প্রফেসর সৈয়দ আলী আশরাফ ইসলামী শিক্ষা আন্দোলনে তাঁর অবদান -ড. মুহাম্মাদ নূরুল ইসলাম

ড. সৈয়দ আলী আশরাফ ছিলেন বিশ^ব্যাপী জ্ঞান ও শিক্ষার ইসলামীকরণ তথা ইসলামী শিক্ষা আন্দোলনের মহান তাত্ত্বিক ও সংগঠক। তিনি ছিলেন বহুমাত্রিক সৌন্দর্য সাধনার অনন্য অসাধারণ শিল্পী। জ্ঞান চর্চার মহত্তম অভিধাকে বিভূষিত করে তিনি বিভিন্ন ক্ষেত্রে রেখেছেন সাফল্যের অপূর্ব স্বাক্ষর। তিনি একাধারে দার্শনিক, সুফি, বুদ্ধিজীবী, প্রবন্ধকার, গবেষক, প্রাজ্ঞ অধ্যাপক, কবি, সমালোচক, গ্রন্থকার, সমাজসেবক, অতুলনীয় বাগ্মী পুরুষ এক সুমহান ব্যক্তিত্ব। অসাধারণ প্রতিভা ও বুদ্ধিমত্তার অধিকারী এই মহান বুদ্ধিজীবী ছিলেন এদেশ ও জাতির এক কালজয়ী সম্পদ। তাঁর সব পরিচয়ের পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী আন্দোলনের পরিচালনা করে তিনি যে বিষয়টিতে মহিমান্বিত হয়েছেন তা হচ্ছে ইসলামী শিক্ষা আন্দোলন। এ ক্ষেত্রে বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে পাশ্চাত্য জ্ঞান-বিজ্ঞান জগৎ থেকে বেরিয়ে আসা মুসলিম মনীষী-বুদ্ধিজীবীগণ, যারা আধুনিক পাশ্চাত্য সভ্যতার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে জ্ঞাত, বৈজ্ঞানিক সূত্র সম্পর্কে প্রশিক্ষিত এভং ইসলামী বিধানে বিশেষজ্ঞ, যারা চেয়েছেন সভ্যতায় পাশ্চাত্য জ্ঞান বিজ্ঞানের একাধিপত্যের মাঝে ইসলামী চিন্তার উৎকৃষ্টতাকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে এবং যারা বিশ্বব্যাপী ইসলামী চিন্তার পুনর্গঠনে প্রয়াস চালিয়েছেন প্রফেসর ড. সৈয়দ আলী আশরাফ ছিলেন তাদের নেতৃস্থানীয়।

বিশ^ব্যাপী ইসলামী শিক্ষা আন্দোলনের প্রবাদপুরুষ এ মহান ব্যক্তিত্বের জন্ম ৩০ শে জানুয়ারি ১৯২৪ সন। জন্মস্থান আলগা, নবাবগঞ্জ, ঢাকা। গ্রামের বাড়ি মাগুরা জেলার আলোকদিয়া গ্রামে। পিতা সৈয়দ আলী হামেদ এবং মাতা সৈয়দা কমরুন্নেসা খাতুন। এক সম্ভ্রান্ত সুফি ঘরানার বিখ্যাত সৈয়দ পরিবারের সন্তান তিনি। প্রদীপ্ত ঝলমলে সূর্যের মতো ভাস্কর তাঁর জীবন। প্রাণচাঞ্চল্য আর কর্মমুখরতায় ভরপুর। ১৯৪৪ সালে তিনি ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের থেকে ইংরেজি সাহিত্যে অনার্সে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হন এবং ১৯৪৭ সালে একই বিষয়ে কৃতিত্বের সাথে এমএ পাস করেন। ইংরেজিতে ¯œাতকোত্তর ডিগ্রি লাভের সঙ্গে সঙ্গেই তাঁর কর্মজীবনের শুরু। ১৯৪৭ সালে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় ইংরেজি বিভাগে লেকচারার হিসেবে যোগদান করে ইংরেজি সাহিত্যের শিক্ষক হিসেবে অধ্যাপনা শুরু করেন। ১৯৫২ সালে ক্যামব্রিজ বিশ^বিদ্যালয় থেকে পুনরায় ইংরেজিতে অনার্স পাস করে ১৯৬৪ সালে ইংলিশ পয়েট্রি অ্যান্ড ইটস অডিয়েন্স বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (১৯৫৫-৫৬), করাচি বিশ^বিদ্যালয়ে (১৯৭৪-৮৪), ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবে হার্ভার্ড বিশ^বিদ্যালয় (১৯৭১), কানাডার নিউ ব্রান্ডেড বিশ^বিদ্যালয় (১৯৭৪), ক্যামব্রিজ বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষা অনুষদে (১৯৮২-৯২) অতিবাহিত করে। এ ছাড়া তিনি ১৯৯০ সাল থেকে আজীবন ক্যামব্রিজ বিশ^বিদ্যালয়ে শিক্ষা অনুষদের সদস্য, ফিটস উইলিয়াম কলেজের সিনিয়র মেম্বার, স্থায়ী অ্যাসোসিয়েট, ১৯৮২-৮৪ পর্যন্ত উলফসন কলেজের ফেলো হিসেবে জড়িত ছিলেন।
এ ছাড়া তিনি ছিলেন বাংলা একাডেমির আজীবন সদস্য, লিবার্টি ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং সুফি সাধনা ও ইসলাম প্রচারে নিবেদিত জামাতে মদীনার অধীর ছিলেন।

পারিবারিক জীবনে জাতীয় অধ্যাপক কবি সৈয়দ আলী আহসান তাঁর অগ্রজ, শৌখিন চিত্রশিল্পী ও ব্রিটেনের প্রাক্তন স্কুল শিক্ষিকা চল্লিশের দশকে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের খ্যাতিমান মুসলিম ছাত্রী ও পরবর্তীতে রোকেয়া হলের প্রথম প্রভোস্ট মরহুমা আসিয়া আশরাফ তাঁর সহধর্মিণী ছিলেন।
কবি সৈয়দ আলী আশরাফের বিচরণ ক্ষেত্র বাংলাভাষা সাহিত্য, সমালোচনা সাহিত্য, অনুবাদ, গবেষণা, গদ্য রচনা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে সুবিস্তৃৃত। এ পরিক্রমায় তিনি অনন্য সাধারণ, কোন কোন ক্ষেত্রে তিনি পথপ্রদর্শক, কখনও বা গভীর অন্তর্দৃষ্টিসংখ্যা প্রায় গুরুত্বপূর্ণ উৎকৃষ্ট দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী। তাঁর কয়েকটি গ্রন্থ হলো- কবিতা : চৈত্র যখন (১৯৫৭) বিসংগতি (১৯৭৪), হিজরত (১৯৮৪), রুবাইয়াতে জাহিনী (১৯৯১), প্রশ্নোত্তর (১৯৯৬), সৈয়দ আলী আশরাফের কবিতা (১৯৯১)
গদ্যগ্রন্থ: কাব্য পরিচয় ঐতিহ্য, নজরুল জীবনে প্রেমের এক অধ্যায় (১৯৬৪), বাংলা সাহিত্যে মুসলিম ঐতিহ্য, মৃত্যুর আগে সম্পাদিত; তাঁর শত শত গবেষণা প্রবন্ধ বিভিন্ন সেমিনার সঙ্কলন ও আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

ইসলামী শিক্ষা আন্দোলনে অবদান
কোনো সময়কালে ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা সফল করতে হলে ইসলামী সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় আন্দোলনও যুগপৎভাবে অব্যাহত রাখতে হবে। কারণ ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ার জন্য ইসলামী সমাজ বর্তমান হতে হবে। কারণ ইসলামী সমাজ না থাকলে, অথবা এমন সমাজ বর্তমান থাকলে যা ইসলামবিদ্বেষী অথবা ইসলামবিরোধী, যে অবস্থায় ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রচেষ্টা সফল হতে পারে না। ইসলামী পদ্ধতিতে সাধারণ মানুষের শিক্ষার জন্য যত প্রকার প্রচেষ্টা চালানো হোক না কেন, তার মনের মধ্যে ঈমানের মূলনীতিসমূহ ও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যগুলোকে উজ্জ্বল করে তোলার জন্য ইসলামী সমাজের প্রয়োজন অপরিহার্য। যাতে করে তারা এই ইসলামী সমাজে শিক্ষার বাস্তব ফল প্রত্যক্ষ করতে পারে এবং সেই সমাজকে অনুসরণ করে তার চিন্তা ও কাজকে সঠিক খাতে প্রবাহিত করতে পারে।

আহরিত জ্ঞান ও অহিলব্ধ জ্ঞানের সমন্বয় সাধন
ড. সৈয়দ আলী আশরাফ আহরিত জ্ঞান (Acquired knowledge) এবং অহি দ্বারা প্রাপ্ত জ্ঞান(Revealed knowledge) এর সমন্বয় সাধনের বিষয়টি সুনির্দিষ্টভাবে ব্যাখ্যা করেন। আহরিত জ্ঞানকে তিনি আবার দু’ভাগে ভাগ করেছেন। যেমন-
১. মনের বিজ্ঞান (Human Sciences)- উলুমুল ইনসানিয়া
২. প্রকৃতি বিজ্ঞান (Natural Sciences)- উলমুল তাবইয়া

ফলে পাশ্চাত্য জ্ঞানের বিজ্ঞানগুলোকে আহরিত জ্ঞানের এই দৃষ্টি শাখার ভিতরে সমন্বিত করা সম্ভব। অহিলব্ধ জ্ঞান (Revealed Knowledge) ফেলে পাশ্চাত্য জ্ঞানের বিজ্ঞানগুলোকে আহরিত জ্ঞানের এই দৃষ্টি শাখার ভিতরে সমন্বিত করা সম্ভব। অহিলব্ধজ্ঞান (জবাবধষবফ কহড়ষিবফমব) কে ধর্ম বিজ্ঞান-উলুমুদ্বীন নামে আখ্যায়িত করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, জ্ঞানকে তিন ভাগে ভাগ করা সম্ভবপর এবং তার ভিত্তিমূলে রয়েছে মানুষের সঙ্গে আল্লাহর, মানুষের সঙ্গে মানুষের, মানুষের সঙ্গে প্রকৃতির সম্পর্ক সম্বন্ধে জ্ঞান। জ্ঞান ও শিক্ষার ইসলামীকরণ চিন্তা ধারার মধ্য দিয়ে তিনি যে সত্যটিকে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেছেন তা হচ্ছে সর্বপ্রকার আধুনিক জ্ঞান আহরণ এবং দানের কাজ সুষ্ঠুভাবে তখনই সম্ভব যখন জ্ঞান সমূহের ভিত্তিমুলে ধর্ম প্রদত্ত মূল্যবোধ কার্য়করী হয়। তাঁর মতে, জ্ঞান ও শিক্ষার ভিত্তিমূলে মানবপ্রকৃতি সম্পর্কে ও জ্ঞান আহরণ সম্পর্কে ইসলামী ধ্যান ধারণা প্রতিষ্ঠিত করাই হচ্ছে জ্ঞান ও শিক্ষার ইসলামীকরণ।

আন্তর্জাতিক ইসলামী শিক্ষা সম্মেলন আয়োজন
ইসলামী শিক্ষা সম্মেলন বিষয় সাল স্থান দেশ প্রথম বিশ^ মুসলিম শিক্ষা ১৯৭৭ মক্কা সৌদি আরব দ্বিতীয় শিক্ষাক্রম প্রণয়ন ১৯৮০ ইসলামাবাদ পাকিস্তান তৃতীয় পাঠ্যপুস্তক রচনা ১৯৮১ ঢাকা বাংলাদেশ চতুর্থ শিক্ষক প্রশিক্ষণ ১৯৮২ জাকার্তা ইন্দোনেশিয়া পঞ্চম মূল্যায়ন ১৯৮৩ কায়রো মিসর ষষ্ঠ ইসলামী শিক্ষার কর্মশালা ১৯৯৬ কেপটাউন দক্ষিণ আফ্রিকা ইসলামী শিক্ষা আন্দোলনকে এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে বিশে^র বিভিন্ন দেশে ১৯৭৭ সাল থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত ৬টি আন্তর্জাতিক শিক্ষা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে

এক নজরে আন্তর্জাতিক ইসলামী শিক্ষা সম্মেলন

১৯৭৭ সালে সৌদি আরবের মক্কা শরীফে কিং আবদুল আজিজ বিশ^বিদ্যালয়ের উদ্যোগে প্রথম বিশ^ মুসলিম শিক্ষা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ড. সৈয়দ আলী আশরাফ ছিলেন এ সম্মেলনের প্রধান উদ্যোক্তা ও সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি তখন কিং আবদুল আজিজ বিশ^বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ছিলেন। এ সম্মেলন মুসলিম বিশ^সহ বিশে^র বিভিন্ন দেশ থেকে ৩৫০ জন শিক্ষাবিদ, পণ্ডিত, গবেষক, আলেম, ধর্মীয় চিন্তাবিদ অংশগ্রহণ করেন। এই সম্মেলনে যারা বিশে^র মুসলিম চিন্তাবিদ এবং কয়েকজন অতিথি চিন্তাবিদ একত্রিত হয়ে বিভিন্ন বিষয়ে পৃথক পৃথক মিশনে জ্ঞান বিজ্ঞান নিয়ে কয়েক দিনব্যাপী আলোচনা শেষে তারা ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থায় উপর জোর দেন এবং প্রথমে কুরআনিক জ্ঞানতত্ত্বের আলোকে ওজনের শ্রেণী বিভাগ ও শিক্ষার সংজ্ঞা নির্ধারণ করেন। তাঁরা এ ঐকমত্যে পৌঁছেন যে, শিক্ষার মর্মমূলে বিশ^াস, ধর্ম থাকতে হবে। অর্থাৎ ইসলামী জীবনাদর্শের ভিত্তিতে শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে হবে। মুসলিম সমাজ ও বিভিন্ন মুসলিম দেশে মুসলমানদের মধ্যে যে দুটি শিক্ষাব্যবস্থা, প্রচলিত ধর্মীয় শিক্ষা বা মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থা এবং পাশ্চাত্যের জ্ঞান বিজ্ঞানের আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা এর মধ্যে সমন্বয় সাধন করতে হবে। এ জন্য প্রয়োজন ব্যাপক গবেষণা, আলাপ আলোচনা এবং ইসলামী চিন্তাবিদদের সাথে আধুনিক শিক্ষিতদের সম্পর্ক ও সমন্বয়। এ লক্ষ্যে পরবর্তীকালে প্রফেসর ড. সৈয়দ আলী আশরাফের অগ্রণী উদ্যোগ, সৌদি সরকারের সাবেক মন্ত্রী শেখ আহমদ সালেহ জামজুম, প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার ড. আবদুল্লাহ ওমর নাফিস ও সাবেক মন্ত্রী ড. আবদুহ ইয়েমনীর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক ইসলাম শিক্ষাবিষয়ক ফলোআপ কমিটির উদ্যোগে মুসলিম বিশে^র ৫টি দেশে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত ৫টি শিক্ষা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলন সমূহের ফলশ্রুতিতে বিশ^ব্যাপী জ্ঞানের ইসলামীকরণ ও ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় আন্দোলন ইসলামী সম্মেলন সংস্থার উদ্যোগে সৌদি আরবে প্রতিষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড সেন্টার ফর ইসলামিক এডুকেশনের প্রথম সহপরিচালক ছিলেন ড. সৈয়দ আলী আশরাফ পরবর্তীতে ব্রিটেনের ক্যামব্রিজে প্রতিষ্ঠিত ইসলামিক একাডেমির মহাপরিচালক হিসেবে তিনি ইসলামী শিক্ষা আন্দোলনের তাত্ত্বিক ও গবেষণাতে কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি প্রচুর সাংগঠনিক উদ্যোক্তা গ্রহণ করেন, যার ভিত্তিতে মুসলিম বিশে^র বিভিন্ন দেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে অনেকগুলি ইসলামী বিশ^বিদ্যালয়, শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান। ব্রিটেনের ক্যামব্রিজ থেকে, মুসলিম এডুকেশন কোয়ার্টারলি নামে একটি জার্নাল আমৃত্যু সম্পাদনা করে অমর হয়ে রয়েছেন। তিনি শিক্ষাক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা হিসেবে ‘দারুল ইহসান’ মডেলের প্রস্তাব করেন এবং বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে প্রাথমিক থেকে উচ্চ শিক্ষাব্যবস্থার তা বাস্তবায়নও হচ্ছে।
এ মহান মনীষী ব্রিটেনের ক্যামব্রিজ বিশ^বিদ্যালয় এলাকায় নিজস্ব বাসভবনে ১৯৯৮ সালের ৮ই আগস্ট ইন্তেকাল করেন এবং বাংলাদেশের সাভারের বলিভদ্রস্ত দারুল ইহসান বিশ^বিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিজস্ব ভূমিতে তাঁকে দাফন করা হয়। তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই। ইসলামী শিক্ষা আন্দোলনে তাঁর অবদান কখনও শেষ হয়ে যাবে না। যুগ যুগ ধরে তা আলোকবর্তিকা হয়ে থাকবে।

লেখক : বিশিষ্ট কলামিস্ট ও গবেষক

SHARE

Leave a Reply