সম্পাদকীয়

সিরাজের বাংলায় মীর জাফরের ঠাঁই নাই- এমন শ্লোগানের মাধ্যমেই সাধারণত আমরা পলাশী দিবস উদযাপন করে থাকি। নিছক এটি দেশপ্রেম বলে উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। তবে এর সাথে সাথে আমাদেরকে জানতে হবে পলাশীর প্রান্তরে কেন সেদিন কেউ সিরাজের হয়ে ইংরেজদের বিরোধিতা করতে আসেনি। মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতার পাশাপাশি সিরাজের কোনো দুর্বলতা ছিল নাতো? সে ইতিহাসও আজ জানা বড়ই প্রয়োজন। আরো একটা পলাশী আমাদের সামনে অপেক্ষা করছে কি না তা গভীরভাবে ভাবতে হয়। গণতন্ত্র মুক্তির আন্দোলনে সাধারণ জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ থাকা সত্ত্বেও আজো একটি জগদ্দল পাথরকে বুকে নিয়ে সীমাহীন কষ্টে প্রতিটি প্রহর অতিবাহিত করতে হচ্ছে। নেপথ্যের কারণ চিহ্নিত করতে ব্যর্থ হলে নতুন কোনো পলাশীর পথ মনে হয় বেশি দূরে নয়। তাই বিষয়টি এখন গভীরভাবে বিশ্লেষণ সময়ের দাবি।

২.
আমাদের চারপাশে যা কিছু আছে তাই নিয়ে আমাদের পরিবেশ। তবে আমাদের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় নদী ও সবুজ বনানীর ভূমিকা অনস্বীকার্য। তবে ক্রমে ক্রমে আমাদের চারপাশ থেকে গাছগাছালি নিধন হয়ে যাচ্ছে, নদীগুলো তার নাব্যতা হারাতে বসেছে। ফলে আমাদের পরিপার্শ্বের পরিবেশ আর বিশুদ্ধ ও নির্মল থাকছে না। গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান শ্লোগানসর্বস্ব এমন বুলি যেন শুধু না আওড়াই। আসুন পরিবেশবান্ধব একটি পৃথিবী গড়ার স্বপ্নে নতুন করে পথ চলি প্রতিদিন।

৩.
অনুরাগে রঙিন গোলাপ তুলে
ফুলদানি সাজিয়েছি প্রীতির ফুলে
আমাদের চোখে প্রেম সুরমা আঁকা
ঈদের খুশি আজ মেলেছে পাখা।
– কবি গোলাম মোহাম্মদ

ভেদাভেদের সকল দেয়াল চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিয়ে একই ঈদগাহে প্রীতির বন্ধনে মহামিলনের মহাসমাবেশে এক আন্তরিক অনুভূতি জাগ্রত করে ঈদ। আমাদের সমাজের পরিচালিত একটি ধারণা ঈদুল ফিতর মানেই হলো নতুন পোশাক পরিধান, আতর সুরমা লাগানো, আড্ডায় মেতে ওঠা। কিন্তু ইসলামী সংস্কৃতির ইতিহাস ভিন্ন। প্রকৃত রোজাদারদের জন্যই হলো ঈদ। আল্লাহ যেন আমাদের রোজাগুলোকে কবুল করেন, ঈদ সবার ঘরে ঘরে বয়ে আনুক অনাবিল শান্তির বার্তা, সেই শুভক্ষণের প্রত্যাশায়… হ

SHARE

Leave a Reply