খণ্ড কবিতা -মোশাররফ হোসেন খান

এক.
উড়ে যাক দূরে যাক
চিল শকুন কাক
আমার সবুজটুকু
কেবল বেঁচে থাক।

দুই.
আমিতো জানি না পথ–
পথের দূরত্ব
জানি না বরফ ঢাকা
নদীর ঘনত্ব ।
এতোটুকু জানি শুধু–
গন্তব্যের বাড়ি —
যতই হোক না দূরে,
দিতে হবে পাড়ি।…

তিন.
তাকিয়ে দেখো
কখন হয়েছে ভোর
তোমার জন্য খোলা
লক্ষ-কোটি দোর।

চার.
প্রবল তুফানে জাহাজ
টালমাটাল,
এমনি দুর্বিপাকে
কে ধরবে হাল?
আছে কার সাহস
সামনে দাঁড়াও,
সাগর দু’ভাগ করে
পতাকা নাড়াও।

পাঁচ.
কীভাবে চলছে দেখো
ঘোরতর নীরবতা,
তুমিই আনতে পারো
সবুজাভ সরবতা।

ছয়.
তুমি তো নও সামান্য কোনো
বৃষ্টির বিন্দু
তোমার ভেতরে লুকিয়ে আছে
এক মহাসিন্ধু।

সাত.
সাগর যখন উথলে ওঠে
জোয়ার ভরা ঢেউ
তখন তাকে থামিয়ে দিতে
কেউ পারে না কেউ।

আট.
মানুষ সমুদ্র হও
মুছে ফেলো শোকের ললাট
মানুষ তরঙ্গ হও
ভেঙে চলো কালের কপাট।

নয়.
আকাশ সাক্ষী
বাতাস সাক্ষী
সাক্ষী কঠিন মাটি,
এই মাটিতেই গড়বে তরুণ
আগুন-দ্রোহের ঘাঁটি।

SHARE

Leave a Reply