মিসরে ইসলামী আন্দোলন ও ইখওয়ানুল মুসলিমুন

ড. মুহাম্মাদ নূরুল ইসলাম
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
শায়খ হাসানুল বান্না (১৯০৬-১৯৪৯) মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তথা শাহাদাত বরণের পূর্ব পর্যন্ত ইখওয়ানুল মুসলিমুনের মুরশিদে আম বা প্রধান পরিচালক ছিলেন। তিনি তাঁর অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব, আকর্ষণীয় চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ও সুযোগ্য নেতৃত্ব দ্বারা তাঁর অনুগামীদের এত শ্রদ্ধা অর্জন করেছিলেন যে, কোনো রাষ্ট্রপ্রধান তা অর্জন করতে পারেননি। তাঁর শাহাদাত বরণে ইখওয়ানের আন্দোলন আরো বেগবান হয়। ইমাম হাসান আল হুদায়বি দ্বিতীয় মুরশিদে আম নির্বাচিত হন। প্রখ্যাত আইনবিদ আবদুল কাদির আওদাহ ডেপুটি মুরশিদের আম মনোনীত হন। ক্ষমতাসীনরা মনে করেছিল শায়খ হাসানুল বান্নাকে শহীদ করে মিসরের মাটি থেকে ইসলামী আন্দোলনকে নির্মূল করা যাবে। কার্যত ইখওয়ান মিসরে গণভিত্তি অর্জন করে। সাইয়েদ কুতুব ইখওয়ানে যোগদান করেন।
এ দিকে ১৯৫২ সালের ২২-২৩ জুলাই রাত্রে এক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে (ঈড়ঁঢ় ফ’বঃধঃ) মাধ্যমে জেনারেল মোহাম্মদ নগিব (এবহবৎধষ গড়যধসসবফ ঘধমঁরন) কর্নেল জামাল আবদেল নাসের (ঈড়ষড়হবষ এধসধষ অনফবষ ঘধংংবৎ) রাজা শাহ ফারুককে (শাসনকাল ১৯৩৫-১৯৫২) উৎখাত করে মিসরের ক্ষমতা দখল করেন। মিসরে সামরিক শাসন জারি করা হয়। মিসরেকে প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করা হয়। ১৯৫৩ সালের ১৮ জুন জেনারেল নগিব বিপ্লবী কমান্ড কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট, কর্নেল নাসের উপপ্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিযুক্ত হন। ১৯৫৪ সালের এপ্রিল মাসে কর্নেল নাসের প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন এবং নভেম্বর মাসে প্রেসিডেন্ট জেনারেল মোহাম্মদ নগিবকে ক্ষমতাচ্যুত করে মিসরের সর্বসময় ক্ষমতার অধিকারী হন। নাসের ক্ষমতায় আসার পর তার নেতৃত্বে আরব বিশ্বকে একত্রিত করার কাজে নিজেকে নিয়োজিত করেন। আরব জাতীয়তাবাদের (অৎধন ঘধঃরড়হধষরংস) শ্রেষ্ঠ প্রবক্তা হিসেবে তিনি মধ্যপ্রাচ্যের (গরফফষব ঊধংঃ) মাটি থেকে বৈদেশিক ঘাঁটি ও বিদেশী সৈন্য অপসারণের চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকেন।
এখানে উল্লেখ্য যে, বিপ্লবের পূর্বে সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে ইখওয়ানের সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখা হয়। জামাল আবদেল নাসের নিজে এবং আনোয়ার সাদাতসহ অনেক সামরিক অফিসার ইখওয়ানের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতেন। এ প্রসঙ্গে আনোয়ার সাদাত বলেন, দেশবাসী ইংরেজ আধিপত্য থেকে যে কোনো মূল্যে মুক্ত হতে চেয়েছিল। এ অনুপ্রেরণার ভিত্তিতেই মিসরীয় সেনাবাহিনীর একট গ্রুপ এবং ইখওয়ান নেতৃত্বের মাঝে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ সৃষ্টি হয়। এ সস্পর্ক এতটা গভীর হয়েছিল যে, মিসরীয় সেনাবাহিনীর একটি গ্রুপ ইখওয়ানকে মিসরের মুক্তির একমাত্র ভরসা মনে করত। এ কথা সত্য যে, ইখওয়ানের সমর্থন পাবে বলেই সেনাবাহিনী অভ্যুত্থানের সাহস করেছিল। এ প্রসঙ্গে খলিল আহমদ হামেদী লিখেছেন, ‘ইংরেজ প্রভাব এবং রাজা ফারুকের বিরুদ্ধে ইখওয়ান মিসরের জনগণের মাঝে অসন্তোষের বীজ এতোটাই বপন করেছিল যে বিপ্লবের গোলার আওয়াজ শোনা মাত্রই গোটা জাতি তাদেরকে অভিনন্দন জানিয়ে ফুল ছিটাতে থাকে।১
