রোহিঙ্গা সঙ্কটের শেষ কোথায়? -মো: কামরুজ্জামান (বাবলু)

অত্যন্ত জনপ্রিয় রোহিঙ্গা নেতা মো: মুহিবুল্লাহকে কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গুলি করে হত্যা করে অস্ত্রধারী কয়েকজন সন্ত্রাসী। গত ২৯ শে সেপ্টেম্বর রাতে এশার নামাজ শেষ করে তিনি যখন উখিয়া কুতুপালং লম্বাশিয়া ক্যাম্পের ভেতরে অবস্থিত রোহিঙ্গাদের অধিকার আদায়ে তারই গড়ে তোলা সংগঠনের অফিসে বসে অন্যান্য সহযোগীদের সাথে নানা বিষয় নিয়ে কথা বলছিলেন তখনই হঠাৎ কয়েকজন অস্ত্রধারী দুর্বৃৃত্ত তার ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে তাকে হত্যা করে। ‘আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস’-এর চেয়ারম্যান মুহিবুল্লাহ হত্যার ঘটনা পুরো রোহিঙ্গা শিবিরে নতুন করে বাড়িয়ে দিয়েছে আতঙ্ক ও উদ্বেগ। এই ঘটনার এক মাস পার না হতেই ক্যাম্পে অবস্থিত এক মাদরাসার ছয় রোহিঙ্গাকে গুলি ও জবাই করে হত্যা করা হয় ভোররাতে। সবাই যেন বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেছেন। কিছুটা নড়েচড়ে বসে আন্তর্জাতিক মহল। কিন্তু কতটা আশাবাদী হওয়া যায়? রোহিঙ্গা সঙ্কটের শেষ কোথায়? বিশ^মোড়লরা কী করছেন? মুসলিমবিশ্বই বা কতটা ভূমিকা পালন করতে পারছে অসহায় রোহিঙ্গা মুসলিমদের সুরক্ষায়?

এবার আসা যাক প্রথম প্রশ্নে- মুহিবুল্লাহ হত্যার ঘটনায় যে সরব ভূমিকায় আন্তর্জাতিক মহলকে দেখা গেছে এবং বিশ^গণমাধ্যমে যেভাবে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা হয়েছে তাতে আসলে রোহিঙ্গাদের কী লাভ হলো? আশ্রয়দাতা দেশ বাংলাদেশ ওই ঘটনার পর পরই রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও তার আশপাশে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে আশ^স্ত করা হয়েছে যে খুনিদের খুঁজে বের করা হবে এবং তাদেরকে কঠোর বিচারের মুখোমুখি করা হবে। শুরু হয়েছে অভিযান। এরই মধ্যে কয়েকজনকে আটকও করা হয়েছে। হয়তো কিছু দিন বিষয়টি আলোচনায় থাকবে, এরপর হাজারো ঘটনার আড়ালে এটি চাপা পড়ে যাবে। মানুষও আস্তে আস্তে ভুলে যাবে মুহিবুল্লাহ নামে কোনো এক রোহিঙ্গা নেতা ছিল যে শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবাসন ও রোহিঙ্গাদের অধিকার নিয়ে আমৃত্যু সংগ্রাম করেছিলেন।

কিন্তু আদতে রোহিঙ্গাদের কোনো লাভ এতে হবে না। কক্সবাজারের সেই ঘিঞ্জি পরিবেশে রাষ্ট্রবিহীন এক উদ্বাস্তু জনগোষ্ঠী হিসেবে তাদের জীবনমানের এতে কোনো পরিবর্তন ঘটবে না। হাজার হাজার শিশু বেড়ে উঠছে যথাযথ শিক্ষা ও স্বাভাবিক জীবনযাপনের অধিকারবঞ্চিত হয়ে। একটি জাতিকে নেতৃত্ব দেয়ার মতো সুশিক্ষিত ও উচ্চশিক্ষিত যে জনগোষ্ঠী দরকার তার ব্যাপক সঙ্কট এরই মধ্যে রোহিঙ্গাদের মাঝে দেখা দিয়েছে। আর অদূর ভবিষ্যতে এটা যে আরো তীব্রতরো হবে তাতে কোনো সন্দেহের অবকাশ নেই। এই অসহায় মুসলিম জনগোষ্ঠীর অধিকার আদায়ে আন্তর্জাতিক নানা ফোরামে মুহিবুল্লাহর মতো কথা বলার লোকও এক সময় রোহিঙ্গাদের মাঝে থাকবে বলে মনে হয় না যদি পরিস্থিতির পরিবর্তন না হয়।

একজন গণমাধ্যমকর্মী হিসেবে মুহিবুল্লাহর সাথে বেশ কয়েকবার টেলিফোনে কথা বলার সুযোগ হয়েছে। অত্যন্ত ভদ্র, মার্জিত ও সাবলীলভাবে ইংরেজিতে কথা বলতে পারতেন তিনি। মনে হয়েছিল রোহিঙ্গাদের অধিকার আদায়ে তিনি ভালো কিছু করে দেখাবেন। কিন্তু এভাবে তাকে হত্যা করা হবে এটা কখনো ভাবিনি। ক্যাম্পের অনেক রোহিঙ্গার সাথে কথা বলে এবং এরই মধ্যে গণমাধ্যমে প্রকাশিত নানা খবরে দেখা যায়, মুহিবুল্লাহ তার ওপর আক্রমণের বিষয়টি আগে থেকেই আঁচ করতে পেরেছিলেন এবং তিনি প্রশাসনের কাছে ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু শেষমেশ নিজেকে রক্ষা করতে পারলেন না।

এবার প্রশ্ন আসতে পারে, বহু বছর ধরে নিজ দেশ মিয়ানমারে গণহত্যা ও জুলুম-নির্যাতনের শিকার রোহিঙ্গারা ব্যাপকভাবে ২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইন রাজ্যে গণহত্যা ও সীমাহীন নির্যাতনের মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে আসার পর তাদের যেখানে ঐক্যবদ্ধভাবে নিজেদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার হওয়ার কথা সেখানে কিভাবে নিজেদের মধ্যে অনৈক্য থাকতে পারে এবং যার শিকার হতে হলো মুহিবুল্লাহর মতো নেতাকে? এখানে সহজ কথায় একটি জবাব হলো- নিজেদের অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে হতাশায় নিমজ্জিত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অসহায়ত্বকে কাজে লাগিয়ে তাদেরকে পথভ্রষ্ট করা এবং এ থেকে ফায়দা লোটার জন্য বহু দেশী-বিদেশী গোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে বলে অনেকেরই বিশ্বাস। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বিষয়টি উপলব্ধি করে গত ৪ই অক্টোবর এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, রোহিঙ্গা সঙ্কট একটা ব্যবসায় পরিণত হয়েছে।

এমনকি নানা সুযোগ-সুবিধার বিনিময়ে রোহিঙ্গাদের খ্রিষ্টান বানানোর জন্য ব্যাপকভাবে কাজ করছে খ্রিস্টান মিশনারিরা যা নিয়ে এরই মধ্যে বেশ কিছু তথ্য গণমাধ্যমে এসেছে। ২০১৮ সালের ২৫শে জানুয়ারি নয়া দিগন্তের বরাত দিয়ে পার্বত্য নিউজে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রোহিঙ্গাদের অসহায়ত্বের সুযোগ ভালোভাবে কাজে লাগাচ্ছে খ্রিষ্টান মিশনারি গ্রুপগুলো। দারিদ্র্য, অশিক্ষা ও মানসিকভাবে বিধ্বস্ত রোহিঙ্গাদের সাহায্যের নামে সহজেই চলছে মিশনারি গ্রুপগুলোর ধর্মান্তরিত করার কাজ। কখনো গোপনে আবার কখনো প্রকাশ্যে খ্রিষ্টান ধর্মে দীক্ষিত করার কাজটি করছে কয়েকটি এনজিও। প্রাথমিক হিসেবে ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর থেকে এ পর্যন্ত মাত্র চার মাসে দুই হাজারের বেশি রোহিঙ্গাকে প্রলুব্ধ করে খ্রিষ্টান বানানো হয়েছে। বেশ কয়েকজন রোহিঙ্গার সাথে আলাপে আমি আরো জানতে পেরেছি যে, আরো বহু রোহিঙ্গাকে এরই মধ্যে খ্রিস্টান বানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, রোহিঙ্গাদের খ্রিষ্টান বানানোর কাজে নেতৃত্ব দিচ্ছে ‘ঈসায়ী চার্চ বাংলাদেশ’ (আইসিবি) নামের একটি সংগঠন। এই সংগঠনের প্রায় ১৫ জন নেতা উখিয়া ও টেকনাফে দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন। নগদ টাকা দেয়া ছাড়াও ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করলে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ পাওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেয়া হচ্ছে রোহিঙ্গাদের। “কক্সবাজার শহরের কয়েকটি অভিজাত হোটেলে তারা অবস্থান করে মুসলমানদের খ্রিষ্টান বানানোর কাজ করে যাচ্ছেন। উখিয়া ও টেকনাফ এলাকায় সরেজমিন অনুসন্ধানে পাওয়া গেছে এমন তথ্য। একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনেও উঠে এসেছে রোহিঙ্গাদের প্রলুব্ধ করে খ্রিষ্টান বানানোর বিবরণ।”

তথ্যমতে, খ্রিষ্টান বানানোর কাজে নিয়োজিত ‘ঈসায়ি চার্চ বাংলাদেশকে’ অর্থায়ন করছে নেদারল্যান্ডস ও আমেরিকাসহ কয়েকটি দেশ। এ সংগঠনটি রোহিঙ্গা মুসলিমদের ধর্ম ত্যাগ করার জন্য প্রলুব্ধ করতে ১১ থেকে ১৫ জন রোহিঙ্গাকে বাছাই করেছে যারা ইতোমধ্যে খ্রিষ্টান হয়ে গেছে। এসব রোহিঙ্গাকে ‘বিশেষ সুবিধার’ পাশাপাশি প্রতি মাসে পাঁচ হাজার টাকা করে দেয়া হয়। তাদের প্রতি মাসে কক্সবাজার শহরের একটি ব্যাপ্টিস্ট চার্চে পাঁচ দিনের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। এই ১৫ জনকে সুপারভাইজ করেন কুতুপালং ব্লক বি-১ এ বসবাসরত জনৈক আবু তাহের (৪২)। ধর্মান্তরিত রোহিঙ্গাদের খ্রিষ্টান নাম দেয়া হলেও কৌশল হিসেবে মুসলিম নাম উচ্চারণ করা হয়ে থাকে। তথ্যমতে, রোহিঙ্গাদের মধ্যে প্রথমে খ্রিষ্টান ধর্ম গ্রহণ করেন মিয়ানমারের মংড়–র হাতিপাড়ার মৃত জালাল আহমদের ছেলে নুরুল ইসলাম ফকির (৫৫)।

তাই এতে কোনো সন্দেহের অবকাশ নেই যে, রোহিঙ্গা মুসলমানদের সঙ্কটকে জিইয়ে রাখবে তথাকথিত বিশ^মোড়লরা যাতে করে এই ব্যবসা যুগ যুগ ধরে টিকে থাকে এবং এই মুসলিম জনগোষ্ঠীকে আরো ব্যাপক হারে ধর্মান্তরিত করা যায়। এজন্য অসহায় জনগোষ্ঠীর অভাব অনটনকে পুঁজি করে তাদের মধ্যে বিরোধ জিইয়ে রাখা হচ্ছে বলেই অনেকের দৃঢ় বিশ্বাস।
আসল সমাধান
রোহিঙ্গা সঙ্কটের প্রকৃত সমাধান হলো তাদেরকে নিজ দেশ মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নাগরিক অধিকারসহ ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া বা প্রত্যাবাসন করা। সেখানে তাদেরকে তাদের প্রকৃত আবাসস্থলে নিরাপত্তার সাথে বসবাস করার সুযোগ দিতে হবে। একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশের নাগরিক হিসেবে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ থেকে শুরু করে সকল মৌলিক মানবিক অধিকার দিতে হবে রোহিঙ্গাদের। আর খুন-ধর্ষণ-লুটপাটসহ বহুবিধ অপকর্মের দায়ে সাব্যস্ত মিয়ানমার সেনাদের জুলুম থেকে রক্ষা করতে একটি যৌক্তিক সময় পর্যন্ত রাখাইন বা আরাকান রাজ্যে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মিশনের সদস্যদের পাঠানো যেতে পারে।

কিন্তু বাস্তবতা হলো- বিশ^মোড়লরা এটা করবে বলে মনে হয় না। তারা কখনোই রোহিঙ্গাদের শান্তিপূর্ণভাবে প্রত্যাবাসন করে সঙ্কটের স্থায়ী সমাধান করবে না। তাহলে এই অঞ্চলকে ঘিরে যে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে তাদের নতুন বিশ^ব্যবস্থা বা ঘবি ডড়ৎষফ ঙৎফবৎ–এর অধীনে সেটা বাধাগ্রস্ত হবে।
পাশাপাশি এটাও অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই- আর তা হলো রোহিঙ্গারা মুসলিম। আজ তারা যদি অন্য কোনো সম্প্রদায়ের লোক হতো আমার দৃঢ় বিশ্বাস তাদের ওপর এমন ন্যক্কারজনক হত্যাযজ্ঞ ও জুলুম চালানোই হতো না। শুধুমাত্র মুসলিম পরিচয়ের কারণেও তাদের বিষয়টিকে হালকা করে দেখছে সভ্যতার নামধারী ইসলামবিদ্বেষী মহল যারা সবসময় মানবতার কথা বললেও মুসলিমদের ক্ষেত্রে একেবারেই ভিন্ন।

২০১৭ সালের শেষের দিকে রোহিঙ্গাদের নিয়ে একটি ভিডিও ডকুমেন্টারি করার জন্য রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করতে গিয়েছিলাম। কক্সবাজার থেকে শুরু করে টেকনাফ ও উখিয়া সব জায়গাতেই অনেক দৌড়ঝাঁপ করেছিলাম। এক পর্যায় টেকনাফ থেকে নৌকা যোগে হাজির হয়েছিলাম শাহপরীর দ্বীপে। নয়নাভিরাম সেই শাহপরীর দ্বীপের নাফ নদীর কুলঘেঁষে কাঁচা-পাকা রাস্তা ধরে সামনের দিকে অগ্রসর হলে যে কারো মন ভালো হয়ে যাবে। একদিকে সবুজ ফলসি মাঠ, আরেক দিকে নাফ নদীর সৌন্দর্য যে কাউকে মুগ্ধ করবে।

একটি ছোট টেম্পো ভাড়া করে আমি, আর আমার ক্যামেরাপার্সন নাফ নদীর পাশের সেই রাস্তা দিয়ে অগ্রসর হচ্ছিলাম। হঠাৎ দেখলাম নদীর পাড়ে আনমনে নদীর অপর প্রান্তে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন কয়েকজন। কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করতেই জানতে পারলাম তারা রোহিঙ্গা। কেন এভাবে নদীর পাড়ে বসে আছেন জানতে চাইলে তারা হাত দিয়ে নদীর অপর প্রান্তে রাখাইন রাজ্যের দিকে ইঙ্গিত করে বললেন এখনো তাদের অনেক আত্মীয় স্বজন রাখাইনে। তারা অপেক্ষা করছেন হয়তোবা তাদের যে কেউ যে কোনো সময় নদী পার হয়ে এপারে আসবেন। কিভাবে, জীবন্ত রোহিঙ্গাদেরকে জ্বলন্ত আগুনে পুড়িয়ে মারা হয়েছে, নারীদেরকে প্রকাশ্যে গণধর্ষণ শেষে আগুনে পুড়িয়ে মারা হয়, এমনকি ছোট ছোট শিশুদেরকে যে নিষ্ঠুরতার সাথে হত্যা করা হয় তার বর্ণনা দিলেন ওই প্রত্যক্ষদর্শী রোহিঙ্গারা। তারা আরো জানালেন, তাদেরকে হত্যা করার সময় মিয়ানমার সেনারা বলছিল তাদেরকে ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করে তাদের ধর্মে ফিরে যেতে।
যাই হোক, যে কথাটি মূলত বলতে চাই তা হলো- আজ গোটা বিশ^জুড়ে মুসলিমরা যে জুলুমের শিকার তারই ধারাবাহিকতায় রোহিঙ্গাদের ওপরও চলেছে সীমাহীন অত্যাচার।

এ থেকে পরিত্রাণের উপায় কী? আমার কাছে কোনো সহজ উত্তর নেই। এতদিন ধরে এদের নিয়ে কাজ করে এবং নানা ঘটনা পরম্পরা পর্যালোচনা করে যেটি মনে হয় তা হলো- মুসলিম বিশ^কে সত্যিকার অর্থে এগিয়ে আসতে হবে। ঐক্যবদ্ধভাবে, মিয়ানমারের গণহত্যাবিরোধী অবস্থানে যেতে হবে। আর তা হলেই কেবল পশ্চিমাদের পুতুল জাতিসংঘসহ সকলে বাধ্য হবে রোহিঙ্গাদের নাগরিক অধিকারসহ নিরাপত্তা প্রদান করে নিজ দেশ মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে কার্যকর ভূমিকা গ্রহণে। যতদিনে সেটা সম্ভব হবে না, শুধু রোহিঙ্গারাই নয়, পৃথিবীর নানা প্রান্তে জুলুমের শিকার কোটি কোটি মুসলিম পাবেন না মুক্তির দিশা।
লেখক : সাংবাদিক

SHARE

Leave a Reply