নবীজির (সা) ১৫টি গুণ -মোহাম্মদ হাসান শরীফ

জীবনের প্রতিটি বিভাগে আদর্শ বিবেচিত হতে পারেন কেবল কথায় নয়, কাজের মাধ্যমে সব ব্যাপারে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছেন, এমন কারো নাম জানতে চাইলে নিঃসন্দেহে মহানবী হজরত মোহাম্মদের (সা) কথাই সবাই বলবেন। মুসলমানরা তো তাঁকে অনুসরণ করবেই। কারণ তিনি তাদের নবী, তাঁর মাধ্যমেই ইসলাম তাদের কাছে এসেছে। আর যারা মুসলিম নন, তাদেরও উচিত তাঁকে অনুসরণ করা। কারণ মানবীয় গুণের কথা এলেই সবার ওপরে থাকবে তাঁরই নাম।
এখন থেকে প্রায় ১৪ শ’ বছর আগে তিনি মক্কায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তারপর থেকে মানবজাতি এমন কাউকে দেখেনি যিনি কোনো ব্যাপারে তাঁর চেয়ে ভালো ছিলেন। মুসলিম এবং অমুসলিমÑ উভয় সমাজই তাঁর প্রতি অত্যন্ত উচ্চ ধারণা পোষণ করে তাঁর চরিত্রের কারণে। তিনি ছিলেন সর্বোত্তম মানুষ। হাদিসে আছে : ‘আল্লাহ আমাকে পাঠিয়েছেন ভালো আচরণ দিয়ে এবং ভালো কাজ করতে।’ (বুখারি)
এখানে তাঁর চরিত্রের ১৫টি বৈশিষ্ট্যের ওপর আলোকপাত করা হলো। আমাদের সবার উচিত এগুলো যতটুকু সম্ভব সবার মাঝে ছড়িয়ে দেয়া।

আল্লাহর জন্যই সবকিছু
জীবন যতটুকু নিঃস্বার্থ হওয়া সম্ভব, নবীজি (সা) ছিলেন তা-ই। তাঁর সব কাজের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ছিল কেবলমাত্র আল্লাহর নির্দেশ বাস্তবায়ন করা। তিনি তাঁর ব্যক্তিগত ইচ্ছা বা আকাক্সক্ষার বশে কখনো কোনো কাজ করেননি। তাঁর নিঃস্বার্থভাবে কাজ করার একটা উদাহরণ বিবেচিত হতে পারে তায়েফ উপত্যকায় তার ইসলাম প্রচার করতে যাওয়ার ঘটনায়। তিনি যখন দাওয়াতি কাজ করছিলেন, তখন লোকজন দুষ্টু বালকদের লেলিয়ে দিয়েছিল তাঁকে পাথর মারতে। তিনি চলে আসার সময় তাঁর ক্ষতবিক্ষত দেহ থেকে রক্ত ঝরছিল। কিন্তু তবুও তিনি আল্লাহর কাছে কোনো অভিযোগ করেননি। বরং সহানুভূতির সাথে তিনি দোয়া করেছিলেন : ‘আল্লাহ! আমার লোকজনকে ক্ষমা করে দিন, কারণ তারা জানে না!’ (বুখারি)
এমনই নিঃস্বার্থ ছিল তাঁর জীবন। জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত তিনি আল্লাহ এবং তাঁর বাণী প্রচারে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন।

ভদ্রতা
নবীজি (সা) ছিলেন ভদ্র আচরণের আদর্শ। একজন মানুষ যতটা ভদ্র, বিনয়ী হতে পারে, তার সর্বোচ্চ নজির তিনি। এমন রুচিশীল মানুষ পৃথিবীতে কেউ কখনো দেখেনি। তাঁর সম্পর্কে এক সাহাবা বলেছেন : নবীজি (সা) কাউকে কখনো গালি দেননি, কারো প্রতি কর্কশ হননি, কাউকে কখনো অভিশাপ দেননি। তিনি যদি কাউকে তিরস্কার করতে চাইতেন, তবে কেবল তাকে তার ত্রুটিটি দেখিয়ে দিতেন।
এ কারণে মুসলমানরা যদি কাউকে ভদ্রতার উদাহরণ জানাতে চায়, তবে তাদের সামনে নবীজি (সা) ছাড়া আর কোনো উদাহরণ থাকতে পারে না।

রসবোধ
অনেকে মনে করে, নবীজি (সা) ধর্মীয় নেতা হওয়ায় তার মধ্যে রসবোধের বালাই ছিল না, তিনি ছিলেন অত্যন্ত কঠোর ও কাঠখোট্টা। এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। একজন মানুষ যতটা রসবোধসম্পন্ন হতে পারে, তিনি ততটাই ছিলেন। তবে তার রসবোধটা অশ্লীলতামূলক ছিল না কিংবা কাউকে অপমান বা খেলো করার জন্য ছিল না। বরং একটি সুস্থ পরিবেশের সৃষ্টি করত।
হজরত আনাস (রা) একটি উদাহরণ দিয়েছেন :
‘একবার এক লোক নবীজির (সা) কাছে এসে একটি সওয়ার চাইলেন। তিনি জবাব দিলেন, তিনি তাকে চড়ার জন্য একটি মাদি উটের বাচ্চা দেবেন। লোকটি বললেন, মাদি উটের বাচ্চা দিয়ে তিনি কী করবেন?’ হজরত মোহাম্মদ (সা) জবাব দিলেন, ‘সব উটই কি মাদি উটের বাচ্চা নয়?’

শান্তিপ্রিয়
ধর্ম হিসেবে ইসলাম শান্তির এবং নবীজি (সা) ছিলেন শান্তিপ্রিয়। তিনি চাইতেন, লোকজন যেন সম্প্রীতির মধ্যে বাস করে। তিনি সহিংসতার বদলে শান্তিপূর্ণ উপায়ে মতপার্থক্য নিরসনে উৎসাহিত করতেন। একটি হাদিসে বলা হয়েছে : ‘সমস্যার সমাধান করবে, তাদের মধ্যে শান্তি স্থাপন করবে।’
তাই মুসলমানদের উচিত হবে তাঁর উদাহরণ অনুসরণ করে শান্তির জন্য তাঁর বাণী ছড়িয়ে দেয়া।

শিশুদের প্রতি দয়া
নবীজি (সা) সবসময় শিশুদের প্রতি দয়ালু ও করুণাময় ছিলেন। তিনি সবসময় তাদের সঙ্গ উপভোগ করতেন, তাদেরকে খুশি করার জন্য তাদের সাথে খেলতেন। তাঁর জীবনের একটি ঘটনা এখানে উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা যেতে পারে। একবার তিনি শিশুদের বলেছিলেন : ‘আমার কাছে যে সবার আগে আসবে, আমি তাকে এই এই দেবো (অর্থাৎ উপহার দেবো)।’ শিশুরা তখন দৌড়ে তাঁর কাছে আসতে লাগল, তারা তার বুকে-পিঠে পড়তে লাগল। (আহমদ)
এ ছাড়াও শিশুদের প্রতি তার মমত্ববোধ, ভালোবাসা, দায়িত্ব সচেতনতা নিয়ে অসংখ্য ঘটনা আছে।

উদারতা
নবীজির (সা) জীবনের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো তাঁর উদারতা। এমন উদার লোক দুনিয়াতে আর আসেননি। তিনি সবসময় নিজের চেয়ে অন্যদের অগ্রাধিকার দিতেন, তাঁর কাছে যে-ই আসত, তিনি তার প্রয়োজন পূরণ করতেন। তাঁর এক সাহাবা বলেছেন : তিনি কখনো তাঁর কাছে কিছু চাওয়া হলে তা দিতে অস্বীকার করতেন না। (বুখারি)
তাঁর উদারতার এই গুণটি মুসলমানদের উচিত অনুসরণ করা এবং অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়া, যাতে এই দুনিয়া আরো সুন্দর হয়ে উঠতে পারে।

নারীদের প্রতি সহানুভূতিপূর্ণ
ইসলামের ব্যাপারে অমুসলিমদের আরেকটি অভিযোগ হলো, এই ধর্মটি নারীদের প্রতি বৈরী। অনেকে না জেনে, না বুঝে এ জন্য নবীজিকে (সা) দায়ী করে। অথচ এই ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল। তিনি নারী অধিকারের ব্যাপারে অত্যন্ত সচেতন ছিলেন, তাঁর সাহাবাদের নির্দেশ দিয়েছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধামূলক আচরণ করতে, তাদেরকে সমান অধিকার দিতে। একটি হাদিসে তিনি বলেন : ‘যে দু’টি মেয়েকে লালনপালন করবে, তাকে পরকালে আমার সাথে রাখা হবে, এই একসাথে থাকা দুই আঙুলের মতো।’ (আবু দাউদ)
নারীদের প্রতি কোনো ধরনের বৈরীভাব তাঁর মধ্যে থাকলে তিনি কখনো এমন কথা বলতেন না। এতেই নারীদের প্রতি তার সচেতনতা এবং তাদের অধিকারের প্রতি তার যতেœর বিষয়টি উপলব্ধি করা যায়।

আমোদপ্রিয়তা
নবীজি (সা) তিনি ছিলেন সবচেয়ে হাসিখুশি মানুষ। তিনি সবসময় হেসে হেসে লোকজনকে স্বাগত জানাতেন, তাদের সাথে কথা বলতেন। তাঁর সাহাবা তাঁর সম্পর্কে বলেছেন : ‘আমি আল্লাহর রাসূলের মতো এত হাসতে অন্য কোনো মানুষকে দেখিনি।’ (তিরমিজি)
এতে প্রমাণ হয়, মহানবী হজরত মোহাম্মদ (সা) ছিলেন হাসিখুশি ও নম্র। যে মানুষ বেশির ভাগ সময় হাসিখুশি থাকেন, তিনি লোকজনের ওপর ভালো ধারণা প্রতিষ্ঠা করতে পারেন, তিনি যেখানেই যান না কেন, সেখানেই ভালোবাসা ও উষ্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারেন।

এতিমদের প্রতি সচেতনতা
নবীজি (সা) কেবল তার আশপাশের লোকজন বা যারা তাঁর স্বজন ছিলেন, তাদেরকেই ভালোবাসতেন না, বরং তিনি পুরো সমাজকেই বিবেচনায় রাখতেন। আবার সমাজে তিনি বিশেষভাবে লক্ষ রাখতেন এতিমদের প্রতি। তিনি তাঁর সাহাবাদের নির্দেশ দিয়েছিলেন, তারা যাতে এতিমদের বিশেষ যতœ নেয়, কারণ তাদের মা-বাবা নেই। তিনি বলেছেন, শ্রেষ্ঠ বাড়ি সেটাই, যেখানে এতিমের প্রতি ভালো আচরণ করা হয়, নিকৃষ্ট বাড়ি সেটাই, যেখানে এতিমদের সাথে খারাপ আচরণ করা হয়। (ইবনে মাজাহ)
মুসলমানদের অবশ্যই এতিমদের যহ্নতœ নিতে হবে, তাদের সাথে ভালো আচরণ করতে হবে। যেখানেই কোনো এতিমকে নির্যাতিত হতে দেখা যাবে, মুসলমানদের উচিত হবে তা প্রতিরোধ করা।

সহযোগিতা
নবীজি (সা) সবসময় সর্বোত্তমভাবে লোকজনকে সহযোগিতা করতে চাইতেন। তিনি কাউকেই বিশেষ সুবিধা দিতেন না। বরং সাধারণ লোকজনের সাথে মিশে তাদের উপকার, সহযোগিতা করার প্রতি মনোযোগী থাকতেন। এক সাহাবা খন্দকের যুদ্ধের সময়কার অবস্থা তুলে ধরেছেন এভাবে : আমি খন্দকের দিনে দেখেছি তাকে গর্ত থেকে মাটি তুলতে, যতক্ষণ না মাটিতে তার বুক ঢেকে গেছে। (বুখারি)
এ কারণে মুসলমানদের উচিত কারো বংশ, সামাজিক অবস্থান বা অন্য কিছুর দিকে নজর না দিয়ে নির্বিশেষে সবাইকে সাহায্য করা।

অন্য প্রাণীর অধিকার প্রদান
এই দুনিয়ায় মহানবীই (সা) প্রাণী অধিকারের কথা প্রথম বলেছেন। তিনিই প্রথম ব্যক্তি হিসেবে প্রাণীদের অধিকার দিতে বলেছেন। তিনি লোকজনকে বলেছেন, পশুপাখিও আল্লাহর সৃষ্টি। তাই তাদের উচিত, তাদের সাথে ভালো আচরণ করা। তিনি পশুপাখিদের প্রতি কঠোর ও নির্দয় হতে বারণ করেছেন। হজরত আয়েশা (রা) বলেছেন : ‘আমি একবার ঘোড়ায় চড়তে কষ্ট পাচ্ছিলাম, ফলে আমি বারবার এটির লাগাম টানছিলাম। নবীজি (সা) তখন বললেন, ‘তোমাকে অবশ্যই সদয় হতে হবে।’ (মুসলিম)
মুসলমানদেরকে অবশ্যই তাঁর এই নির্দেশ অনুসরণ করতে হবে। সব প্রাণীর প্রতি সম্ভব সর্বাত্মক সদয় হতে হবে।

জাগতিক বস্তুর প্রতি আকর্ষণশূন্য
যে ব্যক্তি এত নিঃস্বার্থ যে, কেউ চাইলেই তিনি তাকে সেটা দিয়ে দেন, আর সবকিছুই করেন কেবল আল্লাহর জন্য, এমন মানুষের মধ্যে জাগতিক বস্তুর প্রতি কোনো ধরনের আকর্ষণ থাকবে না, এমনটাই স্বাভাবিক ব্যাপার। হজরত মোহাম্মদের (সা) এই দুনিয়ার কোনো কিছুই কামনা করতেন না। বরং তিনি এখানকার সবকিছুই অন্য লোকদের জন্য ব্যয় করেছেন, তাদের এ দুনিয়া এবং পরকালের সব সমস্যা ও জটিলতা থেকে মুক্ত হতে সাহায্য করার জন্য কাজ করেছেন। তাঁর ব্যক্তিত্বের এই গুণের কথা এক সাহাবা এভাবে বলেছেন : ‘মৃত্যুর সময় আল্লাহর রাসূল একটা স্বর্ণ বা রৌপ্য মুদ্রা কিংবা কোনো ক্রীতদাস-দাসী রেখে যাননি। তিনি কেবল রেখে গিয়েছিলেন একটা সাদা খচ্চর, তাঁর অস্ত্র এবং এক টুকরা জমি, যা তিনি দান করার কথা ঘোষণা করে গিয়েছিলেন।’ (বুখারি)
তিনি ছিলেন আল্লাহর নবী। তিনি যখন দুনিয়া থেকে বিদায় নেন, তখন ওই হাদিসে উল্লেখ করা সামগ্রী ছাড়া আর কিছুই তার ছিল না। তাই নিশ্চিতভাবেই বলা যায়, জাগতিক কোনো কিছুর প্রতিই তার কোনো ধরনের আকর্ষণ ছিল না।

বিনয়
হজরত মোহাম্মদের (সা) ব্যক্তিত্বের আরেকটি গুণ ছিল তাঁর বিনয়। তিনি ছিলেন সবার চেয়ে বেশি বিনয়ী। কোনো ধরনের হামবড়া ভাব তার মধ্যে ছিল না। তিনি তাঁর অনুসারীদের বিনয়ী হতে উৎসাহিত করতেন। একটি হাদিসে বলা আছে, ‘পূর্ববর্তী নবীদের শিক্ষার অংশ ছিল বিনয়। যার মধ্যে এর অভাব আছে, এটা খুবই সম্ভব যে, সে যা ইচ্ছা তা-ই করবে। (হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মুসলিমার রা বর্ণিত)
এ কারণে বিনয় হলো ইসলামের অপরিহার্য অনুষঙ্গ। আর নবীজি (সা) ছিলেন বিনয়ের সবচেয়ে বড় উদাহরণ।

সুবিবেচক
নারী, পুরুষ, শিশু, এতিম, তরুণ, প্রবীণ, শত্রু, প্রাণী- যে-ই হোক না কেন, নবীজি (সা) ছিলেন সবার প্রতি সর্বোচ্চ মাত্রায় সুবিবেচক। তিনি শিশু ও এতিমদের ভালোবাসতেন, প্রাণীদের প্রতি ভালো আচরণ করতেন, নারীদের তাদের অধিকার দিতেন, প্রবীণদের সম্মান করতেন। এককথায় তিনি কারো প্রতি কোনো ধরনের বৈষম্য প্রদর্শন ছাড়াই সবার সাথে সুবিবেচনাপ্রসূত আচরণ করতেন। একটি হাদিসে মহানবী (সা) বলেন : ‘আমি নামাজে দাঁড়িয়েছিলাম দীর্ঘ সময়ের জন্য। কিন্তু একটি শিশুর কান্না শুনে আমি নামাজ সংক্ষিপ্ত করলাম এই বিবেচনায় যে, আমার লম্বা কিরাত শিশুটির মায়ের জন্য কষ্টকর হয়ে পড়তে পারে।’ (বুখারি)

সাধারণ অবয়ব
সাধারণ অবয়বে নবীজি (সা) ছিলেন সুন্দর, শুদ্ধ, সাদামাটা, ভদ্র এবং অন্য যেকোনো লোকের মতোই। তাঁর সাধারণ অবয়ব সম্পর্কে এক সাহাবা এভাবে বর্ণনা দিয়েছেন : ‘নবীজি (সা) ছিলেন মাঝারি উচ্চতার। তাঁর কাঁধ দু’টি ছিল চওড়া। তার চুল কানের লতি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। একবার আমি তাকে একটি লাল পোশাক পরতে দেখেছি; আমি তাঁর চেয়ে সুন্দর আর কাউকে দেখিনি।’ (বুখারি)
সংক্ষেপে বলা যায়, যে কেউ জীবনের যেকোনো ব্যাপারে সব জটিলতায় হজরত মোহাম্মদের (সা) ব্যক্তিত্ব থেকে উদাহরণ সংগ্রহ করতে পারে। মুসলমানদের উচিত তাঁর নির্দেশনা ছড়িয়ে দেয়া। সেটা কেবল মুসলমানদের জন্যই কল্যাণকর হবে না, বরং এটা সবার জন্যই হবে মঙ্গলময়। আর তা পুরো দুনিয়াকে আরো সুন্দর স্থানে পরিণত করবে।

(ইসলামিক নলেজ থেকে)

SHARE

Leave a Reply