বাংলায় মুসলমানদের পদার্পণ ও কৃষি বিপ্লব -এম মুহাম্মদ আব্দুল গাফ্ফার

মহান রাব্বুল আলামিন খিলাফাতের দায়িত্ব অর্পণ করে মানবজাতিকে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন। মানুষ পৃথিবীতে আল্লাহর দেয়া বিধান মেনে চলবে এবং এ পৃথিবীর সবকিছুর ওপর কর্তৃত্ব করবে এটাই হলো স্বাভাবিক বিষয়। সারা বিশ্বে আবার মুসলমানদেরকে সর্বোত্তম জাতি হিসেবে পবিত্র কুরআনে বর্ণনা করা হয়েছে। এ মর্মে আল্লাহ তায়ালা ঘোষণা করেন ‘কুনতুম খায়রা উম্মাতিন’ অর্থাৎ তোমরাই সর্বোত্তম দল …।’ আমরা এ ক্ষেত্রে ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখি যে, মুসলমানগণ বিশে^র যে দেশেই পদার্পণ করেছে সে দেশই শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি, শিক্ষা, বিজ্ঞান, গবেষণা, সুশাসন ও স্থাপত্যকলায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এ হিসেবে ভারত উপমহাদেশ তথা বাংলায় মুসলমানদের আগমন স্বর্ণোজ্জ্বল অধ্যায়ের সূচনা করেছিল। উপরে বর্ণিত বিষয়গুলোসহ এ অঞ্চলের অর্ধজলমগ্ন ও জঙ্গলাকীর্ণ বিরানভূমি শস্য-শ্যামলাময় উৎপাদনশীল ভূমিতে রূপান্তরিত করেছিলেন মুসলমানগণই। তৌহিদি জনতার হাতের পরশেই বিল, ঝিল তথা নদীবহুল এ উর্বর ভূমি সোনার বাংলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। মহান রাব্বুল আলামিনের চির শাশ্বত সত্য ঘোষণা এই যে ‘সেই আল্লাহই তোমাদের জন্য মাটির শয্যা বিছিয়ে দিয়েছেন, আকাশকে ছাদ বানিয়েছেন, ঊর্ধ্বদেশ হতে বৃষ্টিপাত করেছেন এবং উহার দ্বারা নানা রকম ফল উৎপন্ন করে তোমাদের জন্য রিযিকের ব্যবস্থা করেছেন, অতএব তোমরা যখন এসব কথা জানো তখন অন্য কাউকে আল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে স্বীকার করো না।’ (সূরা বাকারা : ২২)। পবিত্র কুরআনুল কারিমের এরূপ ঘোষণায় অনুপ্রাণিত হয়ে বিশে^র যে অঞ্চলে মুসলমানগণ তাদের তৌহিদি আদর্শ নিয়ে পদার্পণ করেছেন সেখানেই দ্বীনি দাওয়াত সম্প্রসারণের সাথে সাথে উন্নয়ন আর উৎপাদনের দুরন্ত ঘোড়া ছুটিয়েছেন। এক্ষেত্রে এ উপমহাদেশের বাংলা ভূখণ্ডে মুসলমানগণ কর্তৃক উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছিল কার্যকরভাবে। বাংলার কৃষির উন্নয়ন সম্পর্কে ১৩৪৯-৫০ সালে বদ্বীপে সফরকারী চীনা বণিক ওয়াংতা ইয়ুন লক্ষ্য করেন যে, বাঙ্গালিরা (মুসলমানগণ) তাদের সব প্রশান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য নিজেদের কাছেই ঋণী, কৃষির প্রতি আত্মনিবেদনেই তাদের সকল উৎস নিহিত, যেখানে আগে জঙ্গলে ঢাকা জমি ছিল, তাদের চাষাবাদ ও রোপণের বিরামহীন পরিশ্রমে তা উদ্ধার করা হয়েছে। যদিও বদ্বীপটির মানুষ মুসলমানদের আগমনের অনেক আগে থেকেই বনাঞ্চলকে ধানক্ষেতে রূপান্তরের কাজ করছিল, কিন্তু অন্তত ষোড়শ শতক থেকে যা নতুন আকারে দেখা গেছে তা হলো বন পরিষ্কারকরণ এবং ভূমি পুনরুদ্ধারের সাথে মুসলমান পীর বা এই পরিচিতিতে জনপ্রিয় ব্যক্তিবর্গের সম্পৃক্ততা। জনপ্রিয় জনস্মৃতি অনুযায়ী এ ধরনের অনেক লোক প্রাণবন্ত লৌকিক ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব, সাধু পুরুষে পরিণত হয় যাদের জীবন ধর্ম ও কৃষি উভয়ের সম্প্রসারণের রূপক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। সূত্র: (Wang Ta-yuan, Tao I chihlioinw.w Rockhill, ænots on the Relations,” Toung pao 16. Pt.2 section 4 (1915):436. Description of the Barbarians of the isles).
