নিষ্পেষিত মধ্যবিত্ত কার দুয়ারে যাবে? -হুসনে মোবারক

হুমায়ূন আহমেদ এর একটি উক্তি- মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষগুলোই, সমাজের আসল রূপ দেখতে পায়। যথার্থই বলেছেন তিনি। মেট্রোরেলের উপরতলা বা পদ্মাসেতুর বিশালতায় দাঁড়িয়ে আপনি মধ্যবিত্তের হাঁড়ির খবর পাবেন না। বাংলাদেশে মধ্যবিত্তের সংখ্যা কত এটা আমার জানা নেই। তবে অধিকাংশ মানুষই যে মধ্যবিত্ত এটা বলা যায়।

কেমন আছেন মধ্যবিত্তরা। এই কথা বলার অর্থ এই না যে আমি এর বাইরে। প্রায় দুই বছরের করোনাকালীন সঙ্কট এবং অপরিকল্পিত লকডাউনে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির খবর মধ্যবিত্তের ঘরে থাকার কথা না কিন্তু একটু কান পেতে শুনুন নীরবে খবর নিয়ে দেখুন। সমাজের চালিকাশক্তি এই মধ্যবিত্তরা কেমন আছেন। ক’জনের চুলায় প্রতিদিন আগুন জ্বলে। না খেয়ে কেউ মরছে না কিন্তু কী খেয়ে বেঁচে আছে একটু খবর নিন।
করোনাকালেও প্রবাসী আয় ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে। সরকার এটাকে বড় সাফল্য হিসাবে দেখাচ্ছেন। বাইরে থেকে অর্থ আসছে, বৈদেশিক শ্রমিকরা টাকা পাঠাচ্ছেন। এখানে এই রিজার্ভ বৃদ্ধির প্রপাগান্ডা একটু অন্যভাবে বিশ্লেষণ করতে হবে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ার একটি বড় কারণ হলো স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও ভ্রমণের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের মানুষের বিদেশ যাওয়া বন্ধ হওয়া। চিকিৎসার জন্য বছরে ভারতেই যেতেন ৮ লাখ মানুষ। থাইল্যান্ড ও সিঙ্গাপুর মিলিয়ে এ সংখ্যা ১১-১২ লাখের বেশি। বছরে ৫০ থেকে ৭০ হাজার শিক্ষার্থী বাইরে পড়তে যেত। এসব মিলিয়ে বছরে প্রায় ৮১০ বিলিয়ন ডলারের মতো সাশ্রয় হচ্ছে। এসব কাজে এখন এ অর্থের চাহিদা না থাকায় তা বৈধভাবে সরকারের রিজার্ভ বাড়াতে সহায়তা করছে। অবস্থা স্বাভাবিক হলে বিদেশ ভ্রমণ, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষাব্যয় আবার আগের অবস্থায় চলে যাবে এবং রিজার্ভেও ৮১০ বিলিয়ন ডলার কমে যাবে। আগে যারা ‘বেগম পাড়া’ ও ‘সেকেন্ড হোম’-এ বাড়ি-ফ্ল্যাট কিনতে টাকা পাচার করতেন, করোনার কারণে তা-ও অনেকটা বন্ধ আছে। সুতরাং করোনাকালেও প্রবাসী আয় ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধির প্রপাগান্ডা ¯্রফে আইওয়াশ।

নিম্নবিত্ত মানুষের অবস্থা আরও খারাপ হচ্ছে দিন দিন। চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে। অন্যদিকে মানুষের আয় কমে গেছে। বিশ্ববাজারে চলতি বছর সব ধরনের পণ্যের দাম প্রায় ২০ থেকে ৫০ শতাংশ বেড়েছে। খাদ্যসামগ্রী, শিল্পের কাঁচামাল, জ্বালানি তেল সবকিছুর দাম ঊর্ধ্বমুখী। এ পরিবেশ বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতির জন্য খুবই বিপজ্জনক। এই সঙ্কটে মূল্যস্ফীতি দেখা দেওয়া অস্বাভাবিক নয়।

লকডাউন উপেক্ষা করে বাইরে বেরুচ্ছে নিম্ন আয়ের মানুষ। এদের মধ্যে দিন আনা দিন খাওয়া মানুষ সংখ্যাই বেশি। আছেন হকার, নির্মাণশ্রমিক, হোটেল-রেস্তোরাঁর শ্রমিক ও রিক্সাচালক। এরা বাধ্য হচ্ছেন। পেটের তাগিদে, ক্ষুধার তাড়নায়। স্ত্রী-সন্তান, পরিবারের মুখে দু’বেলা দু’মুঠো খাবারের জন্য প্রশাসনের চোখ রাঙানি উপেক্ষা করে তারা বেরোচ্ছেন। এতে লকডাউন যে কারণে দেয়া হচ্ছে তা ব্যাহত হচ্ছে। ফলে লকডাউনের মধ্যেও করোনা সংক্রমণের হার ঊর্ধ্বগতি। সরকার দুই হাজার টাকা করে এক কোটি পরিবারকে ১২ মাস নগদ সহায়তা দিলে খরচ হতো ২৪ হাজার কোটি টাকা, যা জাতীয় আয়ের শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ। অন্যান্য খাতের চেয়ে সেবা খাতের সঙ্গে জড়িত মানুষগুলোই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সরকারের কাছে প্রস্তাব দেয়া হয়েছিলো অস্থায়ী আর্থিক সহায়তা হিসেবে কর্মহীন পরিবারকে মাসে দুই হাজার টাকা করে নগদ সহায়তা দেওয়া হোক। কিন্তু সরকার তা শুনেনি। দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য নগদ অর্থ ন্যূনতম খাদ্যসহায়তা নিশ্চিত না করেই কঠোর লকডাউন আরোপের সিদ্ধান্ত কোনোক্রমেই যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নয় এবং এটা ফলপ্রসূও হবে না। কারণ, লকডাউন কার্যকর করতে গেলে তার পূর্বশর্তগুলো পূরণ করতে হয়।

নতুন দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বাড়ছে প্রতিদিন। বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) ও ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (বিআইজিডি) সাম্প্রতিক এক জরিপ বলছে, কোভিডের কারণে দেশে নতুন করে দরিদ্র হয়েছে দুই কোটি ৪৫ লাখ মানুষ। লকডাউনে দরিদ্র ও কর্মজীবী মানুষের জীবিকা নির্বাহের সব পথ কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। কাজহীন দরিদ্র মানুষকে ঘরে রাখতে হলে তাদের এককালীন অথবা মাসিক নগদ অর্থ সাহায্য প্রয়োজন। নিত্য প্রয়োজনীয় খাবার এবং জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত না করে লকডাউন শাটডাউন জীবন্ত মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়ার সমান।
কোটি কোটি মানুষ দিন আনে দিনে খায়। যাদের জীবন স্থবির করে দিয়েছে সরকারের অপরিকল্পিত ও অমানবিক লকডাউনের এ সিদ্ধান্ত। দরিদ্র মানুষের দৈনন্দিন জীবনপ্রবাহকে অব্যাহত রাখতে যে নগদ অর্থ বা খাদ্যসহায়তা কর্মসূচি সরকারের অগ্রাধিকার তালিকায় থাকা উচিত ছিল, বর্তমান গণবিচ্ছিন্ন সরকার তার প্রয়োজনীয়তাই অনুভব করেনি।

মেগা প্রজেক্টে প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন পর্যায়ে চরম অস্বচ্ছতা, অদক্ষতা ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ অপচয় ও মহা দুর্নীতির মহারেকর্ড তৈরি হচ্ছে। একের পর এক ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার পথে। লোপাট হচ্ছে জনগণের অর্থ।
জরুরি প্রয়োজনে মানুষকে বাইরে বের হওয়ার জন্য স্বাস্থ্যবিধি মানা এবং মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। অন্তত ৬০-৭০ শতাংশ মানুষকে অতি দ্রুত টিকা প্রদান সম্পন্ন করতে হবে। প্রয়োজনে দেশেই টিকা উৎপাদনের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। বর্তমানে সারা দেশে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের সর্বাত্মক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সরবরাহ, আইসিইউ, করোনা বেড বৃদ্ধিসহ অত্যাবশ্যকীয় চিকিৎসাসামগ্রী ও পর্যাপ্ত চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করতে হবে। জরুরি ভিত্তিতে দেশের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, সব রাজনৈতিক দল, এনজিও ও সামাজিক সংগঠনের সমন্বয়ে একটি জাতীয় চিকিৎসা পরামর্শক কমিটি গঠন করা।

একজন সাধারণ মানুষের চাহিদা খুবই সাধারণ। দু’মুঠো অন্ন, নিরাপদ বাসস্থান, চিকিৎসা এবং শিক্ষা। এখানে অট্টালিকার উচ্চাভিলাষ নেই, নেই ব্যাংক জালিয়াতি করে হাজার কোটি টাকা পাচারের পাঁয়তারা। কলমের খোঁচায় জনগণের রাষ্ট্রের অর্থ আত্মসাতেরও সম্ভাবনাও এই মধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্ত কর্তৃক সম্ভব নয়। সুতরাং কারসাজি, করাপশন বা জালিয়াতি অধিকাংশই ঐ পার্সেন্ট এ অল্প হলেও উচ্চবিত্ত দ্বারাই ঘটছে। করোনাকালীন এই মহাসঙ্কটের মধ্যেও দেশে কোটিপতির সংখ্যা বাড়ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে ২০১৯ সাল শেষে কোটিপতি সংখ্যা দাঁড়ায় ৮৪ হাজারে। আগের বছর এ সংখ্যা ছিল সাড়ে ৭৫ হাজার। অর্থাৎ করোনাকালীন সময়ের মধ্যেও এক বছরে ‘কোটিপতি ক্লাব’ এ নতুন করে নাম লিখিয়েছেন ৮ হাজার ২৭৬ জন। বাংলাদেশ ব্যাংকের আমানতের হিসাব থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে দেখা গেছে, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে এক কোটি টাকার বেশি আমানত রয়েছে এমন অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ৮৩ হাজার ৮৩৯টি। ২০১৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে কোটিপতির হিসাব ছিল ৭৫ হাজার ৫৬৩টি। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে কোটিপতি আমানতকারী বেড়েছে ৮ হাজার ২৭৬ জন। তিন মাস আগে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর শেষে দেশে কোটিপতির হিসাব ছিল ৭৯ হাজার ৮৭৭টি।

এই লেখা শুরু করেছিলাম মধ্যবিত্তদের নিয়ে। তাদের সমাজের মূল চালিকাশক্তি যদি ভাবা হয় তাহলে এই চালিকাশক্তিই যে নীরবে নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে। কম হোক বেশি হোক করোনাকালে গরিবের জন্য খাদ্য ও অর্থ সহায়তা আছে। উচ্চবিত্তের জন্য আছে শিল্পের প্রণোদনা, সহজ শর্তে ব্যাংকঋণ। কিন্তু মধ্যবিত্তের জন্য কী আছে? এই করোনায় ঢাকা শহরের মধ্যবিত্ত চেনা যাচ্ছে ভাড়া বাড়ি ছেড়ে গ্রামে যাওয়ার মধ্য দিয়ে। কারণ, মধ্যবিত্ত ত্রাণের লাইনে দাঁড়াতে পারেন না। অভাবের কথা মুখ ফুটে বলতেও পারেন না। মধ্যবিত্তের অবস্থান মাঝখানে। তাই না পারে নিচে নামতে, না পারে উপরে উঠতে। এই করোনাকালে তাই সে হাঁসফাঁস করছে মধ্যবিত্ত।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ খানা জরিপ অনুযায়ী করোনার আগে বাংলাদেশের মোট জনগোষ্ঠীর ২০.৫ ভাগ দারিদ্র্যসীমার নিচে ছিল। আর অতি দরিদ্র সংখ্যা ১০ ভাগ।
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বলছে, এক ব্যক্তির ক্রয়ক্ষমতা (পিপিপি) যদি প্রতিদিন দুই মার্কিন ডলার থেকে ২০ মার্কিন ডলারের মধ্যে হয় তাহলে তাকে মধ্যবিত্ত বলা যায়। এই হিসেবে তারা বলছে, বাংলাদেশে মধ্যবিত্ত হলো তিন কোটি ৭ লাখ। তবে বিশ্বব্যাংকের মধ্যবিত্তের আয়ের হিসাবটি একটু বেশি। যাদের প্রতিদিন আয় ১০ থেকে ৫০ ডলার, তারা মধ্যবিত্ত। তবে আমার মনে হয় বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে দুই থেকে চার ডলার প্রতিদিনের আয় হলেই মধ্যবিত্ত। সেই হিসাবে যার মাসিক আয় ৪০ হাজার থেকে ৮০ হাজার টাকা সেই মধ্যবিত্ত। এটা বাংলাদেশের মোট জনগোষ্ঠীর ৩০ ভাগ। ১৬ কোটি মানুষের হিসাবে সংখ্যাটি দাঁড়ায় চার কোটি ৮০ লাখ। বিআইডিএস-এর সাম্প্রতিক জরিপে, করোনায় এক কোটি ৬৪ লাখ মানুষ নতুন করে গরিব হয়েছে, দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে গেছে। তাহলে এখন দেশে গরিব মানুষের সংখ্যা পাঁচ কোটিরও বেশি। তাহলে গরিব মানুষের সংখ্যা বাড়ছে, বাড়ছে নিম্নবিত্তের সংখ্যা। এদের নিয়ে কী পরিকল্পনা সরকারের, তাও স্পষ্ট নয়।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান ডয়চে ভেলেকে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘বাংলাদেশে ১৬ কোটি মানুষের চার কোটি পরিবার আছে। এর মধ্যে নিম্নবিত্ত ২০ ভাগ আর উচ্চবিত্ত ২০ ভাগ। মাঝের যে ৬০ ভাগ এরা নিম্ন, মধ্য ও উচ্চ মধ্যবিত্ত। এই সংখ্যা আড়াই কোটি পরিবার হবে। এর মধ্যে সরকারি চাকরিজীবী, মাল্টিন্যাশনাল ও বড় কোম্পানিতে কাজ করা কিছু মানুষ বাদে অন্যরা সবাই সঙ্কটে আছেন। এদের মধ্যে বড় একটা অংশ চাকরি ঝুঁকিতে আছেন। অনেকেরই বেতন হয়নি, অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। ফলে তারা বেতন তো পাননি, উল্টো চাকরি ঝুঁকিতে আছেন। এই মানুষগুলো সরকারি কোনো কর্মসূচির মধ্যেও নেই। তবে সরকার এসএমই ঋণ দিয়ে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্তদের বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করছে। তবে এই সংখ্যাও খুব বেশি না। বিপুল জনগোষ্ঠী এখনও সহায়তার বাইরে।’
সুতরাং পরিসংখ্যান অনুযায়ী উচ্চবিত্ত আর নিম্নবিত্ত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। এই দুটো সংখ্যাই স্থিতিশীল অর্থনীতির জন্য আতঙ্কের খবর। এক পক্ষ নিষ্পেষণকারী অন্যপক্ষ নিষ্পেষণের শিকার। ভরসা এখানেই। মধ্যবিত্ত। মধ্যবিত্তদের বাঁচিয়ে রাখতে হবে, বাঁচাতে হবে। করোনাকালে ঢাকা ছাড়তে বাধ্য হন ৫০ হাজার মানুষ। বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের জরিপে দেখা গেছে, করোনার কারণে ফরমাল সেক্টরে কাজ করা ১৩ শতাংশ মানুষ চাকরি হরিয়েছেন। অনেকের কাজ থাকলেও আয় কমে গেছে। তাই ব্যয় কমাতে অনেকে বাসা বদল করছেন। কিন্তু তারপরও এই ভরসা পাচ্ছেন না কেউ। আতঙ্কে কাটছে ভবিষ্যৎ ভাবনায়।
লেখক : নাট্যকর্মী

SHARE

Leave a Reply