ল্যাপটপের যত্ন -সালেহ মো. ফয়সাল

প্রযুক্তির এই যুগে এসে দৈনন্দিন জীবনের নানা কাজে আমরা কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকি। আর সেই কাজগুলো যদি আমাদের বাসার বাইরে বা এমন কোন স্থানে সম্পন্ন করতে হয় যেখানে বিদ্যুৎ নেই, সেক্ষেত্রে ল্যাপটপ খুবই সহায়ক এবং এখন পর্যন্ত বলতে গেলে একমাত্র দিক। অনেকেই হয়তো ট্যাবলেটের কথা বলবেন কিন্তু এখন পর্যন্ত ল্যাপটপের সমপরিমাণ ট্যাবলেট বাজারে আসেনি। তবে ভবিষ্যতে সম্ভবত ট্যাবলেটেও বর্তমানের সব ধরনের কাজই সম্পন্ন করা যাবে। কারণ এখনই বেশ ভালো কনফিগারেশনের ট্যাবলেটও বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
যাই হোক, বহনযোগ্য এই ল্যাপটপ কম্পিউটারের দু’টি প্রকার রয়েছে। একটি হচ্ছে, নোটবুক এবং অপরটি নেটবুক। আমরা আমাদের কাজের ধরনের উপর ভিত্তি করে নোটবুক অথবা নেটবুক কিনে থাকি। আমরা যদি কিছু নিয়ম মেনে যত্ন করে আমাদের ল্যাপটপ ব্যবহার করি তাহলে আমাদের ল্যাপটপটির স্থায়িত্ব স্বাভাবিকের চাইতে বেশি হতে পারে। ভালো থাকতে পারে এর ব্যাটারি লাইফও। চলুন, জেনে নেই প্রিয় এবং প্রয়োজনীয় ল্যাপটপটির যত্ন কিভাবে করতে হবে। এই টিপসগুলোর মাঝে কিছু ইন্টারনাল সিস্টেম জনিত টিপসও আছে যা শুধু মাত্র ল্যাপটপই নয়, আপনার ডেক্সটপের জন্যও প্রযোজ্য।

১.    ল্যাপটপের উপর ভারী কিছু রাখবেন না। যেহেতু, ল্যাপটপের পুরুত্ব খুব বেশি নয় এবং এর উপর প্রান্তে ডিসপ্লে (মনিটর) অংশ থাকে, তাই ভারী কোন কিছু রাখা বা কোন চাপ পড়ার কারণে ল্যাপটপটির ডিসপ্লেতে সমস্যা হতে পারে। এখানে জানিয়ে দেয়া ভালো, প্রযুক্তির বাজারে ডিসপ্লে পরিবর্তন করাটা কিছুটা ব্যয়বহুল ও বিড়ম্বনার বিষয়।

২.    প্রয়োজন শেষে আপনার ল্যাপটপটির লিড নামিয়ে রাখুন। এতে করে অনাকাক্সিক্ষত দুর্ঘটনা থেকে সুরক্ষা পাবে আপনার ল্যাপটপ। এছাড়াও এর ফলে স্ক্রিনে ময়লা বা দাগ পড়বে না।
৩.    অনেক সময় আমরা হাতের উপর ল্যাপটপ রেখে কাজ করি। এক্ষেত্রে ল্যাপটপ এক স্থান থেকে অন্যস্থানে সরানোর সময় কখনোই শুধু ডিসপ্লের (মনিটর) অংশে হাত রেখে সরাবেন না। হাতে রেখে কাজ করার ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করুন, যেন আপনার হাত থেকে ল্যাপটপটি নিচে পড়ে না যায়; যদিও এখন অনেক ল্যাপটপেই ‘ফল প্রোটেকশন’ দেয়া থাকে। তবুও সেই প্রোটেকশনটি খুব কম দূরত্বে থেকে পড়ার ক্ষেত্রেই কাজে আসে। মনে রাখবেন, ইলেকট্রনিকস দ্রব্যাদির গ্যারান্টি অথবা ওয়ারেন্টির ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম-কানুন উল্লেখ থাকে। সেই নিয়মের বাইরে কোনভাবে যদি আপনি আপনার ডিভাইসটি নষ্ট করে ফেলেন, সেক্ষেত্রে ওয়ারেন্টি অথবা গ্যারান্টি কাজ করবে না।
