রোহিঙ্গা মুসলমানদের ফাঁদে ফেলতে এবার নতুন কৌশল -মো: কামরুজ্জামান (বাবলু)

রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান যে কখনোই আন্তর্জাতিক মহল করবে না তা এরই মধ্যে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটসহ নানা যুক্তি দিয়ে তুলে ধরার যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি। জাতিসংঘ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বড় বড় আন্তর্জাতিক সংগঠন কিংবা বিশ্বমোড়লের অবস্থানে থাকা আমেরিকা ও ব্রিটেনের মতো দেশও এ ব্যাপারে যে কোন ভূমিকা রাখবে না এটাই ঐতিহাসিক বাস্তবতা। এমনকি পাশের ভারত কিংবা চীন ও রাশিয়াসহ এশিয়ার কোন অমুসলিম দেশও রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিরুদ্ধে চালানো গণহত্যা ও লোমহর্ষক নির্যাতনের বিচারে কখনোই যে সোচ্চার হবে না তাও এক নির্মম সত্য। আজ হোক আর কাল হোক মুসলিম বিশ্বকে এটা বুঝতেই হবে যদি নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে হয় এবং অসহায় রোহিঙ্গা মুসলমানসহ বিশ্বের নানা প্রান্তে নির্যাতিত ও নিষ্পেষিত মুসলমানদের রক্ষা করতে হয়। ইসলাম ও মুসলমানদের চিরতরে নিশ্চিহ্ন করতে একের পর এক যেই গভীর চক্রান্তে ইসলামবিদ্বেষী শক্তি মেতে উঠেছে তা বোঝা যায় অসহায় রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিরুদ্ধে নতুন নতুন ষড়যন্ত্রের ভয়াবহতা দেখে।
বিষয়টি পরিষ্কার করতে সবার সামনে বিবিসি বাংলায় গত ১৭ অক্টোবর (২০১৭) প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। প্রতিবেদনটির শিরোনাম ছিল “মিয়ানমার থেকে আসা একদল হিন্দু রোহিঙ্গা বলছেন সেনাবাহিনী নয় মুসলমানরাই তাদের ওপরে নির্যাতন চালিয়েছে।” প্রতিবেদনের খানিকটা হুবহু নিম্নে তুলে ধরা হলো :
“হিন্দু রোহিঙ্গারা এতদিন তাদের উপর হামলাকারী হিসেবে একদল ‘মুখ ঢাকা কালো পোশাকধারী’ এবং ‘বাংলা ভাষাভাষী’র বর্ণনা দিয়ে আসছিলেন, যাদেরকে তারা চেনেন না বলে জানিয়েছিলেন। তারও আগে তারা বলেছিলেন, তারা মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নির্যাতনের কারণে মুসলমানদের সাথে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছেন। কিন্তু মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে যে কয়েকশো হিন্দু রোহিঙ্গা এসেছে তাদের কেউ কেউ এখন তাদের ওপর নির্যাতনকারী হিসেবে সরাসরি রোহিঙ্গা মুসলমানদের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলছেন।
উখিয়ার হিন্দু রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরটির একাধিক বাসিন্দা আমাকে বললেন, তাদের উপর হামলাকারী ‘কালো পোশাকধারীরা’ ছিল মুসলমান। এদের সাথে দেখা করবার জন্য আমি গিয়েছিলাম উখিয়ার কুতুপালং পশ্চিমপাড়ায়। এখানে ১০৮টি পরিবারের ৪৪০ জন হিন্দু রোহিঙ্গা বসবাস করছেন। জায়গাটা পাহাড়ি নয়, সমতল। স্থানীয় এক হিন্দু পরিবারের বাড়ির উঠোন। পাশে আরো কয়েকঘর হিন্দু আছে। অধিকাংশ হিন্দু রোহিঙ্গা শরণার্থীর আশ্রয় হয়েছে একটি পরিত্যক্ত মুরগির খামারে। অনেকটা হলঘরের মতো। সবাই এক ছাদের নিচে। তুলনামূলক ভালোই আছে এরা। পাশেই শামিয়ানা টাঙিয়ে রান্না হচ্ছে। এদের সবাইকে ভারতীয় একটি সংগঠনের সৌজন্যে তিন বেলা ভাত রেঁধে খাওয়ানো হচ্ছে।
এখানে আমার এক মহিলার সাথে কথা হয়, যিনি আমাকে বলেন, ‘আমাদেরকে মুসলমান কালো পোশাকধারীরা সাত দিন ধরে বন্দী করে রেখেছিল। সাত দিন ধরে বের হতে দেয়নি। মোবাইলে কথা বলতে দেয়নি। এমনকি ওষুধ কিনতেও যেতে দেয়নি। তারপর এক পর্যায়ে সুযোগ পেয়ে পালাই। পালিয়ে বহু কষ্টে বাংলাদেশে আসি’। মহিলাটির নামটি প্রকাশ না করবার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমি। এই শিবিরের অন্তত কুড়ি জন নারী পুরুষ ও কিশোর কিশোরীর সাথে কথা বলেছি আমি, অনেকেই আমাকে সাক্ষাৎকার দিতে রাজি হননি। কিন্তু যারা সাক্ষাৎকার দিয়েছেন, সবাই একই ভাষায় কথা বলেছেন, সবার কাছেই একই রকম কালো পোশাকধারী হামলাকারীর বর্ণনা পাওয়া গেছে।”
বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনের যতটুকু উপরে উল্লেখ করা হলো তার কয়েকটি দিক এবার একটু তুলে ধরতে চাই। প্রতিবেদনেই বলা হচ্ছে যে এদের সবাইকে ভারতীয় একটি সংগঠনের সৌজন্যে তিন বেলা ভাত রেঁধে খাওয়ানো হচ্ছে। আর আমরা সবাই জানি রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভারতের অবস্থান কতটা ন্যক্কারজনক। এমনকি ভারতে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের পর্যন্ত বাংলাদেশে পুশইন করা হচ্ছে যা নিয়ে এরই মধ্যে গণমাধ্যমে বেশ কিছু প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে। এমনকি ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে পাহারা জোরদার করারও খবর এরই মধ্যে গণমাধ্যমে উঠে এসেছে। আর এমনই প্রেক্ষাপটে ভারতের সহায়তায় বাংলাদেশে অবস্থানকারী কিছু হিন্দু রোহিঙ্গার হঠাৎ এমন ভোল পাল্টানোর মধ্যে যে গভীর চক্রান্ত রয়েছে তাতে কোনো সন্দেহের অবকাশ নেই।
সারা বিশ্ব যেখানে স্যাটেলাইট ইমেজসহ নানা উপায়ে গণমাধ্যমের নিকটে আসা ভিডিও ফুটেজে দেখেছে কিভাবে মিয়ানমার সেনা ও চরমপন্থী বৌদ্ধরা রাখাইনে গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দিয়েছে, জীবন্ত মানুষকে পুড়িয়ে মারছে এবং নারী-পুরুষ-শিশু-বৃদ্ধাসহ লাখ লাখ রোহিঙ্গা মুসলমান ভিটেমাটি ছেড়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হচ্ছেন। আর তাদের সঙ্গেই একসাথে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়ে এতদিন পরে হঠাৎ করে ভারতের দেয়া খাবার খেয়ে ভোল পাল্টে ফেলেছেন কতিপয় হিন্দু রোহিঙ্গা। অথচ বাংলাদেশে প্রবেশ করে প্রথমে তারাও বর্ণনা দিয়েছিলেন কিভাবে মিয়ানমার সেনা ও সন্ত্রাসী বৌদ্ধরা রাখাইনে নিপীড়ন চালাচ্ছে। কিন্তু এতদিন পরে সবাই প্রায় একই টোনে নতুন গল্প বলা শুরু করেছেন। তাদেরকে যে এসব কথা শিখিয়ে দেয়া হয়েছে তা যে কারো বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। অর্থাৎ এই গুটিকয়েক হিন্দুকে দিয়ে এখন অসহায় রোহিঙ্গা মুসলমানদেরকে যে কোনোভাবেই সন্ত্রাসী সাজানোর ভারতীয় ও মুসলিমবিদ্বেষী শক্তির নীলনকশা বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে।
বিবিসির প্রতিবেদনটির দিকে একটু গভীরভাবে নজর দিলেও বিষয়টি উপলব্ধি করা যায়। প্রতিবেদনের আরো খানিকটা হুবহু তুলে ধরছি :
“রোহিঙ্গা মুসলমানদের প্রতি খুবই রেগে আছে রোহিঙ্গা হিন্দুরা। যেমনটি ববিতা শীল নামে এক মহিলা বলেন, ‘তারা কালো পোশাক পরা। শুধু চোখ দেখা যায়। সবাই কালো নেকাব পরা। আমাদেরকে মেরে ফেলবে বলে হুমকি দেয়। ঘিরে রাখে। বাজার করতে দেয় না। বাইরে গেলে ধমকায়’। কিন্তু এই হিন্দু রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বাংলাদেশে আসবার খবর প্রথম যেদিন বিবিসিতে প্রচার হয়েছিল, সেদিন তাদের বক্তব্যের বরাত দিয়ে বলা হয়েছিল যে, তাদেরকে মিযানমারের সেনাবাহিনী অত্যাচার নির্যাতন করেছে, তাই তারা মুসলমানদের সঙ্গে পালিয়ে এসেছে। পরবর্তীতে তাদের এই বর্ণনা বদলে যায়। এরই এক পর্যায়ে আশ্রয় নেয়া সাতাশ জন হিন্দু দুর্গাপূজা দেখার নাম করে চলে যায়। পরে মিয়ানমার থেকে খবর বের হয় যে, তারা মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর সহায়তায় সেদেশে ফিরে গেছে। মুসলমান রোহিঙ্গারা তাদেরকে জোর করে বাংলাদেশে নিয়ে এসেছিল, এই বক্তব্যও তারা দিয়েছে বলে খবর বের হয়।”
বিষয়টি দিবালোকের মতো পরিষ্কার এসব হিন্দুদের সুপরিকল্পিতভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। কারণ বিশ্বের সমস্ত প্রভাবশালী গণমাধ্যমে দিনের পর দিন প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা গেছে চলতি (২০১৭) সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমার সেনাদের হত্যাযজ্ঞ শুরুর পর থেকে কিভাবে লাখ লাখ রোহিঙ্গা মুসলমান রাখাইন প্রদেশ থেকে নদী, পাহাড়, জঙ্গল পেরিয়ে বাংলাদেশে এসেছেন। ছোট ছোট শিশুরা কাঁধে আরেক শিশু নিয়ে দিনের পর দিন হেঁটেছে, শত বছরের বৃদ্ধদের কাঁধে নিয়ে এসেছেন স্বজনরা, নৌকায় আসতে গিয়ে নৌকাডুবিতে অনেকে মারা গেছেন, অসংখ্য রোহিঙ্গা মিয়ানমার সেনাদের গুলিতে আহত হয়ে এসেছেন। এভাবে পালিয়ে আসতে গিয়ে হাজার হাজার শিশু তাদের পিতা-মাতা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে, নৌকায় কিংবা বনে জঙ্গলে অনেক গর্ভবতী নারী সন্তান প্রসব করেছেন, স্বজন হারানোর বেদনায় কান্নারত রোহিঙ্গাদের আর্ত-চিৎকারে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে গেছে। সেখানে হিন্দুদের জোর করে মুসলমানরা বাংলাদেশে নিয়ে এসেছেন বলে যে আষাঢ়ে গল্প মিয়ানমারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে তা কারো কাছেই বিশ্বাসযোগ্য নয়। তা ছাড়া এভাবে গুলির মুখে বন-জঙ্গল-পাহাড়-নদী পেরিয়ে একাধারে কয়েকদিন পায়ে হেঁটে বাংলাদেশে এসেছেন রোহিঙ্গা হিন্দুরা এবং দুর্গাপূজার নাম করে আবার চলে গেছেন- মিয়ানমারের পক্ষ থেকে সাজানো এমন আজগুবি ও গাঁজাখুরি গল্পকে বড়জোর পাগলের প্রলাপ ছাড়া আর কোন উপাধিতে ভূষিত করা যায় না। আর এতদিন পরে হিন্দু রোহিঙ্গারা যে নতুন গল্প বলছেন যেটা যে শেখানো বুলি তা ন্যূনতম বুদ্ধিসম্পন্ন যে কেউ বুঝতে পারবেন।
বিবিসির প্রতিবেদনের একেবারে শেষের দিকে বলা হয়েছে: “রাখাইনে মুসলমানদের সাথে দীর্ঘদিন ধরেই শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছিল ওই এলাকার জনসংখ্যার মোটে ১% এই হিন্দুরা। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, রোহিঙ্গা মুসলমানদের প্রতি খুবই রেগে আছে রোহিঙ্গা হিন্দুরা। যদিও তারা বাংলাদেশে আসবার সময় একসঙ্গে এসেছে এবং তা এখনও অস্বীকার করছে না। কিন্তু এখন আর তারা সহাবস্থানে রাজি নয়। বলরাম শীল নামে একজন বলছিলেন, ‘আমরা মুসলমানদের শিবিরে থাকবো না। প্রয়োজনে আমাদেরকে মেরে ফেলুন। তাও ওদের মধ্যে থাকবো না’। অবশ্য বাংলাদেশের মুসলমানদের ভূয়সী প্রশংসা করলেন বলরাম শীল। বললেন, ‘তারা আমাদের আশ্রয় দিচ্ছে, খাদ্য দিচ্ছে। তারা ভালো’।”
ইতিহাস সচেতন সবারই জানা, মুসলমানদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র তত্ত্ব ব্যবহারের ইতিহাস হাজার বছরের পুরনো। মুসলমানদেরকে সন্ত্রাসী হিসেবে আখ্যায়িত করার জন্য হেন কোন পন্থা নেই যা ইসলামবিদ্বেষী ইহুদি-খ্রিস্টান-হিন্দু-বৌদ্ধ ও নাস্তিক চক্র প্রয়োগ করছে না। গণবিধ্বংসী অস্ত্র মজুদের সম্পূর্ণ বানোয়াট তথ্য দিয়ে ইরাকে সাদ্দামকে ক্ষমতাচ্যুত করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মারা হলো, লাখ লাখ ইরাকিকে হত্যা করলো ইঙ্গ-মার্কিন জোট অথচ তারা সন্ত্রাসী হলো না! আফগানিস্তানে আল-কায়দা দমনের নামে লাখ লাখ নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করা হলো, ফিলিস্তিনি হত্যাযজ্ঞ চলছে, কাশ্মিরে গণহত্যা চলছে এবং সবশেষ মিয়ানমারে যে নির্মম গণহত্যা ও জাতিগত নিধনযজ্ঞ চালানো হলো তা প্রত্যক্ষ করলো সারা বিশ্ব। অথচ এসব হত্যাকারীদের কাউকে সন্ত্রাসী বলা হচ্ছে না! এখন সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলমানদেরই সন্ত্রাসী বানানোর জন্য জঘন্য মিথ্যাচার ও শঠতাপূর্ণ একের পর এক চাল চালতে শুরু করেছে ইসলামবিদ্বেষী শক্তি।
মানুষকে বোকা বানানোর কী অভিনব কায়দা। রাখাইনে মিয়ানমার সেনা ও বৌদ্ধদের অত্যাচারে টিকতে না পেরে একসাথে বাংলাদেশে এসে এতদিন পরে হঠাৎ করে উদ্বাস্তু থাকাকালে কী এমন হলো যে এখন মুসলমানদের সাথে থাকাই যাবে না? প্রয়োজনে মেরে ফেলা হোক! কিন্তু কী কারণে? কোন সদুত্তর না দিতে পেরে হঠাৎ করে অভিযোগ করা হচ্ছে মিয়ানমারে তাদের ওপর অত্যাচারকারীরাই রোহিঙ্গা মুসলমান। আবার তাদের মধ্য থেকে ২৭ জন ফেরতও চলে গেলেন এবং খুনি মিয়ানমার সেনারা তাদের সাদরে গ্রহণও করলেন। মিথ্যাচারের একটা সীমা থাকা দরকার।
একটু খেয়াল করুন, একদিকে রোহিঙ্গা মুসলমানদের সন্ত্রাসী বলা হচ্ছে, অপরদিকে বাংলাদেশের মুসলমানদের ভালো বলা হচ্ছে, প্রশংসা করা হচ্ছে। অর্থাৎ অসহায় রোহিঙ্গা মুসলমান ও তাদেরকে ভাই হিসেবে বুকে জড়িয়ে আশ্রয় দেয়া বাংলাদেশী মুসলমানদের মধ্যে সম্পর্কের ফাটল ধরানোর জন্য ইহুদিবাদী সূক্ষ্ম চাল চালানো হচ্ছে রোহিঙ্গা হিন্দুদের দিয়ে। মূল কথা হলো এখন যে কোন মূল্যে রোহিঙ্গা মুসলমানদের সন্ত্রাসী বানাতে হবে এবং বাংলাদেশের মুসলমানদের সাথে রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিরোধ সৃষ্টি করতে হবে। আর সে লক্ষ্যেই এখন থেকে যে একের পর এক নতুন নতুন ঘটনার সৃষ্টি করা হবে এবং তাতে একযোগে সায় দিবে ইসলাম ও মুসলমানবিরোধী সমস্ত শক্তি তা এ ঘটনার মধ্য দিয়ে পরিষ্কার হয়ে গেছে। এমন বাস্তবতায় মুসলমানরা কবে জেগে উঠবে, একযোগে নিজেদের অধিকার আদায় ও অসহায় মানবতার সেবায় কাজ করবে সেই অপেক্ষাতেই চাতক পাখির মতো প্রহর গুনছেন বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা লাখো কোটি মজলুম মুসলিম। হ
লেখক : সাংবাদিক

SHARE

Leave a Reply