রাসূলের সা. প্রতি ভালোবাসা এবং ঈমানের দাবি -মোঃ শিব্বির আহমেদ তাশফিক

মানুষের সহজাত প্রেরণা অন্যকে ভালোবাসা। এই ভালোবাসা যদি হয় নিঃস্বার্থ ও আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য, তবে এর পুরস্কার অফুরন্ত। রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, “কেয়ামতের দিন আল্লাহ তায়ালা ঘোষণা করবেন যারা আমার সন্তুষ্টির জন্য একে অন্যকে ভালোবেসেছিল, তারা কোথায়? আজ আমি তাদের আমার আরশের ছায়াতলে আশ্রয় দান করব।” (মুসলিম)

অন্য বর্ণনায় রয়েছে, “আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য যারা পরস্পরে ভালোবাসার সম্পর্ক রাখে, কেয়ামতের দিন তাদের জন্য নূরের মিম্বর স্থাপন করা হবে। যা দেখে নবী এবং শহীদগণ পর্যন্ত ঈর্ষা করবেন।” (তিরমিজি)
ইসলামে পারস্পরিক ভালোবাসা সম্পর্ক রক্ষার গুরুত্ব এত বেশি যে, এর ওপর ঈমানের ভিত্তি রাখা হয়েছে। রাসূল সা. বলেন, “তোমরা জান্নাতে যেতে পারবে না যতক্ষণ না ঈমানদার হবে। আর তোমরা ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ না পরস্পরকে ভালোবাসবে। আমি কি তোমাদের এমন আমলের কথা বলে দেবো না, যা করলে তোমাদের পরস্পরের মাঝে ভালোবাসা সৃষ্টি হবে? তা হলো সালামের প্রসার ঘটানো।” (মুসলিম)
মানুষ হিসেবে অন্যের প্রতি ভালোবাসা ও গভীর প্রেম থাকা স্বাভাবিক। তবে এ ভালোবাসার সীমারেখাও আছে। মুসলিম হিসেবে সর্বাধিক ভালোবাসা আল্লাহ ও রাসূলের জন্য হতে হবে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, “বলুন, যদি তোমাদের কাছে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল এবং আল্লাহর পথে জিহাদের চেয়ে বেশি প্রিয় হয় তোমাদের পিতা, তোমাদের সন্তান, তোমাদের ভাই, তোমাদের স্ত্রী, তোমাদের পরিবার, তোমাদের অর্জিত সম্পদ, তোমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য, যাতে মন্দা পড়ার আশঙ্কা করো এবং তোমাদের আবাসস্থল যা তোমরা ভালোবাসো, তাহলে আল্লাহর নির্দেশ আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করো, আল্লাহ পাপাচারী সম্প্রদায়কে সত্য পথ প্রদর্শন করেন না।” (আল কুরআন ৯:২৪)
আল্লাহ তায়ালা আরও বলেন, “হে মুমিনরা, তোমাদের কেউ দ্বীন থেকে ফিরে গেলে আল্লাহ এমন এক সম্প্রদায় আনবেন যাদের তিনি ভালোবাসবেন এবং যারা তাঁকে ভালোবাসবে, তাঁরা মুমিনদের প্রতি কোমল এবং কাফেরদের প্রতি কঠোর হবে।” (আল কুরআন ৫:৫৪)

রাসূল সা. বলেছেন, “যার মধ্যে তিনটি গুণ থাকবে সে ঈমানের স্বাদ অনুভব করবে। যার কাছে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সর্বাধিক প্রিয় হবে। অন্য কোনো ব্যক্তিকে সে একমাত্র আল্লাহর জন্য ভালোবাসবে। আল্লাহ কুফরি থেকে রক্ষা করার পর আবার তাতে ফিরে যাওয়া তার কাছে আগুনে নিক্ষেপের মতো অপছন্দনীয় হবে।” (মুসলিম)
মুসলমান হওয়ার পূর্বশর্ত স্বয়ং মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনই বলে দিয়েছেন। আল্লাহর প্রতি কারো ভালোবাসা ততক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণ বা পূরণ হবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না সে তাঁর প্রিয় রাসূলকে সা. পরিপূর্ণভাবে ভালোবাসবে।
অর্থাৎ রাসূল সা.-কে ভালোবাসলে আল্লাহকে ভালোবাসার শর্ত পূরণ হবে, তা না হলে নয়। আমাদের প্রিয় রাসূল সা. সবার সেরা হয়েছেন সেরা গুণাবলির জন্য। ধৈর্য, সহিষ্ণুতা, ক্ষমা, উদারতা, প্রেম-প্রীতি, ভালোবাসা, দয়া-মায়া, মানবিকতা, ত্যাগ-তিতিক্ষা, পরোপকার ইত্যাদি সব মানবীয় সদ্গুণের অনন্য সমাহার ছিল তাঁর মধ্যে।

তিনি ছিলেন সর্বোত্তম চরিত্রের অধিকারী। রাসূল সা.-এর ভালোবাসা ঈমান পরিপূর্ণতার পূর্বশর্ত। নবীজির আনুগত্য, অনুকরণ ও অনুসরণই ভালোবাসার প্রমাণ। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা যদি আমার ভালোবাসা পেতে চাও, তবে আমার নবীর অনুসরণ করো, তবেই আল্লাহ তোমাদের ভালোবাসবেন ও পাপরাশি ক্ষমা করবেন।’ (আল কুরআন, ৩:৩১)। নবীজি সা. বলেন, ‘তোমাদের কারও ঈমান পূর্ণ হবে না যদি সে আমাকে তার পিতা, সন্তান ও সব মানুষ অপেক্ষা বেশি ভালো না বাসে।” (বুখারী) তিনি আরও বলেন, ‘তোমাদের কারও ঈমান পূর্ণতা পাবে না, যতক্ষণ না তার স্বভাব-চরিত্র ও আচার-আচরণ আমার আনীত আদর্শের অনুগামী হবে।” (মুসলিম) ‘যে আমার সুন্নত আদর্শ অনুসরণ করে, সে-ই প্রকৃত আমাকে ভালোবাসে, আর যে আমাকে ভালোবাসবে, সে আমার সঙ্গেই জান্নাতে থাকবে।” (তিরমিজি) তা ছাড়া তাঁকে তো আদম সন্তানদের জন্য আদর্শ হিসেবেও পাঠানো হয়েছে। আদর্শ কী? আদর্শ হলো তাই, যা অনুকরণযোগ্য ও অনুসরণযোগ্য। এই যে একদিকে ভালোবাসার দাবি, অপরদিকে অনুকরণযোগ্য একমাত্র আদর্শ এগুলো যদি পালন বা বাস্তবায়ন না করি, তাহলে আমাদের মুসলমানিত্বের দাবি কি মিথ্যে হয়ে যায় না?

সাহাবায়ে কেরামরা তাদের ঈমানের দাবি আদায়ে তো প্রতিযোগিতায় লেগে যেতেন কে কার চেয়ে বেশি ভালবাসেন নবীজি সা.-কে। নবীজি সা.-এর জন্য নিজেদের জান-মাল কোরবানি দিতে সদা প্রস্তুত থাকতেন তাঁরা। সেই ভালোবাসায় কোনো কপটতা বা কৃপণতা ছিলো না। যুদ্ধের ময়দানে হোক, কিংবা যেখানেই হোক, নবীজি সা.-এর জীবনের ওপর কোন হুমকি এসেছে, তাঁরা জান দিয়ে সেই হুমকির মোকাবেলা করেছেন, কোনো কাফের কবি সরদারে কায়েনাতের সা. বিরুদ্ধে কটূক্তি করে কবিতা লিখেছে, সাহাবা কবি যারা ছিলেন, তারা তার জবাবে এমন কবিতা লিখেছেন, যার প্রতিটি শব্দ শর হয়ে শত্রুর শির ও শরীরে তীব্রভাবে আঘাত হেনেছে। অর্থাৎ কী শারীরিক আক্রমণ, কী শব্দের আক্রমণ, উভয় ক্ষেত্রে তাঁরা নবীজি সা.-এর নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চে স্থান দিয়েছেন। এককথায় নবীজির সা. নিরাপত্তার ব্যাপারে তাঁরা ছিলেন নির্ভীক ও আপোষহীন।

কিন্তু আফসোসের বিষয় বর্তমানে কিছু মুসলমান নামধারী তো এমন আছে, যাদের রাসূলপ্রেম রবিউল আউয়াল মাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ, আওলাদে রাসূলপ্রেম মহররম মাসে মাতমের মধ্যে সীমাবদ্ধ। এতে কারো লাভ হোক বা না হোক, একশ্রেণির মৌলভীর পেট ও পকেট ভরে ও ভারী হয়ে যায়। কবি নজরুল তাঁর কবিতায় এদেরকে ‘খোদার খাসি’ বলে ব্যঙ্গ করেছেন। এদের গুরুত্ব গরুর গোশত পর্যন্ত, এদের ত্যাগ বাথরুম পর্যন্ত, এদের ভালোবাসা সেই পেট ও পকেটের মধ্যে সীমাবদ্ধ। কিন্তু প্রকৃত রাসূল প্রেমের বা প্রমাণের প্রশ্ন বা প্রসঙ্গ যখন আসে, যেমন কেউ রাসূলুল্লাহ সা.-কে নিয়ে কটূক্তি করলো, তার প্রতিবাদ করতে হবে, প্রতিবাদ না করলে ঈমানের বা ভালোবাসার দাবি ভুয়া বলে প্রমাণিত হবে, তখন সেই মৌসুমি মওলানাদেরকে বাটি চালা দিয়েও পাওয়া যায় না। এটা কি রাসূলপ্রেম, নাকি প্রেমের নামে প্রহসন বা প্রতারণা?

কিছু বুদ্ধিজীবী আছে, যারা নিজেদেরকে মুসলিম বলে পরিচয় প্রদান করলেও কাজেকর্মে উল্টোটাকেই উৎসাহিত করে। মুসলিম পরিচয়টা রাখে দোযখের ভয়ে নয়, বেহেশত লাভের লোভে। যদি বেহেশত থেকে থাকে, বিশ্বাস না করলে তো বঞ্চিত হতে হবে তা থেকে এ ধরনের একটা সন্দেহের বাতিকে সারাক্ষণ ভোগে তারা। অর্থাৎ দুনিয়াও ছাড়বে না, আবার বেহেশতের লালসাও লালন করবে। মোনাফেকি আর কাকে বলে! তারা আবার নিজেদেরকে খুব বেশি চালাক মনে করে। তারা চালাক বটে, কিন্তু কাউয়া-চালাক বলে যে একটি কথা চালু আছে সে রকম। কাক কোনো কিছু লুকাবার আগে চোখ বন্ধ করে লুকায়, মনে করে কেউ দেখছে না।

কিন্তু বাস্তবে সবাই দেখে। কথায়ও তো আছে, অন্ধ হলে তো প্রলয় বন্ধ থাকে না। আর কাকের কারবারও ময়লা নিয়ে এবং খেতেও খায় ময়লা। এই বুদ্ধিজীবীদের অবস্থাও তথৈবচ! মুসলিম পরিচয়কে ছাড়তেও চায় না, আবার সেই পরিচয়ের পক্ষে কথা বলতে, কলম ধরতেও চায় না। প্রগতিশীলতার ভান ধরে আল্লাহকে বলে ঈশ্বর, প্রকৃতি ইত্যাদি। নবীজি সা.-এর নাম নিতে তাদের শরম লাগে! এই মোনাফেকদের বলি, যদি শরমই লাগে, মুসলমান পরিচয়টা পরিত্যাগ করলেই তো হয়! কারণ নবীজি সা.ই তো ইসলাম, ইসলামই তো নবীজি সা.। মঞ্জিলে মকসদে পৌঁছার পথ একটাই, সেটা হলো নবীজি সা.-এর প্রদর্শিত পথ সিরাতিম মুস্তাকিম। তাঁকে বাদ দিয়ে যে পথ, সেই পথ ভ্রান্তির, চির অশান্তির। সেই পথ চির অভিশপ্ত শয়তানের।

কিছু কিছু মুসলিম বুদ্ধিজীবী আছে, দুনিয়ার সবকিছুর ব্যাপারে দারাজ দিল হলেও নবীজি সা.-এর প্রসঙ্গ বা কথা এলে তাদের মুখে যেন কেউ কুলুপ এঁটেছে এমন অবস্থা হয় এবং তাদের কলম আশ্চর্যজনকভাবে কৃপণ হয়ে যায়। এই ধরুন মাঝে মাঝে কিছু কুলাঙ্গার দেশে কিংবা দেশের বাহিরে নবীজি সা.-কে কটূক্তি করে যখন কিছু লেখে, এবং তার প্রতিবাদে সারা দেশ ওঠে জেগে, তখন এই মুসলিম পরিচয়ধারী বুদ্ধিজীবীরা থাকেন নরম নীরব। যেন কিছুই হয়নি, কিছুই জানেন না তারা ভাজা মাছটি উল্টিয়ে খেতেও যেন জানেন না। নবীজির পক্ষে প্রতিবাদ করা দূরে থাক, টুঁ শব্দটিও করেন না। কিন্তু রুশদি বা তসলিমার প্রসঙ্গ এলে তখন তাদের মুখে খই ফোটে! তারা একেকজন হয়ে যান মহাপণ্ডিত। এদের কাজকর্ম দেখে এদেরকে বাদুড়-বুদ্ধিজীবী বলাই বেহতর। বাদুড়কে দেখবেন, দিনের আলোকে তারা দুশমন ভাবে, রাতের আঁধারেই তাদের যত আনন্দ; গাছের ডালে যখন ঝুলে থাকে, তখন পা থাকে ওপর দিকে, আর মাথা থাকে নিচের দিকে; সবচেয়ে অবাক হওয়ার কথা, যেটাই মুখ তার, সেটাই আবার মলধার। এসব তথাকথিত বুদ্ধিজীবীদের মুখ ও মলধার অভিন্ন, এরা আলোতে মুখ লুকায়, অন্ধকারে লাফায়।

হে তথাকথিত মুসলমান নামধারী শোনো, “যে তুমি আজ আল্লাহ ও তাঁর হাবিবের সা. পক্ষাবলম্বন করতে পিছপা হচ্ছো, আল্লাহ ও তাঁর হাবিব সা.-এর কটূক্তিকারীদের বিরুদ্ধে কথা বলতে ও কলম ধরতে কৃপণতার পরিচয় দিচ্ছ, সেই তুমি কিভাবে আখেরাতের কঠিন কষ্টের দিনে আল্লাহর অনুগ্রহ এবং রাসূলের সা. শাফায়াত আশা কর? মনে রেখ, তোমার এই লজ্জা সেদিন তোমাকে মহা লজ্জায় ফেলবে, তোমার এই কৃপণতা ও কপটতা সেদিন তোমার জন্য কঠিন কষ্ট ও দুঃখের কারণ হয়ে দাঁড়াবে। যে তুমি আজ নবীজির সা. পক্ষে কথা বলতে পিছপা হচ্ছো, সেই তোমাকে শাফায়াত তো দূরের কথা, উম্মত হিসেবে তোমার পরিচয় দিতে নবীজি সা. ও লজ্জাবোধ করবেন।”
রাসূলুল্লাহ সা.-এর অপমানকে যে মনে করে না নিজের অপমান, সে কিসের মুসলমান? কবি নজরুল তাদের পরিচয় দিতে গিয়ে লিখেছেন,
রাসূলের অপমানে যদি
না কাঁদে তোর মন,
মুসলমান না মুনাফিক তুই
রাসূলের দুশমন।
আল্লাহর জন্য ভালোবাসা ঈমান পরিপূর্ণতার লক্ষণ। আর আল্লাহকে ভালোবাসার জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুসরণ করতে হবে। ইরশাদ হয়েছে, “যদি তোমরা আল্লাহকে ভালোবাসো, তবে আমার নবীর অনুসরণ করো; তাহলে আল্লাহ তোমাদের ভালোবাসবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ মার্জনা করবেন।” (আল কুরআন-৩:৩১)
মুমিন ব্যক্তি মূলত আল্লাহকেই ভালোবাসে। মানুষের ভালোবাসাও যদি হয় আল্লাহর জন্য তখন স্বয়ং আল্লাহ তাকে ভালোবাসেন। হাদিসে এসেছে, “এক ব্যক্তি তার মুসলিম ভাইয়ের সাক্ষাতের জন্য ঘর থেকে রওনা হলো। পথিমধ্যে আল্লাহ এক ফেরেশতাকে মানুষের বেশে পাঠালেন। ফেরেশতা জিজ্ঞেস করলেন, ‘তুমি কোথায় যাচ্ছ? সে উত্তর দিলো, এই গ্রামে আমার এক ভাই থাকেন। তাকে দেখতে যাচ্ছি। ফেরেশতা জিজ্ঞেস করলেন, ‘তোমার প্রতি কি তার কোনো অনুগ্রহ রয়েছে, যার বিনিময় দেয়ার জন্য যাচ্ছ? সে বলল, না। আমি যাচ্ছি এই জন্য যে, আমি তাকে আল্লাহর জন্য ভালোবাসি। ফেরেশতা বললেন, তাহলে শোন, আমি তোমার নিকট আল্লাহর দূত হিসেবে এসেছি এ কথা জানানোর জন্য যে, আল্লাহ তোমাকে ভালোবাসেন; যেমন তুমি তাকে আল্লাহর জন্য ভালোবাস।” (মুসলিম)

রাসূলুল্লাহ সা. হলেন সারা সৃষ্টি জগতের জন্য সূর্যস্বরূপ। অন্ধকার যতই সূর্যের বদনাম করুক, সূর্য ঠিকই আলোর পয়গাম ছড়াবে আর এই আলোতে দূরীভূত হবে সকল অন্ধকার। রাসূলুল্লাহ সা. হলেন এমন এক পবিত্র ও পরিষ্কার আয়না বা দর্পণ, যার চিন্তা চরিত্র ও চেহারা যেমন, সেখানে হবে ঠিক তারই তেমন প্রতিফলন। যে ঈমানের দৃষ্টি দিয়ে সেই দর্পণে দৃষ্টি দেবে, সে তারই প্রতিফলন সেখানে প্রত্যক্ষ করবে; যে নিজে শয়তান, সে তার শয়তানি রূপেরই প্রতিফলন প্রত্যক্ষ করবে।
লেখক : শিক্ষার্থী ও সহকারী গবেষক, বুয়েট

SHARE

Leave a Reply