ব্যক্তিত্ব উন্নয়ন চাই জীবনের মুক্তি -মো. রাশেদুল ইসলাম

এই সুন্দর পৃথিবী মহান আল্লাহর সুবিশাল পরিকল্পনার একটা অংশ। তাঁর পরিকল্পনা কতোটা নিখুঁত, তা জানার জন্য সৃষ্টিকুলের দিকে তাকালে আমাদের মাথা নুয়ে আসে আপনাআপনি। বিশেষ করে মানবদেহের গঠনশৈলী, সুসাব্যস্ততা এবং সুবিন্যস্ততা। বিবেকের বিষয়টা মন দিয়ে ভাবুনতো একবার! আমাদের জন্য কত বড় নেয়ামত এটা! অন্য কোনো সৃষ্টিকে এমন অনন্য গুণাবলিসহ তৈরি করেননি তিনি। আর এই শ্রেষ্ঠত্বের বিষয়টা সূরা আল-বাকারার ৩০ নম্বর আয়াতে পরিষ্কার করা হয়েছে এভাবে-
“যখন তোমার প্রতিপালক ফেরেশতাদের বললেন নিশ্চয়ই আমি পৃথিবীতে প্রতিনিধি সৃষ্টি করবো। তারা বললো, আপনি কি সেখানে এমন কাউকে সৃষ্টি করবেন যারা অশান্তি সৃষ্টি করবে এবং রক্তপাত ঘটাবে? আমরাইতো আপনার প্রশংসা ও পবিত্রতা ঘোষণা করি। তিনি বললেন, আমি যা জানি তোমরা তা জানো না।”
এখানে ‘আমি যা জানি, তোমরা তা জানো না’ বলার মাধ্যমে আমাদের প্রতি আল্লাহর অপরিমেয় ভালোবাসা ও আস্থার কথা তুলে ধরেছেন। আর আমরা সেই মহান সত্তার প্রতিনিধি, যার বর্ণনা সূরা আল-বাকারার ২৫৫ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে,
“আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য বা মাবুদ নাই। তিনি চিরঞ্জীব, সবকিছুর ধারক। তন্দ্রা বা নিদ্রা তাঁকে স্পর্শ করে না, আকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই তাঁর। এমন কে আছে যে তাঁর অনুমতি ছাড়া তাঁর কাছে অনুরোধ করতে পারে? তাদের (মানুষের) সম্মুখে ও পেছনে যা কিছু আছে তা তিনি অবগত আছেন। তাছাড়া তাঁর অনন্ত জ্ঞানের কোন বিষয়েই কেউ ধারণা করতে পারে না, অবশ্য আল্লাহ যতটা চান, ততটা জ্ঞান কাউকে দান করেন। তাঁর আসন আকাশ ও পৃথিবীতে পরিব্যাপ্ত। এসবের রক্ষণাবেক্ষণে তিনি ক্লান্ত হন না। তিনি মহান ও মহীয়ান।”

উপরোক্ত আয়াতে মহান আল্লাহর যেসকল গুণের কথা বলা হয়েছে-
# তিনি একমাত্র উপাস্য।
# তিনি চিরঞ্জীব।
# তিনি সবকিছুর ধারক।
# তিনি তন্দ্রা বা নিদ্রাহীন।
# তিনি মহাবিশ্বে সবকিছুর মালিক।
# তিনি অনুমতি না দিলে কেউ তাঁর কাছে অনুরোধ করতে পারেন না।
# তিনি দৃশ্যমান ও অদৃশ্য সবকিছু জানেন।
# তিনি ধারণাতীত জ্ঞানের অধিকারী।
# তিনি নিজ ইচ্ছায় কাউকে জ্ঞান দান করেন।
# তিনি আকাশ ও পৃথিবী পরিব্যাপ্ত সিংহাসনের অধিকারী।
# তিনি তাঁর সমস্ত সৃষ্টি রক্ষণাবেক্ষণে ক্লান্ত হন না।
# তিনি সর্বাপেক্ষা মহান ও মহীয়ান।

এবার একটু চিন্তা করা যাক-
দুনিয়ায় আমরা অনেকেই মাঝে মাঝে কোন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির প্রতিনিধি হয়ে থাকি। এই প্রতিনিধিত্ব করা কালে সেই ব্যক্তির কাছাকাছি মর্যাদায় ভূষিত হয়ে থাকি। কারণ- প্রেরকের গুণাবলির মর্যাদা রক্ষার্থে আমরা নিজেদের গুণাবলি বৃদ্ধি (ব্যক্তিত্ব উন্নয়ন) করি বলেই আমাদেরকে প্রতিনিধি করা হয়ে থাকে, যাকে তাকে প্রতিনিধি করে পাঠানো হয় না।

অত:পর ভাবুনতো!
মহান আল্লাহর ঘোষণায় আমরা তাঁর প্রতিনিধি। আমাদের ব্যক্তিত্ব উন্নয়নের বিষয়টা তাহলে কত গুরুত্বপূর্ণ! আমাদের জন্য ব্যক্তিত্ব উন্নয়ন কি বাধ্যতামূলক নয়? হ্যাঁ, অবশ্যই বাধ্যতামূলক। আমার বিশ্বাস- এ বিষয়ে দ্বিমত পোষণে কেউ আগ্রহী হবেন না। কারণ, সার্বিকভাবে বিশ্বমানবতা আজ চরম দুরবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। একদিকে তাদের নিজেদের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য জীবনের যে মূল্যবোধ প্রয়োজন, তা হারিয়ে ফেলা এবং অন্য দিকে অধ্যাত্মিক দেউলিয়াপনা দেখা দিয়েছে। যা হওয়ার পেছনে রয়েছে বিশ্বের বড় বড় অপশক্তি সম্পন্ন দেশ বা দেশ-জোটের আর্থিক ও সামরিক শক্তির প্রভাব এবং বিশেষত পাশ্চাত্য সংস্কৃতির প্রভাব।
এই দুরবস্থা এবং অপশক্তির প্রভাবের পূর্বে এক সোনালি যুগ ছিলো (যদিও সেই সোনালি যুগকে পাশ্চাত্যরা অন্ধকার যুগ হিসেবে চালিয়ে দিচ্ছে), যা ছিলো হযরত মুহাম্মদ (সা) এবং তাঁর আদর্শে দীক্ষিত দক্ষ নেতৃত্বের হাতে। আজ আর সেই নেতৃত্ব নেই বললেই চলে। যার দরুন হাহাকার বাড়ছেই বাড়ছে। বর্তমান এই পরিস্থিতিতে অতি আবশ্যক হচ্ছে নয়া নেতৃত্ব। বস্তুতান্ত্রিক সভ্যতার চরম ঝলকানিতে বিমোহিত মানবজাতির কল্যাণে কাজ করতে হলে সেই নেতৃত্ব পুনরুদ্ধার করতে হবে। এ জন্য সর্বপ্রথম নিজেদের পুনর্গঠন জরুরি।
তবে ব্যক্তি উন্নয়ন, আত্মোন্নয়ন প্রসঙ্গ এলে সবাই একটু নড়ে চড়ে বসবেন, এটাই স্বাভাবিক। কেননা- এই উন্নয়ন করতে গিয়ে পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ পার্থিব উন্নয়নে মনোযোগী হয়ে থাকেন। ফলশ্রুতিতে ব্যক্তি দুনিয়ায় লাভবান হোন ঠিকই, কিন্তু আখিরাত হারান।
এ সমস্যা সমাধানে আমরা আল্লাহর পক্ষ থেকে আকর্ষণীয় পদ্ধতি জানতে পারি-
“আমরা আল্লাহর রঙ গ্রহণ করেছি। আল্লাহর রঙ এর চাইতে উত্তম রঙ আর কার হতে পারে? আমরা তাঁরই এবাদত করি।”
(আল কুরআন- ২ : ১৩৮)

নীতি পদ্ধতিতে রাসূল (সা) এর আদর্শ ধরে রাখতে পারলে আত্মোন্নয়ন, ব্যক্তি উন্নয়ন আখিরাতে সফলতার সহায়ক হবে অবশ্যই। ব্যক্তিত্ব উন্নয়নের জন্য সহায়ক দশটি উপায়:

ভালো শ্রোতা হোন:
শ্রোতার ভুল কম, বক্তার ভুল বেশি। অথচ আমরা বলতে অভ্যস্ত। উত্তম শ্রোতার দৃষ্টান্ত হচ্ছেন রাসূল (সা) এর সাহাবাগণ (রা)। রাসূল (সা) সাহাবাদেরকে (রা) কোন প্রশ্ন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তারা বলতেন- এ ব্যাপারে আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল (সা) অধিক জানেন। ভালো শ্রোতাকে মানুষ অধিক ভালোবাসেন। বাচাল ব্যক্তিকে সবাই অপছন্দ করেন।

অধিক পড়–ন এবং আপনার আগ্রহগুলো প্রসারিত করুন:
অধিক জানতে হলে অধিক পড়ার কোনো বিকল্প নেই। আর আগ্রহ না থাকলে পড়াশোনা হয় না। অনাগ্রহের পড়াশোনার দ্বারা জাতির কল্যাণ করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। তবে খেয়াল রাখতে হবে- আপনি কী পড়বেন।
পড়ার ক্ষেত্রে একজন মুসলিম হিসেবে অবশই কুরআনকে প্রাধান্য দিতে হবে, তারপর রাসূলের (সা) সুন্নাহ। কারণ, আজ বিশ্ব মানবতার কল্যাণার্থে কাজ করার ঘোষণা দিয়ে যারা নিজেদের জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করছেন, অথচ কুরআনের জ্ঞান নেই তার মাঝে। তার সেই জ্ঞান মানবতার অকল্যাণে কাজে লেগেছে- লাগছে। এককথায় বলতে গেলে- জ্ঞান লাভের মূল উৎস হতে হবে কুরআন ও সুন্নাহ।

একজন সদালাপী ব্যক্তি হোন:
এক্ষেত্রে প্রথম কথা হচ্ছে- যোগাযোগ করা। নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকার জন্য আল্লাহ আমাদেরকে পৃথিবীতে পাঠাননি। আল্লাহ সূরা আলে ইমরানের ১১০ নম্বর আয়াতে বলেছেন-
“তোমরাই হলে সর্বোত্তম উম্মত, মানবজাতির কল্যাণের জন্যেই তোমাদের উদ্ভব ঘটানো হয়েছে। তোমরা সৎকাজের নির্দেশ দান করবে ও অন্যায় কাজে বাধা দেবে এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনবে।”
# মানুষের মাঝেই আমাদের থাকতে হবে। তাই মানুষের সুখে-দুঃখে অংশীদার হতে হবে। সে জন্য কথা বলা বা যোগাযোগ করা বাধ্যতামূলক। দ্বিতীয় কথা হচ্ছে- সদালাপ। ওপরের আয়াত বাস্তবায়ন করতে হলে মন্দ উপায় অবলম্বন করার কোন সুযোগ নেই।
# এবার আমরা সদালাপী হওয়ার কিছু কৌশল বলতে পারি:
# আগ্রহ প্রকাশ করুন এবং কৌতূহলী হোন।
# তথ্য আদান-প্রদানে ভারসাম্য নিশ্চিত করুন।
# যৌক্তিক তথ্য বলার মাধ্যমে শ্রোতার মনোযোগ আকর্ষণ করুন।
# নিরুদ্বেগ থাকুন এবং আলাদা-স্বকীয় ধরন বজায় রাখুন।
# এসব কৌশলের উন্নতির লক্ষ্যে বার বার অনুশীলন করুন।

যৌক্তিক মতামত পেশ করুন:
সমাজে চলার সম্ভাব্য সকল ক্ষেত্রে নিজস্ব যৌক্তিক মতামত থাকা দরকার। কুরআন মানবতার জন্য গাইডলাইন। যা সকল বিষয়ে দিকনির্দেশ করে থাকে। কুরআন আমাদের মাতৃভাষায় অবতীর্ণ না হওয়ায় বিষয়গুলো সর্বসাধারণের পক্ষে সহজে বুঝা কঠিন হয়ে থাকে। আমরা যারা নিজেদেরকে কুরআন প্রতিষ্ঠার পথে নিয়োজিত করেছি- তাদের জন্য বাধ্যতামূলকভাবে জীবন চলার উপযোগী সকল ক্ষেত্র সম্পর্কে যৌক্তিক মতামত পেশ করতে হবে। এ জন্য জানার পরিধি বাড়াতে হবে।

নতুন মানুষের সাথে মিশুন:
দাওয়াত আমাদের মিশন। তাই বসে থাকার সুযোগ নেই। যতো বেশি মানুষের সাথে পরিচিত হতে পারবো, ততো বেশি দ্বীনের সম্প্রসারণ সম্ভব। আর অধিক মানুষের সাথে মেশা মানে অধিক মানুষকে কনভিন্স করা। মানুষকে কনভিন্স করা বা সন্তুষ্ট করা কঠিন কাজ। এজন্য অধিক অভিজ্ঞতা অর্জন জরুরি। এ প্রবন্ধে আমরা আমাদের নিজেদেরকে অধিক যোগ্য করার সুযোগের কথাই বলতে চেয়েছি। তাহলে যতো বেশি মানুষের সাথে মিশবো, ততো বেশি যোগ্য হবো- এ কথা বলাই যায়।

নিজের মত হোন:
অন্য কারো মতো হওয়ার চেষ্টা না করাই উচিত, তাহলে স্বকীয়তা হারানোর সুযোগ সৃষ্টি হবে। আমাদের স্বকীয়তা ইসলাম এবং অনুসরণযোগ্য একমাত্র আদর্শ হচ্ছে মুহাম্মদ (সা)। আর এই আদর্শ প্রচার করার স্টাইল ভিন্ন হতে পারে। তবে অবশ্যই স্বকীয় হওয়া দরকার। গতানুগতিক হয়ে গেলে আমার কথা বিশেষভাবে কারো মনে আবেদন রাখবে কী করে?

একটি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও মনোভাব তৈরি করুন:
জুলুম নির্যাতন-নিষ্পেষণ বার বার আসার সত্ত্বেও রাসূল (সা) ও সাহাবায়ে আজমআঈন (রা) হাল ছেড়ে দেননি। নিজেদের আমল ও ব্যক্তিত্ব উন্নয়নে বিরোধীদের পিছনে দাওয়াতী চরিত্র নিয়ে সময় ব্যয় করেছেন প্রতিনিয়ত। তায়েফে চরম নির্যাতন-পরবর্তী রাসূল (সা)-এর মনোভাব আমাদের সেই শিক্ষা দেয়।

ইতিবাচক মনোভাব তৈরির জন্য কিছু উপাদন হলো:
# কারো উন্নতির কথা স্বীকার করুন।
# পানীয়কে শুধু পানি হিসেবে নয়, শরবত হিসেবে ভাবুন।
# নিজেরে ওপর বিশ্বাস রাখুন।
# অধ্যবসায়ী হোন।
# অনুপ্রেরণা এবং সমর্থনের জায়গাগুলো সম্পর্কে জানুন।
# ইতিবাচক মনোভাবের উপকারিতা:
# উন্নততর মানসিক স্বাস্থ্য।
# অতীত সার্থক হওয়া।
# নিজেকে অসহায় মনে হওয়া।

একঘেয়ে না হয়ে মাঝে মাঝে
রসাত্মক হোন:
অনেক সময় নিজেকে জ্ঞানার্জনে পরিব্যাপ্ত রাখতে গিয়ে আমরা একঘেয়ে হয়ে যাই। আনন্দবোধ বিষয়টা ভুলে যাই। যার কারণে আমার পরিবেশতো বটেই, আমি সমাজ থেকে আলাদা হয়ে যাই। রিজার্ভ আচরণ কখনোই মানুষ পছন্দ করে না। আর এটা দাওয়াতি আচরণ হতে পারে না। এককথায় বলতে গেলে- মানুষ আমার কাছে আসার ক্ষেত্রে যেন আমার সংকীর্ণ আচরণের কারণে সংকোচবোধ না করেন এই পরিমাণ খোলামেলা হওয়া।
মানুষের সহায়ক হোন:
মানুষের কল্যাণের জন্যই যেহেতু আল্লাহ আমাদের পাঠিয়েছেন, তাই মানুষের সকল কাজে সহায়ক হতে হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে, সেই কাজ যেন আল্লাহর সীমাকে অতিক্রম না করে। আল্লাহ সূরা আল-মায়িদাহর ২ নম্বর আয়াতে বলেন-
“তোমরা সৎ কাজ ও খোদাভীতির জন্য একে অন্যের সাহায্য করো, পাপ ও সীমালঙ্ঘনের ব্যাপারে একে অন্যের সহায়তা করো না।”

ন্যায়পরায়ণতা এবং সম্মানের সাথে মানুষকে ভালোবাসুন :
মানুষ আল্লাহর সৃষ্ট সেরা জীব। আল্লাহ মানুষকে অত্যন্ত ভালোবাসেন। এই প্রবন্ধের শুরুতে আমরা সেটা বলেছি যে, আল্লাহ আমাদের বিষয়ে ফেরেশতাদের সামনে কী বলেছিলেন। সুতরাং আমরা আল্লাহর সৃষ্টিকে ভালোবাসলে অবশ্যই আল্লাহর ভালোবাসা লাভ করতে সক্ষম হবো। এক্ষেত্রে কাউকে হেয় করা বা নিচু মনে করা মানে আল্লাহর সাথে অশোভন আচরণ করা। আর পরস্পরের মধ্যে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা। আমাদের কাছে বদর যুদ্ধ পরবর্তী বন্দীদের সাথে রাসূল (সা)-এর আচরণের কথা স্মরণে আছে। নিজেদের ভাইদের মতো করে সুযোগ সুবিধা দিতে বলা হয়েছিলো তাদের। যার ফলাফলে আমরা দেখেছি- একে একে তারা ইসলামে প্রবেশ করে।

পরিশেষ
যেহেতু আমরা আল্লাহর দ্বীনকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যে কাজ করে থাকি, তাই যতো দ্রুত নিজেদের গঠন করতে সক্ষম হবো ততো দ্রুত আমরা এই মিশন বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হবো। এজন্য নিজেকে গঠন করার বিকল্প নেই। আর এর প্রথম ধাপ হতে পারে দেরি না করে শুরু করা।
সবশেষে আমরা বলতে পারি- নিজেকে গঠন করার জন্য আন্তরিক ইচ্ছা ও উদ্যোগ থাকতে হবে। এই ইচ্ছা ও উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা নিজেদের আল্লাহর দেখানো নীতি পদ্ধতি অনুসরণ করে চলার জন্য অনুরাগী করতে সক্ষম হবো। যার ফলাফল হিসেবে আল্লাহ ওয়াদা অনুযায়ী অবশ্যই আমাদেরকে তাঁর বাছাইকৃত বান্দাদের মধ্যে আমাদেরকে শামিল করে নেবেন।

লেখক : প্রাবন্ধিক

SHARE

Leave a Reply