জেনারেল নগিবের ভাষায়, ‘বিপ্লবের পর দীর্ঘকাল পর্যন্ত ইখওয়ান ও বিপ্লবী কর্তৃপক্ষের মধ্যে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক বজায় থাকে।’২ শায়খ হাসানুল বান্নার হত্যাকারীকে গ্রেফতার করা হয়।৩
ইখওয়ানের রাজবন্দীদের মুক্তি দেয়া হয়। অপর দিকে মিসরে রাজতন্ত্রবিরোধী বিপ্লবের ক্ষেত্রে সাইয়েদ কুতুবের লিখনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তিনি ১৯৫০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফেরার পর তাঁর লেখনীর মাধ্যমে সমাজে বিপ্লবের চেতনা সৃষ্টি করেন।
সেনাবাহিনীর সদস্যরা সাইয়েদ কুতুবের লেখা পড়ে প্রভাবান্বিত হন। বিপ্লরেব পূর্বে ১৯৫২ সালের ১৯ জুলাই জামাল আবদেল নাসেরসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন সামরিক কর্মকর্তা সাইয়েদ কুতুবের নিকট গিয়ে বৈঠক করে বিপ্লবের কর্মকৌশল নিয়ে আলোচনা করেন।
কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে যে, কিছুদিন যেতে না যেতেই ইখওয়ানুল মুসলিমুনের সাথে বিপ্লবী সরকারের দূরত্ব সৃষ্টি হয়। নাসের আরব জাতীয়তাবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ, সমাজতন্ত্র এসবের দিকে ঝুঁকে পড়েন। মূলত নাসেরের টার্গেট ছিল ইখওয়ানের মতো শক্তিশালী সংগঠনকে সাথে রেখে নিজস্ব পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করা। কিন্তু বিপ্লবের পর ইখওয়ান জোর দাবি জানায়, ইসলামের আলোকে দেশের আইন ও প্রশাসন ঢেলে সাজানোর জন্য। এ নিয়েই ইখওয়ানের সাথে সরকারের বিরোধ সূচিত হয়।
১৯৫৩ সালের গোড়াতে সকল রাজনৈতিক দলকে বেআইনি ঘোষণা করা হলেও ইখওয়ানকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়নি।
ইখওয়ান তখন খুবই জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল; জনমনে আঘাত দেয়ার মতো অবস্থায় নাসের তখনো পৌঁছেননি। অবশ্য এ ক্ষেত্রে মুরশিদে আম হাসান আল হুদায়বির দূরদর্শিতাও কাজ করেছে। তিনি বিপ্লবী পরিষদকে স্মারকলিপি দিয়ে জানান, ‘ইখওয়ান প্রচলিত রাজনৈতিক দল নয়; এটি একটি সার্বজনীন দ্বীনী জামায়াত। রাজনীতি এর কর্মসূচির একটি অংশ মাত্র। ইখওয়ান ক্ষমতার প্রত্যাশী নয় এবং তারা পার্লামেন্ট নির্বাচনেও অংশ নেবে না।’৪ সে সময় নাসের ষড়যন্ত্রমূলক রাজনৈতিক কৌশল গ্রহণ করেন। জাতীয় সংহতি রক্ষার নামে ১৯৫৩ সালের ২৩ জানুয়ারি ‘সাতহুর তাহরির’ নামক নতুন সংগঠন প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন। ইখওয়ানসহ সকল রাজনৈতিক দলকে এতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান। ইখওয়ান উক্ত আহ্বান প্রত্যাখ্যান করে বিপ্লবী কাউন্সিলকে জানায়; ‘বিপ্লব গোটা জাতির আশা-আকাক্সক্ষার প্রতিচ্ছবি। সুতরাং জাতিকে কোনো বিশেষ দলের সাথে জড়িত করা উচিত নয়। এর পরিণতি যা হওয়ার তাই হবে। সুযোগ সন্ধানীরা এতে প্রবেশ করে ব্যক্তিগত স্বার্থে সংগঠনকে ব্যবহার করবে এবং সরকারও বিপ্লবের ভাবমূর্তি ক্ষুণœ করবে।’৫
১৯৫৩ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ব্রিটেনের সাথে আবার সুয়েজ সমস্যা নিয়ে সরকারের আলোচনা শুরু হয়। ইখওয়ান এ ধরনের আলোচনাকে সময়ক্ষেপণ মনে করত এবং কোনোভাবেই মিসরের মাটিতে ইংরেজ সাম্রাজ্যবাদীদের অবস্থান মেনে নিতে রাজি ছিল না। সে সময় ব্রিটিশ দূতাবাসের একজন কর্মকর্তা ট্রেফর ইভানস (ঞৎবভড়ৎ ঊাধহং) হাসান হুদায়বির সাথে সাক্ষাৎ করে সুয়েজখাল নিয়ে আলোচনার আগ্রহ ব্যক্ত করেন। হাসান হুদায়বি নাসের সরকারের কয়েকজন মন্ত্রীর সাথে আলাপ করে সাক্ষাতের সময় স্থির করেন। সাক্ষাৎকারে তিনি ইংরেজ কর্মকর্তাকে স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, সুয়েজ থেকে ইংরেজ ঘাঁটি তুলে না নিলে মিসর ও ইংরেজদের মধ্যে বন্ধুত্ব সম্ভব নয়। আলোচনার পর হাসান হুদায়বি সরকারের মন্ত্রী সালাহ সালেমিকে ডেকে আলোচনার বিশদ বিবরণ দেন।
এরপর মিসর সরকারের সাথে ইংরেজদের আলোচনায় অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। এ জন্য নাসের সরকারের পক্ষ থেকেই ইখওয়ানকে দায়ী করা হয়। সে সময় বিপ্লবী সরকার ইখওয়ানের রোভার স্কাউটের প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তিরূপে ন্যাশনাল গার্ড গঠন করে। সরকার হুদায়বিকে সেনাবাহিনীর ভেতর থেকে ইখওয়ানের গুপ্ত বাহিনীর কাজ বন্ধ করতে চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। হুদায়বি সরকারকে জানান যে, সেনাবাহিনীর ভেতর কোনো গুপ্ত বাহিনী আছে কিনা তাঁর জানা নেই। আর তিনি গুপ্ত বাহিনী, গুপ্ত তৎপরতা উগ্রবাদ, নিয়মতান্ত্রিক পন্থার বাইরে কোনো কর্মকা- পছন্দ করতেন না। তাই তিনি সংগঠনের সকল জনশক্তিকে নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় ইসলামের কাজে জড়িত থাকার বিষয়টি তদারকের জন্য বিশেষ দায়িত্ব দেন।
সে সময় নাসের সরকার নতুন এক পরিকল্পনা গ্রহণ করে। নাসের মনে করতেন যে, মুরশিদে আম হাসান আল হুদায়বিকে নেতৃত্ব থেকে সরাতে পারলে ইখওয়ানকে বাগে আনা যাবে। তাই সরকারের ইন্ধনে ইখওয়ানের অভ্যন্তরে মতবিরোধ ও দ্বন্দ্ব (পড়হভষরপঃ) সৃষ্টির চেষ্টা চালানো হয়। কিন্তু দলের সাধারণ সম্মেলনে সারা দেশের সদস্যরা হুদায়বির নীতির প্রতি সমর্থন জ্ঞাপন করলে নাসের সরকারের চক্রান্ত ব্যর্থ হয়ে যায়। তবে সরকার সমর্থক পত্রিকায় হুদায়বির বিরুদ্ধে প্রচারণা অব্যাহত থাকে। পত্রিকায় নাসের সুকৌশলে এ কথা প্রচার করেন যে, হাসান আল হুদায়বি শায়খ হাসানুল বান্নার নীতি থেকে বিচ্যুত হয়ে বিপথগামী হয়ে গেছেন। পক্ষান্তরে নাসের ইসলাম ও শায়খ বান্নার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। এটাকে বিশ্বাসযোগ্য করার জন্য প্রধানমন্ত্রী জামাল নাসের একদা কমান্ড কাউন্সিলের অনেক সদস্যসহ শায়খ বান্নার কবর জিয়ারত করেন এবং ইসলামী উম্মাহর জন্য বান্নার অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। এমনকি সরকার বিশেষ আদালত গঠন করে শায়খ বান্নার হত্যাকারীদের বিচার শুরু করেন। এর ফলে আবদুর রহমান বান্নাসহ ইখওয়ানের কেউ কেউ নাসের সরকারের প্রতি নমনীয় হয়ে পড়েন।
এ দিকে ইখওয়ানুল মুসলিমুন ও জামাল আবদেল নাসের সরকারের মধ্যে দূরত্ব বেড়েই চলে।
ইখওয়ান নেতৃত্ব প্রত্যক্ষ করলেন যে, নাসেরের মধ্যে নিফাক, শঠতা, ষড়যন্ত্র, ক্ষমতার প্রতি প্রচ- লোভ এবং ইসলামের প্রতি দুশমনি রয়েছে। এ পর্যায়ে এসে সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে যে ইখওয়ানের ওপর জুলুম নির্যাতন শুরু হবে।
জামাল আবদেল নাসেরের সামনেও দু’টি পথ খোলা ছিল, দমন-পীড়ন ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতায় টিকে থাকা কিংবা ইখওয়ানের সাথে শত্রুতা বন্ধ করে আন্তরিকতার সাথে ইসলামের আলোকে দেশ শাসন করা। নাসের প্রথম পন্থাই গ্রহণ করেন। ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য ইখওয়ানের ওপর ইতিহাসের অবর্ণনীয় নির্যাতন চালায়। অবশ্য অনেকে মনে করেন যে, জামাল আবদুন নাসের ও ইখওয়ানের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টির পেছনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাত ছিল।৬
ইখওয়ানের সাথে বিপ্লবী কমান্ড কাউন্সিলের মতবিরোধ সৃষ্টি হওয়ার পর নাসের সরকার ইখওয়ানকে নিষিদ্ধ করার অজুহাত খুঁজতে থাকে। ১৯৫৪ সালের ১২ জানুয়ারি ইখওয়ান কর্মীরা কায়রো বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শহীদ দিবস পালন করার সময় নাসের সরকারের মদদপুষ্ট ‘হাইআতুত তাহরির’-এর কিছু সদস্য জিপে করে এসে ইখওয়ানের সমাবেশে স্লোগান দিতে থাকে। এই নিয়ে বাগি¦ত-ার এক পর্যায়ে তারা সমাবেশের ওপর গুলি বর্ষণ শুরু করে। ইখওয়ান কর্মীরা আত্মরক্ষার জন্য পাল্টা জবাব দেয়।
এতে উভয় পক্ষের অনেকে আহত হয়। এ ঘটনার পর ১৩ জানুয়ারি ১৯৫৪ সালে নাসের ক্যাবিনেট ইখওয়ানকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। বিপ্লবী সরকার উৎখাত করার অভিযোগে হাসান আল হুদায়বিসহ অনেক নেতা ও কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। এতে জনগণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। সরকার হুদায়বিকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। ইখওয়ানসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হয়। সে সময় সামরিক শাসন তুলে নিয়ে সংসদ নির্বাচন দেয়ার জন্য সব মহল থেকে দাবি ওঠে। ফলে নাসের অচিরেই নির্বাচন দেয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়ে জনগণকে শান্ত করার চেষ্টা চালান।
(চলবে)

তথ্যপঞ্জি
১.    খলিল আহমদ হামেদী, ইসলাম পুনর্জাগরণে ইখওয়ানুল মুসলিমুনের ভূমিকা, আল হেরা প্রকাশনী, নভেম্বর ১৯৯৫, পৃ. ৫২
২.    উদ্ধৃত খলিল আহমদ হামেদী, পূর্বোক্ত, পৃ. ৫২
৩.    হত্যাকারীদের মধ্যে রাজা ফারুকের পরিচালক ও গাড়ির ড্রাইভারও ছিল। এ থেকে প্রমাণিত হয় যে, শায়খ হাসানুল বান্নার হত্যার পেছনে রাজা ফারুক প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন
৪.    খলিল আহমদ হামেদী, পূর্বোক্ত, পৃ. ৫৪
৫.    খলিল আহমদ হামেদী, পূর্বোক্ত, পৃ. ৫৪-৫৫
৬.    সাইয়েদ কুতুব ওয়া মানাহেজুহু ফিত তাফসীর, পৃ. ৫৯

SHARE

Leave a Reply