post

অর্থনীতিতে বিশ্ব পরিস্থিতির প্রভাব

মুহাম্মদ নুরুল হুদা

১১ সেপ্টেম্বর ২০২২

গত কয়েক বছরে করোনা মহামারী এবং ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড অনেকটা স্থবির হয়ে পড়ে। পৃথিবীর অধিকাংশ দেশের প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি বিশেষ করে জ্বালানি তেল, গ্যাস, গম, ভুট্টা ও ভোজ্যতেল সার ইত্যাদির সরবরাহ চেইন ও রফতানি বাধাগ্রস্ত হয়। এর প্রভাবে প্রায় সব দেশে মূল্যস্ফীতিসহ অর্থনৈতিক মন্দার পূর্বাভাস লক্ষণীয় হয়ে ওঠে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের মূল্যস্ফীতি বিগত আট-নয় বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠে যায়। যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতি নয় শতাংশের কাছাকাছি এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশের মূল্যস্ফীতি ১০-১৫ শতাংশ অতিক্রম করে। মূল্যস্ফীতির কারণে উন্নয়নশীল দেশের অনেকেই নিজ দেশের অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের আশঙ্কায় আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়ে। ভারতে মূল্যস্ফীতি ১৫ শতাংশ ছাড়িয়ে যায় যা ১৯৯৮ সালের নভেম্বরের পর সর্বোচ্চ হয়। রাশিয়ার ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও তার ইউরোপের মিত্রদের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার ফলে শুধু রাশিয়ায় নয় বিশ্বের প্রায় সব দেশই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বৈরী পরিস্থিতির প্রভাবে বাংলাদেশের অর্থনীতির বিভিন্ন সূচক ও নেতিবাচক ধারায় পতিত হয়েছে। বলতে দ্বিধা নেই বাংলাদেশের অর্থনীতিও অনেকটা চাপের মুখে। বিবিএসের হিসাব মতে, জুন মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৭.৫৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। বিগত ৯ বছরের মধ্যে এটি সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি। তবে খাদ্য মূল্যস্ফীতি আরো বেশি। বেসরকারি হিসাব মতে, দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি ১০%। এতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের কালোবাজারি, অতিমুনাফা, মজুদদারি ইত্যাদি দায়ী বলেও উল্লেখ করা হয়।

মহামন্দার ব্যাপারে দেখা যায় মহামন্দা হলো অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যে কয়েক বছরের জন্য জিডিপি প্রবৃদ্ধি সংকোচন। অর্থাৎ দীর্ঘ সময়ের জন্য ডিপ্রেশন থাকে ও আয়, উৎপাদন, খুচরা বিক্রয় সবই বছরের পর বছর ধরে প্রভাবিত হয়। যেমন ১৯২৯ সালের গ্রেট ডিপ্রেশন টানা ৬ বছরের জন্য জিডিপি নেতিবাচক হওয়ার কারণ হয়েছিল। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে ১৯৩০ এর দশকে মহামন্দা এসেছিল যাকে বলা হয় দ্য গ্রেট ডিপ্রেশন। 

বিশ্ব মাত্র একবার গ্রেট ডিপ্রেশনের মুখোমুখি হয়েছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সমৃদ্ধি এনে দিয়েছিল। সে সময় ওই দেশের উৎপাদন বাড়ে, কমে যায় বেকারত্ব, মূল্যস্ফীতিও ছিল অনেক কম, এক শতাংশের ঘরে। কিন্তু পরিস্থিতি পাল্টে যায় ১৯৬৫ সাল থেকে। ১৯৮২ সাল পর্যন্ত এই পরিস্থিতি বিরাজমান ছিল। ১৯৮০ সালে দেশটির মূল্যস্ফীতির হার ছিল প্রায় ১৫ শতাংশ। যে সময়কে বলা হয় দ্য গ্রেট ইনফ্লেশন।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে বৈশ্বিক পরিস্থিতি মোটেই ভালো নয়। তিনটি বিষয় বিশ্বকে উদ্বেগের মধ্যে ফেলে দিয়েছে। এক করোনা অতিমারী যা দু-তিন বছর আগে শুরু হয়ে এখন অনেকটা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে, দ্বিতীয়ত, ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ, তৃতীয়ত, চীন-তাইওয়ান দ্বন্দ্ব যেটা যুদ্ধে রূপান্তরিত হতে যাচ্ছে। সে কারণে অর্থনৈতিক চালচিত্র পাল্টে যাচ্ছে বিশ্ব প্রেক্ষাপটে বাস্তব অবস্থা দেশগুলোর মধ্যে যুদ্ধাবস্থা বিশ্ব অর্থনীতিকে ঝাঁকুনি দিচ্ছে। পণ্য, খাদ্যপণ্য ও জ্বালানি উৎপাদন এবং সরবরাহ ব্যাহত করে বিশ্বকে দুর্ভিক্ষের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বিশ্ব অর্থনীতির বিরাজমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করা দুরূহ ব্যাপার।

এমনতর অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে কেউ সঞ্চয়পত্র ভেঙে খাচ্ছেন, কেউ সংসার চালাচ্ছেন শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করা শেয়ার লোকসানে বিক্রি করে। সব মিলিয়ে চাপে আছেন সাধারণ মানুষ। 

উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপে জীবনযাত্রার মান ঠিক রাখতে হিমশিম খাচ্ছে সাধারণ মানুষ। সবচেয়ে বেশি বিপাকে সীমিত আয়ের মানুষ। তাই খরচ বাড়লে সঞ্চয়ে টান পড়ে। আর বাড়তি বা বিকল্প আয়ের উৎসগুলো সংকুচিত হলে বিপদ আরও বাড়ে।

সঞ্চয়পত্রে মানুষের নিট বিনিয়োগও অর্ধেক হয়ে গেছে। সঞ্চয়পত্র বিক্রি করে সংসারের খরচ সামলান অনেকেই। আবার শেয়ারবাজারের পতন হচ্ছে দিন দিন। ফলে বিনিয়োগকারীরা আছেন লোকসানে। এদিকে ব্যাংক খাতে আমানতও সেভাবে বাড়ছে না। এ শ্রেণিকে সুরক্ষা দেওয়ার কোনো উপায় সরকারের তরফ থেকে নেওয়া হচ্ছে না।

সব মিলিয়ে করোনার সময় থেকে মানুষের সঞ্চয় কমে গেছে। আর এ অবস্থা শুধু ব্যক্তি পর্যায়ের নয় অর্থাৎ জাতীয়ভাবেও একই সমস্যা। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ অনুযায়ী, মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) তুলনায় দেশজ সঞ্চয় কমে আসছে। অর্থাৎ জিডিপি যে হারে বাড়ছে সঞ্চয় সেভাবে বাড়ছে না। ২০১৯-২০ অর্থবছরে দেশজ সঞ্চয় ছিল ২৭.০৮ শতাংশ, বছরে তা কমে হয়েছে ২১.৫৬ শতাংশ। নিম্ন মধ্যবিত্ত এবং মধ্যবিত্তদের চালচিত্রটাই এমন যে, তারা হিসাব মেলাতে পারছেন না। তাদের মধ্যে বেশির ভাগ চাপে পড়ে গেছেন। অনেকে সঞ্চয় ভেঙে খাচ্ছেন, যাদের সঞ্চয় নেই তাদের পরিস্থিতি আরও দুঃসহ। এদের জীবনযাত্রার মান কমে যাচ্ছে, অনেকে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের খরচ কমাতে বাধ্য হচ্ছে।

বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শেয়ারবাজারে নিজেকে সম্পৃক্ত করে যাতে করে কিছুটা লভ্যাংশ পেয়ে সংসার চালাতে পারেন। সে ক্ষেত্রেও দেখা যায় সাম্প্রতিক যুদ্ধের কারণে শেয়ারবাজারের পতন দেখা দেয়। যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজার ও দেশের বাজারে পণ্যমূল্য বৃদ্ধি এবং ডলার-সঙ্কট দেখা দিলে তাতে বাজারে পতন আরো ঘনীভূত হয়। কারণ অনেকে বড় ধরনের পুঁজি হারিয়েছেন বিশেষ করে যারা ঋণ করে বাজারে বিনিয়োগ করেছিলেন তারাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। কারণ ৬ মাসের মধ্যেই কোনো কোনো শেয়ারের দাম ৪০ শতাংশ কমে গেছে। তাদের বড় অংশই মুনাফা তো দূরে থাক, পুঁজি হারিয়ে চাপে পড়েছেন। অথচ এ সময় বাজারে হু হু করে সব পণ্যের দাম বেড়ে গেছে। তাতে জীবনযাত্রার খরচ অনেক বেড়ে গেছে। এতে তারাসহ অনেকেই বিপদের মুখে।

