স্বাধীনতার অর্ধশতকে চাওয়া-পাওয়ার সমীকরণ -সালাহউদ্দিন আইউবী

মহান মুক্তিযুদ্ধ আমাদের দিয়েছে এক টুকরো স্বাধীন ও সার্বভৌম ভূখণ্ড। দেশের এমন কোনো নদী নেই যার পানি প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের মানুষের রক্তের লালিমায় সিঞ্চিত হয়নি। কথা ছিলো লাল-সবুজের একটি পতাকা পেলে লিখবো না আর অঙ্কুরিত কষ্টের কোনো কবিতা। কিন্তু অর্ধশতাব্দী পরও আমরা স্বাধীনতাকে খুঁজছি। আজও কোটি মানুষের হৃদয়ে হাহাকার আর ঝড় বইছে দুঃশাসনের আর্তনাদে। নিঃশব্দ যন্ত্রণায় প্রকম্পিত বাংলার আকাশ বাতাস। ক্রিকেট বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হতে না পারলেও দুর্নীতিতে বারবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে নির্যাতিত এই দেশ। মুক্ত স্বদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কথা থাকলেও নানা উপায়ে এদেশের মানুষ স্বৈরশাসকের জাঁতাকলে পিষ্ট হচ্ছে এখনও। যেখানে গণতন্ত্রের জন্য নূর হোসেনকে বুকের তাজা রক্ত দিয়ে, জীবন দিয়ে আঁকতে হয়েছে একটি পোস্টার- ‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক, স্বৈরাচার নিপাত যাক।’ স্বাধীনতা সংগ্রামে কি পাওয়ার কথা ছিলো আমাদের?

কথা ছিল শিক্ষা-দীক্ষা, জ্ঞান, প্রজ্ঞা, যুক্তি বুদ্ধি, বিবেক বিবেচনা, বিশ্লেষণ বিচক্ষণ, চিন্তা চেতনা, মনীষা মানসিকতা, মূল্যবোধ ও দেশাত্মবোধ সম্পন্ন মানুষেরা সুযোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করবে। কিন্তু সুশাসন প্রতিষ্ঠা না হওয়ায় এখানে দুর্জন ব্যক্তিরা হয়েছেন পূজনীয়, দেশপ্রেমিকরা ঝুলেছেন ফাঁসির দড়িতে; রয়েছেন কারাগারে আবদ্ধ।

বাংলাদেশ আজ বেঁচে আছে পচা দুর্গন্ধময় কঙ্কালের ফাঁকফোকরে বেড়ে উঠা ঘৃণ্য দুর্নীতিবাজদের পঙ্কিলতার নড়বড়ে শরীর হয়ে। ক্ষমতা কুক্ষিগত করার অসুস্থ রাজনীতি মহান মুক্তিযুদ্ধের চাওয়া পাওয়াকে ম্লান করতে বসেছে স্বাধীনতার ৫০ বছরে। দেশের মানুষ এখনো বাকস্বাধীনতা, ভোটাধিকার, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ, জীবনের ন্যূনতম নিরাপত্তা লাভের অধিকার থেকে বঞ্চিত। এখনও দেশের মানুষকে প্রতিবেশী দেশের তোষণনীতি থেকে বের করা যায়নি। স্বাধীনতার মধ্য দিয়ে সাম্য ও ন্যায়ের যে সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা ছিল, ৫০ বছর পেরিয়ে আমরা তা থেকে এখনও অনেক দূরে। সভা-সমাবেশ দেশের সাংবিধানিক অধিকার থাকলেও সেই অধিকার খর্ব করা হয়েছে। গণতন্ত্রের মোড়কে স্বৈরাচারী সরকারের রাজত্বে প্রতিহিংসার রাজনীতি, ভিন্নমত দমন, বিনা বিচারে হত্যা, ধর্ষণ এখন নিত্য-নৈমিত্তিক ঘটনা। সংবিধানবিরোধী ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করে অন্যায়ের বিরুদ্ধে মানুষের বাকস্বাধীনতাকে চূড়ান্তভাবে ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে। সরকারি দলের স্বেচ্ছাচারিতায় বিচারব্যবস্থাকে বিতর্কিত করায় সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচারের আশ্রয়স্থলটুকুও আজ জাতির কাছে প্রশ্নবিদ্ধ।

স্বাধীনতার তথাকথিত পক্ষশক্তি সুদীর্ঘ ৫০ বছরের অধিকাংশ সময় দেশকে শাসন করেছে। দীর্ঘ সময় ধরে তারা দেশকে যতটুকু না সুশাসন উপহার দিয়েছে তারচেয়ে বরং শোষণ করেছে বেশি। তারা বাংলাদেশের মানুষের ভাষা বুঝেননি, বুঝতে চেষ্টা করেননি, অথবা বুঝতে পারলেও অবজ্ঞা করে চলেছেন। পত্রিকার পাতা উল্টালে প্রতিদিন লাখো মানুষের বুভুক্ষু কান্নার আওয়াজ শুনতে পাওয়া যায়।

স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে পতাকার রঙ পরিবর্তন হয়েছে, মানচিত্রের আকার পরিবর্তন হয়েছে, জাতীয় সংগীতের পরিবর্তন হয়েছে, শাসনক্ষমতায় পালাবদল হয়েছে, নেতার পরিবর্তন হয়েছে কিন্তু এখনও বাংলাদেশের মেহনতি মানুষের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি, শোষণের মাত্রা বিন্দুমাত্র কমেনি।
স্বাধীনতার ৫০ বছর পেরিয়েও সামগ্রিক প্রয়োজন পূরণ করে এমন শিক্ষানীতি জাতিকে উপহার দিতে পারেনি। দেশের শিক্ষাব্যবস্থা নৈতিকতাসম্পন্ন মানুষ গড়ে তুলতে ব্যর্থ হয়েছে। অপূর্ণাঙ্গ ও অবাস্তব শিক্ষাব্যবস্থার মাশুল দিতে হচ্ছে সারাদেশের মানুষকে। ফলে দেশে একদিকে যেমন বেকারত্ব বেড়েছে, তেমনি দেশের সকল সেক্টরের চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত দক্ষ লোকবল তৈরি করা সম্ভব হয়নি। পাশাপাশি ধর্মনিরপেক্ষতার নাম দিয়ে ধর্মহীন শিক্ষাব্যবস্থা তৈরি করে নৈতিক শিক্ষার কফিনে পেরেক ঠুকে দেয়া হয়েছে। তৈরি হচ্ছে একদল লোভাতুর, ভোগবাদী, মূল্যবোধহীন মানুষ। শিক্ষাব্যবস্থাই পারে একজন মানুষকে পূর্ণাঙ্গ নীতিনৈতিকতা সম্পন্ন মানুষ হিসাবে তৈরি করতে। সে জন্য চাই ধর্ম ও নৈতিকতার সমন্বয়ে বিজ্ঞানসম্মত বাস্তবধর্মী সর্বজনীন শিক্ষানীতি। একমাত্র ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থাই পারে দুনিয়া ও আখেরাতের প্রয়োজন পূরণ করতে এবং নৈতিকতা ও মূল্যবোধ সম্পন্ন মানুষ তৈরি করতে। তাই আমাদের সংগ্রাম- শিক্ষাব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের সংগ্রাম।

শিক্ষাঙ্গনে কেড়ে নেওয়া হয়েছে ছাত্রদের ন্যূনতম অধিকার। ছাত্রসংগঠনগুলোর শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানকে ভূলুণ্ঠিত করে কায়েম করা হয়েছে একক আধিপত্য, তৈরি করা হয়েছে ত্রাসের রাজত্ব। আবাসিক হলগুলোতে সরকারের মদদপুষ্ট ছাত্রলীগের নিপীড়ন, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপের বৈধতা দিয়ে উচ্চতর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ধ্বংস করা হয়েছে। রাজনৈতিক আধিপত্য কায়েম করতে গেস্টরুমে চালানো হয় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। হলে হলে তীব্র সিট সঙ্কট, গণরুম নামক নরকে শিক্ষার্থীরা যাপন করে মানবেতর জীবন। পাশাপাশি তীব্র সেশনজট ও পড়াশোনা শেষে চাকরির অনিশ্চয়তা, মাদক এই সকল কিছু শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যকে ব্যাপকভাবে বিপর্যস্ত করছে। শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের আঁতুড়ঘর ছাত্র সংসদকেও বন্ধ করে রাখা হয়েছে যুগের পর যুগ। স্বৈরাচার পতনের পর দেশে বহুদলীয় ব্যবস্থা চালু হলেও একে একে বন্ধ হয়ে গেছে শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক চর্চার জায়গা। মূলত ছাত্রদের মাঝে ক্ষমতাসীন ছাত্রসংগঠনগুলোর যথেষ্ট জনপ্রিয়তার অভাব ও পরাজয়ের ভয়েই নিষ্ক্রিয় করে রাখা হয়েছে ছাত্র সংসদগুলোকে।

ছাত্র অধিকার প্রতিষ্ঠা ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রকৃত সমস্যা সমাধানে ছাত্রশিবির অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের কল্যাণে বিগত বছরগুলোতে ব্যাপক কাজ করেছে ছাত্রশিবির। আমাদের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থায় ধর্মীয় ও নৈতিক ভিত্তি খুবই দুর্বল। ফলে তৈরি হচ্ছে নৈতিকতা বর্জিত অসহিষ্ণু তরুণ সমাজ। ছাত্রসমাজের নৈতিক শিক্ষার যে মহান দায়িত্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পালন করা দরকার ছিল জাহেলিয়াতের অতলে ডুবতে বসা ছাত্রসমাজের আশার আলো হয়ে সেই দায়িত্ব দীর্ঘদিন যাবৎ অত্যন্ত সচেতনতার সাথে পালন করে আসছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও শিক্ষাকার্যক্রমের মধ্য দিয়ে ছাত্রদের সত্য ও সুন্দরের দিকে আহবান করছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। শিক্ষাকার্যক্রমে উৎসাহিত করতে কৃতী ছাত্র সংবর্ধনা, ক্যারিয়ার গাইডলাইন প্রোগ্রাম, সেমিনার, বিজ্ঞানমেলা বিভিন্ন সময় কুইজ, রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা ইত্যাদি আয়োজন করে থাকে। পাঠ্যপুস্তকে অনৈসলামিক উপাদান, দলীয়করণ ও বিকৃতির বিরুদ্ধে অব্যাহতভাবে সংগ্রাম করে যাচ্ছে। এছাড়াও শিক্ষাবৃত্তি চালু, শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, ফ্রি কোচিং, ল্যাল্ডিং লাইব্রেরি, কর্জে হাসানা ইত্যাদি শিবিরের নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ। ইভটিজিং, মাদক, চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে চলছে নিয়মিত প্রচারাভিযান। সামাজিক কার্যক্রমের অংশ হিসাবে স্বেচ্ছাশ্রম, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান, বিনামূল্যে ব্লাড গ্রুপিং, রক্তদান, শীতবস্ত্র বিতরণ, ত্রাণসামগ্রী ও ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণসহ, পথশিশুদের জন্য কাজ করে থাকে আমাদের প্রিয় এই কাফেলা।

আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, স্বাধীনতাকামী জনতা ও যেকোনো পর্যায়ে মানবতার উপর আঘাতের বিরুদ্ধে সর্বদা প্রতিবাদমুখর থাকে ছাত্রশিবির। সাংস্কৃতিক গোলামি থেকে মুক্তিলাভ ব্যতীত স্বাধীনতার সুফল ঘরে তোলা সম্ভব নয়। আমাদের ড্রয়িংরুম থেকে শপিংমল পর্যন্ত সব জায়গা ভিনদেশী সংস্কৃতির বিষধর সাপের ছোবলে আক্রান্ত। পাশ্চাত্য সভ্যতার ছোবল, পার্শ্ববর্তী দেশের নৈতিকতাবিবর্জিত সংস্কৃতির আগ্রাসন, বাংলাদেশের সিংহভাগ জনগোষ্ঠীর আকাক্সক্ষা বিবর্জিত অশ্লীল সাংস্কৃতিক চর্চা দিনের পর দিন দেশের মানুষকে গোলামির জিঞ্জিরে আবদ্ধ করেছে। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির এ গোলামির জিঞ্জির ভেঙে উপহার দিবে নৈতিকতার এক উজ্জ্বলতম আদর্শিক সংস্কৃতি ইনশাআল্লাহ। শত সমস্যার মাঝেও আমরা আশার আলো দেখি। দেশের ছাত্রসমাজ ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতৃত্বে সমৃদ্ধ কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গড়ার প্রত্যয়কে সামনে রেখে এগিয়ে গিয়েছে বারবার। দেশ যখনই স্বৈরশাসনের কবলে পিষ্ট হয় তখনই গড়ে তোলা হয় প্রতিরোধ।

অবৈধ সরকার যখন ব্যর্থ হয়েছিলো করোনার মহামারীতে মানুষের ন্যূনতম মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে, তখন তরুণ সমাজ মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়েছে খাদ্য ও চিকিৎসা সরঞ্জাম। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ছাত্রসমাজের ভূমিকা প্রশংসনীয়। ক্ষমতার জন্য যারা দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, যারা দেশের স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে গোষ্ঠীস্বার্থের জন্য দেশের স্বার্থবিরোধী একের পর এক চুক্তি করে যাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে রয়েছে ছাত্রশিবিরের লড়াকু সংগ্রাম। স্বাধীনতা রক্ষায় অতন্দ্র প্রহরীর ন্যায় কাজ করে যাচ্ছে ছাত্রশিবির। আগামী দিনের বাস্তবতা, সৃজনশীলতা, মননশীলতা ও বিশ্ব চাহিদার আলোকে এই সোনার বাংলায় যুগান্তকারী পরিবর্তন ঘটাতে আমরা বদ্ধপরিকর। দেশের বিজ্ঞানজগতে জন্ম দিবে নব-প্রজন্মের ইবনে সিনা, ওমর খৈয়াম, ইবনে নাফিস, ইবনে খালদুন, মুসা আল খাওয়ারিজমী, আইজ্যাক নিউটন, এপিজে আব্দুল কালামের মতো আলোড়ন সৃষ্টিকারী সুপারস্টার সায়েন্টিস্ট। এভাবেই একসময় চারদিকে বেজে উঠবে স্বাধীনতার জয়ধ্বনির বিজয় উল্লাস, লাল-সবুজ ভূমিতে ফুটে উঠবে নতুন প্রাণের গোলাপ। অফুরন্ত গতিতে চলবে তরুণ নেতৃত্বের রকেট, চাতক পাখির মতো দেখবে দেশ ও সমগ্র বিশ্ব, মন ভরে হাসবে এদেশের জনম দুঃখী মানুষ আর জাতির শ্রেষ্ঠসন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের ভারাক্রান্ত হৃদয়।

যুগ পাল্টায়, শাসন বদলায়, অশ্বযানের জায়গায় আসে যন্ত্রযান, অরণ্যের জায়গায় আসে আলোকিত জনপদ। কিন্তু স্বাধীনতা নামক সেই সোনার হরিণের দেখা আমরা পাই কোথায়? ছাত্রশিবির সেই স্বাধীনতাকে পাইয়ে দিতে শুরু করেছে অগ্রযাত্রা। তাদের যাত্রাপথ গুঁড়িয়ে দিতে আবির্ভূত হয়েছে কিছু মানুষরূপী নরপশু। সামনে দাঁড় করিয়ে দিতে চায় আটলান্টিক মহাসাগরের উত্তাল ঢেউ বা এভারেস্টের চূড়ার মতো বিশাল প্রতিবন্ধকতা।
জীবনের বহমান স্রােতে মৃত্যুঞ্জয়ী এ কাফেলা আকাশছোঁয়া স্পৃহায় নিরন্তর ধাবমান। এই বাধার প্রাচীর উপড়ে ফেলে বিজয় নিশান উড়িয়ে দিগি¦দিকশূন্য এ জাতিকে নিয়ে যাবে কাক্সিক্ষত মুক্তির মোহনায়। নৈতিকতাসম্পন্ন সৎ, দক্ষ ও দেশপ্রেমিক নাগরিক তৈরি করে গড়ে তুলবে এক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ ইনশাআল্লাহ।
লেখক : কলামিস্ট ও ছাত্রনেতা

SHARE

Leave a Reply