শহীদ আসগর ফিরে গেল পাখি তার আপন নীড়ে

মোবারক হোসাইন

ফিরে গেল পাখি তার আপন নীড়ে। মহান রাব্বুল আলামিনের দ্বীনকে বিজয়ী করার প্রত্যয়ে যারা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, তাদের পথ চলা নিঃসন্দেহ বর্ণনাতীত কঠিন। এ কাঠিন্যের মাপকাঠি দিয়ে তিনি মহান প্রভু তার অতি প্রিয় বান্দাদেরকে বাচাই করে নেন। কিছু বান্দার জীবনকে কবুল করে নিয়ে একটি আদর্শের বুনিয়াদ দুনিয়ার মানুষের জন্য তৈরি করে নেন সত্যের সাক্ষ্য রূপে। শহীদ ভাইদের স্মৃতি আল্লাহর প্রিয়তা আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করে। পথ চলতে চলতে যখন নানা মোহ ভীতি আশঙ্কা আমাদের পথ আগলে দেয় তখন হৃদয়ের মাঝে অমর হয়ে থাকা শহীদের স্মৃতি আমাদের মনে আশার দ্বীপশিখা জ্বালায়। অং ঃযব ংঃধৎ ঃযধঃ ধৎব ংঃধৎৎু রহ ঃযব ঃরসব ড়ভ ড়ঁৎ ফৎধশহবংং অর্থাৎ শহীদেরা মিল্লাতের জীবন, মিল্লাতে গৌরব দুর্যোগের রাহবার। হতাশাগ্রস্ত মুসাফিরের জন্য তারা দিশাহারা দ্রুব তারা। শোহাদায়ে কারবালা মুজাহিদদের হৃদয়ে তাইতো সৃৃষ্টি করে চলছে বিপ্লবের জজবা। সত্য-মিথ্যার দ্বন্দ্ব পৃথিবীর চিরন্তন ইতিহাস। মানুষ যখন অন্যায় অত্যাচার আর অসত্যে নিমজ্জিত হয়, শয়তান তার অনুসারীদের সাথে নিয়ে পৃথিবীতে শয়তানী শক্তির রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করতে ব্যস্ত; তখন আল্লাহ মানব জাতির কল্যাণে যুগে যুগে পাঠিয়েছেন অসংখ্য নবী-রাসূল ও তাদের সঙ্গী সাথী হিসাবে প্রেরণ করেছেন দ্বীনের জন্য জীবন উৎসর্গকারী মর্দে মুজাহিদ। নবী-রাসূলদের পর তাদের উত্তরাধিকারীরা এ দায়িত্ব পালনে ব্রত হন। তারা শয়তানী শক্তি নির্মূলের জন্য সর্বশক্তি প্রয়োগ করেন এমনকি জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে সাক্ষী হয়ে আছেন আমাদের মাঝে। তাদের মিছিলে শামিল হলেন শহীদ আসগর।
শহীদ আসগর একটি প্রেরণার নাম। যার অসাধারণ মেধা, অতুলনীয় চরিত্র, অনুপম কথামালা, অমায়িক ব্যবহার, পরোপকারী মনোভাব আর আল্লাহভীরু মানসিকতা আমাদের প্রেরণার উৎস। শিক্ষাজীবনের অনেকগুলো সিঁড়ি পেরিয়ে সর্বশেষ ডিগ্রি নেয়ার জন্য এসেছিলেন উত্তরবঙ্গের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ মতিহারের সবুজ চত্বর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে। পিতা মাতার আশা ছিল পড়াশোনা শেষ করে তাদের মুুখ উজ্জ্বল করবেন। কিন্তু প্রভুর প্রেমে পাগল দ্বীনের পথে এ মুজাহিদ দুনিয়ার এ ক্ষুদ্র সার্থে নিজের প্রবৃত্তির অনুসরণ থেকে ছিলেন অনেক দূরে। পৃথিবীর অজানা সবচেয়ে বড় ডিগ্রি পাওয়ার যিনি অধিকারী তিনি কি আর ছোট কোন ডিগ্রির অপেক্ষায় থাকেন? পাড়া-প্রতিবেশীরা ছিল শহীদ আসগর আলীর প্রিয় শুভাকাক্সক্ষী। বাড়ি গেলেই সবার সাথে দেখা সাক্ষাৎ করতেন, খোঁজ-খবর নিতেন, সালাম বিনিময় করে তাদের পারিবারিক কুশলাদি জানতেন। নামাজে ডাকতেন, আর দরদভরা মন নিয়ে মানুষকে ইসলামের কথা বুঝাতেন। সে কারণেই পাড়া-প্রতিবেশীর কাছে যখন লাশ হয়ে শহীদ আসগর ফিরলেন তখন তারা একপ্রকারে ধৈর্য হারা হয়ে পড়লেন। স্বজন হারাবার ব্যথা আজও বুকের মধ্যে দোলা দেয়। পাড়া-প্রতিবেশীরা সেদিন শাশারপুরের আকাশ বাতাসের সাথে কেঁদেছে, চোখের পানিতে বুক ভিজিয়েছে। তাদের প্রিয় মানুষটিকে শুধু এক নজর দেখার জন্য আকুতি করেছে, ভিড় ভেঙেছে হাজারো মানুষের, অবুঝ শিশুরা মায়ের কোলে যাওয়ার জন্য যেমনটি করে। মিছিল নিয়ে হাজির হয়েছে তার প্রিয় সাথীরা শহীদকে সম্মানের সাথে দাফন করার জন্য। আত্মীয়স্বজনের সাথে ভাল ব্যবহারের পাশাপাশি সবার প্রতি মায়া মমতা ও স্নেহবৎসল ছিলেন তিনি। মানুষের দুঃখে দুঃখী হয়ে সর্বদা মানুষের কল্যাণে নিজকে ব্যপৃত রাখতেন। কিভাবে তার কষ্ট দূর করা যায় তার জন্য থাকতেন সদা ব্যস্ত। একবার পার্বতীপুর থেকে ট্রেনযোগে বাড়ি আসার সময় এক লোক অর্থাভাবে টিকিট কাটতে না পারলে শহীদ আসগর ভাই তাকে টিকিট না কেটে ট্রেনে না উঠতে পরামর্শ দেন এবং বাড়ি পৌঁছার সুবিধার্থে কিছু টাকা দিয়ে সহায়তা করেন। আর একদিন, মোটরসাইকেল নিয়ে পুলহাটা হতে দিনাজপুর যাওয়ার পথে রাস্তার পাশে একটি ডোবা ছিল, সেখানে একটি ছোট শিশু পানিতে পড়ে হাবুডুবু খাচ্ছিল। দয়াপরবশ শহীদ আসগর সে দিন বাচ্চাটিকে বাঁচাবার জন্য এমন ব্যস্ত হয়ে পড়লেন যা আমি লিখনির মাধ্যমে প্রকাশ করতে পারছি না। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনাকালীন এলাকা থেকে আসা ছাত্র ভাইদের নানা কাজে সহায়তা করেছেন। নিজ খরচায় অনেকের সার্টিফিকেট তুলে দিয়েছেন। স্বভাব চরিত্রে অতুলনীয় শহীদ আসগর। কথাবার্তায় ছিলেন মিতভাষী। প্রয়োজনীয় কথা সংক্ষেপে বলতেন। ১৯৬৩ সালে জন্ম। ১৯৭৯ এসএসসি ১৯৮১ এইচএসসি  কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন। হাসি মাখা মুখে শহীদ আসগর শৈশব, কৈশোর পেরিয়ে উচ্চশিক্ষার আশায় ১৯৮৪ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিজ্ঞান সম্মান প্রথমবর্ষে ভর্তি হন। ১৯৮৭ সালে সম্মান শ্রেণীতে উচ্চ ডিগ্রি লাভ করেন। শাহাদতের পূর্বে এমএসসি পরীক্ষার মাত্র দু’টি পার্ট বাকি ছিল তার। তিন ভাই, এক বোন, সবার বড় শহীদ আসগর। ভাবগাম্ভীর্য আর চাল চলনে সর্বদা সাহেবী পরিলক্ষিত ছিল বিধায়, পিতার বড় শখ ছিল ছেলেকে টয়োটা কার কিনে  দেবেন। ছেলের টয়োটাতে চড়া হলো না আসগরের, চড়ল প্রিয় ঘাটলিতে। ইসলাম পূর্ব জাহিলিয়াতের যুগেও চারটি মাসে খুন, যখম, রক্ত, হানাহানি বন্ধ ছিল। তারা মাস চারটিকে পবিত্র মনে করত। কিন্তু খোদাদ্রোহী ইসলামের শত্র“রা বাংলার সভ্যতা ও ঐতিহ্যের শুক্রবারেও রক্ত পানে বিরত থাকেনি। নৃশংস, বীভৎস আর হায়েনাদের আবার সভ্যতা কিসের? ওরাতো যেখানে সেখানে যৌনাচার করে, ঘেউ ঘেউ আর কামড়া-কামড়ি। শহীদ আসগর আলী আমীর আলী হলের আবাসিক ছাত্র ছিলেন। পড়াশোনার পাশাপাশি, কিভাবে ইসলামের খেদমত করা যাবে তাই ছিল শহীদের ব্রত। ইসলামী আন্দোলনের সময়ের সাথে উত্তরোত্তর তার আমল আখলাকও বৃদ্ধি পায়। শাহাদাতের দিন ছিল শুক্রবার জুমার দিন। জুমার নামাজ হল মসজিদেই পড়তে পারতেন কিন্তু কেন্দ্রীয় মসজিদে গেলে বেশি সওয়াব হবে এই আশায় গোসল সেরে পাক-পবিত্র হয়ে জুমার নামাজ আদায়ের জন্য কেন্দ্রীয় মসজিদের দিকে রওনা হলেন শহীদ আসগর আলী। নামাজ পড়তে দিলো না রক্ত পিপাসুরা। আমীর আলী হলের সামনে রক্ত পিপাসু হায়েনারা তাকে রামদা, হকিস্টিক, ছোরা, কুড়াল দিয়ে বর্বরোচিত কায়দায় হত্যা করে। যদি কথা বলার শক্তি থাকত সেই টেলিফোন পোলটির তাহলে চিৎকার করে বলে দিতো খুনিদের বীভৎস কাহিনী আজকের নতুন প্রজন্মকে। যার সামনে শহীদ আসগর আলীকে খুন করা হয়েছিল। যুগ ও কালের নীরব সাক্ষী ব্যথাতুর বিল্ডিং, পোল, আমগাছ আজও পবিত্র আত্মার মাগফিরাত কামনা করে। খুনিদের বিচার আজও হয়নি, তবে হ্যাঁ দুনিয়ার আদালতে এ হায়েনাদের বিচার না হলেও আল্লাহর আদালত থেকে কেউ সেদিন বাঁচাতে পারবে না।
শাহাদাত-উত্তর জীবনে সবার মাঝে বেঁচে আছে কালেমা খচিত পতাকা হয়ে যাকে মাটিতে রাখা যায় না। ডান হাত কাটা গেলে বাম হাতে, বাম হাত কাটা গেলে মুখ দিয়ে উঁচু করে আসমানে ধরে রাখে তবুও শির নোয়াবার নয় খোদাদ্রোহী তাগুতি শক্তির কাছে। টেলিভিশন দেখতে ঘৃণা করতেন। টিভিতে ইসলাম বিরোধী অনুষ্ঠান প্রদর্শনের কারণে পূর্বে ক্রয়কৃত টিভি শহীদ আসগর আলী বিক্রির ব্যবস্থা করলেন। সর্বদা অপ্রয়োজনীয় খরচ পরিহার করতেন। শহীদ আসগর আলী বাড়ি এলে মায়ের কাছে বসে প্রাণ খুলে কথা বলতেন। শরীরের প্রতি যতœ নেয়া, বেশি কাজ না করা ইত্যাদির পরামার্শ দিতেন। আর সে জন্যই কাঁদতে কাঁদতে মায়ের চোখ নষ্ট হওয়ার উপক্রম। চোখে এখন ভাল দেখতেও পান না। শরীরও প্রায় ভগ্নদশা। মা একদিন হঠাৎ রাতে স্বপ্ন দেখেছেন, তিনজন বন্ধুকে নিয়ে আসগর বাড়িতে বেড়াতে এলো, কিন্তু বসলো না, কিছু  খেলো না। মা ভাবছেন মানুষ সাথে করে বাড়িতে বেড়াতে এলো, না খেয়ে চলে যাচ্ছে কেমন হলো! শহীদ আসগর মাকে বলল, “আমি খুব সুখে আছি মা, আমি মারিনি বেঁচে আছি।” সত্যিই শহীদেরা মরে না। ‘যারা আল্লাহর পথে জীবন দিয়েছে তাদের মৃত বলো না বরং তারা জীবিত তাদের জন্য রয়েছে মহান প্রভুর কাছে রয়েছে জান্নাতের রিজিক।’ (সূরা আলে ইমরান) তারা বেঁচে থাকে কিন্তু তা দৃশ্যপটে নয়। পিতা মাতার বড় সন্তান আসগর আলীর বড় শখ ছিল বৃদ্ধ মাতার সেবা করার। পড়াশোনা শেষ করে মাকে নিয়ে শহরে থাকবে। কাজ কর্ম করতে দেবে না। প্রিয় সন্তানটিকে হারিয়ে আজ নির্বাক অসহায় পিতা-মাতা। লাখো সাথীরা আজ শোকে শোকাহত। শহীদের পিতা-মাতার অনুরোধে পারিবারিক প্রয়োজনে তিনি বিয়ে করেন এবং তার একটি ফুটফুটে কন্যা জন্ম লাভ করে। তিনি আদর করে তার নাম রাখেন আফিফা তাজমেরিন। আফিফা এক মুহূর্তও তার বাবাকে ছাড়া থাকতে পারতো না। বাড়ি থেকে ক্যাম্পাসে আসার সময় অনেক কষ্ট করে প্রিয় মেয়ের নিকট হতে বিদাই নিয়ে আসতে হতো। একবার দায়িত্বশীদের নির্দেশে ক্যাম্পাসে আসার পথে তার প্রিয় মেয়ে বারবার আকুতি মিনতি জানায়। যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে সবচেয়ে বেশি ভালো বাসেন পৃথিবীর কোনো ভালোবাসা তাদেরকে আটকে রাখতে পারে না। আদরের মেয়েটি একটি লাল জামার বায়না ধরলে তিনি তা এনে দেবেন বলে প্রিয় ক্যাম্পাসে আসেন। যে জামা পরে সে সাজবে, বাবার কোলে উঠবে। না, তার আর লাল জামা পরা হলো না। হলো না বাবার কোলে ওঠার। শয়তানের দোশররা চিরদিনের জন্য এতিম করে দিল আফিফাকে। শহীদের একমাত্র কন্যার প্রশ্ন শুধু যেন ‘কারা আমাকে চিরদিনের জন্য পিতৃহারা করলো? কেন আমাকে বঞ্চিত করলো আব্বুর আদর-স্নেহ থেকে? কেন? আমার মায়ের বাস্তব স্বপ্নগুলো কেমন করে ভেঙে চুরমার হয়ে গেল!’ কী উত্তর আছে আমাদের কাছে? শহীদ আসগরের অপরাধ ছিল একটাই, সে পরাক্রমশালী আল্লাহর ওপর ঈমান এনেছে। তার অপরাধ ছিল সমাজে অন্ধকারে নিমজ্জিত তরুণদের কুরআনের আলোয় আলোকিত করেছেন। শহীদের যে স্বপ্ন ছিল এ পৃথিবী থেকে অন্যায় অত্যাচার দূর হবে, মানবরচিত সকল মতাদর্শের কবর রচিত হবে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ কোথাও থাকবে না কোন অত্যাচার অনাচার।
শহীদের রক্তে ভেজা এই মতিহারের সবুজ চত্বর আজও রক্তে লাল হচ্ছে। শয়তান ও তার দোশররা থেমে নেই। ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করে আছে গোটা দেশে। এখনও প্রতিদিন খুন হচ্ছে নিরপরাধ মানুষ। দুঃখীদের মুখে হাসি ফুটেনি আজও। শান্তি রক্ষায় নিয়জিত বাহিনীর বুটের নিচে পিষ্ট হচ্ছে বনি আদম। দ্বীনের পথের মুজাহিদদের বন্দী করে রাখা হচ্ছে কারা প্রকোষ্ঠে। না, তা আর হতে দেয়া যাবে না। জাতীয় জীবনে নিরাশার অন্ধকারে তারা আকাশের দ্রুবতারা, তারা কোনদিন ক্লান্ত হবে না, নিষ্ক্রিয় হবে না আর পেশ করবে না অজুহাতে ফিরিস্তি, তারাই দ্বীনী আন্দোলনের অমর কর্মীদল। এরাই দুর্গমতার বাধা উপেক্ষা করে বিপ্লবকে এগিয়ে নিয়ে যাবে কাল থেকে কালান্তরে। একটি আন্দোলনে যখন শহীদের সংখ্যা বেড়ে যায় তখন আন্দোলনের জীবনীশক্তিও বেড়ে যায়। বিংশ শতকে সভ্যতার কর্মক্লান্ত দিবাকর আজ যখন পাশ্চাত্যের আকাশে বিদায়ের পটে, একবিংশ শতকে সুবহিসাদিক যখন প্রাচ্যের আকাশে হাতছানি দিচ্ছে। আমরা বিশ্বব্যাপী উৎসুক্য নয়নে মহাসাগরের বেলাভূমিতে দাঁড়িয়ে সূর্যাস্তের দৃশ্য অবলোকন করছি। শহীদের রক্তের শপথ করে বলছি আমাদের গায়ে একবিন্দু রক্ত থাকতেও তা হতে দেয়া যাবে না। প্রায় ৯০% মুসলমানের দেশে এভাবে অন্যায় জুলুম নির্যাতন চলতে দেয়া হবে না। মা হারাবেন না তার নয়নের মণি সন্তানটিকে, ভাই হারাবে না তার ভাইকে, সন্তান হারাবে না তার পিতাকে। আসুন আমরা শহীদের রেখে যাওয়া দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনে আরো সচেষ্ট হই। বুক ভরা সাহস নিয়ে এগিয়ে যাই সামনের দিকে।
লেখক : সভাপতি, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

SHARE

Leave a Reply