সাফল্য অর্জনে প্রয়োজন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করা

মুহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত #

Crearমানুষ সামাজিক জীব। সামাজিক জীব হিসেবে অন্ন, বস্ত্র, খাদ্য, বাসস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ মৌলিক সকল কাজই প্রাত্যহিক জীবনে মানুষকে করতে হয়। মৌলিক কাজের পাশাপাশি চাহিদা পূরণে মানুষকে ছোট থেকে বড় অনেক কাজেই ব্যস্ত থাকতে হয়। ছোট কিংবা বড় হোক অনেক কাজ একদিনেই করা হয় না। আবার কোন কাজ প্রতিদিনই করা হয় না। দৈনন্দিন জীবনে যে কয়টি কাজ করবে তা নির্ভর করবে কয়টি কাজ করা সম্ভব তার ওপর। মানুষের জীবনে ব্যস্ততা চিরন্তন। অবসর সময়ে চুপ করে বসে থাকাও সময়ের বিচারে একটি ব্যস্ততা। কিন্তু এই নির্দিষ্ট সময়ের জীবনে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সবসময় কাজ করাই হলো ব্যক্তিজীবনের মূল সফলতা। যদি প্রশ্ন করা হয়, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করা বিষয়টি ব্যক্তিজীবনের সফলতার সাথে কতটুকু সম্পৃক্ত। উত্তর একটাই, নির্দিষ্ট সময়ে অসীম চাহিদা পূরণ করতে হলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজের কোন বিকল্প নেই। আমাদের মাঝে অনেককেই পাওয়া যাবে সময় নির্দিষ্ট অর্থাৎ দিনে ২৪ ঘণ্টা এটি জানার পরও সারাদিন কাজ করছেন অথচ কাজ শেষ করতে পারছেন না। তারা আকাক্সক্ষা করেন, ইস! ২৪ ঘণ্টার পরিবর্তে যদি দিনটি আরো কয়েক ঘণ্টা বেশি হতো।
যারা কাজ করেন না অলস সময় কাটান তাদের জন্য হিসাবটা ভিন্ন। কিন্তু যারা কাজের সফলতা চান, যারা চান নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ করতে। যারা প্রতিদিনই বিরামহীন কাজ করতে করতে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে কাজে সফলতা চান তাদের যথাসময়ে কাজে অসফল হওয়ার বিষয় পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে যে তারা গুছিয়ে কাজ করেননি। অর্থাৎ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করেননি। সময় যে বছর মাস, সপ্তাহ, দিন, ঘন্টা, সেকেন্ডের মাপকাঠি তা অনেকেই ভুলে যান। অনেকেই ভুলে যান দিন ২৪ ঘণ্টার বেশি হওয়া সম্ভব নয় কিংবা মিনিটও ৬০ সেকেন্ডের বেশি হওয়া সম্ভব নয়। সেকেন্ড মিনিট ঘণ্টার এই সময়গুলো সুনির্দিষ্ট। কালের বিচারে আগামীকাল বলতে কোনো শব্দ বাস্তবিকই সময়ের খাতায় অর্থহীন। কারণ আগামীকাল বলে আপনি যে সময়কে চিন্তা করছেন সে সময়ের মুখোমুখি যখন আপনি হবেন তখন সেই সময়টিই আপনার নিকট আগামীকালের পরিবর্তে বর্তমান তথা আজে পরিণত হবে। আগামীকাল বলতে কোন দিন নেই। দিন নামক শব্দটি শুধু আজকের জন্য- তাই আজকের সর্বোত্তম ব্যবহার করা প্রয়োজন। এ ব্যাপারে তাগিদ দিয়ে মানবতার মহান শিক্ষক রাসূলে কারীম (সা) বলেছেন, “দু’জন ফেরেস্তার নিম্নরূপ আহবান ব্যতীত একটি প্রভাতও আসে না, ‘হে আদম সন্তান- আমি একটি নতুন দিন এবং আমি তোমার কাজের সাক্ষী, সুতরাং আমার সর্বোত্তম ব্যবহার কর। শেষ বিচার দিনের আগে আমি কখনও ফিরে আসব না।’ আমার মূল্যবান দিনটি যেহেতু শেষ বিচার দিনের আগে কখনো ফিরে আসবে না সেহেতু সফলতা নিশ্চিত করার জন্য প্রতিটি দিনকে সর্বোত্তম ব্যবহার করা প্রয়োজন। আর সর্বোত্তম ব্যবহারের নিশ্চয়তা দেবে দৈনন্দিন কাজগুলোকে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বিন্যাস করা। কাজের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে একটি তালিকা তৈরি করে চিন্তা ও বুদ্ধির সমন্বয়ে কাজগুলো সম্পন্ন করতে পারলে তবেই ধরা দেবে সফলতা।
