>HELP<Space>SSC Board <Space> SSC Roll<Space>SSC Year and send to 16222 |
ছবি (Photo) :
BPSC Form-১ এর Part-1, Part-2  এবং Part-3 সাফল্যজনকভাবে পূরণ সম্পন্ন হলে Application Preview  দেখা যাবে।Preview এর নির্ধারিত স্থানে প্রাথীকে (দৈর্ঘ্য প্রস্থ) ৩০০ , ৩০০ চরীবষ এর কম বা বেশি নয় এবং  File Size ১০০ কই এর বেশি গ্রহণযোগ্য নয়, এরূপ মাপের অনধিক তিন মাস পূর্বে তোলা নিজের রঙিন ছবি Scan করে Upload করতে হবে। সাদাকালো ছবি গ্রহণযোগ্য হবে না। Applicants Copy–তে ছবি মুদ্রিত না হলে আবেদনপত্র বাতিল হবে। সানগ্লাসসহ ছবি গ্রহণযোগ্য হবে না।
N.B. Home Page-এর Help Menu-তে ক্লিক করলে Photo এবং Signature সম্পর্কে বিস্তারিত নির্দেশনা পাওয়া যাবে।
স্বাক্ষর (Signature) ::
Application Preview তে স্বাক্ষরের জন্য নির্ধারিত স্থানে (দৈর্ঘ্য প্রস্থ) ৩০০, ৮০ Pixel এর কম বা বেশি নয় এবং  File Size ৬০ কই এর বেশি গ্রহণযোগ্য নয়, প্রার্থীকে এরূপ মাপের নিজের স্বাক্ষর Scan করে Upload করতে হবে। Applicants Copy-তে স্বাক্ষর উল্লিখিত
N.B.  নির্দেশনা অনুযায়ী মুদ্রিত না হলে আবেদনপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।

প্রবেশপত্র  (Admit Card)
উপরের নির্দেশনা অনুসারে পরীক্ষার নির্ধারিত ফি জমা হলে টেলিটক হতে প্রেরিত উত্তরে প্রদত্ত একটি User ID এবং Password ব্যবহার করে প্রার্থী তার প্রার্থিত কেন্দ্রের নিম্নোক্ত রেজি: নম্বরের রেঞ্জ হতে কম্পিউটারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রাপ্ত রেজি: নম্বর সংবলিত Admit Card Download  করে নিতে পারবেন।

