post

বাংলা ভাষায় সিরাতচর্চা ও কয়েকটি অনন্য সিরাতগ্রন্থ

ড. ফজলুল হক তুহিন

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩

সর্বকালের সমস্ত মানুষের মাঝে, সব নবী-রাসূলের মধ্যে যিনি সর্বশ্রেষ্ঠ, সমস্ত সৃষ্টিকুলের মধ্যে যিনি রহমতস্বরূপ তিনি আমার প্রিয় রাসূল মুহাম্মদ সা.। প্রধান আসমানি কিতাবসমূহে তাঁর সম্পর্কে আগাম বার্তা প্রেরণ করা হয়েছে। তাঁর জীবন ও কর্ম নিয়ে জ্ঞান, সংস্কৃতি ও কর্মজগতে অনুসন্ধানের কোনো শেষ নেই। পৃথিবীতে আর কোনো নবী বা মনীষী নিয়ে এত গবেষণা ও গ্রন্থ রচিত হয়নি; সম্ভবত আর হবেও না। বিশ্বের অধিকাংশ ভাষায় সবকটি মহাদেশে তাঁকে নিয়ে অজস্র কাজ প্রতিনিয়ত হয়ে আসছে। বিগত দেড় হাজার বছরে ধর্ম-বর্ণ-দেশ-কাল-পাত্র নির্বিশেষে অসংখ্য লেখক, কবি, চিন্তক, ভাষাবিদ, শিক্ষক, সমাজবিদ, শিক্ষাবিদ, সমরবিদ, গবেষক, রাষ্ট্রনায়ক, এমনকি তাঁর বিরুদ্ধবাদীরাও তাঁর জীবনী লিখেছেন। রাসূলের মৃত্যুর পর থেকেই এখন পর্যন্ত অসংখ্য সিরাতগ্রন্থ বাংলা ভাষায়ও রচিত হয়েছে। বিখ্যাত-অখ্যাত কাব্যে-গদ্যে নানা আঙ্গিকে সিরাতচর্চা হয়েছে এবং বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে। সেইসাথে তাঁর প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর প্রতিটি কথা, কর্ম ও মুহূর্তের বর্ণনা নির্ভরযোগ্য ধারাবাহিক সনদে সঙ্কলন ও সংরক্ষণ করতে সক্ষম হয়েছেন সিরাত রচনাকারীরা যা কেয়ামত পর্যন্ত আলো ছড়িয়ে যাবে। 

প্রিয়নবী ছিলেন ইসলামের সর্বশেষ নবী। মানবজাতির কল্যাণের প্রতীক হয়ে আগমন করেন পৃথিবীতে। বিশ্ববাসীকে আহ্বান করেন কল্যাণের পথে, বিরত রাখেন সমূহ অকল্যাণ থেকে। প্রিয়নবীর সব কথা ও কাজকে অনুসরণ করতে বলা হয়েছে: ‘যে ব্যক্তি রাসূলের আনুগত্য করলো, সে যেন আল্লাহর আনুগত্য করলো।’ (সূরা নিসা: ৮০)। অন্যদিকে আল্লাহর ভালোবাসা পেতে হলেও তাঁকে অনুসরণ করতে হবে: ‘বলুন, যদি তোমরা আল্লাহকে ভালোবাসতে চাও, তবে আমার অনুসরণ করো; তাহলেই আল্লাহ তোমাদের ভালোবাসবেন এবং তোমাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেবেন। আর আল্লাহ হলেন ক্ষমাশীল দয়ালু।’ (সূরা আলে-ইমরান : ৩১)। আর মানুষের জন্য সর্বোত্তম আদর্শ হলো তাঁর জীবন: ‘আল্লাহর রাসূলের জীবনই হলো তোমাদের জন্য সর্বোত্তম আদর্শের নমুনা।’ (সূরা আহজাব : ২১)। তাই বর্তমান সময়ের সকল সমস্যা সমাধানে তাঁর সর্ব মানবীয় গুণাবলির আধার জীবনপ্রবাহ অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত। এই জীবনীচর্চাও সেদিক থেকে আবশ্যক। প্রাথমিক যুগে উল্লেখযোগ্য এবং বিখ্যাত সিরাতগ্রন্থের মধ্যে কয়েকটি হলো: ‘সিরাতে ইবনে ইসহাক’, ‘সিরাতে ইবনে হিশাম’, ‘আল-মাগাজি’, ‘আত-তারিখ ওয়াল মাগাজি’, ‘আত-তারিখ ওয়াল উমাম’, ‘তাহজিবুস সিরাহ আন-নাবাবিয়্যাহ’, ‘আল-মাগাজি’, ‘আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া’, ‘সহিহ আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যা’, ‘আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যা’, ‘আর রাহিকুল মাখতুম’ ও ‘সিরাতে হালাবিয়া’। আধুনিক যুগে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রাচ্য-পাশ্চাত্যে নানা ভাষায় বিষয়বৈচিত্র্যে অনন্য সিরাতগ্রন্থ প্রকাশ হচ্ছে নিয়মিত। মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগ মিলিয়ে বাংলা ভাষায় অসংখ্য সিরাতগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে।


২.

মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মুসলিম কবিদের কাব্যসূচনায় আল্লাহ ও রাসূলের নাম ও গুণ-কীর্তন করা হতো। আর মহাকবি সৈয়দ সুলতানের মহাকাব্যিক ‘নবী বংশ’ সিরাতগ্রন্থকে পথপ্রদর্শক বলা যায় সহজে। আধুনিক যুগে বাংলা সাহিত্যে সিরাতচর্চা হয়েছে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে। উল্লেখযোগ্য ও স্বীকৃত সিরাতগ্রন্থগুলোর মধ্যে শেখ আব্দুর রহিমের ‘হযরত মুহাম্মাদ’, রামপ্রাণ গুপ্তের ‘হযরত মোহাম্মদ’, শেখ ফজলুল করিমের ‘পরশমণি’, কৃষ্ণকুমার মিত্রের ‘মহম্মদ চরিত’, আবুল হোসেনের ‘হযরত মোহাম্মদের জীবন’, খান বাহাদুর তসলিমুদ্দীন আহমদের ‘সম্রাট পয়গম্বর’,  রিয়াজুদ্দিনের ‘হযরত মুহাম্মাদ মুস্তফা সা.’, তসলিমুদ্দিনের ‘সম্রাট পয়গাম’, মুন্সি বুরহানুল্লাহ ওরফে চেরাগ আলীর ‘হায়াতুন্নবী’, মুন্সী মোহাম্মদ জমিরুদ্দীনের ‘শ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ও পাদ্রীর ধোঁকা ভঞ্জন’, শেখ আবদুর রহিমের ‘হযরত মোহাম্মদের জীবনচরিত ও ধর্মনীতি’, শেখ আবদুল জব্বারের ‘হযরতের জীবনী’, গিরিশচন্দ্র সেনের ‘মহাপুরুষ চরিত’, সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরীর ‘মৌলুদ শরীফ’, মুহম্মদ আযহারুদ্দীনের ‘আরবের আলো’, এয়াকুব আলী চৌধুরীর ‘নূর-নবী’ ও ‘মানব মুকুট’, কাজী নজরুল ইসলামের ‘মরু ভাস্কর’, শেখ ফজলুল করিমের ‘নবীজীর যুদ্ধাবলী’, ড. মুহাম্মাদ শহিদুল্লাহর ‘শেষ নবীর সন্ধানে’, কবি গোলাম মোস্তফার ‘বিশ^নবী”, মাওলানা আকরম খাঁর ‘মুস্তফা চরিত’, মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলীর ‘মরুভাস্কর’, খান বাহাদুর আহসানুল্লাহর ‘ইসলাম ও আদর্শ মহাপুরুষ’, মৌলানা আবদুল খালেকের ‘ছাইয়েদুল মুরছালিন’, মওলানা ফজলুল করিমের ‘আদর্শ মানব’, হাবীবুল্লাহ বাহারের ‘ওমর ফারুক’, কাজী আবদুল ওদুদের ‘হযরত মোহাম্মদ ও ইসলাম’, ড. গোলাম মকসুদ হিলালীর ‘হযরতের জীবনী’, মাওলানা তফাজ্জল হোসাইন রচিত ও ড. মুজতবা হোসাইন সম্পাদিত ‘মুহাম্মাদ সা. : সমকালীন পরিবেশ ও জীবন’, কবি সৈয়দ আলী আহসানের ‘মহানবী’, কবি আল মাহমুদের ‘মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)’, মাওলানা মুফতী শফীর ‘শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় হযরত মুহাম্মদ (সা.)’, হাফেজ মুনির উদ্দীন আহমদের ‘ছোটদের বিশ্বনবী’, খাদিজা আখতার রেজায়ীর ‘চাঁদের চেয়ে সুন্দর’, কবি মোশাররফ হোসেন খানের ‘ছোটদের বিশ্বনবী’, অধ্যাপক মুহাম্মদ আকরাম খানের ‘মহানবীর (সা.) অর্থনৈতিক শিক্ষা’, মুহাম্মদ আমীমুল এহসানের ‘মানবতার মহান শিক্ষক হযরত মুহাম্মদ’, ড. মুহাম্মদ নুরল ইসলামের ‘বৈজ্ঞানিক মুহাম্মদ’, ড. ওসমান গনির ‘মহানবী’, ড. এ কে এম ইয়াকুব আলীর ‘সারওয়ার-ই-কায়েনাত মুহাম্মদ সা.’ ও কবি সায়ীদ আবুবকরের মহাকাব্য ‘নবিনামা’ অন্যতম। এইসব সিরাতগ্রন্থ প্রমাণ করে আল্লাহর বাণী: ‘আমি আপনার আলোচনাকে সমুচ্চ করেছি, সমুন্নত করেছি।’ (সূরা আল ইনশিরাহ : ৪)। 


৩.

বাংলা ভাষায় রচিত অসংখ্য সিরাতগ্রন্থের মাঝে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এবং পাঠক মহলে জনপ্রিয় হয়েছে বেশ কয়েকটি গ্রন্থ- কবি গোলাম মোস্তফার ‘বিশ্বনবী’, মাওলানা আকরাম খাঁর ‘মুস্তফা চরিত’, মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলীর ‘মরুভাস্কর’, এয়াকুব আলী চৌধুরীর ‘নূর-নবী’ ও ‘মানব মুকুট’, কাজী নজরুল ইসলামের ‘মরু ভাস্কর’, সৈয়দ আলী আহসানের ‘মহানবী’ অন্যতম। বাংলা ভাষার পাঠকের জন্য সাবলীল, প্রাঞ্জল, সুললিত, মাধুর্যমণ্ডিত, কাব্যময় ভাষায় এসব মহৎ লেখক মহানবীর জীবন, দর্শন, সংস্কৃতি, সমাজ, কর্মসহ জীবনের সমস্ত দিক-দিগন্ত সুবিন্যস্ত করেন। 


মুস্তফা চরিত 

মুহাম্মদ আকরম খাঁ একজন শক্তিমান ও মননশীল সাহিত্যিক। সুবৃহৎ এই জীবনীগ্রন্থ গতানুগতিক কোনো জীবনধারার গ্রন্থ নয়। ভক্তি ও আবেগের বদলে যুক্তি, বুদ্ধি, তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে নবীর জীবন ব্যাখ্যা করেন; সেইসাথে কুরআনের বর্ণনার আলোকে ও দলিলের সূত্রে তিনি নির্মোহভাবে সিরাত রচনা করেন। সমগ্র সিরাতগ্রন্থের মাঝে এই অনন্য সিরাতের আলাদা এক মূল্য আছে। একটি অনুচ্ছেদ: 

“হজরতের উৎসাহ ও উদ্যমের সীমা নাই। আত্মবিশ্বাসহীন ভণ্ড বা দুর্বলচেতা লোকেরা প্রাথমিক অকৃতকার্যতায় বিহ্বল হইয়া পড়ে। কিন্তু অনাবিল সত্য ও অবিচল আত্মবিশ্বাস লইয়া যে সকল মহাপুরুষ কর্তব্যের জন্যই কর্তব্য পালনে অগ্রসর হন, তাঁহাদের সাফল্যের কল্যাণ-সৌধ অকৃতকার্যতার ভিত্তির উপরই নির্মিত হইয়া থাকে। কারণ, প্রথমোক্ত ব্যক্তিগণ অকৃতকার্যতার প্রাথমিক আঘাতে যখন মুহ্যমান হইয়া পড়ে, তখন সত্যের সেবকগণ অধিকতর উৎসাহ, অধিকতর সাহস ও অধিকতর দৃঢ়তা সহকারে কর্মক্ষেত্রে অগ্রসর হইয়া থাকেন। সত্যের মহাসেবক ও কর্তব্যের মহাসাধক হজরত মোহাম্মদ মোস্তফার জীবন ইহার পূর্ণতম আদর্শ। আত্মীয়-স্বজনগণের এই উপেক্ষা ও দুর্ব্যবহারে তিনি একটুও চঞ্চল বা ক্ষুব্ধ হইলেন না, বরং তাঁহার উদ্যম আরও বাড়িয়া গেল।”

বিশ্বনবী

কবি গোলাম মোস্তফা একজন বড় মাপের শক্তিমান কবি; তাঁর সমস্ত কাব্যশক্তি দিয়ে কল্পনাপ্রতিভা কাজে লাগিয়ে অন্তরের সব ভালোবাসা ও আবেগ ঢেলে কবি এই জীবনীগ্রন্থ রচনা করেন। সূচনায় মহানবীর আবির্ভাবের মহাজাগতিক ব্যঞ্জনা যে ভাষায় প্রকাশ করেন তা সমগ্র বাংলা সাহিত্যে অতুলনীয় ও বিরল। দর্শন, ইতিহাস, প্রকৃতি, মানুষ ও মহাবিশ্ব যেন একসূত্রে এই মহাআবির্ভাবকে সুস্বাগতম জানিয়েছে। এই বইয়ে রাসূলের জীবনপ্রবাহ, ইসলামের প্রচার ও বিস্তৃতি অত্যন্ত সুলিখিত ও সুখপাঠ্য আঙ্গিকে বিন্যস্ত। শেষে কিছু বিতর্কের যৌক্তিক ও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাও হাজির করেন লেখক। কিছু অংশ পাঠ করা যাক: 

বিশ্ব-জগৎ আজ নীরব। নিখিল সৃষ্টির অন্তর-তলে কি-যেন-একটা অতৃপ্তি ও অপূর্ণতার বেদনা রহিয়া রহিয়া হিল্লোলিত হইয়া উঠিতেছে। কোন্ স্বপ্ন সাধ আজও যেন তার মিটে নাই। যুগ-যুগান্তের পুঞ্জীভূত সেই নিরাশার বেদনা আজ যেন জমাট বাঁধিয়া দাঁড়াইয়া আছে। আরবের মরু-দিগন্তে মক্কা-নগরীর এক নিভৃত কুটিরে একটি নারী ঠিক এই সময়ে সুখস্বপ্ন দেখিতে ছিলেন। নাম তাঁর আমিনা।

তিনি দেখিতে ছিলেন : অসীম আকাশের ওপার হইতে জ্যোতির্ময় ফিরিশতারা যেন মিছিল করিয়া অগ্রসর হইতেছে। মুখে তাহাদের অপূর্ব উল্লাস, কণ্ঠে তাহাদের মারহাবা ধ্বনি কোন অনাগত পথিকের আগমন-মুহূর্ত যেন আসন্ন হইয়াছে। অনিমেষ নয়নে তাই তাহার আশা পথ চাহিয়া আছে। দিকে দিকে পুলক স্পন্দন জাগিয়া উঠিতেছে। চন্দ্রসূর্য, গ্রহতারা, আকাশ-বাতাস, নদ-নদী, বন-উপবন- সবাই আজ পুলকিত শিহরিত-হিল্লোলিত। একটা সার্থকতা ও পূর্ণতার সম্ভাবনায় সারা সৃষ্টি আজ চঞ্চল। গ্রহ-নক্ষত্র ছাড়িয়া আকাশ ভরিয়া মিছিল অবশেষে আরব গগনে আসিয়া দাঁড়াইলো। তারপর ধীরে ধীরে আমিনার কুটির-প্রাঙ্গণে অবতরণ করিল। এক অপূর্ব জ্যোতিতে ঘরখানি আলোকিত হইয়া গেল।


নূর-নবী

এয়াকুব আলী চৌধুরী একজন খ্যাতিমান ও শক্তিশালী গদ্যশিল্পী। তাঁর অমর সৃষ্টি ও অবিসংবাদিত রচনা ‘নূর-নবী’ ও ‘মানব মুকুট’। বিশেষভাবে ‘নূর-নবী’ ছোটদের উপযোগী ছোটদের কোমল-মধুর ভাষায় অসাধারণ ও অনুপম একটি গ্রন্থ। সহজ, সরল, মনোরম, সাবলীল ভাষায় কাব্যময়রূপে লিখিত এই বই ছোটদের জন্য অতুলনীয় বাংলা সাহিত্যে। শিশু-কিশোরদের উপযোগী শব্দ-উপমা-রূপক-দৃষ্টান্ত ব্যবহাওে ও কোমল উপস্থাপনায় লেখক যে দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন তা বিরল। সিরাতগ্রন্থ হিসেবে এর মূল্য অপরিসীম। 

সিরাত বা মহানবীর জীবনী রচনা করা মানে জগতের রহমত বা সর্বশ্রেষ্ঠ জীবনাদর্শকে উপস্থাপন করা। তাঁর জীবন ও কর্ম এতই বিস্তৃত, সুগভীর, কালোত্তীর্ণ, প্রভাববিস্তারী ও তাৎপর্যপূর্ণ যে পনেরো শত বছর পরেও এতটুকু আগ্রহ, গুরুত্ব ও আকর্ষণ কমেনি; বরং বেড়েছে। সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ, শেষনবী, বিশ্বনবী ও শ্রেষ্ঠ রসূল এমন এক জ্যোতির্ময় ব্যক্তিত্ব যে তাঁর মর্যাদা জমিন থেকে আসমান পর্যন্ত বিস্তৃত। তাঁর অনুসরণেই আগামীর শান্তিময় বিশ্ব নির্ভরশীল। 

লেখক : কবি ও গবেষক

আপনার মন্তব্য লিখুন

কপিরাইট © বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির