সমাজ বিনির্মাণে যুবদের দায়িত্ব ও কর্তব্য ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম

[৩য় কিস্তি]

আমরা আগেই বলেছি এই সমাজ পরিবর্তনের জন্য এমন যুবক মানুষের প্রয়োজন যারা ঈমান রক্ষা করতে গিয়ে সব কষ্ট নির্যাতন, অপমান সহ্য করেছে কিন্তু অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি নিজেদের জীবন হুমকির সম্মুখীন জেনে-বুঝেও সত্যের পথে ছিলেন অটল-অবিচল। তেমনি একজন আমাদের জাতির পিতা হজরত ইবরাহিম (আ)। ইবরাহিম (আ) যখন মুর্তি ভাঙার ঘটনাটি ঘটিয়েছিলেন তখন তিনি বয়সে যুবকই ছিলেন। ইসলামে হজরত ইবরাহিম (আ) খলিলুল্লাহ বা আল্লাহর বন্ধু হিসেবে পরিচিত। তিনি ছিলেন হজরত নূহ (আ)-এর বংশধর। তাঁর পিতা ছিলেন মূর্তি উপাসক। পক্ষান্তরে মহান আল্লাহ নবুয়ত দানের মাধ্যমে হজরত ইবরাহিম (আ)-কে একাত্মবাদের সন্ধান দেন এবং তাঁর গোত্রকে একাত্মবাদে আহ্বান করার আদেশ দেন। এ নিয়ে বাবার সঙ্গে হজরত ইবরাহিম (আ)-এর মতের অমিল হয় এবং তাঁর বাবা তাঁকে পাথর নিক্ষেপ করে মেরে ফেলার হুমকি দেন। কিন্তু হজরত ইবরাহিম (আ) ছিলেন মহান আল্লাহর একাত্মবাদ প্রচার এবং তাঁর বংশকে সঠিক পথে পরিচালনায় দৃঢ় সঙ্কল্পবদ্ধ। পরে তিনি তাঁদের দেব-দেবীর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কথা বলতে থাকেন। তাঁর সম্পর্কে বলা হয়েছে, যিনি বড় মূর্তিটিকে রেখে সকল মূর্তিকে ভেঙে ফেলেছিলেন। তিনি বড় মূর্তিটিকে এ জন্য রেখে দিয়েছিলেন যে, হয়তোবা তারা তার দিকে ফিরে আসবে। যারা এ সকল মূর্তির পূজা করতো তারা এ ঘটনা বর্ণনা করতে গিয়ে বললো, “আমরা এক যুবককে এদের কথা বলতে শুনেছিলাম, তার নাম ইবরাহিম।” (সূরা আম্বিয়া : ৬০)

পবিত্র কুরআনের সূরা আম্বিয়ার ৫১ থেকে ৭৩ নম্বর আয়াতের বর্ণনা মতে, হজরত ইবরাহিম (আ)-এর সঙ্গে তাঁর পিতা ও তাঁর সম্প্রদায়ের লোকদের দেব-দেবী বা মূর্তির অসারতা নিয়ে মতপার্থক্য ঘটে। কিন্তু পিতা ও সম্প্রদায় তাদের পূর্বপুরুষের প্রথা তথা মূর্তিপূজা ছাড়তে রাজি ছিল না। সূরা আম্বিয়ার ৫৮ নম্বর আয়াত অনুসারে এ পর্যায়ে হজরত ইবরাহিম (আ) তাদের উপাসনালয়ের প্রধান বা বড় মূর্তি অক্ষত রেখে বাকি সব মূর্তি ভেঙে দেন।

তাফসির মতে, এরপর যে কুঠার দিয়ে মূর্তিগুলো ভাঙা হয়, সে কুঠার বড় মূর্তির গলায় ঝুলিয়ে দেন। মূর্তি উপাসকদের বুঝতে বাকি থাকল না যে এটা কার কাজ। কিন্তু বড় মূর্তি ছোট মূর্তিদের রক্ষা করতে না পারায় এবং বড় মূর্তির গলায় কুঠার থাকায় তারা দাবিও করতে পারছিল না যে এসব দেব-দেবী ক্ষমতাবান এবং তাদের সম্প্রদায়ের রক্ষাকর্তা। ইবরাহিম (আ)ও তাঁর সম্প্রদায়কে বলেন, তারা যেন তাদের তথাকথিত ক্ষমতাবান দেব-দেবীদের জিজ্ঞেস করে এটা কার কাজ।