যুক্তরাষ্ট্রের আরাজোনা ইউনিভার্সিটির শিক্ষক অধ্যাপক রিচার্ড এম, ইটন তাঁর ইসলামের অভ্যুদয় এবং বাংলাদেশ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন ১৯৮০ এর দশকে সংগৃহীত মৌখিক বর্ণনায় বলা হয়, জনৈক মেহের আলী তাঁর বোন ও অপর সঙ্গী নিয়ে মোগল যুগের প্রথম দিকে দাক্ষিণাত্য থেকে যশোরের বনাঞ্চলে আসেন। বর্তমানে তার নামে নামকরণকৃত মেহেরপুরের বসতিতে পৌঁছে এই সাধুপুরুষ স্থানীয় জনগণকে জঙ্গল পরিষ্কার করে তা ধান চাষের উপযোগী করতে সাহায্য করেছেন। বলা হয় সিলেটের হবিগঞ্জের মুরারবন্দে মোগল আমলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে শাহ সৈয়দ নাসির উদ্দীন নামক এক ব্যক্তি আসেন এবং স্থানীয় জনগণকে জঙ্গল পরিষ্কারকরণ ও ধান চাষের নির্দেশনা দেন; তার আগমনের আগে জায়গাটি ছিল জঙ্গল, তিনি তাদেরকে ইসলামের প্রাথমিক শিক্ষাও দান করেন। হবিগঞ্জ থেকে কয়েক মাইল দূরের পাইলে আরেক পথ প্রদর্শক সাধুপুরুষের কবর আছে। বলা হয়ে থাকে তিনি মধ্যপ্রাচ্য থেকে এসে স্থানীয় জনগণকে ধান চাষাবাদের পদ্ধতি এবং ইসলামের মৌলিক ধারণা সম্পর্কে শিখিয়েছিলেন। সুলতান তাজ খান কররানী খোন্দকার শাহ আলী নামক একজন সাধু পুরুষকে নির্দেশনা দেন, একটি ঘোড়াকে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বিচরণ করতে দিতে যার মাধ্যমে ঘেরাওকৃত এলাকা সারা জীবনের জন্য উক্ত সাধু পুরুষের নিয়ন্ত্রণে দিয়ে দেন। খোন্দকার শাহ স্থানীয় মানুষের সহায়তায় এলাকার জঙ্গল পরিষ্কার করেন এবং তাদেরকে ইসলামে দীক্ষিত করেন।

জেমস ওয়াইজ ও ফ্রানসিস বুকাননের মতো ব্রিটিশ কর্মকর্তাগণ তাদের অনুসন্ধান তথা গবেষণালব্ধ তথ্য থেকে অত্যন্ত আশ্চর্যজনক ঘটনার অবতারণা করেছেন। তাদের বর্ণনায় উল্লেখ রয়েছে যে, বদ্বীপের বাঘ এবং মুসলমান সাধু পুরুষগণ পাশাপাশি অবস্থান করতো। ১৮৯৮ সালে জেমস ওয়াইজ জিন্দা গাজী সম্পর্কে লিখেন, “পূর্ববঙ্গের সকল কাঠুরে ও মাঝির রক্ষক হিসেবে বিবেচিত এই কিংবদন্তি ব্যক্তি সম্পর্কে বলা হয় গভীর জঙ্গলে বাস করেন, বাঘের পিঠে আরোহণ করেন এবং তাদেরকে সতর্ক পর্যবেক্ষণে রাখেন। উক্ত ব্রিটিশ কর্মকর্তাদ্বয়ের ভাষ্য অনুযায়ী বাঘ এবং ফকিরগণ শান্তিপূর্ণ সহ-অবস্থান করেন। এ জানোয়ারটিকে তার সহজাত হিং¯্রতা থেকে সংযত রাখেন অর্থাৎ তিনি নরহত্যা করতে বাঘকে নিষেধ করেছেন।” (Wise Muhammadns of Estern Bengal. 40)। সুন্দরবনের জঙ্গলের নিকটবর্তী বাগেরহাটের পৃষ্ঠপোষক দরবেশ খান জাহানের জীবন সম্পর্কিত তাঁর কবরের খোদাইলিপিতে বর্ণিত ব্যক্তির পরিচিতি উলুখখান-ই-আযম খান জাহান ধারণা দেয়, তিনি ছিলেন গোষ্ঠীগত তুর্কি এবং বাংলা সালতানাতের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। তার স্মরণীয় কীর্তিসমূহের মধ্যে রয়েছে স্থানীয় জঙ্গল পরিষ্কারকরণ, তা চাষের জন্য প্রস্তুত করা, স্থানীয় জনগণকে ইসলামে দীক্ষিতকরণ এবং এলাকাটিতে অনেক রাস্তাঘাট ও মসজিদ নির্মাণ। সুন্দরবনের ভূমি পুনরুদ্ধার ও তা চাষাবাদের উপযোগী করা যা ছিল জলাভূমি ও জঙ্গলাকীর্ণ। খান জাহান অবশ্যই একজন কার্যকর নেতা ছিলেন, কারণ অঞ্চলটির পূর্বেকার ঘন বনকে ধানক্ষেতে রূপান্তরিত করতে শ্রেয়তর সাংগাঠনিক দক্ষতা ও প্রচুর জনশক্তির প্রয়োজন ছিল; একদিকে লোনা পানি সরিয়ে রাখার জন্য পানিপ্রবাহ বরাবর জমিতে বাঁধ দেয়া, শ্রমিকদের জন্য কুঠির নির্মাণ। এসব কাজ সম্পন্ন করার পরপরই ধানের চাষাবাদ শুরু করতে হতো, অন্যথায় নল-খাগড়ার বন শীঘ্রই ফিরে আসতো। এসবই ছিল অত্যন্ত কষ্টকর তৎপরতা এবং এসব কাজ আরও বেশি কঠিন করে তুলতো সদাবাঘ ও জ¦রের উপস্থিতি। খান জাহান তার লোকদের স্থাপত্যের বিশাল কর্মকাণ্ডের দিকেও ধাবিত করেন। বিভিন্ন জরিপে তাকে বাগেরহাট এলাকার অর্ধশতাধিক স্থাপনা নির্মাণের কৃতিত্ব দিয়েছে, আর লোক ঐতিহ্যে দাবি করা হয় তিনি ৩৬০টি মসজিদ এবং সমসংখ্যক দীঘি বানিয়েছিলেন। তাঁর নির্মিত ৬০ গম্বুজ মসজিদ আজও বাংলাদেশের বৃহত্তম মসজিদের মর্যাদা পেয়ে আসছে। খান জাহানকে একজন সভ্যতা বিনির্মাণকারী হিসেবে গণ্য করা হয়। (Syed Murtaza Ali. Staints of East Pakistan (Dacca: Oxford University press, 1971) 41. West land, report, 20-21) এভাবে দেখা যায় হযরত শাহজালাল ইয়েমেনি, উমরশাহ, উত্তরবঙ্গে শাহ সুলতান বলখী, শাহ মখদুম, পশ্চিম বাংলায় শেখ জালালউদ্দিন তাবরিজী, শেখ নূর কুতুবুল আলমসহ অসংখ্য ইসলাম প্রচারকগণ কর্তৃক বাংলার জলাভূমি ও জঙ্গলাকীর্ণ অনাবাদি এলাকা তাঁদের অনুসারী অর্থাৎ মুসলমানগণ কর্তৃক পরিকল্পিতভাবে কৃষিকাজের অধীনে নিয়ে আসায় উপমহাদেশের পূর্বাঞ্চল তথা বাংলা শুধু ভারতই নয় তদানীন্তন বিশে^র শস্যভাণ্ডারে পরিণত হয়। এ সমস্ত ওলি আউলিয়াগণের প্রচেষ্টাকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে ইখতিয়ার উদ্দিন ইবনে বখতিয়ার খিলজী থেকে শুরু করে বাংলার শেষ মুসলমান শাসকগণ পর্যন্ত তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করে গেছেন। এ প্রসঙ্গে অনেক বিদেশী পর্যটক ও নিরপেক্ষ ঐতিহাসিকগণ অনেক মূল্যবান তথ্য উপাত্ত উপস্থাপন করেছেন। এসব তথ্য থেকে জানা যায় ষোড়শ শতাব্দীর শেষ নাগাদ দক্ষিণ ও পূর্ব বাংলা এতো বেশি খাদ্যশস্য উৎপাদন করতে লাগলো যে, প্রথমবারের মতো ধান একটি গুরুত্বপূর্ণ রফতানিকারক শস্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলো। দুটি সমুদ্রবন্দর পূর্বে চট্টগ্রাম এবং পশ্চিমে সাতগাঁও থেকে ভারত মহাসাগর দিয়ে পশ্চিমে গোয়া পর্যন্ত এবং পূর্বে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার মালাক্কা পর্যন্ত চাল রফতানি হতে লাগলো। ১৫৬৭ সালে সিজার ফেডেরিসি অভিমত প্রকাশ করেন যে “সন্দ্বীপ পৃথিবীর মধ্যে উর্বরতম দ্বীপ হিসেবে গণ্য হতে পারে এবং কেউ সেখান থেকে এক বস্তা সরু চাল প্রায় বিনা মূল্যেই পেতে পারে।” ঈসা খাঁ সোনারগাঁওয়ের শাসনকর্তা থাকার সময় রালফফিড লিখেন “এখান থেকে প্রচুর পরিমাণে তুলা ও চাল জমা হয় এবং তা ভারত, শ্রীলঙ্কা, পেরু, মালাক্কা, সুমাত্রা ও অন্য আরও অনেক দেশে পাঠানো হয়।” ফ্রানকোইস পাইরার্ডের বর্ণনায় জানা যায় বাংলায় প্রচুর পরিমাণে চাল আছে যা সারা দেশে সরবরাহের পরও গোয়া ও মালাবারসহ ভারতের সর্বত্র এবং সেই সাথে সুমাত্রা, মালাক্কা ও সান্দা দ্বীপুঞ্জের সর্বত্র রফতানি করা হয়, এদের সবার জন্য বাংলা হলো লালনকারী মা, যে তাদের প্রাণ রক্ষাকারী পুরো খাদ্যসামগ্রী সরাবরাহ করে। (Subrahmanyam, Notes,” 268. Federici, Extracts,” 137. Francois Pyrard, The Voyage of Francois Pyrard of Laval to the East Indies, the Maldives).
মোগলদের অধীনে উদ্বৃত্ত চালের রফতানি শুধু অব্যাহতই থাকেনি বরং বেড়েছিল। সন্ন্যাসী মানরিক উল্লেখ করেছেন, প্রতিদিন শতাধিক জাহাজ চাল ও অন্যান্য খাদ্যদ্রব্য বোঝাই হয়ে বাংলার বন্দর ত্যাগ করে সমুদ্রপথে বিদেশে রফতানির জন্য পাড়ি দিত। (S. Arasaratnam, æthe Rice Trade in Eastern India, 1650-1740,” Manrique, Travels 1:56)। এ কথা সর্বজনবিদিত যে, মোগল আমলে বাংলার সুবেদার নওয়াব শায়েস্তা খাঁর সময় প্রতি টাকায় ৮ মণ করে চাল পাওয়া যেতো।

খাদ্যশস্য ছাড়াও বাংলার অন্যান্য কৃষিপণ্য ও কৃষিজাত পণ্য থেকে উৎপাদিত সামগ্রী যেমন বস্ত্র, সিল্ক সুতা ইত্যাদি দ্রব্যাদি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রফতানি হতো। এ ক্ষেত্রে দেখা যায় বিশ^বাণিজ্যের পাল্লায় বাংলার স্থান ছিল সর্বশীর্ষে। দশম শতাব্দীতে মুসলিম অগ্রাভিযানের সূচনালগ্নেই স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পণ্য সামগ্রীর মধ্যে বস্ত্রখাতটি প্রসিদ্ধ হয়ে পড়েছিল, কিন্তু তা সত্ত্বেও মুসলিম বিজয়ের পরে বস্ত্র সামগ্রীর উৎপাদনের ব্যাপকতা ও বৈচিত্র্য নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পায়। ত্রয়োদশ শতকের শেষভাগে মার্কো পলো বাংলার সুতার বাণিজ্যিক গুরুত্বের কথা উল্লেখ করেন এবং ১৩৪৫ থেকে ১৪৩২ সাল পর্যন্ত চীনা কূটনীতিকরা বাংলার সূক্ষ্ম সুতিবস্ত্র, গালিচা, বিভিন্ন বর্ণের নিকাব, মিহিপর্দা, পাগড়ির সামগ্রী, নকশা করা সিল্ক এবং বুটিদার টাফেটা উৎপাদনের কথা লিখেছেন। এক শতাব্দী পর ১৫০৩ থেকে ১৫০৮ সাল পর্যন্ত গৌড়ে অবস্থানকারী লুদি ভিকোডি ভার্থেমা লিখেছেন, এখানে প্রতি বছর ৫০টি জাহাজে সুতি ও সিল্ক সামগ্রী বোঝাই করা হয় যা তুরস্ক, সিরিয়া, ইরান, আরব উপদ্বীপ, ইথিওপিয়া ও সমগ্র ভারতে চালান দেয়া হয়। (The Book of Marco polo. Ibn Battota. Rockhill Notes on the relations 439-40, 443-44. Wdovicodtvarthema)। বাংলার সেই সোনালি ঐতিহ্য আবার ফিরে আসুক এ কামনাই করি। সূত্র: (The Rise of Islam and the Bengal Frontier (1204-1760), Written in English by pro. Richard M. Eaton.)

লেখক : গবেষক ও ইসলামী চিন্তাবিদ

SHARE

Leave a Reply