ক্যাডার পছন্দ
বিসিএস প্রত্যাশীদের ফরম পূরণের সময় সবচেয়ে সমস্যায় ভোগে কোন ক্যাডার পছন্দ করবে তা নিয়ে। ক্যাডার পছন্দের বিষয়টা একান্তই ব্যক্তিগত ব্যাপার। যার যার যেটা ভালো লাগে সেটা পছন্দ দেয়ায় ভালো, তবে পছন্দ করার আগে ক্যাডারগুলো সম্পর্কে জেনে নেয়া ভাল। এখানে কিছু ক্যাডারের সুবিধা ও অসুবিধা সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।
বিসিএস (পররাষ্ট্র) : যেদিন থেকে পৃথিবীতে শাসনতন্ত্র শুরু হয়েছে তার পর থেকে শুরু হয়েছে কূটনীতি। আর সব সময় কূটনীতিক প্রতিনিধিরা হয়ে থাকে সর্বাধিক শিক্ষিত, মেধাবী ও প্রজ্ঞা সম্পন্ন ব্যক্তিরা, এই ক্যাডারে সাধারণত খুব কম খালি পোস্ট থাকে তাই প্রতিযোগিতা হয় সবচেয়ে বেশি। জয়েন করার পর থেকে ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পোস্টিং হয়। বিদেশে পোস্টিং হতে ৬ থেকে ৭ বছর সময় লাগে। বিদেশে পোস্টিং হলে সকল ধরনের কূটনীতিক সুুুুবিধা সমূহ পাওয়া যায়। এই ক্যাডারের প্রমোশন গ্রোথ অনেক ভালো, কারণ কম লোক নেয়া হয় আর বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের মিশন সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে ।
বিসিএস (প্রশাসন) : ক্যাডার সার্ভিস শুরু হয়েছে বলতে গেলে এই ক্যাডার দিয়ে, এটাই মূলত দেশ পরিচালনের মূল হাতিয়ার বলে থাকে অনেকেই। এই ক্যাডারে মফস্বলে পোস্টিং হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে, তাই জনগণের সাথে কাজ করার সুুযোগও তৈরি হয়। চাকরিতে ঢুকে ডিসি অফিসে কাজ করা লাগে (স্বল্পসংখ্যক আ্যাডমিন ক্যাডার মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব হিসেবে ও কাজ করে। মোটামোটি ৭ থেকে ৮ বছর পর টিএনও হওয়া যায়, আর টিএনও কে উপজেলা পর্যায়ে সরকার নিয়োগকৃত রাজা বলে থকেন অনেকেই। আ্যডমিন ক্যাডারের সবচেয়ে সুবিধা হচ্ছে ভ্যারিয়েশন আছে এই ক্যাডারে, এর দ্বারা এই ক্যাডারের লোকজন বিভিন্ন সসয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বিভিন্ন মন্ত্রাণালয়ে কাজ করে থাকেন। এমনকি চাকরি শেষে যোগ্যতা ও দক্ষতা অনুযায়ী চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের ক্ষেত্রেও এরা এগিয়ে থাকেন। (পিএসসির মেম্বার/ চেয়ারম্যানসহ আরও অন্যন্য গুরুত্বপূর্ণ পদে)
বিসিএস (পুলিশ): বাংলাদেশের মানুষ সারাদিন পুুলিশকে গালি দেয়, অনেকে ঘোষখোর বলে ঘৃণা করেন, কিন্তু দিন শেষে কিংবা রাত পোহালে কোন বিপদে পড়লে এই পুুুুুলিশকেই যখন তখন আমরা ফোন দিতে বাধ্য হয়। এ থেকেই বুঝা যায় পুলিশ আমাদের সমাজের কতটা প্রয়োজন, তারা কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই ক্যাডারের লজিস্টিক সাপোর্ট খুব ভালো যেমন রেশন, গাড়ি, কোয়ার্টার সুবিধা)। এই ক্যাডারের লোকজন সবচেয়ে বেশি পাওয়ার প্র্যাকটিস করে থাকেন। কাজের চাপ থাকে সবচেয়ে বেশি। ঈদের দিনও ডিউটি থাকে। উপরের দিকে পোস্ট কম থাকায় একটা লেভেলে গিয়ে প্রোমোশন আটকে যায়। দুর্বলচিত্তের লোক এই ক্যাডারে না আসা-ই ভালো।
(বিসিএস) কাস্টমস : কাস্টমস ক্যাডাররা অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি ডিভিশন বা উইং হিসেবে কাজ করে থাকে। ঢাকার বাইরে পোস্টিং হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। বৈধ উপায়েও প্রচুর টাকা কামানোর সুযোগ আছে, যেমন চোরাচালান ও ফাঁকি ধরতে পারলে সরকারিভাবে মূল্যভেদে ১০ থেকে ৪০% পর্যন্ত পুরস্কার দেয়া হয়। লজিস্টিক সাপোর্ট বেশ ভালো (যেমন, গাড়ি ও বাসস্থান সুবিধা)।
(বিসিএস) ট্যাক্স : ট্যাক্স ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি ডিভিশন বা উইং হিসেবে কাজ করে। চাকরির প্রথম দিকে ঢাকার বাইরে পোস্টিং বেশি। কাস্টমসের মত বৈধ উপায়ে টাকা আয়ের সুুযোগ বেশি।
(বিসিএস) ইকোনমিক : ইকোনমিক ক্যাডারে ফরেন ক্যাডারের পর সবচেয়ে বেশি দেশের বাইরে যাওয়ার সুযোগ থাকে। এবং সবচেয়ে সুবিধা হচ্ছে তাদের জন্য যারা ঢাকায় থাকতে চায়। এই ক্যাডারের লোকজন বেশি ঢাকায় থাকতে পারে কারণ পুরো চাকরি জীবনে চাকরি করতে হয় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে। বিদেশে উচ্চশিক্ষা ও ট্রেনিংয়ের অধিকতর সুুুুুুযোগ। প্রোমোশন গ্রোথ মোটামোটি ভাল। ডেপুটেশনে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ পাওয়া যায়। (এসব সংস্থায় বেতন অনেক বেশি।
(বিসিএস) অডিট : সরকারি যত হিসাব নিকাশ ও তদারকির কাজ আছে তা পালন করে থাকেন এই ক্যাডাররা। এদের মোটামুটি প্রোমোশন গ্রোথ ভাল। দেশে বিদেশে ট্রেনিং ও টুু্যুরের ব্যবস্থা আছে। এই ক্যাডারের সর্বোচ্চ পদ একটি সাংবিধানিক পদ। অন্যান্য ক্যাডাররা এই ক্যাডার কে সমীহ করে থাকেন, কারণ অডিট হিসাব সব প্রতিষ্ঠানেই হয়ে থাকে। অন্য প্রতিষ্ঠানের ভুল ধরাই এদের কাজ। এ ছাড়া ও অন্য ক্যাডারদের বেতন পেনশনের জন্যও তারা এই ক্যাডারদের সমীহ করে থাকে। রাজনৈতিক প্রভাব তুলনামূলক কম।
(বিসিএস) আনসার : কাজের চাপ কম, লজিস্টিক সাপোর্ট বেশ ভালো। চাকরির প্রথম থেকেই গাড়িসুবিধা পাওয়া যায়, এ ছাড়া বাসস্থানের সুবিধাতো আছেই। এই ক্যাডারটা নিরিবিলি তুুলনামূলক কম ঝামেলাসম্পন্ন দায়িত্ব।

প্রার্থীকে যে ধাপগুলো যেভাবে পার হতে হবে।
প্রিলিমিনারি
ক.    প্রার্থীকে ২০০ (দু’শত) নম্বরের একটি এমসিকিউ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। পরীক্ষার পূর্ণ সময় দেয়া থাকবে ২ ঘন্টা। উত্তরপত্র ওএমআর মেশিনের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হবে।
খ.    এই পরীক্ষায় মোট দুইশতটি প্রশ্ন থাকবে, প্রার্থী প্রতিটি প্রশ্ন উত্তরের জন্য এক নম্বর পাবেন, তবে প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য প্রাপ্ত মোট নম্বর হতে ০.৫০ করে কাটা হবে।
গ.    উত্তরপত্রে রেজিস্ট্রেশন নম্বর সঠিকভাবে না লিখলে এবং সঠিকভাবে বৃত্ত পূরণ না করলে বা কাটাকাটি করলে প্রার্থিতা বাতিল বলে গণ্য হবে।
ঘ.    প্রিলিমিনারি টেস্টের এমসিকিউ উত্তরপত্র গোপনীয় দলিল হিসেবে গণ্য হবে। প্রিলিমিনারি টেস্টের উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন গ্রহণ করা হবে না।
ঙ.    প্রিলিমিনারি পরীক্ষয় অংশ গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রার্থীর উপযুক্ততা এবং প্রিলিমিনারি টেস্টে কৃতকার্যতা নির্ধারণ ক্ষেত্রে কমিশনের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

প্রিলি পরীক্ষার বিষয় ও মানবণ্টন:
ক্রমিক  বিষয়  নম্বর  ১ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য  ৩৫  ২ ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য  ৩৫  ৩ বাংলাদেশ বিষয়াবলি  ৩০  ৪ আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি  ২০  ৫ ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব) পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা)  ১০  ৬ সাধারণ বিজ্ঞান  ১৫  ৭ কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি  ১৫  ৮ গাণিতিক যুক্তি  ১৫  ৯ মানসিক দক্ষতা  ১৫  ১০ নৈতিক মূল্যবোধ ও সুশাসন  ১০
প্রিলিমিনারি পরীক্ষার বিষয়ভিত্তিক সিলেবাস কমিশনের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।www.bpsc.gov.bd
যারা প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবে তারা লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। লিখিত পরীক্ষার বিষয়ভিত্তিক নম্বর হলো।
ক. সাধারণ ক্যাডার:
১ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ২০০
২ ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য ২০০
৩ বাংলাদেশ বিষয়াবলি ২০০
৪ আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ১০০
৫ গাণিতিক যুুক্তি ও মানসিক দক্ষতা (৫০ +৫০) ১০০
৬ সাধারণ বিজ্ঞান ১০০

খ. প্রফেশনাল/টেকনিক্যাল ক্যাডার।
১ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ২০০
২ ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য ২০০
৩ বাংলাদেশ বিষয়াবলি ২০০
৪ আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ১০০
৫ গাণিতিক যুুক্তি ও মানসিক দক্ষতা (৫০ +৫০) ১০০
৬ সাধারণ বিজ্ঞান ১০০
৭ সংশ্লিষ্ট পদ বা সার্ভিসের জন্য ২০০
বি.দ্র. যে সকল প্রাথ্্্্্্্র্ী সাধারণ ও প্রফেশনাল/ টেকনিক্্যাল ্্্্্্্্্্উভয় ক্যাডারের পদের জন্য পছন্দক্রম দিতে ইচ্ছুক তাদেরকে সাধারণ ক্যাডারের ৯০০ নম্বরের অতিরিক্ত সংশ্লিষ্ট পদ বা সার্ভিসের জন্য প্রাসঙ্গিক একক বিষয়ের ২০০ নম্বরের ৪ ঘণ্টার পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ বাধ্যকতামূলক। লিখিত পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ বিষয়ভিত্তিক সিলেবাস কমিশনের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। িি.িনঢ়ংপ.মড়া.নফ

লিখিত পরীক্ষার সময় ও মানবণ্টন :
ক.    ২০০ নম্বরের প্রতিটি বিষয়ের লিখিত পরীক্ষার সময় হবে ৪ ঘণ্টা এবং ১০০ নম্বরের প্রতিটি বিষয়ের সময় থাকবে ৩ ঘন্টা ।
খ.    প্রার্থীদের জন্য সকল বিষয়ের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা আবশ্যিক।
গ.    লিখিত পরীক্ষার গড় ন্যূনতম পাস নম্বর হবে ৫০%। লিখিত পরীক্ষায় কোন প্রার্থী কোন বিষয়ে ৩০% নম্বরের কম পেলে তিনি উক্ত বিষয়ে কোন নম্বর পাননি বলে গণ্য হবেন।

মৌখিক পরীক্ষা
লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরাই কেবল মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্য হবেন।  মৌখিক পরীক্ষার পূর্ণ নম্বর ২০০ এবং পাস নম্বর ৫০% অর্থাৎ ২০০ নম্বরের মধ্যে পাস করতে হলে ১০০ নম্বর পেতে হবে। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় পৃথক ভাবে পাস করতে হবে।

প্রার্থীর বক্ষ নিম্নরূপে পরিমাপ করা হইবে:
প্রার্থী তাহার বক্ষ পরিমাপের জন্য পদযুগল একত্রিত করিয়া বাহুদ্বয় মাথার উপরে উঠাইয়া সোজা হইয়া দাঁড়াইবেন। যখন বুকের চারিপাশে ফিতা দিয়া পরিমাপ করা হইবে তখন লক্ষ্য রাখিতে হইবে যে, ফিতার উপরের কিনারা কাঁধ ফলকের পিছনের নিম্নাংশকে স্পর্শ করে; এবং যখন ফিতা বুকের চারিদিকে ধরা হইবে তখন দেখিতে হইবে ইহা একই আনুভূমিক সমতল স্পর্শ করিয়াছে। অতঃপর বাহুযুগল পার্শ্ব বরাবরে হালকাভাবে নিম্নের দিকে ঝুলাইয়া রাখিতে হইবে, এবং সতর্কভাবে লক্ষ্য রাখিতে হইবে যে, ফিতা স্থানচ্যুত করিতে কাঁধ উপর বা পার্শ্বদিকে আন্দোলিত না হয়। এরপর প্রার্থী কয়েকবার গভীর শ্বাস লইতে নির্দেশিত হইবেন এবং তাহার বুকের সর্বোচ্চ প্রসারণ ও সর্বনিম্ন সংকোচন সতর্কতার সহিত লিপিবদ্ধ করা হইবে যাহার রেকর্ড ৮৩.৮২-৮৮.৯০ সেঃমিঃ এবং ৮৬.৩৬-৯২.৭১ সেঃমিঃ ইত্যাদি। পরিমাপে ভগ্নাংশ ০.৫০ সেঃমিঃ এর কম গণনায় অন্তর্ভুক্ত করা যাইবে না।

