post

নৈতিক মূল্যবোধ বিকাশ ও বিনির্মাণে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের করণীয়

ড. আ. জ. ম. ওবায়েদুল্লাহ

০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩

(গত সংখ্যার পর)

মূল্যবোধ বা নৈতিক চেতনা ব্যক্তি সমাজ ও রাষ্ট্রের সকল পর্যায়ে একটি আবশ্যিক বিষয়। ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ রাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক বলয়ের একটি একক। ব্যক্তি সুন্দর, সাহসী, উদ্যমী, কল্যাণমুখী, সৎ ও দেশপ্রেমী হলেই তা সমাজ বা রাষ্ট্রের এক একটি এককের মতো যুথবদ্ধ হয়ে কাক্সিক্ষত সমাজ ও রাষ্ট্র বিনির্মাণ করতে পারে। বিষয়টিকে একটু ভেঙে বললে দাঁড়ায় এরকম : 

প্রতিটি মানুষ সমাজ বা রাষ্ট্রের একক। যেমন অসংখ্য ইট বা পাথর মিলে গড়ে তুলে একটি দালান। ইট বা পাথর মজবুত হলে দালান মজবুত হবে। ঠিক তেমনি ব্যক্তি ভালো হলে, মজবুত হলে সমাজ বা রাষ্ট্র মজবুত হবে। 

এজন্য মানুষের জন্মের পর থেকে পর্যায় ক্রমিকভাবে তার পরিবারের সদস্যগণ ব্যক্তি হিসেবে, পরিবার বা সমাজ সামষ্টিক শক্তি হিসেবে এবং রাষ্ট্রবিষয়ক কাঠামো হিসেবে তার জীবনকে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বিশাল ভূমিকা রাখে। মূলত  আমরা প্রত্যেকেই নিয়মের অধীন থেকে মূল্যবোধ দ্বারা প্রভাবিত হয়ে গড়ে উঠি। 


ব্যক্তি হিসেবে আমাদের ভূমিকা কী?

রাসূলে আকরাম সা. বলেছেন- “প্রতিটি মানুষ স্বভাবগতভাবে মুসলিম (আত্ম সমর্পিত) হয়ে জন্মগ্রহণ করে কিন্তু তার পারিপার্শ্বিকতা তাকে ইহুদি, খ্রিষ্টান বা মুশরিক বানায়।” (বুখারি : ১৩৮৫)। প্রতিটি মানুষের মধ্যে আল্লাহ বিবেকবোধ জাগিয়ে রেখেছেন, সেখান থেকেই সত্য, মিথ্যা, ভুল-ভ্রান্তি, ভালো ও মন্দ বুঝতে পারে। বয়সের সাথে সাথে এ বোধ শাণিত হওয়াটাই স্বাভাবিক। একজন শিশু ধীরে ধীরে বড় হয়। এই ধীরে ধীরে বড় হওয়ার বিষয়টিতে তার চারিদিক অবস্থানরত ব্যক্তি মানুষগুলোর একটি প্রভাব রয়েছে। শিশুটি শারীরিক, মানসিক ও আত্মিকভাবে বেড়ে উঠতে থাকে। শারীরিকভাবে গড়ে ওঠার জন্য প্রয়োজন হয় সুষম খাবার, প্রয়োজনীয় ঘুম, শারীরিক কসরত, অসুস্থতায় চিকিৎসা ও পথ্য। ঠিক তেমনি মানসিকতার গড়ে ওঠার জন্য চাই পরিবারের সদস্যদের সুন্দর পরিবেশ, স্নেহ, প্রীতি, ভালোবাসা। বিভিন্ন সামাজিক ও পারিবারিক অনুষ্ঠান (বই পড়া, গান শোনা, গল্প-নাটক পড়া) যা তার ভেতর মানসিক বোধসমূহকে (mental faculty) জাগ্রত করে। আর তার আত্মাকে জাগরিত করার জন্য চাই ধর্ম-বোধ ও ধর্মীয় প্রেরণা সমূহ। এই সব কয়টি বিষয়ে একজন মানুষের বিকাশের জন্য ব্যক্তি হিসেবে আমাদের  সবার কিছু না কিছু ভূমিকা থাকে। একবার চিন্তা করে দেখুন, আমরা প্রত্যেকেই কখনো বাবা, কখনো ভাই, কখনো দাদা, কখনো চাচা, কখনো মামা, কখনো বন্ধু, কখনো পাড়ার মুরুব্বি-  কোনো না কোনো পরিচয়ে অন্যের সাথে অবস্থান করি। আর আমাদের পারস্পরিক সম্পর্ক-সূত্র নির্ভর করে আমাদের লালিত মূল্যবোধের ওপর।