৪.    স্ক্রিন প্রোটেক্টরের সাথে সাথে কিবোর্ড প্রোটেক্টরও ব্যবহার করুন। এতে করে কিবোর্ডের কিগুলোর ফাঁক দিয়ে ধুলো জমবে না। বাজারে ১৫০ টাকার মধ্যে স্ক্রিন প্রোটেক্টর এবং ৭০ থেকে ৮০ টাকার মাঝে কিবোর্ড প্রোটেক্টর পাওয়া যায়। এ ছাড়াও আপনি মাঝে মাঝে মিনি ভ্যাকুয়াম ক্লিনার দিয়েও কিবোর্ড পরিষ্কার করতে পারেন। বাজারে ২৫০ টাকার মাঝে মিনি ইউএসবি ভ্যাকুয়াম-ক্লিনার পাওয়া যায়।
৫.    আমরা অনেকেই বাসার কাজের জন্যও ল্যাপটপ ব্যবহার করি। সেক্ষেত্রে আমরা সাধারণত চার্জার লাগিয়েই ল্যাপটপ ব্যবহার করি। এখানে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখা উচিত তা হচ্ছে, প্রতিটি ল্যাপটপ ম্যানুফ্যাকচারারই তাদের ল্যাপটপের ব্যাটারির সুরক্ষার ক্ষেত্রে কিছু অ্যাপ্লিকেশন সরবরাহ করে থাকে। যেমন-ডেল তাদের ল্যাপটপের সাথে ‘কুইকসেট’ নামের একটি অ্যাপ্লিকেশন সরবরাহ করে থাকে যেখানে কিছু অপশন থাকে। যেমন, কত শতাংশ চার্জ হবার পরে ব্যাটারি আর চার্জ গ্রহণ করবে না ইত্যাদি। কুইকসেটের সব ফিচারই ব্যাটারি রিলেটেড।
আপনিও আপনার ল্যাপটপটির জন্য এরকম অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে ব্যাটারিকে কিছুটা হলেও সুরক্ষিত রাখতে পারেন। আর সপ্তাহে অন্তত ২-৩ বার ব্যাটারিতে ল্যাপটপটি চালাবেন। এতে করে আপনার ল্যাপটপের ব্যাটারি ভালো থাকবে।
৬.    সরাসরি সূর্যের আলো পড়ে অথবা স্বাভাবিকের চাইতে গরম- এমন কোন স্থানে ল্যাপটপ রাখবেন না বা ব্যবহার করবেন না। তবে মাঝে মাঝে ব্যাটারির চার্জ অর্ধেক রেখে সূর্যের আলোতে ব্যাটারি খুলে কিছুক্ষণ রেখে দিলে তা ব্যাটারির জন্য ভালো।
৭.    ল্যাপটপে আপনার প্রয়োজন নেই এমন সফটওয়্যার ইন্সটল করবেন না। দরকার হলে আপনি আপনার হার্ডডিস্কে পরবর্তী সময়ে সফটওয়্যারটির ব্যাকআপ ফাইল রেখে দিতে পারেন।
৮.    মাঝে মাঝেই সিস্টেম ক্লিনার সফটওয়্যার দিয়ে ল্যাপটপ বা কম্পিউটারটির হার্ডডিস্ক স্ক্যান করাবেন। কোন রকম সিস্টেমজনিত ত্রুটি পেলে সিস্টেম কেয়ার অ্যাপ্লিকেশনগুলোই সেগুলো ফিক্স করে দেবে। এক্ষেত্রে টিউন-আপ ইউটিলিটিস, অ্যাডভান্স সিস্টেম কেয়ার ইত্যাদি সফটওয়্যারগুলো বেশ কাজের। এটি মূলত ল্যাপটপ এবং ডেস্কটপ- দুটোর ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
