শীতলক্ষ্যার শান্ত নদীতে আওয়ামী লীগের সলিল সমাধি

ডা: মো: ফখরুদ্দিন মানিক

অনেক আলোচনা সমালোচনা এবং নাটকীয়তার মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হলো নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচন। ৩০ অক্টোবর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ তথা মহাজোট সরকার-সমর্থিত প্রার্থী শামীম ওসমানকে প্রায় এক লাখ ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে প্রথম মেয়র হিসেবে বিজয় লাভ করলেন বিলুপ্ত নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াত আইভী। ব্রিটিশ আমল থেকে প্রাচ্যের ড্যান্ডি হিসেবে খ্যাত নারায়ণগঞ্জ কালক্রমে বিভিন্ন ঘটনার জন্ম দিয়ে বিভিন্নভাবে পরিচিতি লাভ করেছে। পরিচয় যে নামেই হোক সেটি যদি হয়ে থাকে জাতির কল্যাণ ও স্থিতিশীলতার তবে যত নামেই হোক তা নিয়ে গর্ব করা যায়। কিন্তু বিগত দেড় দশক থেকে বিশেষ করে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতা গ্রহণের পর বাংলাদেশের আরো অন্য কয়েকটি জেলার মত  নারায়ণগঞ্জ পরিচিত হয়েছে সন্ত্রাসকবলিত জনপদে। আওয়ামী সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় ফেনীর জয়নাল হাজারী, লক্ষ্মীপুরের তাহের, মোমেনশাহীর আলতাফ হোসেন গোলন্দাজ, বরিশালের আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ, পুরান ঢাকার হাজী সেলিম, মোহাম্মদপুরের আলহাজ মকবুল, মালিবাগের ডা. এইচ বি এম ইকবালের মতো নারায়ণগঞ্জে তৈরি হয়েছিল মুকুটহীন সম্রাট শামীম ওসমান। তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে চারদলীয় জোটের লংমার্চে বাধা দেয়ার মাধ্যমে শামীম ওসমান জাতীয় আলোচনার কেন্দুবিন্দুতে। তিন পুরুষ থেকে রাজনীতির এবং ক্ষমতার সাথে সম্পৃক্ত শামীম ওসমানের পরিবার নারায়ণগঞ্জের যে কোনো অঘটনের পেছনে তাদের নামগুলো তালিকায় চলে আসতো। শামীম ওসমানের আর দুই ভাই নাসিম ও সেলিম ওসমানও কম নয়। এবারের নির্বাচনে প্রচারাভিযানে পাল্টাপাল্টি অভিযোগে সারা দেশের মানুষ দেখতে পেয়েছে। তবে যাই হোক, এ কথা সত্য যে নরায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ততার কাছে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ যেমন পরাজিত হয়েছে তেমনি মহাজোটের ব্যানারে আওয়ামী লীগ সরকার আবার একটি লালচে হলুদ কার্ডের সঙ্কেত জনগণের পক্ষ থেকে পেয়েছে। মরমি কণ্ঠশিল্পী আব্বাস উদ্দীনের সেই গানের মতো ‘ঐ আমার দরদি আগে জানালে তোর ভাঙা নৌকায় চড়তাম না।’ আমার কাছে মনে হয় নারায়ণগঞ্জের নির্বাচনের মাধ্যমে সারা দেশের জনগণ এটা বুঝতে পেরেছে আওয়ামী লীগের নৌকা এখন শুধু ভাঙা নয় বরং একটি ডুবন্ত তরীতে পরিণত হয়েছে। ডিজিটাল কারচুপির মাধ্যম বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতার মোহে অন্ধ হয়ে আওয়ামী লীগ যতই চোখে রঙিন চশমা লাগিয়ে সাদা-কালো সব কিছুকে এক রকম দেখতে চাইলেও জনগণ তার নীরব বিপ্লবের মাধ্যমে এই চিরন্তন সত্যটি দেখিয়ে দিয়েছে সাদা-কালো কখনও এক হতে পারে না। স্থানীয় নির্বাচন দলীয় প্রভাবমুক্ত রাখার ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনার, শিক্ষাবিদ বুদ্ধিজীবীদের পক্ষ থেকে বারবার বলা হলেও বাংলাদেশে এখনও সেই কালচার তৈরি করতে পারেনি।
তাইতো নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী দলীয় প্রার্থী হিসাবে শামীম ওসমানকে মনোনয়ন দেয়ার পাশাপাশি তাকে জেতানোর জন্য কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ গণসংযোগে অংশগ্রহণ করেছেন ।
ঢাকা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ছাত্রলীগের নেতৃত্বে দৈনিক ১০০০ টাকা পারিশ্রমিক হিসেবে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদেরকে প্রচারাভিযানে কাজে লাগিয়েছে। অপর প্রার্থী সেলিনা হায়াত আইভীর ভাষ্যমতে তার ভোটারদেরকে হুমকি, প্রশাসনকে প্রভাবিত করার মাধ্যমে দলীয় প্রার্থী জেতানোর জন্য কম চেষ্টা করেনি কিন্তু বিধি বাম। জনগণ আওয়ামী লীগের দুরন্ত নৌকায় পা রাখেনি। ইতঃপূর্বে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও ১৬ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন মেয়র মহিউদ্দিন বিএনপির সমর্থিত নবাগত মঞ্জুর কাছে একেবারে কুপোকাত। সে সময় ফলাফল বিশ্লেষণ করে অনেকই বলেছিলেন এটি আওয়ামী লীগের জন্য হলুদ সঙ্কেত। পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও হলুদ সঙ্কেতের ধারাবাহিকতা অব্যাহত ছিল। তাই নারায়ণগঞ্জের নির্বাচনে জনগণ যেভাবে লালচে-হলুদ কার্ড দেখিয়েছে সাহস করে যদি ঢাকা সিটি করপোরেশনের নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার আয়োজন করে তাহলে আওয়ামী লীগের জন্য লাল কার্ড পুরোপুরি নিশ্চিত। ষড়যন্ত্রে দক্ষ আওয়ামী লীগ সে জন্যই ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জেতার জন্য এটিকে ভাগ করার পাঁয়তারা করছে।
নারায়ণগঞ্জের নির্বাচনে এ কথাটি বরাবরের মত আবার প্রমাণিত হলো আওয়ামী লীগ সরকারে অধীনে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী নির্বাচন সম্ভব নয়।
নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে। কোনো কেন্দ্রে উল্লেখ করার মতো গণ্ডগোল হয়নি। এ কথা ঠিক কিন্তু সুষ্ঠু নির্বাচন আর প্রত্যাশিত নির্বাচন এক কথা নয়। সার্বিক নিরাপত্তার গ্যারান্টি দিতে না পারলেও আইনশৃঙ্খলার নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সরকারের সদিচ্ছার প্রমাণ দেয়ার যে সুযোগটুকু ছিল সরকার সেটি করেনি। দীর্ঘ দিন থেকে আমাদের যে সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে নির্বাচনের ব্যাপারে বিশেষ আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের জন্য সেনাবাহিনীর প্রয়োজনীয়তা সরকার সে ব্যাপারে কোনো ভ্রƒক্ষেপই করেনি। সেনাবাহিনীর ব্যাপারে তিনজন মেয়রপ্রার্থীর মধ্যে দুইজন জোরালো দাবি করেছেন। জনগণেরও প্রত্যাশা ছিল এমনকি নির্বাচন কমিশনারও নারায়ণগঞ্জ গিয়ে এই ঘোষণা দিয়েছিলেন ২৮ তারিখ থেকে সেনাবাহিনী নিয়োগের কথা। কিন্তু সরকার তো সেই সদিচ্ছার প্রমাণ দেয়নি। তাহলে কি সরকারের কোনো দুরভিসন্ধি ছিল? সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা বলে নির্বাচন কমিশন সফলতার যে ঢোল বাজাচ্ছে তা কিভাবে সম্ভব? কারণ সেখানে তো আইনশৃঙ্খলার অনিশ্চয়তার কারণে আলোচিত তিন প্রার্থীর মধ্যে একজন বয়কট করলেন। সুতরাং যেখানে প্রার্থী নির্বাচন বয়কট করতে বাধ্য হলেন, একাংশ ভোটার ভোট দিতে যাননি। সকাল থেকে বাকি দুই প্রার্থীর পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মাধ্যমে যে নির্বাচন তা আদৌ সফল নির্বাচন কিনা তা জনগণ ভেবে দেখবেন। সহিংসতা হয়নি বা নিয়ন্ত্রণ করা গিয়েছে এটি বলার সুযোগ আছে কি না। কারণ তৈমূর আলম খন্দকার বয়কট করার পর এখানে তো কোনো বিরোধী দল নেই। একজন সরকার-সমর্থিত আরেকজন স্বতন্ত্র, সুতরাং গণ্ডগোল করবে কে, তাই তৈমূর, শামীম ও আইভী তিনজনে যদি নির্বাচনী যুদ্ধে অবতীর্ণ হতেন, তিনজনের ভোটারদের প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হতো, তাহলে কেবল নির্বাচন কমিশন তার সফলতা নিতে পারতেন।
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাকে বাতিল করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে জাতীয় নির্বাচন সম্পন্ন করার যে কথাটি মহাজোটের সরকার বলছে, এটিও যে অবাস্তব তা নারায়ণগঞ্জের নির্বাচনের মাধ্যমে প্রমাণ হলো। এখানে অনাস্থা ও অশ্চিয়তা তৈরি যেই কারণে হয়েছে তার প্রথমত হলো এই সরকার তার নিজস্ব ফর্মুলা বাস্তবায়নের জন্য সংবিধান লঙ্ঘন করেছে যা সিইসি নিজেই বলেছেন। কারণ সংবিধানের ১২৬ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করা। সেখানে নির্বাচন কমিশন চার কোম্পানি সেনাবাহিনীর সহযোগিতা চাওয়ার পরও সরকার সেই সহযোগিতা করেনি।
দ্বিতীয়ত সরকার নির্বাচন কমিশনকে গুরুত্ব দিলো না কারণ ইসি সেনাবাহিনীর জন্য আবেদন করার পর শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সরকার সেনাবাহিনী নিয়োগ করুক অথবা না করুক তার কোনো জবাবই দিলো না। ইতঃপূর্বে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচনেও সেনাবাহিনী চাওয়ার পরও সরকার তার কোনো সাড়া দেয়নি।
তৃতীয়ত : নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী করার কথা বলা হচ্ছে। সরকারের অসহযোগিতা থেকে মনে হচ্ছে নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী করা হবে আওয়ামী লীগের ইচ্ছা অনুযায়ী, জনগণ বা বিরোধী দলের ইচ্ছানুযায়ী নয়।
চতুর্থত : নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন বলা হচ্ছে। তার যে নিজস্ব কিছু ক্ষমতা আছে তা বর্তমান নির্বাচন কমিশন থেকে বোঝা যাচ্ছে না, কারণ নির্বাচন কমিশন কথা দিয়ে কথা রাখতে পারছে না। পঞ্চমত: অনেকেই নির্বাচন কমিশনকে সরকারের আজ্ঞাবহ বা পদলেহী বলেছেন। আমি এতটুকু না বললেও নির্বাচন কমিশন যে মেরুদণ্ডহীন তা অন্তত বলা যায় যে, সরকারের কাছে সেনাবাহিনী নিয়োগের আবেদন করে পাত্তা না পাওয়ার পর নির্বাচন কমিশনের উচিত ছিল নিজের মান সম্মান বজায় রেখে পদত্যাগ করা কিন্তু তারা তাও করেনি। তা ছাড়া এই নির্বাচন কমিশন সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে রাজনৈতিক দল বিশেষ করে বর্তমান বিরোধী দলগুলোর সাথে যে আচরণ করেছে বিএনপি সম্পর্কে যে মন্তব্য করেছে এবং ২০০৮ এর ২৯ ডিসেম্বর যে ডিজিটাল কারচুপির মাধ্যম আওয়ামী লীগকে ক্ষমতার বসিয়েছে তাতে এই নির্বাচন কমিশনকে আর নিরপেক্ষ অথবা আত্মমর্যাদা তা সম্পন্ন বলা যায় না।
সুতরাং সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের মাধ্যমে এ কথা স্পষ্ট যে, নির্দলীয়, নিরপেক্ষ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া অপেক্ষাকৃত সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। সেই নির্বাচন কমিশনের সংস্কার ও বাস্তবিক অর্থে নির্বাচন কমিশন ঢাল তলোয়ারহীন নিধিরাম সর্দার হিসেবে না রেখে একটি শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন সময়ের দাবি। সবচাইতে বড় বিষয় হচ্ছে মহাজোট সরকারের জন্য বার্তা যে, শীতলক্ষ্যার শান্ত নদীতে নৌকা যেভাবে ডুবল, আগামীতে আরো চরম পরিণতি সরকারের জন্য অপেক্ষা করেছে। সংখ্যাগরিষ্ঠতার দম্ভে যদি মনে করে পাল ছেঁড়া অথচ তলা ফুটা নৌকা নদীতে ভাসিয়ে দিলেই জনগণ তার ওপর লাফ দিয়ে উঠে যাবে, সে আশা গুড়ে বালি। জনগণ অনেক বেশি সচেতন। সবগুলো মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতা মন্ত্রী, সাংসদ, উপদেষ্টাদের বেতাল কথাবার্তা আর কথায় কথায় যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কথা তুলে আর বিরোধী দলের ওপর দমন নিপীড়ন নির্যাতন ও মামলা দিয়ে যদি মনে করে থাকেন ক্ষমতাকে দীর্ঘস্থায়ী করবেন তা সম্ভব নয়। কথায় কথায় নতুন প্রজন্মের দোহাই দিয়ে যুদ্ধাপরাধের কথা বলে ৪০ বার পিছিয়ে নিয়ে নিতে চাচ্ছেন তা নতুন প্রজন্ম চায় না বরং নতুন প্রজন্ম নতুনত্বকে লালন করে সামনে এগিয়ে যেতে চায়।
এই বিচার চায় কারা ধর্ষণের সেঞ্চুরি করে, কারা আমাদের বোনদেরকে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করে, কারা ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের টাকা লুটপাট করে প্রায় ৩৩ লক্ষ পরিবারকে সর্বস্বান্ত করে, কারা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে, কারা আবু বকর, নোমানী, রমজান, রাজীব, নাসিম আবিদসহ প্রায় শতাধিক মেধাবী ছাত্রকে নিমর্মভাবে খুন করে। কারা আমাদের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে ট্রানজিট, করিডোর, বন্দর, টিপাইমুখে বাঁধ দিয়ে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের কাছে দেশকে তুলে দেয়। কাদের দুর্নীতির কারণে পদ্মার পানি, তিস্তার পানি ও ফেনী নদীর পানি প্রবাহকে বন্ধ করে দিয়ে নদীমাতৃক বাংলাদেশকে মরুভূমিতে পরিণত করার সহযোগিতা করে। কাদের দুর্নীতির জন্য পদ্মা সেতুর বাস্তবায়নের ঋণ বন্ধ হয়ে যায়। কাদের ষড়যন্ত্রে এবং সহযোগিতায় আমার দেশের সীমান্ত বাহিনীকে তছনছ করে দিয়ে নিমর্মভাবে হত্যা করে ৫৭ জন দক্ষ দেশপ্রেমিক সেনা অফিসারসহ ৭৪ জন নিরপরাধ মানুষ।
নতুন প্রজন্মের কাছে বিগত তিন বছরে মানবাধিকার যতটুকু লঙ্ঘিত হয়েছে, হিসেবেই সবচাইতে বেশি। সুতরাং সেই হিসাব দেয়ার জন্য প্রস্তুত থাকুন।

লেখক : কেন্দ্রীয় সভাপতি
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির

SHARE

Leave a Reply