একটি সুনির্দিষ্ট বিষয়ে কথা বলছি- যদি আমি কোনো ধর্ম পালন করি তাহলে আমার মধ্যে ধর্মের জীবনবোধ, বিশ্বাস, আচার-অনাচারসহ সামগ্রিক বিষয়গুলো প্রতিফলিত হবে। আর এরই সরাসরি প্রভাব পড়বে আমার সন্তান, পাড়া-প্রতিবেশীসহ সবার ওপরে। অর্থাৎ ব্যক্তি হিসেবে আমার সকল কিছু আমার সাথে সম্পৃক্ত প্রতিটি মানুষের জীবনে প্রভাব ফেলবে- এটাকে এড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার কোনো উপায় নেই। 

মূল্যবোধ বিষয়টি যতটা তাত্ত্বিক তার চাইতে বহুগুণে তা প্রায়োগিক ও ব্যবহারিক। ধর্ম শেখালো মিথ্যা বলা মহাপাপ। মিথ্যা সকল পাপের মা। সদা সত্য কথা বলব কখনো মিথ্যা বলব না। 

মুখে এ কথাগুলো আওড়ানো খুবই সোজা। কিন্তু বাস্তবে সত্যের উপর অটল-অবিচল থাকা চাট্টিখানি কথা নয়। সত্য বললে যদি মা, বাবা, পরিবারের কোনো সদস্যের ক্ষতি হয়ে যায় তাহলে খুব কম লোকই সত্যের পক্ষ নেবে। অনেক সময় সত্য আড়াল করলে ব্যক্তি বা পরিবারের অনেক পার্থিব লাভ হতে পারে। ক’জনে সেই লাভের লোভ ত্যাগ করতে পারে?

* ব্যক্তিগতভাবে আমাদের প্রথম দায়িত্ব হচ্ছে ধর্মীয়, জাতীয় ও পারিবারিক মূল্যবোধসমূহ ধারণ, লালন ও চর্চা করা- যাতে করে আমাকে দেখে অন্যরা তা চর্চা করতে শেখে। আপনি আচরি ধর্ম পরেরে শেখাও। বিশ্বাসে মিলায় ধর্ম, তর্কে বহুদূর। বংশ পরম্পরায় আমাদের মাঝে মূল্যবোধ প্রবহমান থাকে। সাধারণত  সন্তানেরা বাবা মায়ের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যসমূহ পেয়ে থাকে। এ জন্য বলা হয়- বৃক্ষ কী তোর নাম? ফলে পরিচয়। গাছ তোমার নাম কী? ফলেই পরিচয়। 

* আমাদের দ্বিতীয় কাজ হলো কথা ও কাজের অমিল দূর করা। শিশু-কিশোরেরা অনুসরণ ও অনুকরণপ্রিয়। মা-বাবা যা কিছু করে তারা তা-ই অনুসরণ করে। এজন্য ইংরেজিতে বলে- example is better than precept. একটি উদাহরণ হাজারো তত্ত্ব কথার চেয়ে উত্তম। সততা, সাহসিকতা, দয়া মায়াসহ সকল মূল্যবোধ কেবলমাত্র বাস্তব জীবনে প্রতিফলনের মাধ্যমে শেখানো যায়। 

* পরিবার ও সমাজের একজন সদস্য হিসেবে আমাদের অন্যতম ভূমিকা হলো সামষ্টিক জীবনে মূল্যবোধ লালন বা অন্য কথায় মূল্যবোধভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা। কোনো পরিবার বা সমাজের একজন ব্যক্তিও যদি মূল্যবোধ লালন করে তাহলে সবার ওপরে তার একটি ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। মূল্যবোধে উজ্জীবিত মানুষ প্রস্ফুটিত ফুলের ন্যায়। তার বিন্যস্ত বিকাশ, রঙের বাহার ও চমৎকার ঘ্রাণ সবাইকেই মোহিত ও চমকিত করে।

* মূল্যবোধ সমূহ প্রধানত তিনটি উৎস থেকে আমাদের মাঝে গড়ে ওঠে। প্রথমত : ধর্মগ্রন্থ। প্রতিটি মানুষের উচিত তার ধর্মীয় বিধি-বিধানসমূহ জানা। একটি পরিবারের সকল সদস্য যখন এ বিধান জানাবেন ও মানবেন তখন পুরো পরিবারটিই ধর্মীয় মূল্যবোধভিত্তিক হয়ে গড়ে উঠবে। এর দ্বিতীয় উৎস : আন্তর্জাতিক নীতিমালা, সেখানে মৌলিক মানবিক অধিকারসমূহ বলা আছে। এটিকে আমরা Human Rights বলে থাকি। এসব অধিকার জানা, চর্চা করা ও অন্যের অধিকার রক্ষা করা সমাজকে উন্নত সমাজে পরিণত করে। আর তৃতীয় উৎস : দেশের সংবিধান সংক্রান্ত ধারণা। একবার ভেবে দেখুনতো আমাদের দেশের কত শতাংশ মানুষ এ বিষয়ে সচেতন?


মূল্যবোধ গঠন, চর্চা ও সংরক্ষণ বা সমাজের দায়িত্ব কী?

এ পর্যায়ে আমরা বুঝতে চেষ্টা করবো পরিবার ও সমাজেেক। সমাজের ক্ষুদ্রতম একক পরিবার। সহজ কথায়- মা, বাবা, ভাই-বোন, ছেলে মেয়ে একত্রিত হয়ে গড়ে উঠে পরিবার। এর সাথে অন্যদিক থেকে চলে আসা বিবাহ প্রথা জড়িত। মহান ¯্রষ্টা মানুষকে নারী ও পুরুষে ভাগ করে সৃষ্টি করেছেন। তাঁর ভাষায়- আর আমরা একজন নারী ও একজন পুরুষ থেকে তোমাদের সৃষ্টি করেছি। অতঃপর বিভক্ত করেছি নানা গোত্র ও জাতিতে বিভক্ত করেছি কেবলমাত্র পরিচিতির জন্য। অবশ্যই তোমাদের মধ্যে আল্লাহকে যারা ভয় করে তারাই উত্তম।” (সূরা হুজুরাত : ১১)। পৃথিবীর প্রথম মানব আদম আ. এবং প্রথম মানবী হাওয়া আ.। তাদের দু’জনকে আল্লাহ জোড়া হিসেবে বানালেন, স্বামী-স্ত্রী হিসেবে মর্যাদা ছিলেন। তাদের উভয়ের মিলনের মধ্য দিয়ে জন্ম নিলো, কাবিল ও তার বোন, হাবিল ও তার সাক্ষী অপর বোন। এভাবেই কাবিলের সাথে বিয়ে হলো হাবিলের সাথে জন্ম নেওয়া বোনের আর হাবিলের সাথে বিয়ে হলো কাবিলের জন্ম নেয়া বোনের। আস্তে আস্তে মানব বংশের বিস্তার শুরু হলো। সেখান থেকেই আজ পৃথিবীতে কয়েক শ’ কোটি মানবসন্তান জীবিত আর তারা বিভক্ত অজস্র পরিবারের মধ্যে। 

বিশ্ব সভ্যতার নানা উত্থান পতনের পথ ধরে আজ আমরা এক বিচিত্র জীবনের সাথে পরিচিত। এখন পরিবার হয়ে গেছে নানা ধরনের। কেউ কেউ এখন কেবল মাত্র-স্বামী-স্ত্রীর সংসার চায়। এটিকে তারা বলছে ক্ষুদ্র পরিবার। কোনো সন্তান চায় না তারা। ইদানীং বিশ^ব্যাপী শুরু হয়েছে আরেকটি ধারা (Trend) যা কিনা সিঙ্গেল ফ্যামিলি বা সিঙ্গেল প্যারেন্টহুড। আমরা আগে পরিচিত ছিলাম একান্নবর্তী পরিবারের সাথে। দাদা-দাদি, বাবা-মা, চাচা-চাচি, ভাইবোন। চাচাতো ভাই-বোনসহ ছিল বন্ধনযুক্ত সব সুন্দর পরিবার। কী অপূর্ব শ্রদ্ধা-স্নেহ ও মায়ার বাঁধন ছিল পরস্পরের মধ্যে। অথচ এখন বিস্তৃত-পরিবার (extended family) যেন কোথাও হারিয়ে যাচ্ছে।

পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক-সূত্রটি অনেক রসায়নে গড়া। পারস্পরিক দায়িত্ববোধ, কর্তব্যপরায়ণতা, অধিকার ইত্যাদি ক্রিয়াশীল হয়ে পরিবারকে এক অসম্ভব সুন্দর নীড় হিসাবে গড়ে তোলে। 

কুরআনে পারিবারিক সম্পর্ক সংক্রান্ত চমৎকার বর্ণনা রয়েছে সূরা লোকমানে, সেখানে লোকমান আ. তাঁর সন্তানকে চমৎকার সব নসিহত করেছেন। উল্লেখ রয়েছে ইবরাহিম আ. এর কাহিনী ও ইসমাঈল আ. এর। ত্যাগের বর্ণনা রয়েছে হযরত ইউসুফ আ. ও তার ভাইদের কাহিনী। এসব বর্ণনা থেকে আমরা অনেক চমৎকার মূল্যবোধ সম্পর্কে জানতে পারি।

পরিবারের সদস্যদের মাঝে ইসলামী মূল্যবোধ জাগ্রত করতে হলে সমাজ ও পরিবারকে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো বিবেচনায় আনতে হবে।