৯.    ভালো মানের অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করুন। ডেস্কটপ এবং ল্যাপটপের সুরক্ষার জন্য ভালো মানের অ্যান্টিভাইরাসের বিকল্প নেই। গত বছর অ্যান্টিভাইরাসের রেটিংয়ে প্রথম তিনটি অ্যান্টি-ভাইরাস ছিল যথাক্রমে ১. বিটডিফেন্ডার, ২. ক্যাসপারস্কি ৩. নরটন অ্যান্টিভাইরাস।
১০.    সরাসরি পোর্টেবল হার্ডডিস্ক থেকে মিডিয়া ফাইল প্লে না করাই ভালো। কেননা, এক্সটার্নাল ডিভাইসগুলোর ডাটা-আদান প্রদান করতে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ শক্তির প্রয়োজন হয়। সেক্ষেত্রে ল্যাপটপের হার্ডডিস্কে কপি করে ব্যবহার করুন। একই নিয়ম পোর্টেবল সিডি-ডিভিডি রমের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
১১.    ল্যাপটপের বিল্ট-ইন সিডি অথবা ডিভিডি রমে ভালো সিডি-ডিভিডি ব্যবহার করুন। কেননা, এতে ব্যবহৃত সিডি অথবা ডিভিডি রমের লেন্স ডেস্কটপের সিডি- ডিভিডি রম থেকে কিছুটা কম শক্তিশালী হয়ে থাকে। ল্যাপটপের সিডি অথবা ডিভিডি রমও অতিরিক্ত বিদ্যুৎ গ্রহণ করে। তাই সরাসরি সিডি অথবা ডিভিডি রম থেকে মিডিয়া ফাইল প্লে না করে হার্ডডিস্কে কপি করে তারপর প্লে করুন।
এছাড়াও আপনি যদি আপনার সিডি অথবা ডিভিডি রমের ভেতর কোন ডিস্ক রেখে থাকেন তবে আপনি ব্যবহার না করলেও মাঝে মাঝে রম কাজ করে থাকে এবং চার্জ নষ্ট হয়। তাই অপ্রয়োজনে সিডি অথবা ডিভিডি রমের ভেতর কোন সিডি অথবা ডিভিডি না রাখাই ভালো।
১২.    প্রয়োজন না হলে ব্লুটুথ এবং ওয়াইফাই চালু করে রাখবেন না এবং ‘শাটডাউন’ ও ‘স্লিপের’ পরিবর্তে ‘হাইবারনেট’ অপশন ব্যবহার করুন। ‘হাইবারনেট’ হচ্ছে এমন একটি অবস্থায় চলে যাওয়া যা আপনার সে মুহূর্তের কাজগুলো একটি ফাইলে জমা রেখে আপনাকে এমন একটি স্টেটে (অবস্থায়) নিয়ে যাবে যা প্রায় বিদ্যুৎ ব্যবহার না করারই সমান। পরবর্তী সময়ে সিস্টেম রিজিউম করলে আপনাকে আপনার সকল কাজের প্রোগ্রেস ঠিক সেখানেই ফিরিয়ে দেবে যেখানে আপনি হাইবারনেট করেছিলেন।
আপনি স্লিপ মোডও ব্যবহার করতে পারেন। এটি হাইবারনেট এর চাইতে দ্রুতগতিতে সিস্টেম রিজিউম করতে সক্ষম। কিন্তু এটি হাইবারনেটের চাইতে কিছুটা বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে থাকে। তাই ব্যাটারির চার্জ ধরে রাখতে ‘হাইবারনেট’ অপশনটিই অধিক কাজে দেয়।
১৩.    ব্যাটারিতে যখন আপনার ল্যাপটপটি ব্যবহার করবেন তখন স্ক্রিনের ব্রাইটনেস কমিয়ে রাখুন। ল্যাপটপ ব্যবহারের সময় ল্যাপটপের ছোট ভেন্টিলেটরের সামনে কোন প্রকার প্রতিবন্ধকতা যেন না থাকে। অনেক দিন ব্যবহার করার পর ভেন্টিলেটরের ভেতরে ধুলো-বালির আস্তরণ পড়ে যায়, সেগুলো পরিষ্কার করুন।
আপনি যদি অ্যাডভান্স লেভেলের ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন তবে ল্যাপটপটি খুলে ভেন্টিলেটর এবং পাখা দু’টিই পরিষ্কার করতে পারেন। এতে ভালো ফল পাওয়া যাবে। তবে সেক্ষেত্রে অবশ্যই মনে রাখবেন, “এটি কেবল অ্যাডভান্স লেভেলের জন্য।” আপনি চাইলে সহজেই ইউটিউব থেকে আপনার ল্যাপটপটির মডেল দিয়ে সার্চ করে জেনে নিতে পারেন ঠিক কিভাবে আপনার ল্যাপটপটি খুলতে ও পরিষ্কার করতে পারেন।
১৪.    পাওয়ার ম্যানেজমেন্টে গিয়ে আপনার কম্পিউটারটির ব্যাটারি অথবা চার্জে থাকা অবস্থায় ঠিক কত সময় পরে স্লিপ মোডে চলে যাবে বা মনিটর ডিম হবে, সে সেটিংসগুলো করে রাখুন। “স্ক্রিন সেভার” কিন্তু ব্যাটারি সেভ-এর বিপরীত কাজই করে থাকে। তাই বন্ধ করে রাখুন।
১৫.    ল্যাপটপ যেহেতু বেশ গরম হয়ে যায় তাই চেষ্টা করুন কুলার ব্যবহার করতে। বাজারে ৩৫০ টাকা থেকে শুরু করে ২৫০০-৩০০০ টাকার মাঝে কুলার পাবেন। তবে মাঝামাঝি দামের গুলো কিনলেই হবে।
১৬.    আসল অ্যাক্সেসরিস ব্যবহার করুন।
ল্যাপটপ কেনার সময় আমরা যে এক্সেসরিজগুলো পেয়ে থাকি সেগুলো বেশির ভাগ সময়ই অরিজিনাল থাকে। কিন্তু পরবর্তী সময়ে আমাদের দেশে অরিজিনাল অ্যাক্সেসরিজ পাওয়া কষ্টকর হয়ে পড়ে। তাই যত্ন রাখুন আপনার ল্যাপটপটি।

প্রাথমিক প্রতিরোধমূলক যত্নআত্তি
যদি এমন হয় যে অনেক দিন আপনি আপনার সাধের ল্যাপটপটি ব্যবহার করবেন না তাহলে প্রথমেই যা করবেন তা হলো আপনার ব্যাটারিটি ল্যাপটপ থেকে ৫০% চার্জ দিয়ে খুলে আলাদা করে রাখুন। এতে ব্যাটারি ভালো থাকবে।
যখন ল্যাপটপটি ইউজ করবেন না তখন আপনার চার্জারটি এসি লাইন থেকে খুলে রাখুন। এটা আপনার ব্যাটারিকে ওভার চার্জ হতে রক্ষা করবে।
আপনি যদি সরাসরি ব্যাটারি থেকে আপনার ল্যাপটপকে বুট করান তখন ব্যাটারি থেক প্রচুর পাওয়ার চলে যায়। কারণ বুটের সময় সমস্ত পেরিফেরাল সিস্টেম চেক করে যেমন ডিভিডি, ওয়াই ফাই, ব্লুটুথ, পিসিএমসিএ কার্ড, এমনকি ইউএসবি পোর্টগুলো পর্যন্ত। তাই এক্সটার্নাল পাওয়ার লাগিয়ে ল্যাপটপ বুট করাই ভালো।
যখন ল্যাপটপ অফ করবেন তখন শাট ডাউন কমান্ডের সাহায্য করুন। ডাইরেক্ট সুইচ টিপে ল্যাপটপ অফ করা ভাল না। এতে আপনার ল্যাপটপের স্থায়ী ক্ষতির সম্ভাবনা থাকতে পারে অথবা ডাটা লস হতে পারে কিংবা উইনন্ডোস ক্রাশ করতে পারে। হার্ডডিস্কেও প্রভাব পড়ে। এই পদ্ধতি একমাত্র তখনই প্রয়োগ করবেন যখন কোন কারণে উইনন্ডোস হ্যাঙ করে ।