সে অনুসারে সে সেগুলোকে ভেঙে টুকরো টুকরো করে ফেললো এবং শুধুমাত্র বড়টিকে ছেড়ে দিল, যাতে তারা হয়তো তার দিকে ফিরে আসতে পারে। অর্থাৎ যে সময় পূজারি ও রক্ষণাবেক্ষণকারীরা উপস্থিত ছিল না সে সময় সুযোগ পেয়েই হজরত ইবরাহিম (আ) তাদের কেন্দ্রীয় ঠাকুরঘরে প্রবেশ করলেন এবং মূর্তিগুলো ভেঙে ফেললেন। ‘তার দিকে’ কথাটির মধ্যে যে ইঙ্গিত রয়েছে তা বড় মূর্তির দিকেও হতে পারে আবার হজরত ইবরাহিমের দিকেও। যদি প্রথমটি হয় তাহলে এটি হবে হজরত ইবরাহিমের পক্ষ থেকে তাদের আকিদা বিশ্বাসের প্রতি একটি বিদ্রƒপাত্মক কটাক্ষের সমার্থক। অর্থাৎ যদি তারা মনে করে থাকে সত্যিই এরা ইলাহ, তাহলে তাদের এ বড় ইলাহটির ব্যাপারে সন্দেহ হওয়া উচিত যে, সম্ভবত বড় ইলাহ কোন কারণে ছোট ইলাহদের প্রতি বিরূপ হয়ে গিয়ে তাদের সবাইকে কচুকাটা করে ফেলেছে। অথবা বড় ইলাহটিকে জিজ্ঞেস করো যে, হুজুর! আপনার উপস্থিতিতে এ কী ঘটে গেলো? কে এ কাজ করলো? আপনি তাকে বাধা দিলেন না কেন? আর যদি দ্বিতীয় অর্থটি গ্রহণ করা হয় তাহলে বুঝা যাবে যে, এ কাজের মাধ্যমে হজরত ইবরাহিমের উদ্দেশ্য এই ছিল যে, নিজেদের মূর্তিগুলোর এ দুরবস্থা দেখে হয়তো তাদের দৃষ্টি আমার দিকে ফিরে আসবে এবং তারা আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে, তখন তাদের সাথে স্পষ্ট ভাষায় কথা বলার সুযোগ আমি পেয়ে যাবো।

কুরআনে বলা হয়েছে- তারা এসে মূর্তিগুলোর অবস্থা দেখে বলতে লাগলো, “আমাদের ইলাহদের এ অবস্থা করলো কে, বড়ই জালেম সে।” কেউ কেউ বললো, “আমরা এক যুবককে এদের কথা বলতে শুনেছিলাম, তার নাম ইবরাহিম।” তারা বললো, “তাহলে তাকে ধরে নিয়ে এসো সবার সামনে, যাতে লোকেরা দেখে নেয়। (কিভাবে তাকে শাস্তি দেয়া হয়)।” (সূরা আম্বিয়া : ৫৯-৬১)
এভাবে হজরত ইবরাহিমের মনের আশাই যেন পূরণ হলো। কারণ তিনি এটিই চাচ্ছিলেন। ব্যাপারটিকে তিনি শুধু পুরোহিত ও পূজারিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চাচ্ছিলেন না। বরং তিনি চাচ্ছিলেন, ব্যাপারটি সাধারণ মানুষের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ুক। তারাও আসুক, দেখে নিক এই যে মূর্তিগুলোকে তাদের অভাব পূরণকারী হিসেবে রাখা হয়েছে এরা কতটা অসহায় এবং স্বয়ং পুরোহিতরাই এদের সম্পর্কে কী ধারণা পোষণ করে। এভাবে এ পুরোহিতরাও ফেরাউনের মতো একই ভুল করলো। ফেরাউন জাদুকরদের সাথে হজরত মূসাকে (আ) প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ করার জন্য সারা দেশের মানুষকে একত্র করেছিলো, এরাও হজরত ইবরাহিমের মামলা শোনার জন্য সারা দেশের মানুষকে একত্র করলো। সেখানে হজরত মূসা সবার সামনে এ কথা প্রমাণ করার সুযোগ পেয়ে গিয়েছিলেন যে, তিনি যা কিছু এনেছেন তা জাদু নয় বরং মুজিজা। এখানে হজরত ইবরাহিমকেও তার শত্রুরাই সুযোগ দিয়ে দিলো যেন জনগণের সামনে তাদের ধোঁকাবাজির তেলেসমাতি ছিন্নভিন্ন করতে পারেন।

(ইবরাহিমকে নিয়ে আসার পর) তারা জিজ্ঞেস করলো, “ওহে ইবরাহিম! তুমি কি আমাদের ইলাহদের সাথে এ কাণ্ড করেছো?” তিনি জবাব দিলেন, “বরং এসব কিছু এদের এ সরদারটি করেছে, এদেরকেই জিজ্ঞেস করো, যদি এরা কথা বলতে পারে।” (৬০ : ৬৯) আমি বললাম: “হে আগুন! ঠাণ্ডা হয়ে যাও এবং নিরাপদ হয়ে যাও ইবরাহিমের জন্য।” (সূরা আম্বিয়া : ৬১-৬২)
এ শেষ বাক্যটি স্বতই এ কথা প্রকাশ করছে যে, প্রথম বাক্যে হজরত ইবরাহিম মূর্তি ভাঙার দায় যে বড় মূর্তিটির ঘাড়ে চাপিয়েছেন, তার দ্বারা মিথ্যা বলা তার উদ্দেশ্য ছিল না। বরং তিনি নিজের বিরোধীদেরকে প্রমাণ দর্শাতে চাচ্ছিলেন। তারা যাতে জবাবে নিজেরাই একথা স্বীকার করে নেয় যে, এ উপাস্যরা একেবারেই অসহায় এবং এদের দ্বারা কোনো উপকারের আশাই করা যায় না, তাই তিনি একথা বলেছিলেন। শব্দাবলি পরিষ্কার জানিয়ে দিচ্ছে এবং পূর্বাপর বক্তব্যও এ অর্থ সমর্থন করছে যে, তারা সত্যিই তাদের সিদ্ধান্ত কার্যকর করে। অন্য দিকে আগুনের কুণ্ড তৈরি হয়ে যাবার পর তারা যখন হজরত ইবরাহিমকে তার মধ্যে ফেলে দেয় তখন মহান আল্লাহ আগুনকে হুকুম দেন সে যেন ইবরাহিমের জন্য ঠাণ্ডা হয়ে যায় এবং তার কোনো ক্ষতি না করে। বস্তুত কুরআনে সুস্পষ্টভাবে যেসব মুজিজার বর্ণনা দেয়া হয়েছে এটিও তার অন্তর্ভুক্ত। এখন কোনো ব্যক্তি যদি এ মুজিজাগুলোকে সাধারণ ঘটনা প্রমাণ করার জন্য জোড়াতালি দিয়ে কৃত্রিম ব্যাখ্যার আশ্রয় নেয়, তবে বুঝতে হবে যে, তার মধ্যে আল্লাহর জন্যও বিশ্ব-জাহানের প্রচলিত নিয়মের বাইরে অস্বাভাবিক কোনো কিছু করা সম্ভবপর নয়। যে ব্যক্তি এরূপ মনে করে, আমি জানতে চাই যে, সে আল্লাহকে মেনে নেয়ার কষ্টই বা করতে যাচ্ছে কেন? আর যদি সে এ ধরনের জোড়াতালির ব্যাখ্যা এ জন্য করে থাকে যে, আধুনিক যুগের তথাকথিত যুক্তিবাদীরা এ ধরনের কথা মেনে নিতে প্রস্তুত নয়, তাহলে আমরা তাকে জিজ্ঞেস করি, জনাব! তথাকথিত সেসব যুক্তিবাদীকে যে কোনোভাবেই হোক স্বীকার করাতেই হবে, এ দায়িত্ব আপনার ঘাড়ে কে চাপিয়ে দিয়েছিল? কুরআন যেমনটি আছে ঠিক তেমনিভাবে যে তাকে মেনে নিতে প্রস্তুত নয়, তাকে তার অবস্থার ওপর ছেড়ে দিন। তার স্বীকৃতি আদায় করার জন্য কুরআনকে তার চিন্তাধারা অনুযায়ী ঢেলে সাজানোর চেষ্টা করা, যখন কুরআনের মূল বক্তব্য প্রতিটি শব্দ এ ঢালাইয়ের বিরোধিতা করছে, তখন এটা কোন ধরনের প্রচার এবং কোন বিবেকবান ব্যক্তি একে বৈধ মনে করতে পারে?
“তারা চাচ্ছিল ইবরাহিমের ক্ষতি করতে কিন্তু আমি তাদেরকে ভীষণভাবে ব্যর্থ করে দিলাম।” (সূরা আম্বিয়া-৭০)

ইউসুফ আস-সাদিক (আ)
পবিত্র কুরআন আরেকজন যুবক সম্পর্কে আমাদেরকে বলেছেন। তিনি হলেন ইউসুফ (আ)। তিনি যখন যুবক বয়সে উপনীত হলেন, তখন তাঁর কাছে যৌনচাহিদা পূরণের প্রস্তাব এসেছিলো। তিনি শাহাওয়াত এর বয়সে উপনীত হওয়ার পরেও এমন গর্হিত কাজের আহবান ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। তাঁর ঈমান যদি দুর্বল হতো, তাহলে তাঁর নফসের এ খায়েশকে পূর্ণ করার জন্য তাঁর সকল ইন্দ্রিয় তাঁকে এ আবেদনে সাড়া দেয়ার ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করত।
অথচ তিনি এমন যুবক ছিলেন, যিনি ছিলেন সুদর্শন এবং পূর্ণ যুবক। তিনি তাঁর দেশ থেকে ছিলেন অনেক দূরে অন্য এক স্থানে, সেখানে তাঁকে কেউ চিনতোও না। তাঁকে এ কাজের জন্য ঘৃণা করবে এমন কেউ সেখানে উপস্থিত ছিল না। তিনি ছিলেন একজন অবিবাহিত যুবক, তাঁর যৌনচাহিদা পূর্ণ করবে এ জন্য তাঁর স্ত্রীও ছিল না। তাঁকে যে মহিলা প্রেম নিবেদন করেছিলো সে মহিলা কোনো সাধারণ মহিলা ছিল না। সে ছিল একজন সুন্দরী এবং উচ্চ বংশমর্যাদাসম্পন্না মহিলা। তিনি ছিলেন ধন-দৌলতের অধিকারী আযিযের স্ত্রী। ইউসুফ (আ) তার অধীনেই ছিলেন। অপর দিকে ইউসুফ (আ) তার বাড়িতেই ছিলেন। এটা এমন কোনো সাময়িক ফিতনা ছিলো না। বরং ছিলো একটা চলমান ফিতনা।

সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অবিরত যে মহিলা তাঁকে তার দিকে আহবান করেছিল; সঙ্গোপনে নয় বরং খোলা দরজা দিয়েই প্রবেশ করে ইউসুফ (আ)কে আহ্বান করে বলেছিলো, “এসো না”। কিন্তু ইউসুফ (আ) তার এ সকল কিছুকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করে বলেছিলেন, “আমি আল্লাহর আশ্রয় নিচ্ছি, আমার রব তো আমাকে ভালোই মর্যাদা দিয়েছেন, আর আমি এ কাজ করবো(!)। এ ধরনের জালেমরা কখনো কল্যাণ লাভ করতে পারে না।” (সূরা ইউসুফ : ২৩)
আযিযের স্ত্রী সেই মহিলা যখন ইউসুফ (আ)কে ধোঁকায় ফেলতে ব্যর্থ হলো তখন সে মহিলাদের সামনে এসে হুমকিস্বরূপ বললো, “সে বললো, দেখলে তো! এ হলো সেই ব্যক্তি যার ব্যাপারে তোমরা আমার বিরুদ্ধে নিন্দাবাদ করতে। অবশ্য আমি তাঁকে প্ররোচিত করার চেষ্টা করেছিলাম কিন্তু সে নিজেকে রক্ষা করেছে। যদি সে আমার কথা না মেনে নেয় তাহলে কারারুদ্ধ হবে এবং নিদারুণভাবে লাঞ্ছিত ও অপমানিত হবে।” (সূরা ইউসুফ : ৩২) “ইউসুফ বললো, হে আমার রব! এরা আমাকে দিয়ে যে কাজ করাতে চাচ্ছে তার চাইতে কারাগারই আমার কাছে অধিক প্রিয়! আর যদি তুমি এদের চক্রান্ত থেকে আমাকে না বাঁচাও তাহলে আমি এদের ফাঁদে আটকে যাবো এবং অজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত হবো।” (সূরা ইউসুফ : ৩৩)

ইউসুফ (আ) এ দু’টি পছন্দের মধ্যে একটিকে বেছে নিতে বাধ্য ছিলেন। একটি ছিল তাঁর দ্বীনের ব্যাপারে ক্ষতি, অপরটি ছিলো তাঁর দুনিয়ার ব্যাপারে ক্ষতি। দ্বীনের ব্যাপারে তাঁর ক্ষতি ছিল যে, সে জেনা করে ফাসিকদের অন্তর্ভুক্ত হবে। আর দুনিয়ার ব্যাপারে ক্ষতি ছিল যে, সে জেলে যাবে এবং অপমানিত হবে। কিন্তু তিনি তাঁর দ্বীনকে দুনিয়ার উপরে প্রাধান্য দেন। নবী করিম সা. আমাদেরকে শিক্ষা দিয়েছেন যে, ‘হে আল্লাহ! তুমি আমাদেরকে দ্বীনের ব্যাপারে মুসিবতে ফেল না। তুমি দুনিয়াকে আমাদের সামনে সবচেয়ে বড় উপলক্ষ বানিয়ে দিও না এবং আমাদেরকে জ্ঞানের চূড়ান্ত প্রান্তসীমায় পৌঁছে দিও না।’ (Let no misfortune afflict our Deen; let not worldly affairs be our principal concern, or the ultimate limit of our knowledge.)
(চলবে)
লেখক : সহকারী সম্পাদক, সাপ্তাহিক সোনার বাংলা

SHARE

Leave a Reply