ইতোমধ্যে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে যা ইতিহাসে রেকর্ড। দেশের ইতিহাসে একেবারে পঞ্চাশ শতাংশ দাম বাড়ানোর নজির নেই। বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি একশত ৩৯ ডলারে উঠলেও তার দাম পরে কমে আসে ৯০ ডলারের নিচে। কমার গতি দেখে আরো ২-৩ মাসের মধ্যে হয়তো আরো কমে যাবে, আন্তর্জাতিক বাজারে ৩৫ শতাংশ কমে গেলেও সে সময় দেশের জ্বালানির দাম এক লাফে ৫০% বাড়ানো হয়েছে। এটা জনগণের জন্য একরকম অভিশাপ হয়ে দেখা দিয়েছে। অথচ করোনা অতিমারীর সময় বিশ্ববাজারে তেলের দাম যখন কম ছিল তখন বিপিসি প্রায় ৪৩ হাজার কোটি টাকা লাভ করেছে, সে টাকা তো জনগণেরই টাকা। এখন ভর্তুকির সাথে সমন্বয় করা যেত। এ ছাড়া বৈশ্বিক দাম বাড়লে যেমন সরকার দাম বাড়ায় কমলে তেমন কমায় না। এমনতর বৈশ্বিক পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে থাকে মজুদদারি মুনাফালোভী ও অসাধু ব্যবসায়ীরা। তারা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মজুদ গড়ে তোলে বাজার নিয়ন্ত্রণ করে। অন্য কথায় মজুদদারির মাধ্যমে অসাধু ব্যবসায়ীরা বাজার নিয়ন্ত্রণ করে। তারা কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টি করে হঠাৎ করে বা পরিকল্পিতভাবে দ্রব্যমূল্য বাড়িয়ে দেয়। মজুদদারির আরবি প্রতিশব্দ ‘ইহতিকার’ এবং ইংরেজি প্রতিশব্দ 'ঐড়ধৎফরহম'। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস, পশু-পাখির খাদ্য হোক বা মানুষের ব্যবহার্য দ্রব্যই হোক ক্রয় করে মূল্যবৃদ্ধির উদ্দেশ্যে বাজারজাত না করে আটকিয়ে রাখাকে ‘ইহতিকার’ বলে। অবৈধ মজুদদাররা ইসলামে ঘৃণিত। কোনো পণ্য মজুদদারির মাধ্যমে বাজারে কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টি করা হয় ফলে পণ্যের দাম অনেক বেড়ে যায়। এতে মুষ্টিমেয় বিক্রেতা অধিক মুনাফা পায় আর অধিকাংশ ক্রেতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মহানবী সা. বলেছেন, যে ব্যক্তি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যদাম বৃদ্ধির জন্য গুদামজাত করে রাখে সে অপরাধী। (মুসলিম-১৬০৫)

এ ছাড়া মূল্যবৃদ্ধির কারণের মধ্যে পরিবহন ক্ষেত্রেও চাঁদাবাজি একটি কারণ। রাস্তায় রাস্তায় এবং বাজারে-ফুটপাথে পণ্য বিক্রির স্থানে চাঁদাবাজির ফলেও দ্রব্যমূল্য বাড়ছে। শিল্প মালিক, উদ্যোক্তা, উৎপাদক ও ব্যবসায়ীদের ওপর মোটা অংকের চাঁদাবাজি দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। ব্যবসায়ী এবং উৎপাদকরা চাঁদাবাজদের প্রদত্ত চাঁদার ক্ষতি দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি করে পুষিয়ে নেয়। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় সাধারণ ভোক্তারা। অন্য কথায় চাঁদাবাজির কারণেই সাধারণ মানুষ পণ্যমূল্য আগ্রাসনের শিকার হয়। উৎপাদক তার পণ্যের মূল্য না পেলেও চাঁদাবাজদের প্রাপ্তিতে কোনো ঘাটতি নেই। নানা উপলক্ষে চাঁদা দাবি করা হয়। ব্যবসায়ী দোকানদার, আড়তদার প্রতিদিন অভিনব চাঁদাবাজির শিকার হয় শীর্ষ সন্ত্রাসীদের দাবিকৃত মোটা অঙ্কের চাঁদা দিতে ব্যত্যয় ঘটলেই ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তারা সন্ত্রাসী হামলার শিকার হচ্ছে। চাঁদাবাজরা জোরপূর্বক অর্থ আদায় করে থাকে। চাঁদাবাজি এক ধরনের জুলুম।

আমি আগেই আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে কিছু কথা বলেছি। আন্তর্জাতিক বাজারে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রভাব অভ্যন্তরীণ বাজারেও পড়ে। আন্তর্জাতিক বাজারে কোনো পণ্যের দাম বেড়ে গেলে অভ্যন্তরীণ বাজারে স্বাভাবিকভাবে এর মূল্য বেড়ে যায়। নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার জন্য ব্যবসায়ীরা প্রায় আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির কথা বললেও প্রকৃতপক্ষে আন্তর্জাতিক বাজারের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি মূল্যে পণ্য বিক্রি করছেন পাইকারি ব্যবসায়ীরা। 

একের পর এক পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কাই এখন বাজারের স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত হয়েছে। এ অবস্থা দেশের সীমিত আয়ের মানুষের জীবনে যে কিভাবে শোচনীয় পরিণতি ডেকে আনে তা না বললেও চলে।

পণ্যের দামবৃদ্ধি রেকর্ড যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বারবার। অথচ বিশ্ব অর্থনীতির বিরাজমান পরিস্থিতিতে তা সাযুজ্য নয়। বিভিন্ন আঙ্গিকে বিশ্ব পরিস্থিতির বিশ্লেষণ করা হলেও তুলনামূলক মিল খুঁজে পাওয়া যায় না। যে পণ্যের দাম উন্নত বা উন্নয়নশীল ন্যূনতম বৃদ্ধি করা হয় আমাদের দেশে তা সর্বোচ্চ পর্যায়ে বৃদ্ধি করা হয়। মুনাফাখুরি ব্যবসায়ী তারা এ সুযোগ দেওয়ার চেষ্টা করে। এটাকে নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব সরকারের। মূল্যবৃদ্ধির ফল ভোগ করছে সাধারণ জনগণ। সুতরাং বিশ্ব পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে আমাদের মধ্যবিত্ত এবং নিম্ন মধ্যবিত্ত সার্বিকভাবে সাধারণ জনগণের একটা ফল ভোগ করতেই হয়। বলতে গেলে ভোক্তাদের অধিকার রক্ষায় পর্যাপ্ত আইন নেই। ফাঁকফোকরের কারণে বাজার ব্যবস্থাপনা গড়ে ওঠেনি।

সরকারের উচিত সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের দিকে নজর দেওয়া। দ্রব্যমূল্যর ঊর্ধ্বগতিতে তাদের জীবনযাপন যতটা দুর্বহ ও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে, সেটা উপলব্ধি এবং যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা। সাধারণ মানুষের ওপর দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির ক্রমবর্ধমান চাপ যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রোধ করা। কঠোর নজরদারি ও তদারকির মাধ্যমে অতি মুনাফালোভী ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটকে ভেঙে দেওয়া প্রয়োজন।

দুর্বল কৃষিবাজার ব্যবস্থাপনার কারণে দেশের কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য পান না। লাভের অর্থ হাতিয়ে দেয় মধ্যস্বত্বভোগীরা। এ থেকে বেরিয়ে আসতে বাজার ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন প্রয়োজন। তা না হলে কৃষকের উদ্যম কমে যাওয়ায় উৎপাদন হ্রাস পাবে তখন সার্বিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে দেশবাসী। সর্বোপরি জনসাধারণের স্বার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া সাপেক্ষে কঠোর নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা প্রয়োগ করা জরুরি।

লেখক : বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও কলামিস্ট

আপনার মন্তব্য লিখুন

Hasan Tarik

- 1 year ago

It is a very sorrowful matter. No doubt!

কপিরাইট © বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির