বিবেকবান সব মানুষই জঘন্য এ কাজকে ঘৃণা করবে

রুহুল আমিন গাজী
বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সভাপতি, বিএফইউজে

বিশিষ্ট সাংবাদিক, বিএফইউজে সভাপতি রুহুল আমিন গাজী ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে পল্টনে লগি-বৈঠার হামলার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, বিশ্বের বিবেকবান সকল মানুষই সারাজীবন এই জঘন্য কাজকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করবে। রেডিও, টেলিভিশন, পত্র-পত্রিকার মাধ্যমে বিশ্ববাসী এটি  দেখেছেন। ইতিহাস সাক্ষী, এই অপরাধ থেকে আওয়ামী লীগ কখনো বেরিয়ে আসতে পারেনি।
আমরা মনে করি এই জঘন্য হত্যার বিচার হলে এবং অপরাধীদের যথাযথ শাস্তির মধ্য দিয়ে এই ঘটনার পরিসমাপ্তি ঘটতে পারে।
পৈশাচিক এই ঘটনা ঘটিয়েছে আওয়ামী লীগ এবং তাদের জোটের সন্ত্রাসীরা, সেটা সারা বিশ্ববাসী প্রত্যক্ষ করেছেন।
সেদিনের ঘটনা যারা দেখেছেন তারাসহ সারা বিশ্বের মানুষ এই ঘটনার সাথে জড়িত সকলকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছেন। যারা এই ঘটনায় শহীদ হয়েছেন তাদের রূহের মাগফিরাতের জন্য আল্লাহর নিকট দোয়া করছি এবং তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।
এ মামলা প্রত্যাহারের মধ্য দিয়ে এভাবে রাজপথে প্রকাশ্যে দিবালোকে লগি-বৈঠা দিয়ে হত্যাকাণ্ডকে উৎসাহিত করা হয়েছে। এ ধরনের জঘন্য হত্যাকাণ্ডের মামলা প্রত্যাহার করলে আরো হত্যা এবং খুনাখুনিকে উৎসাহিত করা হবে।
রাজপথের আন্দোলনে এভাবে হস্তক্ষেপ এবং এ মামলা প্রত্যহারের মধ্য দিয়ে আবার প্রমাণিত হলো যে, আওয়ামী লীগ এ হত্যাকাণ্ডকে উৎসাহিত করে, তারা হত্যাকাণ্ডের বিচার চায় না।
এ হত্যাকাণ্ড প্রকাশ্য দিবালোকে সংঘটিত হয়েছে। সারা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ এ হত্যাকাণ্ড প্রত্যক্ষ করেছে আর সেই হত্যাকাণ্ডের মামলা যদি প্রত্যাহার করে নেয়া হয় এবং অপরাধী যদি ক্ষমা পেয়ে যায় তবে তা হবে লজ্জাজনক ও ঘৃণার। এর চেয়ে লোমহর্ষক আর কী হতে পারে!
আমি মনে করি পরবর্তীকালে যখন কোনো সরকার আসবে কোনো নির্বাচন হবে, তখন এই হত্যাকাণ্ডের বিচার তারা করবে।

SHARE

Leave a Reply