এক. পারিবারিক জীবনে ইসলামের অনুশাসনসমূহ মেনে চলার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো। এসব নিয়ে আজকাল অনেক সুন্দর সুন্দর বই রয়েছে- ইসলামের পারিবারিক জীবন/বিধান শিরোনামে।

দুই. ঘরে ঘরে সন্তান-সন্ততির জন্য কুরআন শিক্ষার ব্যবস্থা করুন। যতদূর সম্ভব পাড়ার মসজিদে বা বাড়িতে মক্তব চালু করুন। মক্তব থেকেই সন্তানগণ কুরআন শুদ্ধ করে পড়তে শেখবে। আয়াতসমূহ মুখস্থ করবে এবং আদব-কায়দা রপ্ত করবে। 

তিন. ঘরের বাইরে যেতে বা ঘরে ঢুকতে সালাম দিন। সালাম কে আগে দেবে তার একটা প্রতিযোগিতা চালু করুন। সাহাবিরা যেমন আড়াল হলেই আবার দেখা হলে সালাম দিতেন তেমনি সালাম দিন।

চার. সন্তানদের ইসলামী নাম রাখুন। অর্থহীন নাম পরিহার করুন। সুন্দর ও সহজ নাম রাখুন। আল্লাহ ও রাসূলের নামের সাথে সঙ্গতি রেখে নাম রাখুন। নাম বিকৃত করা থেকে নিজে বিরত থাকুন, অন্যকে বিরত রাখুন।

পাঁচ. ছোট থেকেই ছেলেমেয়েদের ভেতর পর্দার অনুভূতি তৈরি করে মাহরাম বা গায়ের মাহরামের ধারণা দিন। ১৪ জন মাহরাম নারী ও পুরুষ সম্পর্কে কুরআনের ধারণা বুঝিয়ে দিন। পোশাক-আশাক, কথা-বার্তা ও চাল-চলনে শালীনতা বজায় রাখার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

ছয়. ছোটদের বেডরুমে যেতে অনুমতি নিন। তাদেরকে অন্যের রুমে যেতে অনুমতি নেওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

সাত. সব-সময় বড়দের শ্রদ্ধা করুন, ছোটদের আদর করুন যাতে ওরাও আপনাকে দেখে শিখিতে পারে।

আট. সবাইকে সাথে নিয়ে উপভোগ করা যায় এমন অনুষ্ঠানসমূহ সবাইকে নিয়ে উপভোগ করুন। এসব ক্ষেত্রে সেন্সর করতে অভ্যস্ত হোন।

নয়. ছোটদের হাত দিয়ে দান-সাদকা করুন তাতে ওরা দান করা ও দয়া করা শেখবে, অন্যের দুঃখে দুঃখী হতে শেখবে।

দশ. ছোটদের সাথে নিয়ে জামায়াতে শরিক হোন। মসজিদে যেতে না পারলে ঘরে জামায়াত করুন। নামাজ শেষে কিছুটা সময় কুরআন-হাদিস নিয়ে বা কোনো ভালো বিষয় নিয়ে আলোচনা করুন।

এগারো. ফজর বা এশার নামাজের পর পারলে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে হেঁটে আসুন।

বারো. মাসে কমপক্ষে একবার পারিবারিক বৈঠক করুন। দারসুল কুরআন/হাদিস, পরিবারের সদস্য, পারিবারিক কোনো অনুষ্ঠান কিংবা পারস্পরিক পর্যালোচনা এসব বৈঠকের এজেন্ডা হতে পারে।

তেরো. বড় পরিবারে মাঝে মাঝে বিশেষ বিশেষ দিবসে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান, স্মৃতিচারণ, ইত্যাদি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা যায়। এছাড়া এলাকায় বা শহরে কোনো অনুষ্ঠান হলে সবাইকে নিয়ে অংশ-গ্রহণ করা যায়।

চৌদ্দ. এ ছাড়াও পরিবার গঠনে কাজে লাগতে পারে এমন কর্মসূচি আয়োজন করা যায়, যেমন প্যারেন্টিং কর্মসূচি।

পনেরো. সামাজিকভাবে সমাজকে মূল্যবোধের ওপর টিকিয়ে রাখার জন্য মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর বা অন্যসব উন্নত মুসলিম দেশের ন্যায় মসজিদভিত্তিক সমাজ গড়ার কর্মসূচি নীতি নেওয়া যায়। 

এভাবেই ব্যক্তি ও সমষ্টির মাঝে মূল্যবোধ জাগ্রত করতে পারলে সমাজ বদলে যাবে একদিন। তাখনই চারিদিকে দেখবো ফুলেদের হাসি, পাখিদের গান, মানব শিশুদের জীবনে ঐকতান।

(চলবে)

লেখক : বিশিষ্ট গবেষক, সংগঠক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব

আপনার মন্তব্য লিখুন

কপিরাইট © বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির