জানা-অজানা ডিসেম্বর ২০১৩

ভাষা বুঝবে কম্পিউটার
সে সময় আর বেশি দূরে নয় যখন কম্পিউটার বুঝে ফেলবে আপনার ভাষা বা মনের ভাব। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ছোঁয়ায় এ অসম্ভব সম্ভব হতে চলেছে।
প্রাথমিক পর্যায়ে কম্পিউটার সব ভাষা রপ্ত করতে পারবে না বলে সর্বজনগ্রাহ্য ইংরেজিকেই ব্যবহার করা হবে। আর সেই কাজও চলছে দ্রুত গতিতে। কিছু দিনের মধ্যেই বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়বে এই ‘সুপার কম্পিউটারের’ জাদু।
এখানে কম্পিউটার কোনোরকম কোডিং বা ডিকোডিং ছাড়াই সরাসরি বুঝে নিতে পারবে মনুষ্য ভাষা। মানুষের লজিককে কম্পিউটারের বোঝার মতো ভাষায় পরিবর্তন করার বদলে মানব বুদ্ধির একগুচ্ছ ‘টেক্সট’ বা কোডেডাষা দিয়ে শব্দগুলোর অন্তর্বর্তী সম্পর্ক কম্পিউটারকে বোঝানোর চেষ্টা করছেন কার্টিন।
উলে-খ্য, এমন ধরনের গবেষণার জন্য তার প্রয়োজন হয়েছে লক্ষাধিক টেক্সট বা কম্যান্ড। প্রাথমিকভাবে কার্টিন পিসি বা পার্সোনাল কম্পিউটারের ওপর এই পরীক্ষা চালালেও পরে সমান্তরাল কম্পিউটিং করেও চালাচ্ছেন গবেষণা।

দরিদ্রতার কারণে কমে যায় মস্তিস্কের ক্ষমতা
দারিদ্র ও দারিদ্র সংক্রান্ত সমস্যা কমিয়ে দেয় মানুষের বুদ্ধিমত্তা। এই জটিলতা মানুষকে এতটাই জর্জরিত করে ফেলে যে অন্য বিষয়ে মস্তিষ্ক নিয়োজিত হওয়ার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। আর এই তত্ত্ব উঠে এসেছে ভারত ও আমেরিকার যৌথ একটি সমীক্ষায়।
গবেষকরা জানিয়েছেন, মানসিক চাপের দরুণ দরিদ্র মানুষদের আইকিউ (ইন্টেলিজেন কোশেন্ট) সাধারণ অবস্থার থেকে ১৩ ভাগ হ্রাস পায়। এর ফলে দরিদ্ররা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। তারা এমন সব ভুল পদক্ষেপ গ্রহণ করেন যেখান থেকে ফিরে আসা সম্ভব হয় না।
আর্থিক দুরবস্থা গরিব মানুষদের জীবনকে এতটাই ঘিরে রাখে যে তারা দারিদ্রতা থেকে মুক্তির পথ নিয়েও যথাযথ ভাবনা চিন্তা করতে পারেন না বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। স্বাভাবিক বুদ্ধিমত্তার অভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয় শিক্ষা। তবে আর্থিক অবস্থার উন্নতি আবার বাড়িয়ে দিতে পারে বুদ্ধিমত্তার পরিমাণ।
সামান্য আয়ের কোনোও ব্যক্তির উপার্জন বৃদ্ধির সাথে সাথে তার বুদ্ধিমত্তারও বৃদ্ধি পায়। অর্থাৎ আর্থিক স্বাচ্ছন্দ মস্তিষ্ককে আর্থিক অবস্থা ছাড়াও অনান্য বিষয়ে কাজ করতে প্রভাবিত করে। এছাড়া দারিদ্রতা বুদ্ধিমত্তা কমিয়ে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কেড়ে নেয় রাতের ঘুমও।
মানব মস্তিষ্ক তৈরি হলো ল্যাবে
বিজ্ঞানের জগতে নতুন চমক এবার মানব মস্তিষ্ক তৈরি হয়েছে ল্যাবরেটরিতে। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া একাডেমি অব সায়েনের একদল বিজ্ঞানী টেস্টটিউবে মানব মস্তিষেষ্ক ক্ষুদ্র সংস্করণ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। বিজ্ঞানীরা আশা করছেন ভবিষ্যতে মানুষের স্নায়বিক বিভিন্ন রোগ নির্ণয়ে তারা সাফল হবেন।
নয় সপ্তাহ বয়সী একটি ভ্রƒণ উন্নয়নের এক পর্যায়ে মটরদানা আকৃতির এই মস্তিষ্কটি তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন তারা। অবশ্য কৃত্রিম এ মস্তিষ্কটি কোনো কিছু চিন্তা করতে অক্ষম। তবে বিজ্ঞানীরা বলছেন, এরইমধ্যে তারা অটিজম, সিজোফ্রেনিয়ার মতো বিভিন্ন রোগ নির্ণয়ে এ পদ্ধতি কাজে লাগাচ্ছেন।
মঙ্গল থেকে জীবন এসেছিল পৃথিবীতে!
পৃথিবী ছাড়া অন্য কোনো গ্রহে প্রাণের উপস্থিতি আছে এমনটা আজো আবিষ্কার করতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। তাই বলে পৃথিবীতেই যে প্রথম প্রাণের যাত্রা শুরু হয়েছিল তাও কিন্তু না। বিজ্ঞানীরা বলছেন, পৃথিবীতে নয়, মঙ্গলেই নাকি প্রথমে সৃষ্টি হয়েছিল প্রাণ। সম্প্রতি ইতালির ফ্লোরেন্সে অনুষ্ঠিত হওয়া এক গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞান সম্মেলনে প্রফেসর স্টিভেন বিনার এমনটাই দাবি করলেন।
বিজ্ঞানীরা তাদের এই গবেষণায় দেখেছেন, বিলিয়ন বছর আগে পৃথিবীর চেয়ে মঙ্গলের আবহাওয়াই প্রাণ সৃষ্টির জন্য বেশি উপযোগী ছিল। তারা কীভাবে জীবন্ত প্রাণীর আনবিক উপাদান যেমন ডিএনএ, আরএনএ ও প্রোটিন পূরণ করতে পরমাণু এগিয়ে এসেছিল তা দেখে চমকে উঠেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েসদেইমার ইনিস্টিটিউট অব সায়েন অ্যান্ড টেকনোলজির বিজ্ঞানী প্রফেসর বিনার বলেন, আজ থেকে তিন বিলিয়ন বছর আগে পৃথিবীর জলে প্রাণ বিকাশের প্রথম পদক্ষেপ সেই কার্বনভিত্তিক জৈব স্যুপ স্পন্দিত হয়েছিল। বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, প্রাণ বিকাশের তিন উপাদানের মধ্যে আরএনএ (রিবোনিউকি-ক অ্যাসিড) প্রথম দৃষ্টিগোচর হয়েছিল।  প্রফেসর বিনার বলেন, সম্ভবত পৃথিবী নয়, লোহিত গ্রহ মঙ্গল থেকেই কোনোভাবে প্রাণের অণু এসেছে এই গ্রহে।

বরফতলে বিশাল গিরিখাত
গ্রিনল্যান্ডের বরফস্তরের নিচে একটি সুবিশাল গিরিখাতের সন্ধান পাওয়া গেছে। এটি যুক্তরাজ্যের দীর্ঘতম নদী রিভার সেভার্নের চেয়ে দ্বিগুণ দীর্ঘ এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত গিরিখাত গ্র্যাান্ড ক্যানিয়নের সমান গভীর। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (নাসা) উড়োজাহাজ গ্রিনল্যান্ডের বরফস্তরের গভীরতা নির্ণয়ের জন্য রাডার ও বেতারতরঙ্গ ব্যবহার করে। এভাবে সংগৃহীত বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশে-ষণ করেই গিরিখাতটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। গবেষণা প্রতিষ্ঠান ব্রিটিশ অ্যান্টার্কটিক সার্ভের বিশেষজ্ঞ ডেভিড ভন বলেন, ৭৫০ কিলোমিটার (৪৬০ মাইল) দীর্ঘ গিরিখাতটি কয়েক লাখ বছর ধরে সুরক্ষিত রয়েছে।

অভাবে বুদ্ধি নষ্ট!
কথায় বলে অভাবে স্বভাব নষ্ট। গবেষকেরা বলছেন, অর্থের অভাবে পড়লে মানুষের বুদ্ধি ঠিকমতো কাজ করে না। অর্থচিন্তার কারণে মানুষের আইকিউ বা বুদ্ধাঙ্ক ১৩ পয়েন্ট পর্যন্ত কমে যায়।
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা জানিয়েছেন, মানুষ অর্থাভাবে পড়লে স্বাভাবিক বোধবুদ্ধি কমে যায়, তখন তাদের নেওয়া সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রেও প্রভাব পড়তে দেখা যায়। প্রায় ক্ষেত্রেই অভাবের তাড়নায় খারাপ সিদ্ধান্ত নিতে দেখা যায়। দেনামুক্তির জন্য এ সময় অতিরিক্ত দেনা করার প্রবণতাও দেখা যায়, যাতে দুর্দশা আরও বাড়ে। তবে অভাব কেটে গেলে আবার বুদ্ধি ঠিকমতো কাজ করতে শুরু করে এবং স্বাভাবিক মানুষের মতো সিদ্ধান্ত নিতে দেখা যায়।
হার্ভার্ডের অর্থনীতিবিদ সেনধি মুলাইনাথান বলেন, ‘গবেষণায় দেখা গেছে, দরিদ্র অবস্থায় অর্থ ছাড়াও আরও কিছু চাহিদার ঘাটতি দেখা যায়। এ সময় বুদ্ধিবৃত্তিও কমে যায়।’
গবেষকেরা বলেন, গরিব বলে কম মেধা রয়েছে, বিষয়টি এমন নয়। বরং আর্থিক দুশ্চিন্তার সঙ্গে বিষয়টি সম্পর্কিত।

সবকিছুই অপছন্দ?
কোনো বিষয় পছন্দ না হলে অনেকেই নানান নেতিবাচক শব্দ উচারণ করে বিরক্তি প্রকাশ করে থাকে। তবে আশাবাদীরা সচরাচর এমনটা করে না। তারা কৌতূহল নিয়ে বিষয়টি দেখার চেষ্টা করে। কিন্তু কেউ কেউ ঢালাওভাবে সবকিছুই অপছন্দ করে। এ ধরনের প্রবণতার নেপথ্যে কী- এ নিয়ে গ্রহণযোগ্য গবেষণার নজির খুব কম। তবে নতুন এক গবেষণায় মার্কিন বিজ্ঞানীরা মানুষের চরম নেতিবাচক মনোভাবের কারণ অনুসন্ধানের চেষ্টা করেছেন। জার্নাল অব পার্সোনালিটি অ্যান্ড সোশ্যাল সাইকোলজি সাময়িকীতে এ গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা মানুষের পছন্দ-অপছন্দ, আশাবাদ-নৈরাশ্য এবং অন্তর্মুখী-বহির্মুখী স্বভাব-বৈশিষ্ট্যের গুণগত বিশে-ষণ করেন। তারা এক হাজার ৩০০ জনের বিভিন্ন আচরণের নমুনা সংগ্রহ করেন। গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের সামনে সামুদ্রিক মাছ, সামুদ্রিক লবণ, টি-শার্ট ইত্যাদি অপ্রাসঙ্গিক ২০০ জিনিসের একটি তালিকা দেওয়া হয়। পরে তালিকায় জিনিসের সংখ্যা কমিয়ে ১৬-তে নামিয়ে আনা হয় এবং মোট অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বাড়িয়ে দুই হাজারে আনা হয়। এতে দেখা যায়, আশাবাদীদের অনেকে কয়েকটি জিনিস অপছন্দ করেন। আর নৈরাশ্যবাদীদের অপছন্দ অসংখ্য বিষয়ে। তবে অপছন্দের ব্যাপারটি প্রত্যেকের পারিপার্শ্বিক অবস্থার ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল। গবেষকেরা চূড়ান্ত পর্যায়ে জানান, একজন আশাবাদী ব্যক্তিও অনেক বিষয় অপছন্দ করতে পারেন। আবার নৈরাশ্যবাদীরাও অনেক জিনিস পছন্দ করতে পারেন।

যে গ্রহে কাচ-বৃষ্টি হয়!
গবেষকেরা সম্প্রতি এমন এক গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন যেখানে কাচ-বৃষ্টি হয়। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণাপ্রতিষ্ঠান নাসার গবেষকেরা জানিয়েছেন, তারা প্রথমবারের মত কোনো ভিনগ্রহের সত্যিকারের রং জানতে পেরেছেন।
গবেষকেরা জানিয়েছেন, হাবল টেলিস্কোপ ব্যবহার করে তারা পৃথিবীর মতো গাীল বর্ণের এ গ্রহটির সন্ধান পেয়েছেন। গবেষকেরা বলছেন, এইচডি ১৮৯৭৩৩বি নামের এ গ্রহটির অতি তাপমাত্রা আর আবহাওয়া এত রুক্ষ যে, এখানে কাচ-বৃষ্টি হয়, আর এই কাচের ওপর আলোর প্রতিফলনে একে গাীল দেখায়। পৃথিবী থেকে ৬৩ আলোকবর্ষ দূরের এ গ্রহটি মূলত গ্যাসীয় দানব, যা এর নক্ষত্রের খুব কাছ দিয়ে আবর্তন করছে। এ গ্রহে পৃথিবীর হিসাবে ঘণ্টাপ্রতি সাত হাজার কিলোমিটার গতিতে ঘূর্ণিঝড় হয় এবং কাচ-বৃষ্টি হতে থাকে।
এর আগে গবেষকেরা জানিয়েছিলেন, ‘আমরা যাকে শুকতারা বলে ডাকি সেই শুক্রগ্রহে থেমে থেমে ধাতব বৃষ্টি বা ধাতব তুষারপাত হয়। সেখানে তুষারের মতো ঝরতে থাকে সিসা ও বিসমাথ।’ গবেষকেরা ধারণা করেন, শুক্রগ্রহের এ তুষার তৈরি হয়েছে লেড সালফাইড ও বিসমাথ সালফাইড থেকে।
যুক্তরাষ্ট্রেরর মহাকাশ গবেষণাপ্রতিষ্ঠান নাসার ১৯৮৯ সালে শুক্রগ্রহের ম্যাগেলান মিশনের তথ্য ব্যবহার করে গবেষকেরা শুক্রগ্রহের ধাতব তুষার থাকার বিষয়টি ধারণা করছেন।
ধাতব তুষারপাত বা কাচ-বৃষ্টি কি সম্ভব? যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ব্র“স ফেগলি হাফিংটন পোস্টকে এ বিষয়ে জানিয়েছেন, পৃথিবীর তুলনায় অন্যান্য গ্রহপৃষ্ঠ ও বায়ুমণ্ডল অত্যন্ত উত্তপ্ত থাকে। সেখানকার আগ্নেয়গিরি থেকে নির্গত ধাতব যৌগ বায়ুমণ্ডলের শীতল অঞ্চলে ঘনীভূত হয় এবং ভূপৃষ্ঠের ওপর তুষারের মতো পড়তে থাকে।
সৌরজগতের বাইরের অনেক তথ্যই এখনো আমাদের অজানা। তবে গবেষকেরা বলছেন, আমাদের সৌরজগতের মধ্যে পৃথিবীর নিকটতম মঙ্গলেও এ আজব-প্রক্রিয়া চলে। তবে, মঙ্গলে কাচ বা ধাতব বৃষ্টির বদলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের তুষারপাত ঘটে।

এলিয়েন খোঁজার টেলিস্কোপ!
এলিয়েন বা ভিনগ্রহের বাসিন্দাদের খুঁজে বের করার লক্ষে মেক্সিকোতে ২৫০ ফুট দীর্ঘ একটি টেলিস্কোপ বসানোর পরিকল্পনা করছেন যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকেরা।
পৃথিবী থেকে ৬০ বা ৭০ আলোকবর্ষ দূরেও কোন গ্রহেও এলিয়েনদের খোঁজ করতে সক্ষম হবে এ টেলিস্কোপ।
যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই ইনস্টিটিউট ফর অ্যাস্ট্রোনমির গবেষকেরা ১০০ কোটি মার্কিন ডলার ব্যয়ে ‘কলোসাস’ নামের ৭৭ মিটার অ্যাপারচারের বৃহত্তম এ টেলিস্কোপটি নির্মাণ করার পরিকলনা করছেন।
গবেষকেরা জানিয়েছেন, তাঁদের তৈরি বিশাল আকারের টেলিস্কোপটি হবে যথেষ্ট সংবেদনশীল। অর্থাতলিয়েন বা ভিনগ্রহ বাসী প্রাণীদের কাছ থেকে নির্গত আলো বা তাপমাত্রার তারতম্য এ টেলিস্কোপে ধরা পড়বে। এ টেলিস্কোপ দিয়ে ৭০ আলোকবর্ষ দূরের গ্রহেও এলিয়েনদের খোঁজ চালানো যাবে। বিনিয়োগকারী পেলে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যেই এ টেলিস্কোপ নির্মাণ করা সম্ভব হবে বলেই তাদের দাবি।
এলিয়েন বা ভিনগ্রহবাসী বুদ্ধিমান প্রাণীর খোঁজ করতে এখন পর্যন্ত গবেষকেরা তরঙ্গ নিয়ে গবেষণা করেছেন। কিন্তু চার দশকেরও বেশি সময় ধরে ভিনগ্রহবাসীর অপেক্ষায় থাকলেও এখনো কোনো আশার কথা শোনাতে পারেননি গবেষকেরা।এলিয়েন প্রসঙ্গে পদার্থবিদ স্টিফেন হকিং সতর্ক করে বলেছেন, এলিয়েনদের ঘাঁটানো বা বিরক্ত করা ঠিক হবে না। এতে তারা পৃথিবীতে আক্রমণ করে বসতে পারে। গবেষকেরা আশা করছেন, কলোসাস নামের টেলিস্কোপ তৈরি করা সম্ভব হলে এলিয়েনদের বিরক্ত না করেই দূর থেকে তাদের ওপর নজরদারি করা যাবে।

SHARE

Leave a Reply