একবার শাটডাউন করার পর পুনরায় ল্যাপটপ চালু করার জন্য অন্তত ১ মিনিট সময় দিন।
কোন সময়ই কোন তরল জাতীয় খাবার ল্যাপটপের কাছে বা এটির উপর কোন কিছু রেখে খাওয়া থেকে বিরত থাকবেন। যদি কোন কারণে এটির উপর কোন তরল পিছলে পড়ে যায় তাহলে এর ভেতরের সার্কিটের মধ্যে শর্ট সার্কিটের সম্ভাবনা হতে পারে যা আর কখনোই রিপেয়ার করা নাও যেতে পারে। আর একান্তই যদি এমনটি ঘটে তাহলে প্রথমেই যা করবেন তা হল-সাথে সাথে আপনার ল্যাপটপের ব্যাটারি প্লাস চার্জার খুলে ফেলবেন। এ জন্য উইনন্ডোস শাট ডাউন কমান্ডের জন্য অপেক্ষা করবেন না।

ল্যাপটপের সাধারণ যত্ন আত্তি
এলসিডি মনিটরে ধুলা জমলে বা ময়লা হলে পাতলা সুতি কাপড় দিয়ে মুছে দিতে পারেন। শক্ত কোনো কাপড় ব্যবহার না করাই ভালো।
যারা ল্যাপটপে মাউস ব্যবহার করেন, তারা অনেক সময় মনের ভুলে কিবোর্ডের ওপর মাউস রেখেই ল্যাপটপ বন্ধ করে দিতে যান। এক্ষেত্রে ল্যাপটপের পর্দায় চাপ পড়লে তা মুহূর্তেই অকার্যকর হয়ে যেতে পারে।
ল্যাপটপ ব্যবহারের সময় লক্ষ্য রাখতে হবে এর পেছনে ভেতরের গরম বাতাস বের করার জন্য যে পাখাটি কাজ করে, তার সামনে যেন কোনো বাধা না থাকে।
ল্যাপটপ কেনার পরপরই ব্যবহার করার আগে কমপক্ষে আট ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্নভাবে চার্জ দিতে হবে। এর ব্যতিক্রম হলে সাধারণত ব্যাটারি পরে আর কোনো সময়ই তার পূর্ণক্ষমতা ব্যবহার করতে পারবে না।
শুধু ব্যাটারির সাহায্যে (বৈদ্যুতিক সংযোগ না থাকা অবস্থায়) ল্যাপটপ ব্যবহারের সময় পাঁচ থেকে ১০ শতাংশ চার্জ বাকি থাকতেই বন্ধ করা ভালো।
ল্যাপটপের কিবোর্ড তরলনিরোধ (স্পিলপ্রুফ) না হলে ব্যবহারের সময় যাতে কিবোর্ডে কোনো তরল পদার্থ না পড়ে, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
ল্যাপটপে সব সময় অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা এবং তা নিয়মিত হালনাগাদ করা ভালো।
পেনড্রাইভ, বহনযোগ্য হার্ডডিস্ক ড্রাইভ, মেমোরি কার্ড ইত্যাদি ব্যবহারের আগে অ্যান্টিভাইরাস দিয়ে পরীক্ষা (স্ক্যান) ও পরিষ্কার (ক্লিন) করে নিলে ভালো।
ল্যাপটপের সঙ্গে সাধারণত নিবন্ধিত (লাইসেন্স) অপারেটিং সিস্টেম পাওয়া যায়। অপারেটিং সিস্টেমটি মাঝে মধ্যে হালনাগাদ করা উচিত।
ল্যাপটপের এ বিষয়গুলো মেনে চলুন আর সেটা ব্যবহার করুন স্বাচ্ছন্দ্যে!

লেখক : এমফিল গবেষক

SHARE

Leave a Reply