প্রার্থীর দৃষ্টিশক্তি নিম্নরূপে পরীক্ষা করা হইবে। যথা :
১. সাধারণ-প্রার্থীর কোন চোখের অসুখ বা অস্বাভাবিকতা আছে কিনা তাহা পরীক্ষার জন্য প্রার্থীর চোখে সাধারণ পরীক্ষা করা হইবে। যদি কোন প্রার্থীর চোখ বা চোখের পাতার রুগ্নতা পরিলক্ষিত হয় বা তিনি টেরাচোখা হন বা তাহার কাছাকাছি গঠন হয় বা তাহার চোখ এত ছোট যে ভবিষ্যতে কাজের জন্য অনুপযুক্ত হিসাবে বিবেচিত হওয়ার সম্ভাবনা রহিয়াছে, তাহা হইলে তিনি চাকরির জন্য অযোগ্য ঘোষিত হইবেন।
২. দৃষ্টিশক্তির তীক্ষèতা :
ক. দৃষ্টি শক্তির তীক্ষèতা পরীক্ষা দুই ধরনের হইতে পারে। একটি দূর দৃষ্টি পরীক্ষা এবং অন্যটি নিকট দৃষ্টি পরীক্ষা। প্রত্যেক চোখ পৃথকভাবে পরীক্ষা করিতে হইবে।
খ. কোন প্রার্থীর দৃষ্টির তীক্ষèতা নিম্নবর্ণিত পরিমাপের/মানদন্ডের নিচে হইলে তিনি চাকরির জন্য উপযুক্ত বিবেচিত হইবেন না, যথা:
মানদন্ড (১) ডান চোখ বাম চোখ দূর দৃষ্টি ৬ /৬, ৬/৬ নিকট দৃষ্টি-পঠন ০.৬/টিআই/এন ৫ পঠন-০.৬/জেআই/এন ৫
মানদন্ড (২) ত্রুটিমুক্ত চোখ ত্রুটিপূর্ণ চোখ দূরদৃষ্টি ৬/৬ গ্লাস/চশমা ছাড়া ৬/৬০ এর নিম্নে নহে সংশোধিত হওয়ার পর চশমাসহ ৬/১২ এর নিম্নে নহে। নিকট দৃষ্টি-পঠন ০.৬/টিআই/এন ৫ পঠন-১/টি ২/এন ৬
মানদন্ড (৩) ত্রুটিমুক্ত চোখ ত্রুটিপূর্ণ চোখ দূর দৃষ্টি চশমা ছাড়া ৬/৬০ এর নিম্নে নহে এবং সংশোধিত হওয়ার পর চশমাসহ ৬/৬ এর নিম্নে নহে। চশমা/গ্লাস ছাড়া ৬/৬০ এর নিম্নে নহে এবং সংশোধিত হওয়ার পর চশমাসহ ৬/১২ এর নিম্নে নহে। নিকট দৃষ্টি-পঠন ০.৬/টিআই/এন৫ পঠন-১/ টি ৪ / এন ৮
বি: দ্র: দৃষ্টির মানদন্ডের ক্ষেত্রে কোন শিথিলতা গ্রহণযোগ্য হইবে না। বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৪ ১৮৪৫১
প্রত্যেক চোখ পৃথকভাবে পরীক্ষা করিতে হইবে এবং পরীক্ষার সময় অবশ্যই চোখের পাতা খোলা রাখিতে হইবে। দূরদৃষ্টি পরীক্ষার জন্য চশমা ছাড়া ৬.০৯ মি. দূরত্বের কোন পরীক্ষা হইতে পারে এবং নিকট দৃষ্টির ক্ষেত্রে চশমা ছাড়া পরীক্ষার্থী দ্বারা নির্দিষ্ট যে কোন দূরত্বের পরীক্ষা হইতে পারে।
কোন পরীক্ষার্থীর দৃষ্টির তীক্ষèতা নিম্নবর্ণিত মানদণ্ডের কম হইলে তাহা গৃহীত হইবে না, যথা :
ত্রুটিমুক্ত চোখ ত্রুটিপূর্ণ চোখ দূর দৃষ্টি চশমা ছাড়া *৬/২৪ *৬/২৪ সংশোধিত হওয়ার পর চশমাসহ ৬/৬, ৬/১২ নিকট দৃষ্টি চশমাসহ বা চশমা ছাড়া ০.৬/টিআই/এন৫ ০.৬/টি২/এন৬ * সাময়িকভাবে ৬/৬ এর কম।
৩. রঙ উপলব্ধি, রাতকানা এবং দৃষ্টিক্ষেত্র :
ক. প্রত্যেক চোখ পৃথকভাবে পরীক্ষা করিতে হইবে এবং পরীক্ষার সময় চোখের পাতা অবশ্যই বিস্তৃতভাবে খোলা রাখিতে হইবে।
খ. প্রধান রঙ শনাক্তকরণে অক্ষমতা দেখা দিলে ইহা প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলের কারণ হিসাবে বিবেচিত হইবে না, কিন্তু কার্যবিবরণীতে এই বিষয়ে নোট রাখিতে হইবে এবং প্রার্থীকে তাহা জানাইতে হইবে।
গ. হাতের নাড়াচাড়া দ্বারা পরীক্ষার ক্ষেত্রে প্রত্যেক চোখ পূর্ণ দৃষ্টিতে থাকিতে হইবে।
নিয়োগের জন্য সকল প্রার্থীর দৃষ্টির তীক্ষèতার মাত্রা নিম্নবর্ণিত কর্মধারা অনুযায়ী কার্যবিবরণীতে অন্তর্ভুক্ত হইতে হইবে, যথা: ভিপি চশমাসহ পঠন ভি.এল চশমাসহ পঠন
৫. মারাত্মক অস্বাভাবিকতার ক্ষেত্রে চক্ষু বিশেষজ্ঞের মতামত লইতে হইবে। নোট-কোন প্রার্থী নিয়োগের জন্য গ্রহণযোগ্য হইবেন না যদি তাহার দৃষ্টিশক্তি কন্টাক্ট গ্লাসের ব্যবহার ছাড়া উপরে বর্ণিত চাহিদাগুলি পূরণ না করে (A contact glass or lens is defined as a glass shall, the concavity of which is in contact with the glove of the eye, a layer of liquid being interposed between the lens and the cornea. The meaning of the word glass wherever used above is to be interpreted as not covering contact glass)|
১২. পরীক্ষকের উপস্থিতিতে প্রার্থীর ধারণকৃত মূত্র পরীক্ষা করিয়া ফলাফল রেকর্ড করিতে হইবে। ১৮৪৫২ বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৪

উচ্চতা পরীক্ষা
যারা মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবে এবং কমিশন কর্তৃক সাময়িকভাবে সুুুপারিশ প্রাপ্ত হবে কেবল তারা স্বস্থ্য পরীক্ষার জন্য মেডিক্যাল বোর্ডের সম্মুখে হাজির হতে পারবেন। মেডিক্যাল বোর্ডে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কালীন প্রার্থীদের নিমক্ত দৈহিক যোগ্যতা থাকতে হবে।
ক্র. ক্যাডারের নাম পুরুষ/মহিলা ন্যূনতম উচ্চতা ন্যূনতম ওজন  ১ বিসিএস পুলিশ ও আনসার ১.পুরুষ প্রার্থী ৫.৪’’ (১৬২.৫৬ সে.মি.) ১২০ পাউন্ড (৫৪.৫৪ কেজি)
২. মহিলা  ৫’ (১৫২.৪০ সে.মি.) ১০০ পাউন্ড (৪৫.৪৫ কেজি)
২ অন্যান্য ক্যাডারের জন্য ১.পুরুষ প্রার্থী ৫’ (১৫২.৪০ সে.মি.) ৯৯.১১ পাউন্ড (৪৫কেজি)
২. মহিলা  ৪.১০’’ (১৪৭.৩২ সে.মি.) ৮৮.১০ পাউন্ড (৪০ কেজি)

কোন প্রার্থীর উপরোল্লিখিত শারীরিক উচ্চতা না থাকলে সংশ্লিষ্ট ক্যাডার পদে নিয়োগের জন্য বিবেচিত হবেন না। কোন প্রার্থীর উপরোল্লিখিত ওজন না থাকলে তিনি অস্থায়ীভাবে অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

প্রার্থীর ওজন
প্রার্থীর ওজন কেজিতে পরিমাপ করিয়া সংরক্ষিত হইবে এবং কেজি এর ভগ্নাংশ গৃহীত হইবে না।
১৮৪৫০ বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৪

কোটা বণ্টন:
কোটা চূড়ান্ত মেধা তালিকায় ভিত্তিতে বিতরণ করা হয়, কোটা প্রার্থীদের পছন্দ এবং পোস্টের প্রাপ্যতা মেলানোর জন্য সংরক্ষিত. কোটা বণ্টন শতাংশ নিম্নরূপ:
ঝ) মেরিট – ৪৫%
২) ছঁড়ঃধ- ৫৫%
ক) মুক্তিযোদ্ধা বা কন্যাগণ/ মুক্তিযোদ্ধা বা মুক্তিযোদ্ধা নাতি সন্স – ৩০%
খ) মহিলা – ১০%
গ) আদিবাসী – ৫%
ঘ) জেলা কোটা – ১০%

পরীক্ষার স্থান :
প্রিলিমিনারি টেস্ট ও লিখিত পরীক্ষায় ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট ও রংপুর বিভাগে অনুষ্ঠিত হয় ।

নিম্নবর্ণিত অতিরিক্ত বিষয়গুলি পর্যবেক্ষণ করিতে হইবে,
যথা :
১. প্রার্থীর প্রত্যেক কানে শ্রবণশক্তি ভাল এবং সেখানে কোন রোগের লক্ষণ নাই।
২. কোন প্রতিবন্ধকতা/বাধা ছাড়া প্রার্থী স্বাভাবিকভাবে কথা বলিতে পারেন।
৩. প্রার্থীর দাঁত যথাযথ বিন্যাসে আছে অথবা তিনি কৃত্রিম দাঁতের পঙক্তিযুক্ত করিতে পারেন যাহা কার্যকর চর্বণে প্রয়োজন। চোয়ালে মাড়ির দাঁত থাকিতে হইবে। দাঁতের সুন্দর বিন্যাস ভালো দাঁত হিসাবে বিবেচিত হইবে।
৪. প্রার্থীর বুকের গঠন, প্রসারণ, পর্যাপ্ত; এবং তার হৃদপিন্ড ও ফুসফুস ভাল।
৫. পাকস্থলী তথা অন্ত্রাদি সংক্রান্ত রোগের কোন লক্ষণ নাই।
৬. প্রার্থী অতি উত্তেজিত নহেন।
৭. প্রার্থী হাইড্রোসিল, উচ্চ মাত্রার ভেরিকসিল একশিরা সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগ ও অর্শ রোগে ভুগেন না।
৮. প্রার্থীর অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ যেমন হাত, পা ইত্যাদির গঠন ও বৃদ্ধি ভালো হইতে হইবে এবং সকল যোগসন্ধির সঞ্চালন পূর্ণ ও ভাল হইতে হইবে।
৯. প্রার্থী কোন অনিরাময়যোগ্য চর্মরোগে ভুগিতেছেন না।
১০. কোন জন্মগত বিকলাঙ্গতা বা ত্রুটি নাই।
১১. প্রার্থী এমন কোন তীব্র বা স্থায়ী অসুস্থতায় ভুগিতেছেন না যাহা তাহাকে শারীরিকভাবে অক্ষম করিয়া দিতে পারে।
১২. প্রার্থী পর্যাপ্ত কার্যকর টিকাদানের চিহ্ন বহন করেন।
১৩. প্রার্থীর কোন কমিউনিক্যাবল রোগ নাই মর্মে মেডিক্যাল অফিসার কর্তৃক প্রদত্ত সার্টিফিকেট জমা দিতে হইবে।
১৪. কোন ত্রুটি পাওয়া গেলে স্বাস্থ্য পরীক্ষক তাহা স্বাস্থ্য রিপোর্টে উল্লেখ করিবেন এবং তাহার মতামত দেবেন যে, প্রাপ্ত ত্রুটি তাহার দায়িত্ব পালনে প্রার্থীকে বাধাগ্রস্ত করিবে না। ইহা অবশ্যই উল্লেখ করিতে হইবে যে, অপারেশনের মাধ্যমে স্বাস্থ্যগত ত্রুটি আরোগ্যযোগ্য কিনা।
১৫. স্বাস্থ্যবোর্ড কর্তৃক কোন প্রার্থী অযোগ্য ঘোষিত হইলে তাহাকে জানাইতে হইবে। যে নির্দিষ্ট ক্রটি/ত্রুটিসমূহের জন্য প্রার্থী অযোগ্য ঘোষিত হইয়াছেন সেই ব্যাপারেও প্রার্থীকে অবহিত করিতে হইবে। প্রার্থী তথ্য প্রাপ্তির পরবর্তী ১৪ দিনের মধ্যে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের নিকট মেডিক্যাল বোর্ডের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করিতে পারিবেন।
১৬. সরকার আপিল বিবেচনার ক্ষেত্রে যেরূপ মনে করেন সেরূপ পদ্ধতিতে বিবেচনা করিবার অধিকার সংরক্ষণ করেন এবং সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর আবেদন অনুযায়ী সরকার আপিলেট মেডিক্যাল বোর্ড গঠনের জন্য বাধ্য নন।
১৭. উক্তরূপ আপিল গ্রহণের বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিলে স্বাস্থ্য বিভাগ পুনঃ মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করিবে এবং তারিখ ও স্থান নির্ধারণ করিবে। মহামান্য রাষ্ট্রপতি যদি পুনর্বিবেচনাপূর্বক ভিন্নরূপ কোন সিদ্ধান্ত প্রদান না করেন তবে আপিলেট মেডিক্যাল বোর্ডের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে।
১৮. প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য পরীক্ষার উপরিউক্ত বিধানসমূহ সরকারি সিদ্ধান্ত সাপেক্ষে শিথিলযোগ্য।

যেভাবে প্রস্তুতি নেবেন :
যারা বিসিএস ক্যাডার হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করছেন, কোন দ্বিধা দ্বন্দ্ব না ভোগে আজ থেকে পড়া শুনা শুরু করে দেন। অনেকে আছে নিজের উপর আত্মবিশ্বাস রাখতে পারেনা, অথবা রেজাল্ট একটু খারাপ তাই হীনমন্যতায় ভোগে। একটু চিন্তা করুুুন যারা ক্যাডার হচ্ছে তারা কিন্তু সুুুুপার হিউম্যান নয়, বিসিএসে তারাই ভাল করে যাদের ধৈর্য আছে এবং যারা নিয়মিত পড়াশুনা করে। তাই সময় নষ্ট না করে আজকেই পড়তে বসুুুুন আল্লাহর ওপর ভরসা রাখুুুুন দেখবেন সফলতা আসবে।
পড়াশুনা করতে হবে একটা প্লানভিত্তিক। অনেকে আছে শুধুুুু পড়তে থাকে কোন রুটিন অনুুুসরণ করে না, তারা পরিশ্রম করে বেশি কিন্তু ফল পায় কম। তাই সবার উচিত সব কিছু মাথায় রেখে একটা ভাল ব্যালান্স রুটিন করা। এভাবে কিছুুু দিন পড়লে সব বিষয় সম্পর্কে একটা ভালো ধারণা হবে ।
শুরুতে যেকোন একটা প্রকাশনীর বই পড়তে পারেন যেমন : প্রফেশনস প্রকাশনী, এমপিথ্রি, ওরাকল সিরিজ, ক্যারিয়ার এইড গাইড সিরিজ ইত্যাদি। পাশাপাশি অবশ্যই কিছু টেক্সবুুুক সাথে রাখতে পারেন যেমন: সাধারণ বিজ্ঞান, ৯ম ১০ম, সাধারণ গণিত ৭ম-১০ম, বাংলাদেশও বিশ্বপরিচয়, কম্পিউটার বই ৯ম, ১০ম ও একাদশ, দ্বাদশ, বাংলাদেশের সংবিধান, মুক্তিযুদ্ধের ওপর কিছু বই ইত্যাদি।
বিসিএসের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে দেশ বিদেশের গুরুত্বপুুুুর্ণ ইসু সম্পর্কে খোঁজ খবর রাখা এটা প্রিলির চেয়ে লিখিত ও ভাইভাতে কাজে লাগবে। তাই প্রত্যেকের উচিত দৈনিক কমপক্ষে একটি বাংলা ও একটি ইংরেজি পত্রিকা পড়া।
যেকোন বিষয় সম্পর্কে জানার জন্য গ্রুপ স্টাডির গুরুত্ব অপরিসীম। এর মাধ্যমে কোন একটা বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়। তাই কয়েকজন বন্ধু মিলে একটা নির্দিষ্ট সময় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা যায়। তবে খেয়াল রাখতে হবে গ্রুপ স্টাডির নাম দিয়ে যাতে শুধু গল্প গোজব না হয়। গ্রুপ মেম্বর বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও সতর্ক হওয়া উচিত।
বিসিএস বিগত প্রশ্নগুলো নিয়ে ও অধ্যয়ন ও পর্যালোচনা করা যায়। যে বিষয়গুুলো থেকে বেশি প্রশ্ন আসছে সে বিষয়গুলো একটু গুরুত্ব দেয়া যায়। আর নিজেকে যাচাই করার জন্য ঘরে বসে অথবা কোন কোচিংয়ে মডেল টেস্ট দেয়া যায়।
সর্বোপরি যে কথাটা চিরন্তন সত্য তা হলো ভাল কোন কিছুুুুু অর্জন করতে চাইলে পরিশ্রম ছাড়া বিকল্প নেই। পৃথিবীতে যে বা যারা সফল হয়েছে তার পেছনে আছে অক্লান্ত পরিশ্রম। তাই আসুুন আমরা সবাই পড়ার টেবিলে বসি সময়কে ভালোভাবে কাজে লাগাই, সফলতা আসবেই …আল্লাহ আমাদের সহায় হোক।

নন-ক্যাডার পরীক্ষা
১. নন-ক্যাডার পরীক্ষাপদ্ধতি : The Bangladesh Public Service Commission (Consultation) Regulations এর আলোকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে বিসিএস ক্যাডার বহির্ভূত ৯ম ও ১০ম গ্রেডের (১ম ও ২য় শ্রেণির) পদে উপর্যুক্ত কর্মকর্তা নির্বাচনের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট নিয়োগবিধি অনুযায়ী পরীক্ষা পরিচালনা করা হয়। কর্মকমিশন সচিবালয়ের ১৩ অক্টোবর ২০১৫ তারিখের ৮০.৪০৬.০০৬০১.০৪. ০০৯.২০১৩.৬৪৬ (২৯) নং অফিস আদেশ অনুযায়ী ক্যাডার বহির্ভূত পদসমূহে নিয়োগদানের জন্য প্রার্থীসংখ্যা এক হাজারের কম হলে দুই স্তরবিশিষ্ট (লিখিত ও মৌখিক) পরীক্ষা গ্রহণ করা হয় এবং প্রার্থীসংখ্যা এক হাজার বা তদূর্ধ্ব হলে তিন স্তরবিশিষ্ট (প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক) পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। প্রার্থীসংখ্যা নির্বিশেষে ৯ম গ্রেডের পদের জন্য ২০০ নম্বরের বর্ণনামূলক লিখিত পরীক্ষা গ্রহণ করা হয় ও উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। ১০ম গ্রেডের পদের জন্য ২০০ নম্বরের বর্ণনামূলক লিখিত পরীক্ষা ও ৫০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। ৯ম গ্রেডের উচ্চতর বেতন স্কেলের পদের ক্ষেত্রে শুধু ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। প্রতি বছর ক্যাডার বহির্ভূত পদের জন্য বিপুল সংখ্যক প্রার্থীর পরীক্ষা গ্রহণ করা হয় ও উপযুক্ত প্রার্থী বাছাই করে নিয়োগের সুপারিশ প্রদান করা হয়। (২) নন-ক্যাডার পরীক্ষার কার্যক্রম :(১) বর্তমানে নন-ক্যাডার সকল পদের জন্য online–এ আবেদনপত্র গ্রহণ করা হচ্ছে। অনলাইন রেজিস্ট্রেশনকৃত প্রার্থীদের তথ্য সফটওয়্যারের মাধ্যমে ডাটাবেজে রূপান্তর করে প্রাথমিকভাবে রেজিস্ট্রেশন নম্বর সংবলিত তালিকা প্রস্তুত করা হয়;
২. প্রাথমিক তালিকা থেকে যোগ্য এবং অযোগ্য তালিকা চূড়ান্তকরণের পর প্রিলিমিনারি/লিখিত পরীক্ষার জন্য বিভিন্ন কেন্দ্রভিত্তিক ছবিসহ হাজিরা তালিকা প্রস্তুত করা হয়;
৩. প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ঙগজ উত্তরপত্র OMR স্ক্যানিং মেশিন-এর মাধ্যমে OMR  করে প্রাপ্ত Scan  সফটওয়্যারের মাধ্যমে মূল্যায়ন করে স্কোর ফ্রিকোয়েন্সি তৈরি করা হয় এবং কমিশনের নির্ধারিত Data নম্বর অনুযায়ী প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল তৈরি করা হয়;
৪. নন-ক্যাডার লিখিত পরীক্ষার জন্য কেন্দ্রভিত্তিক রেজিস্ট্রেশন নম্বরের বিভাজন/রেঞ্জ নম্বর সংবলিত পরীক্ষার আসনবিন্যাস এবং সময়সূচি প্রস্তুত করা হয়;
৫. লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রস্তুতের জন্য রেজিস্ট্রেশন সংবলিত লিথোকোডের  Cut off১ম অংশ এবং নম্বর সংবলিত লিথোকোডের ঐ-Type ২য় অংশ (OMR)  স্ক্যানিং মেশিন-এর মাধ্যমে স্ক্যান করা হয়। স্ক্যানকৃত data  পরবর্তীতে সফটওয়্যার-এর মাধ্যমে ডাটাবেজে রূপান্তর করে নন-ক্যাডার পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত পদ্ধতি অনুযায়ী লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রস্তুত করা হয়;
৬. লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষার জন্য পদ অনুযায়ী তারিখভিত্তিক সময়সূচি এবং বোর্ডভিত্তিক প্রার্থী সংখ্যানুপাতে মৌখিক পরীক্ষার তালিকা করা হয়;
৭. মৌখিক পরীক্ষার নম্বর কম্পিউটারাইজড পদ্ধতিতে ডাটাবেজে এন্ট্রি করা হয়;
৮. মৌখিক এবং লিখিত পরীক্ষার নম্বর যোগ করে টেবুলেশন এবং মেধাতালিকা প্রস্তুত করা হয় এবং পাশাপাশি পদ সংখ্যানুযায়ী কোটা ডিস্ট্রিবিউশন ফরমেট প্রস্তুত করা হয়;
৯. সরকারি পদ বণ্টন নীতিমালা অনুসরণে চূড়ান্ত ফলাফল প্রস্তুত করা হয় এবং শূন্য পদে নিয়োগের জন্য যোগ্য প্রার্থীদের নাম সুপারিশ করা হয়। (৩) নন-ক্যাডার বাছাই (Preliminary) পরীক্ষার সিলেবাস ও নম্বর বণ্টন : ২২-০৬-২০১১ তারিখে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের ২০১১ সালের সপ্তম বিশেষ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ০৬ জুলাই, ২০১১ তারিখের অফিস আদেশে নন-ক্যাডার বিভিন্ন পদের বাছাই পরীক্ষার (MCQ Type preliminary Examination) ৪টি বিষয়ের নম্বর বণ্টন নিম্নরূপে আনুষ্ঠানিকভাবে বিন্যস্ত করা হয়েছে :
বাংলা ২৫, ইংরেজি ২৫, সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ বিষয়াবলি) আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ২৫, প্রাথমিক গণিত ও দৈনন্দিন বিজ্ঞান ২৫ = মোট ১০০

নন-ক্যাডার লিখিত পরীক্ষা

টেকনিক্যাল পদের লিখিত পরীক্ষার মানবণ্টন
সময় ৩ ঘন্টা
বাংলা, পাশ নম্বর ৫০, গড়ে ৪৫%
টেকনিক্যাল বিষয় ২৫%

ইংরেজি পাশ নম্বর ৫০
সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ বিষয়াবলি) আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি পাশ নম্বর ৪০
টেকনিক্যাল বিষয় পাশ নম্বর ৬০
= মোট ২০০

নন-টেকনিক্যাল পদের লিখিত পরীক্ষার মানবণ্টন
সময় ৩ ঘন্টা
বাংলা পাশ নম্বর ৫০, গড়ে ৪৫%
ইংরেজি পাশ নম্বর ৫০
সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ বিষয়াবলি) আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ৪০
গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা ৬০
= মোট ২০০

মৌখিক পরীক্ষার মানবণ্টন
বিষয় নম্বর পাস নম্বর
প্রথম শ্রেণী
(টেকনিক্যাল ও নন-টেকনিক্যাল) ১০০
গড়ে ৪০%
দ্বিতীয় শ্রেণী
(টেকনিক্যাল ও নন- টেকনিক্যাল) ৫০

বিসিএসসহ অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য বুক লিস্ট
সকল বিষয়ের জন্য
১.    ১০ম থেকে ৩৬তম বিসিএস প্রিলি প্রশ্ন সঙ্কলন বইটি দেখা (সল্যুউশন ব্যাখ্যাসহ)
২.    বিসিএস ডাইজেস্ট বিসিএস বিষয়গুলো সংক্ষেপে খুব ভালো সঙ্কলন এমন বই
৩.    কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স (মাসিক এবং বার্ষিক কপি ও বিসিএস স্পেশাল গুলো)
৪.    সংখ্যাতত্ত্ব
৫.    বাংলাদেশের সংবিধান
৬.    বিসিএস ম্যাপ ( বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক)
৭.    সব বিষয়ের লিখিত এর দুই সেট বই
৮.    বাংলা পিডিয়ার পুরো খন্ডটা থাকাই ভালো
৯.    নন ক্যাডার এর দুটো সিরিজের বই
১০.    অর্থনৈতিক সমীক্ষা
১১.    ১০ম থেকে ৩৫তম বিসিএস লিখিত প্রশ্ন সঙ্কলিত বই

বাংলা :
১) সৌমিত্র শেখরের বাংলা বিষয়ক বইটা/ সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) হুমায়ূন আজাদের লাল নীল দীপাবলি [বাংলা ভাষার ইতিহাসের জন্য]
৩) মাধ্যমিক বাংলা গদ্য ও পদ্য [লেখক, কবি ও প্রবন্ধকদের জীবনী, উল্লেখযোগ্য বই]
৪) মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ
৫) বাংলা কোষ (জুয়েল কিবরিয়া)
৬) বাংলা অভিধান/সংসদ > বাংলা টু বাংলা, বাংলা টু ইংলিশ।
৭) ক্যারিয়ার এইড বাংলা
৮) ৯ম, ১০ম শ্রেণীর বাংলা ব্যাকরণ ।

ইংরেজি :
১) ENGLISH FOR COMPETITIVE EXAM
২) অক্সফোর্ড অ্যাডভান্সড লার্নার ইংলিশ গ্রামার বই
৩) যেকোনও ভালো মানের ইংরেজি ব্যাকরণ বই (জাকির হোসেনের বইটা ভালো, পিসি দাশ এর টাও ভালো)
৪) প্রফেসরস / ওরাকল ইংরেজি বিসিএস প্রিলিমিনারির বই
5)COMMON MISTAKE >> FITICATES
6) SAIFURÕS VOCABULARY/ WORD TREASURE
7) SAIFURÕS ANALOGY
8) SYNONYM ANTONYMবিষয়ক যে কোন বই

গণিত :
১) প্রফেসর’স এর গণিত স্পেশাল/ওরাকল বিসিএস ম্যাথ প্রিলি [বইটা খুবই ভালো ডিটেইল সূত্র দিয়ে ক্যালকুলেশন]
২) মানসিক দক্ষতা ও গাণিতিক যুক্তি বিষয়ক বই
৩) মাধ্যমিক বীজগণিত
৪) মাধ্যমিক জ্যামিতি [পরিমিতি, ত্রিকোণমিতি ১২.৩]
৫) নিম্ন মাধ্যমিক গণিত [৮ম শ্রেণী পাটিগণিত]

বিজ্ঞান :
১) গচ৩ সিরিজের বিসিএস বিজ্ঞান সমগ্র [খুব ভালো একটা বই]
২) নিম্নমাধ্যমিক বিজ্ঞান [৮ম শ্রেণী]
৩) মাধ্যমিক সাধারণ বিজ্ঞান [৯ম শ্রেণীর]
৪) পদার্থ বিজ্ঞান [৯ম শ্রেণী]
৫) রসায়ন বিজ্ঞান [৯ম শ্রেণী]
৬) জীববিজ্ঞান [৯ম শ্রেণী]

বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি :
১) মাধ্যমিক ইতিহাস [৯ম শ্রেণী]
২) মাধ্যমিক ভূগোল [৯ম শ্রেণী]
৩) মাধ্যমিক সামাজিক বিজ্ঞান [৯ম শ্রেণী]
৪) আব্দুল হাই এর বাংলাদেশ বিষয়াবলি
৫) সাধারণ জ্ঞানের যেকোনো ভাল বই (যেমন>প্রফেসর’স/ ওরাকল/ গচ৩ সিরিজ ক্যারিয়ার এইড সাধারণ জ্ঞানের বই)
৬) বাংলাদেশ এবং পৃথিবীর মানচিত্র ও মানচিত্র বিশিষ্ট বই
লেখক : শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

SHARE