ব্যক্তি হিসেবে প্রত্যেকের কাজেরই ভিন্ন ভিন্ন ধরন রয়েছে। কিন্তু চাহিদা সবারই সমান। যেমন নামাজ, অজু, গোসল, দাঁত ব্রাশ, নাস্তা, ঘুম, এগুলো সকলেরই মৌলিক কাজ। কিন্তু এর বাইরেও ব্যক্তিকেন্দ্রিক কিছু নির্দিষ্ট কাজ রয়েছে। প্রত্যেক ব্যক্তির তাই অগ্রাধিকারের তালিকাও হবে ভিন্ন ভিন্ন। একজন ছাত্রের অগ্রাধিকারভিত্তিক তালিকা যখন সামনে আসবে তখন তার অগ্রাধিকারের তালিকায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হবে পড়া, পড়া এবং পড়া। আবার এই পড়ার ক্ষেত্রেও আরেকটি বিষয় অগ্রাধিকার পাবে তা হলো, কোন বিষয়ে কতটুকু পড়া হবে। কোন সময় কোন বিষয় পড়া হবে। প্রতিদিন সময় যেহেতু নির্দিষ্ট অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টার। এই ২৪ ঘণ্টার  ভেতরেই কাজ সম্পাদনের জন্য একটি অগ্রাধিকারভিত্তিক তালিকা থাকবে। তালিকার ক্ষেত্রে যদি ধরা যাক একজন ছাত্রকে প্রতিদিন ১০টি বিষয়ের পড়া তৈরি করতে হবে তাহলে তাকে কোন বিষয় কতটুকু সময় দিয়ে পড়তে হবে তা আগে ঠিক করে নিতে হবে। ১০টি বিষয় একজন ছাত্র সমান পারদর্শী না-ও হতে পারে। ইংরেজিতে দুর্বল হলে তার জন্য সময় একটু বেশিই বরাদ্দ থাকতে হবে। আবার বাংলায় ভালো হলে একটু কম সময় বরাদ্দ রাখতে হবে।
এভাবে প্রত্যেক ব্যক্তি তার সফলতার জন্য অগ্রাধিকারভিত্তিক প্ল্যান তৈরি করে সময়কে কাজে লাগাতে হবে। যিনি ব্যবসায়ী তারও একটা অগ্রাধিকারভিত্তিক প্ল্যান থাকতে হবে, তার প্ল্যানে ব্যবসায়িক খুঁটিনাটি বিষয়টিই হবে তার অগ্রাধিকারের বিষয়। একজন ব্যবসায়ী যদি তার দোকানে বিক্রির জন্য অগ্রাধিকারভিত্তিক তালিকা প্রণয়ন না করে পণ্য মজুদ করেন তাহলে যে চিত্রটি দেখা যাবে তা ব্যবসাবান্ধব চিত্র নয়। যেমন একটি মুদির দোকানে যদি ক্রেতার সর্বাধিক চাহিদা থাকে আটা, ময়দা, সুজির। এই তিনটি পণ্য দোকানে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়। এখন ঐ বিক্রেতা যদি অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে পণ্য মজুদ না করে লবণ চিনি বেশি মজুদ করেন তাহলে অর্থকরী সম্পদ হওয়ার পরও তার এই সম্পদ ব্যবসা সমৃদ্ধিতে বেশি কাজে লাগবে না। বরং তাকে আটা ময়দা সুজিই বেশি মজুদ রাখতে হবে। কারণ ক্রেতা আটা ময়দা সুজি ক্রয়ের জন্যই বেশি আসবে। তেমনিভাবে একজন ছাত্রকে জ্ঞান আহরণের জন্য, ক্লাসের পড়া তৈরি করার জন্য, দুর্বল সাবজেক্ট হিসেবে ইংরেজি, গণিতে বেশি সময় দিতে হবে। কিন্তু সে যদি পারদর্শী হওয়ার পরও বাংলায়ই বেশি সময় দেয় তাহলে বিষয়টি হবে আটা ময়দা সুজিতে বিনিয়োগ বেশি না করার মতো। লবণ চিনির মতো বাংলায়ও জ্ঞান অর্জন হবে কিন্তু পূর্ণাঙ্গ মেধা অর্জনে ইংরেজি গণিতের চাহিদা পূরণ করতে না পারার কারণে ভালো কাক্সিক্ষত রেজাল্ট আসবে না।
আবার যিনি সংগঠক, সমাজসংস্কারক তার অগ্রাধিকারে সংগঠন পরিচালনার মূল বিষয়টিই প্রাধান্য পাবে। ছাত্রজীবনে যিনি সংগঠকের ভূমিকা পালন করেন অথবা যিনি সমাজ সংস্কারকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়ার চর্চা করেন, তাকেও অগ্রাধিকারভিত্তিক একটি প্ল্যান প্রতিদিনই তৈরি করতে হবে। তবে তার ব্যস্ততা প্রতিদিনের মত সমান না-ও হতে পারে। এ জন্য সার্বিক ভারসাম্যের জন্য তাকে কিছু সময় টেবিল ওয়ার্ক করা উচিত। অর্থাৎ প্রতিদিন কয়েক মিনিট সময় টেবিলে বসে দিনের সুনির্দিষ্ট একটি পরিকল্পনা নেয়া উচিত। যাতে তিনি প্রণয়ন করবেন কোন সময় কোন কাজ করবেন, কোন কাজকে বেশি প্রাধান্য দিয়ে অগ্রাধিকার তালিকায় রাখবেন। তার পাশাপাশি অধ্যয়নের সময় কোনভাবেই এ পরিকল্পনা থেকে বাদ যাবে না এই হিসাবটাও করে রাখতে হবে। যেদিন সবচেয়ে বেশি ব্যস্ততা সেদিনও কয়েক ঘণ্টা অধ্যয়নের জন্য বরাদ্দ রাখা উচিত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বকালের সেরা মেধাবী ছাত্র শহীদ আবদুল মালেকের পড়াশোনার ক্ষেত্রে একটি মৌলিক নীতি ছিল, তিনি যত বেশি ব্যস্ততার মাঝেই দিন অতিবাহিত করেন না কেন অন্তত কম করে হলেও দু-ঘণ্টা পড়াশোনা করে তারপরই ঘুমোতে যাবেন।
একজন ছাত্রের মূল স্লোগান হলো ‘ছাত্র নং অধ্যায় নং তপঃ’ পড়াশোনাই হবে তার মূল প্রতিপাদ্য বিষয়। এ ক্ষেত্রে সফল তারাই যারা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করতে পারেন যারা বিচক্ষণতার সাথে প্রাত্যহিক কাজের প্ল্যান তৈরি করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে অবশ্যই প্ল্যানটি কাগজে কলমে লিখিত থাকা উচিত, চাই সেটা ছোট এক টুকরা চিরকুট হোক না কেন। যারা কাগজে কলমে না লিখে মুখস্থ প্ল্যান নেয়ায় অভ্যস্ত তাদেরই গুরুত্বপূর্ণ কাজ অথবা দু-একটি অগ্রাধিকারের কাজ খেয়ালের ভুলে হাতছাড়া হয়ে যেতে পারার আশঙ্কা বেশি থাকে। মানব জীবনের জন্য সময় সুনির্দিষ্ট। সুনির্দিষ্ট সময় টুকুকে অগ্রাধিকারভিত্তিক প্ল্যানের আওতায় নিয়ে এসে কাজের সাথে খাপ খাওয়ানো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অনেক কাজ হাতে আসবে তার মধ্যে কোন কাজটি সবার আগে সম্পন্ন করতে হবে তা নির্ধারণ করে কাজ শুরু করতে পারাই যথার্থতা। আর আজকের কাজ আজকের মধ্যেই সম্পন্ন করাই সার্থকতা। কাউকে একটি কাজ দিলে কাল করবো বলে যদি রেখে দেয় দেখা যাবে আগামী কাল অন্য ব্যস্ততায় এই কাজটিই পরবর্তী দিনের জন্য রক্ষিত হয়ে যাবে। এভাবেই মানুষ সুযোগ হাতছাড়া করে, সময় ক্ষেপণ করে সুযোগকে নষ্ট করে, সম্ভাবনাকে হাতছাড়া করে, আর এভাবেই শেষ পর্যন্ত ভাগ্যের নির্মম বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়।
অপর দিকে যাদের মধ্যে সময়ের জ্ঞান আছে। সময়ের কাজ সময়ে করার প্রতিজ্ঞা আছ। অগ্রাধিকারভিত্তিক কাজের প্ল্যান আছে। আজকের কাজ আজকেই সমাধান করার উদগ্রীব ব্যাকুলতা আছে। তারাই তো জীবনে প্রকৃত সফলকাম হন। তারা কখনো আগামী কালের জন্য বসে থাকেন না বলেই বিজয়ীর হাসি তারাই হাসেন। প্রকৃতপক্ষে সময় হচ্ছে একটি সুযোগ মাত্র। এই সুযোগ সকল সময় আসে না, আসলেও স্থায়ী থাকে না। কারণ পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি দ্রুতগামী বিষয় হচ্ছে সময়। যারা সময়ের গুরুত্ব বুঝে জীবনের সকল কাজগুলোকে অগ্রাধিকার প্ল্যানের মধ্যে নিয়ে এসে সুযোগ কাজে লাগানোর চেষ্টা করেন তারা সফলতার জন্য জীবনের সকল বিষয় এমনকি জটিল বিষয়গুলোকেই সহজ করে নেন। আর এর ফলে সফলতা তাদের হাতের মুঠোয় সহজেই ধরা দেয়। সময় হচ্ছে মূল্যবান সুযোগ। আর তা শেষ হওয়ার পর মানুষের সামনে আর কোন অবকাশ থাকে না। সময়ের ব্যাপারে সার্বজনীন মূলনীতি হচ্ছে প্রতিদিন আমাদের জন্য সমপরিমাণ ঘণ্টা ও মিনিট বরাদ্দ রয়েছে। এই ঘণ্টা ও মিনিটগুলোকে আপনি জমা করে রাখতে পারবেন না আবার কারো সাথে বিনিময়ও করতে পারবেন না। এ ব্যাপারে মহাগ্রন্থ আল কুরআনে সূরা মুনাফিকুনের ১১ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেন, “প্রত্যেক ব্যক্তির নির্ধারিত সময় যখন উপস্থিত হবে তখন আল্লাহ কাউকে অবকাশ দেবেন না। তোমরা যা কর আল্লাহ সে বিষয়ে খবর রাখেন।” নির্দিষ্ট সময় চলে যাওয়ার পর আর অবকাশ পাওয়া যায় না। পরীক্ষার আগে প্রস্তুতির যে সময় পাওয়া যায় সেটি যখন শেষ হয় পরীক্ষা সমাগত হয় তখন ইচ্ছা করলেও আগের সময় ফিরে পাওয়ার কোন অবকাশ নেই। দুনিয়ার জীবনে হয়তো আন্দোলন বিক্ষোভ করে পরীক্ষা পেছানো যেতে পারে কিন্তু পরকালীন জীবনে মানুষ আর্তচিৎকার করেও সময়ের অবকাশ পাবে না। এ ব্যাপারে সূরা ফাতিরের ৩৭ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন, “সেখানে তারা আর্তচিৎকার করে বলবে, হে আমাদের রব বের করুন আমাদেরকে। আমরা সৎ কাজ করব। আগে যা খারাপ কাজ করতাম তা আর করব না। (আল্লাহ বলবেন) আমি কি তোমাদেরকে এতটা বয়স দিইনি যাতে যা চিন্তা করার সে বিষয় চিন্তা করতে পারতে? উপরন্তু তোমাদের কাছে সতর্ককারীও আগমন করেছিল। অতএব আস্বাদন কর। জালেমদের জন্য কোন সাহায্যকারী নেই।” সত্যিকার অর্থে তারাই সময় সম্পর্কে উদাসীন, যারা অবচেতন মনে সময় নষ্ট করেন। তারা জীবনে সফলতার মুখ দেখেন না। সম্মুখীন হন চরম ক্ষতির। সময় নষ্ট করা মানেই জীবন ক্ষতির সম্মুখীন করে ধ্বংসের অতল গহ্বরে তলিয়ে দেয়া। মহান আল্লাহ সূরা আসরের মধ্যে এ ব্যাপারে উল্লেখ করেছেন, “সময়ের কসম নিশ্চয়ই মানুষ ক্ষতির মধ্যে নিমজ্জিত। তবে তারা ছাড়া যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে এবং পরস্পরকে সত্যে ও ধৈর্যের উপদেশ দেয়।’’ সুতরাং সময়ের সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করে আমাদেরকে সফলতার স্বর্ণ শিখরে পৌঁছাতে হবে।
সময় ও কাজকে ভাগ করে  নেয়া যায় এভাবে- ১. অবশ্যই করণীয় ২. করণীয় ৩. করা দরকার ৪. সময় থাকলে করা ভালো। অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে কাজ না করলে কাক্সিক্ষত সফলতা অর্জন করা সম্ভব নয়। এ জন্য সফলতার মূল চাবিকাঠি হলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করা।
লেখক : কেন্দ্রীয় সাহিত্য সম্পাদক,
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির

SHARE

Leave a Reply